PDA

View Full Version : bangladeshi journalism


shovon13
March 7, 2006, 08:41 PM
is retarded. i've just read the sports sections of prothom alo, janakantha, and ajkerkagoj - and now i feel nauseous. EVERY single newspaper smelled conspiracy in mushfiq's selection to the team. i really dont feel like summarizing so many reports. but here are the sites -
prothom-alo.com
ajkerkagoj.com
janakantha.com

whats up with this mud slinging. is it really hard to believe that mushfiq was selected for his merits, not for some sort of political connection or whatever the hell they are trying to get at. would it kill them to wait until after the test to pass their judgment on the team selection. i'm tired of people always looking to criticise everything they can get their hands on. lets try to look at the bright side of things once in a while.

this is just one example. if you are a regular reader of bangla newspapers, you must have noticed this trend already. in every single issue, they are setting the same tone. and its not constructive criticism either.

shovon13
March 7, 2006, 08:43 PM
and it doesn't really help the 16 year old kid. now he has this additional pressure of proving his worth to the media.

Spitfire_x86
March 7, 2006, 08:52 PM
I've read the Prothom-Alo report now. They clearly mentioned that Mushfiq deserves to play without any external influence. But they hinted that Bogra became 3rd test venue mainly because of political reasons.

shovon13
March 7, 2006, 08:54 PM
নির্বাচকদের ‘নির্বাচনী নির্বাচনী’ খেলা
বাংলাদেশের রাজস্ব আয় খুবই কম। অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান তাই অনেক বিষয়ে করারোপ করেছেন। কোনও কোনও ক্ষেত্রে করেছেন বৃদ্ধিও। কিন্তু তিনি যদি কথা বলার জন্য ‘কর’ ধার্য করতেন তাহলে এ খাত থেকে সবচে’ বেশি রাজস্ব আয় করতে পারতেন! আর এ জন্য মোটা অঙ্কের অর্থ গুণতে হতো বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের টিম ম্যানেজমেন্টকে বা নির্বাচকদের।
টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার পর অনেকেই এসেছেন নির্বাচক হিসেবে। সবার মাঝেই ছিল একটি মিল, ‘কথার ফুলঝুরি’। দলের কাউকে বাদ দেয়া বা নতুনের অন্তর্ভুক্তি, দু’ক্ষেত্রেই নির্বাচকরা সাজিয়েছেন কথার মালা। ওইসব কথার পঙক্তি যদি একসারিতে সাজানো যেত, তা বুঝি বাংলাদেশের দৈর্ঘ্যকেও ছাড়িয়ে যেত। টেস্ট মর্যাদা প্রাপ্তির পর প্রথম ৩ঌ ম্যাচে রেকর্ড ৪৪ জন ক্রিকেটারকে তারা টেস্ট খেলার সুযোগ করে দিয়েছেন! আজ বাংলাদেশ খেলবে তাদের ৪২তম টেস্ট। আর কোনভাবে না হোক, অন্তত এদিক দিয়ে বাংলাদেশ রেকর্ড করেছে বলা যায়! যেকোনও দেশেই একজন ক্রিকেটারের জন্য টেস্ট খেলা স্বপ্নের ঠিকানায় দূর আকাশের চাঁদ। নির্বাচকদের কল্যাণে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের কাছে এখন তা যেন মামার বাড়ির দুধ ভাত। আবার এমনও অনেক ক্রিকেটার রয়েছেন যারা টেস্ট অভিষেকের পর আর দলেই ডাক পাননি! সবচে’ বড় কথা, নতুনদের দলে আনা নেওয়ায় নির্বাচকরা এমন সব যুক্তি দেখাচ্ছেন, যা বাস্তবের সঙ্গে মেলে না কিছুতেই। তাই যারা এ দায়িত্ব পালন করতে এসেছেন, তারাই হয়েছেন বিতর্কিত। এক্ষেত্রে সবই যে নির্বাচকদের ইচ্ছায় হয়েছে, তা নয়। অনেক সময় তাদের দিয়ে পর্দার আড়ালে থাকা কর্তাদের ইচ্ছা পূরণ করে নেওয়া হয়েছে। ‘কর্তার ইচ্ছায় কর্ম’ সম্পাদন করতে গিয়ে নির্বাচকরা হয়েছেন বলির পাঁঠা। যেমনটি হলেন বগুড়া টেস্টেও!
মুশফিকুর রহীমের দলে সুযোগ পাওয়া নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই। তারপরও, আফতাবকে ডিঙিয়ে সেরা একাদশে আসার উপযুক্ত কি তিনি? মুশফিকুরের এ সুযোগ পাওয়া যে আসলেই নিস্কলুষ নয়, তা বোঝা যায় প্রধান নির্বাচক ফারুক আহমেদের সংবাদ সম্মেলনে না আসাতে। চলতি সিরিজের সব ম্যাচেই দল ঘোষণার আগে কোচ ও অধিনায়কের সঙ্গে এসেছিলেন তিনি। গতকাল যে কেন এলেন না, তা-ই ভেবে পাচ্ছে না বাংলার ক্রিকেটবোদ্ধারা হয়তো মুশফিকুরকে নিয়ে সাংবাদিকদের ঝাঁঝালো প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে বলেই এমন অনুপস্থিতি! ওসব প্রশ্নের কোনও উত্তরই তো তার জানা নেই! তবে সমস্যা মুশফিকুরকে দলে নেওয়ায় নয়। আফতাবের বাদ পড়াটাই যত চক্ষুশূলের কারণ। ঘুরিয়ে বললে, আফতাবকে বাদ দিয়ে মুশফিকুরকে নেওয়ার প্রসঙ্গটাই যত সন্দেহের মূল।
পরে পাওয়া গিয়েছিল ফারুক আহমেদকে। সেখানে তিনি যা বললেন, তা যেন ক্যাসেট রিউইন্ড করে গান শোনার মতই। নিজের কথা নিজে শুনলে ফারুক আহমেদ বুঝতে পারতেন তার কথায় কত গড়মিল। কিংবা তারও আগে সংবাদ সম্মেলনে কোচ ডেভ হোয়াটমোরের কথায়ও। স্ট্রোক খেলার জন্যে বাদ পড়েছেন আফতাব। কথা হচ্ছে, আফতাব যদি স্ট্রোক খেলার জন্য বাদ পড়তে পারেন। তাহলে কেন হাবিবুল বা আশরাফুল বাদ পড়বেন না? ওই দু’জনের এমন কোনও ইনিংস আছে যেখানে তারা টেস্টের মত করে খেলেছেন। উপরন্তু স্ট্রোক খেলতে গিয়ে অনেক সুন্দর ইনিংসেরও যবনিকা ঘটিয়েছেন তারা। দলের বিপদও ডেকে এনেছেন এক সঙ্গে। সবচে’ বড় কথা, হাবিবুল বা আশরাফুল যা রান করেছেন এভাবে খেলেই করেছেন। আফতাবও তাই।
ইংল্যান্ডে চেষ্টার লি স্ট্রিটে আফতাব অপরাজিত ৮২ রান করেছিলেন ৮২ বলেই। ১৩টি চার এবং ১টি ছয় মেরে। ওই ম্যাচে হাবিবুলের ইনিংস ছিল আরও বেশি স্ট্রোক সমৃদ্ধ এবং মারমুখি। ৫২ বলে ১১টি চার মেরে তিনি ৬২ রান করেছিলেন। কিন্তু তারা দেখলেন শুধুই আফতাব স্ট্রোক খেলে। মুশফিকুর রহীম লর্ডসে মাত্র একটি টেস্ট খেলে করেছিলেন ১ঌ৩ রান। তিনি সেবার ব্রিটিশ মিডিয়ার নজর কেড়েছিলেন খেলার ধরণ দিয়ে। তাকে দলে নেওয়ার ক্ষেত্রে নির্বাচকদের যুক্তি হলো সে খুবই ভালো ব্যাটসম্যান। কিন্তু তাতে কি আফতাব পেছনে পড়ে যায়? তারপরও মুশফিকুরের ব্যাপারে কোচ ও প্রধান নির্বাচক সাফাই গেয়েছেন, গত ছয় মাস সে খুবই ভালো খেলেছে। যদি এ কথা সত্য বলে ধরেও নেওয়া হয়। তারপরও কথা থাকে। এ সময় মুশফিক শুধুই একদিনের ম্যাচ খেলেছেন। যেখানে একদিনের ম্যাচে আফতাব স্ট্রোক খেলে বলে টেস্টে বিবেচনা করা হয়নি। সেখানে একদিনের ম্যাচে নৈপুণ্য দিয়ে মুশফিকুরকে কি অবলীলায় টেস্ট দলে বিবেচনা করা হয়েছে ? সত্যি সেলুকাস! কি বিচিত্র এ দেশ?
ঘটনা এখানেই শেষ নয়। মুশফিকুরকে নিতে গিয়ে কাপালিকে বাদ দেওয়াতে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ ব্যাক আপ বোলার কেউ থাকেনি। আফতাবকে নিলে এ কাজটি হতে পারত সহজেই। তাছাড়া মুশফিককে যদি নেওয়া যেত উইকেটরক্ষক হিসেবে। তাতে পাইলটের জায়গায় নিলে দলের ব্যাটিং লাইন যেমন সমৃদ্ধ হতো, তেমনি ঘাটতি কমত বোলিং আক্রমণের। সবচে’ বড় কথা তখন এতো সমালোচনা হতো না। তাছাড়া খালেদ মাসুদের ব্যাটিংও ইদানিং খুব একটা ভালো যাচ্ছে না।

যে কারণে বগুড়া সে কারণেই মুশফিকুর!
দেশের মাটিতে আজ প্রথমবারের মত টেস্ট খেলতে নামছেন উইকেট কিপার-ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীম। এ খবরে অবাক হওয়ার তেমন কিছু নেই। তারপরও তার খেলার সুযোগ নিয়ে উঠেছে নানা আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। কারণ যোগ্যতার বিচারে তার খেলার সুযোগ হলেও প্রথম টেস্টের মত দ্বিতীয় টেস্টেও সেরা একাদশের বাইরে আফতাব আহমেদ। টিম ম্যানেজমেন্টের এরকম সিদ্ধান্তে হতবাক পুরো মিডিয়া।
ইংল্যান্ড সফরে মুশফিকুর রহীমের প্রথমবারের মত অন্তর্ভুক্তি ছিল নির্বাচকদের একটি প্রশংসনীয় সিদ্ধান্ত। তারপর ক্রিকেটের মক্কা বলে খ্যাত লর্ডসে তার অভিষেকও কোনও প্রশ্নের অবতারণা করেনি। এটা ঠিক ওই ম্যাচের দু’ইনিংস মিলিয়ে তার রান সংখ্যা ২২ হলেও হার্মিসন, ফ্লিনটফ, হগার্ডদের বিপক্ষে ভালো করার আভাস তিনি ঠিকই দিয়েছিলেন। বিশেষ করে তার প্রথম ইনিংসে করা ১ঌ রান সবার নজরে আসে বেশ ভালভাবেই। ১০৮ রানে অলআউট হওয়া ইনিংসে মাত্র তিনজন ব্যাটসম্যান দু’অঙ্কের কোটা পেরিয়েছিলেন। যেখানে মুশফিকুরের রান ছিল তৃতীয় সর্বোচ্চ। সে ম্যাচে সবচেয়ে বেশি সময় (প্রায় ৮৫ মিনিট) ক্রিজে টিকে ছিলেন তিনি। বলের হিসেবেও জাভেদ ওমরের (৬০) পরের স্থানটি ছিল মুশফিকুরের (৫৬)। কিন্তু ইংল্যান্ড সফরে সেই ম্যাচটিই যে তার আজকের আগ পর্যন্ত শেষ ম্যাচ হবে তা হয়তো তিনি ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারেননি। সে সফরে দ্বিতীয় টেস্টের আগে হঠাত্ করে ইনজুরিতে পড়লে দেশে ফিরতে হয় তাকে। তারপর থেকে মুশফিকুরের গন্ডি ঘুরপাক খেয়েছে অনূর্ধ্ব-১ঌ দলকে কেন্দ্র করেই।
দীর্ঘ প্রায় দশ মাস পর চট্টগ্রাম টেস্টে মুশফিকুর অনেকটা অনাকািপক্ষতভাবেই দলের বাইরে থেকেও জরুরি ভিত্তিতে ডাক পান। তার এ অন্তর্ভুক্তি যোগ্যতার মাপকাঠিতে বিচার করেই। এতে সকলে কিছুটা অবাক হলেও ব্যাপারটা কেউ বাঁকা চোখে দেখেননি। তবে প্রথম টেস্টে তার সেরা একাদশে খেলার সুযোগ হয়নি। কিন্তু কাল যখন তিনি সেরা একাদশে ঢুকে গেলেন তখন তার প্রতি আর আগের দৃষ্টি রইল না মিডিয়ার। এটা তার সুযোগ পাওয়া নিয়ে নয়। বরং আফতাবকে ডিঙিয়ে টিম ম্যানেজমেন্ট তাকে সুযোগ করে দেওয়ার কারণে। আজকের সংবাদপত্রগুলো পড়লে মুশফিকুরের হয়তো মনটা একটু খারাপই হতে পারে। তবে মিডিয়া কিন্তু তার যোগ্যতা নিয়ে কোন প্রশ্নই তুলছে না। যত প্রশ্ন টিম ম্যানেজমেন্টের অদূরদর্শিতা নিয়ে। যে কারণে একটা বাড়তি চাপ নিয়েই আজ তাকে মাঠে নামতে হচ্ছে। এরকম পরিস্থিতিতে তিনি কতটুকু ভালো করতে পারবেন সেটাই দেখার বিষয়।
জানা গেল তার অন্তর্ভুক্তির পেছনে বাইরের একটি মহলের হস্তক্ষেপ ছিল। যদিও এ ব্যাপারে প্রধান নির্বাচক ফারুক আহমেদ বা অধিনায়ক হাবিবুল বাশারের ব্যাখ্যা একদমই আলাদা। টিম ম্যানেজমেন্টের একক সিদ্ধান্তেই মুশফিকুরকে খেলানো হচ্ছে বলেই তারা দৃঢ়তার সঙ্গে জানিয়েছেন। তবে তাদের এ কথা যে শুধুই নিজেদের আড়াল করার জন্য তা বোঝা যায় মুশফিকুরকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে না দেওয়ার কারণে। যদি মুখ ফসকে কিছু বের হয়ে যায়।
আজ থেকে শুরু হওয়া সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের মাধ্যমে শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামেরও অভিষেক হচ্ছে। এটা ঠিক নিজের মাঠে ক্রিকেটারদের সুযোগ দেওয়ার রেওয়াজ বরাবরই চলে আসছে ক্রিকেট দুনিয়ায়। মুশফিকুরের ক্ষেত্রে সে রকমটি করা হয়নি বলে কোচ ডেভ হোয়াটমোর জানালেও যদি তা করা হয়েও থাকে তারপরও ব্যাপারটি অনেকেই সহজভাবে নিতে পারছেন না। তার পাশাপাশি যদি আফতাবকেও দলে সুযোগ দেওয়া হতো তাহলে হয়তো এ নিয়ে কোন কথাই উঠত না।
এ ব্যাপারে আর কেউ মুখ না খুললেও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ক্রিকেট কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে কারণে ঢাকায় না হয়ে বগুড়ায় খেলা হচ্ছে সে কারণে মুশফিুকরও খেলছে!



Ajkerkagoj >> (http://www.ajkerkagoj.com/2006/March08/sports.html)


Edited on, March 8, 2006, 6:06 AM GMT, by reverse_swing.
Reason: mod.content: Bangla fixed.

sadi
March 7, 2006, 09:52 PM
yeah I don't see anything wrong with prothom-alo's report... yeah ajkerkagoj talks against his inclusion...but that only becasue they wanted aftab in the team which i think is quite fair... aftab deserves to play....

thebest
March 7, 2006, 09:56 PM
Why u so worried about Bangladeshi Journalism. All of them are from Sun/News of the world school of Journalism. Just sensalized things, no content. Also all of them are politically AL oriented. So anything done in Bogura it is BNP, anything in Sylhet it is because of Saifur Rahaman.

nayan
March 7, 2006, 10:12 PM
i dont think its a good dicision to include mushfiq in the test squad this early. he should be playing some one day games here and there for bd for another 2 years. giving him a test cap now is giving him to much exposer in a very young age. i dont think he is ready for that. i definatly have no que about his talent and potential. aftab is a definite better choice.

sunny747
March 8, 2006, 06:11 AM
OK fine, bogra has been selected by the political influence...whats wrong in it? isnt it a great stadium? everybody praised abt it...
and abt mushfiq, i guess now i understand "bonnera bone shondor abong shishura matrikole"......he isn't ready yet...he is fit for under 19.

yaseer
March 8, 2006, 06:23 AM
Originally posted by sunny747
OK fine, bogra has been selected by the political influence...whats wrong in it? isnt it a great stadium? everybody praised abt it...
and abt mushfiq, i guess now i understand "bonnera bone shondor abong shishura matrikole"......he isn't ready yet...he is fit for under 19.

You are absolutely right on both of your comments.......

Whatever the reason...we have got BOGRA....a new venue....that is all that counts...

I am speaking one thing for the last one month in this site....Mushfiq is scoring runs against 18 year old teen-agers and we are dancing and wanting him to be played test cricket and going to destroy another young talent. He needs to play for "A" team for at least another year and play a full NCL season and score runs to be playing test cricket......I have no doubt about his talent......but please selectors, give him some time