Shafin
January 1, 2008, 07:01 AM
[বাংলা]প্রত্যেক বছর বসেরা চাইনিজ সুপ বানান আর আমরা চেয়ে চেয়ে দেখি। গরীব মানুষ,চাইনিজ সুপ বানাইতে পারি না। কিন্তু এই অত্যাচার আর কতোদিন? এইবার তাই আমিও রান্না করতে নামবো, বসদের মতো সুপ তো আর বানাইতে পারবো না, কিন্তু ভর্তা টর্তা কিছু একটা হয়তো দাড়া করাইয়া দেয়া যাবে।
আসেন ভাইসব,আমরা মিলে বাংলা অক্ষর দিয়া ভর্তা বানানো শুরু করি। আমি দুই চারটা অক্ষর কে সিদ্ধ কইরা ডলা দিতেছি, আপনেরাও যোগ দেন, দেখি কি দাড়া করানো যায়।
অ- অ তে অলোক কাপালি। কেউ কেউ বলেন তার অলোকিক কপাল আবার কেউ তার কপাল ফাটা বলে প্রমান করতে উঠে পড়ে লাগেন। তার ফ্যান ক্লাব আর হেট ক্লাব দুইটাই আছে এই বাংলাক্রিকেটে। তবে সারা বছর জুরেই আলোচনায় ছিলেন অলোক,কখনো রান করে,কখনো রান না করে,কখনো দলে সুযোগ পেয়ে,কখনো না পেয়ে।
২০০৮-অলোকের জন্য বাচা মরার বছর,এই বছরই ঠিক হবে তিনি সেলিম এলাহি নাকি মিসবাহ উল হক।
অ তে আরো হয় অমানিশা,বছরের শেষ দিনে বছরের সবচেয়ে খারাপ পারফর্মেন্সের মাধ্যমে জাতিকে অমাবস্যায় ডুবিয়েছেন ক্রিকেটাররা।
আ-কিন্তু সারা বছর জুড়েই ছিল হঠাৎ আলোর ঝলকানি, যার অধিকাংশের ই নায়ক আশরাফুল। আশার ফুল। আশরাফুলের প্রজন্মে তার চেয়ে ভালো ব্যাটসম্যান আর কেউ নেই,অন্তত গর্বভরে এতটুকু বলতে পারি আমরা। তবে সেই গর্বের সাথে মেশানো থাকে আক্ষেপ, অধারাবাহিক এই ক্ষণজন্মা ব্যাটসম্যান এর জন্য।
এ বছর ই আসাদ ওয়াহিদ আবিষ্কার করেন WEIR, আসাদ,কোন ভাবে শেষে একটা D লাগানো যায় না?
ই-ইতিহাস।অবশেষে শেষ হয়েছে আমাদের ইতিহাস গড়ার পালা। এখন বড় কোন দলকে হারানো মানেই আর ইতিহাস গড়া নয়, এখন জেতাটা প্রত্যাশিত।
এ বছর ই বিদায় নিলেন ইনজামাম উল হক,তাকে আমরা মনে রাখবো মুলতানের সেঞ্চুরির জন্য, আর বিশ্ব মনে রাখবে অবিশ্বাস্য সব ইনিংস এর জন্য। ওয়ানডের ইতিহাসে সর্বকালের সেরাদের একজন। এর সাথেই কি শেষ হয়ে গেলো বিশালবপু ক্রিকেটারদের পদচারনা? ওয়ার্ন আর তার পরে এখন তো আর তেমন কেউ নেই।
ঈ-ঈদ মুবারক। পাগল ছাগলের পাগল মাথা থেকে বের হওয়া যুগান্তকারী আবিষ্কার।
উ-উন্নয়ন,আমাদের খেলায় এবছর উন্নয়নের ছাপ ছিল স্পষ্ট,যদিও শুধুই এক দিনের ক্রিকেটে। আর টেস্ট ক্রিকেটে? আগের সেই উন্মাদ ভাব এখনো রয়ে গেছে।
ঊ-ঊট।(Woot),এই বছর বাংলাক্রিকেট মেম্বারদের ঊট বলা শেখার বছর, শিখিয়েছেন অন্তরা। এই বছরই বিশ্বখ্যাত ওয়েবস্টার-মিরিয়াম ডিকশনারি বছরের সেরা শব্দ হিসাবে নির্বাচন করে ঊট কে-http://www.m-w.com/info/07words.htm।
এ- এনাম জুনিয়র। অনেকের মতেই আমাদের সেরা স্পিন প্রতিভা,যদিও এ বছর নিজেকে ঠিকমতো মেলে ধরতে পারেন নি। তবে বাংলাদেশের জন্যই তাকে প্রয়োজন আমাদের। নতুন বছরে নিউজিল্যান্ডে রইলো তার জন্য শুভ কামনা।
ঐ- ঐ দেখা যায় তাল গাছ
ঐ আমাদের গা
"ঐ" নিয়ে লেখার কিছু
খুজে পাচ্ছি না।
অবশ্য ঐরাবতের দেশে গিয়ে বরাবরের মতো এইবারও আমরা ধোলাই খেয়ে ফিরে এসেছি।
ও-ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ঘুমন্ত দানব কি ২০০৮ এ উঠবে জেগে? খেলাকে যেই দেশ নিয়ে গিয়েছিল শিল্পের কাছে,সেই দেশের এখনকার অবস্থা পুরো ক্রিকেট বিশ্বের জন্য দুঃখজনক।
ওয়েস্ট ইন্ডিজে আয়োজিত বিশ্বকাপ আমাদের জন্য ছিল সাফল্য ব্যার্থতায় মোড়ানো,যদিও আয়োজকরা একটা সফল বিশ্বকাপ আয়োজনে পুরোপুরি ব্যর্থ
ঔ- এবছর বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা দেখিয়েছে নাক উচা ইন্ডিয়ার খাড়া নাক থ্যাবড়া করে দেয়ার ঔদ্ধত্য,আবার পরে দেশে এসে ঔদার্যের সাথে তাদেরকেই রান বিতরন করেছি আমরা। ঔচিত্য অনৌচিত্যের ধার না ধেড়ে সমর্থকদের অনাহুত ঔৎসুক্যের কারনে বিদেশে গিয়েও খেলোয়াড়রা শান্তিতে ঘুরতে পারেন নি। তবে সর্মথকদের অনেকেই কিন্তু খেলোয়াড়দের ঔদরিক সেবায়ও এগিয়ে এসেছেন,অনেকেই নিজের রান্না নিয়ে।
কি মিয়া,দিলাম তো ঔ দিয়া বানায়া,কেমন হইলো?
ঋ- ঋষির ঋজুতায় ক্রিজে ঘরবাড়ি পাতা ব্যাটসম্যানশিপ দেখেছি আমরা মিসবাহ আর চন্দরপলের কাছে,চারদিকে যাই হোক,মাঝখানে তারা ছিলেন নির্বিকার। নতুন বছরে তাদের জন্য রইলো শুভকামনা।
আমাদের ঋণী করে রাখলেন হোয়াটমোর।বিদায় যেভাবেই হোক না কেন,আমাদের ক্রিকেটের উন্নয়নে তার অবদান প্রশ্নাতীত।
মাস্টার শেফ রা একবারে এক পাতিলে এক হাজার জনের রান্না রাধে,আর আমাদের দুই জনের জন্য ভর্তা বানাতেই খবর হয়ে যায়।এইখানে তেল কম তো ওইখানে লবন বেশি। এইটুকু রাধতেই হাত পা পুড়ে যায়। তাও আশা করি আপনেরা সাহায্য করলে ব্যঞ্জনবর্ণ দিয়া পঞ্চব্যাঞ্জন রান্না হয়তো সবাই মিলে করেই ফেলবো। দয়া করে সাহায্য করেন।[/বাংলা]
আসেন ভাইসব,আমরা মিলে বাংলা অক্ষর দিয়া ভর্তা বানানো শুরু করি। আমি দুই চারটা অক্ষর কে সিদ্ধ কইরা ডলা দিতেছি, আপনেরাও যোগ দেন, দেখি কি দাড়া করানো যায়।
অ- অ তে অলোক কাপালি। কেউ কেউ বলেন তার অলোকিক কপাল আবার কেউ তার কপাল ফাটা বলে প্রমান করতে উঠে পড়ে লাগেন। তার ফ্যান ক্লাব আর হেট ক্লাব দুইটাই আছে এই বাংলাক্রিকেটে। তবে সারা বছর জুরেই আলোচনায় ছিলেন অলোক,কখনো রান করে,কখনো রান না করে,কখনো দলে সুযোগ পেয়ে,কখনো না পেয়ে।
২০০৮-অলোকের জন্য বাচা মরার বছর,এই বছরই ঠিক হবে তিনি সেলিম এলাহি নাকি মিসবাহ উল হক।
অ তে আরো হয় অমানিশা,বছরের শেষ দিনে বছরের সবচেয়ে খারাপ পারফর্মেন্সের মাধ্যমে জাতিকে অমাবস্যায় ডুবিয়েছেন ক্রিকেটাররা।
আ-কিন্তু সারা বছর জুড়েই ছিল হঠাৎ আলোর ঝলকানি, যার অধিকাংশের ই নায়ক আশরাফুল। আশার ফুল। আশরাফুলের প্রজন্মে তার চেয়ে ভালো ব্যাটসম্যান আর কেউ নেই,অন্তত গর্বভরে এতটুকু বলতে পারি আমরা। তবে সেই গর্বের সাথে মেশানো থাকে আক্ষেপ, অধারাবাহিক এই ক্ষণজন্মা ব্যাটসম্যান এর জন্য।
এ বছর ই আসাদ ওয়াহিদ আবিষ্কার করেন WEIR, আসাদ,কোন ভাবে শেষে একটা D লাগানো যায় না?
ই-ইতিহাস।অবশেষে শেষ হয়েছে আমাদের ইতিহাস গড়ার পালা। এখন বড় কোন দলকে হারানো মানেই আর ইতিহাস গড়া নয়, এখন জেতাটা প্রত্যাশিত।
এ বছর ই বিদায় নিলেন ইনজামাম উল হক,তাকে আমরা মনে রাখবো মুলতানের সেঞ্চুরির জন্য, আর বিশ্ব মনে রাখবে অবিশ্বাস্য সব ইনিংস এর জন্য। ওয়ানডের ইতিহাসে সর্বকালের সেরাদের একজন। এর সাথেই কি শেষ হয়ে গেলো বিশালবপু ক্রিকেটারদের পদচারনা? ওয়ার্ন আর তার পরে এখন তো আর তেমন কেউ নেই।
ঈ-ঈদ মুবারক। পাগল ছাগলের পাগল মাথা থেকে বের হওয়া যুগান্তকারী আবিষ্কার।
উ-উন্নয়ন,আমাদের খেলায় এবছর উন্নয়নের ছাপ ছিল স্পষ্ট,যদিও শুধুই এক দিনের ক্রিকেটে। আর টেস্ট ক্রিকেটে? আগের সেই উন্মাদ ভাব এখনো রয়ে গেছে।
ঊ-ঊট।(Woot),এই বছর বাংলাক্রিকেট মেম্বারদের ঊট বলা শেখার বছর, শিখিয়েছেন অন্তরা। এই বছরই বিশ্বখ্যাত ওয়েবস্টার-মিরিয়াম ডিকশনারি বছরের সেরা শব্দ হিসাবে নির্বাচন করে ঊট কে-http://www.m-w.com/info/07words.htm।
এ- এনাম জুনিয়র। অনেকের মতেই আমাদের সেরা স্পিন প্রতিভা,যদিও এ বছর নিজেকে ঠিকমতো মেলে ধরতে পারেন নি। তবে বাংলাদেশের জন্যই তাকে প্রয়োজন আমাদের। নতুন বছরে নিউজিল্যান্ডে রইলো তার জন্য শুভ কামনা।
ঐ- ঐ দেখা যায় তাল গাছ
ঐ আমাদের গা
"ঐ" নিয়ে লেখার কিছু
খুজে পাচ্ছি না।
অবশ্য ঐরাবতের দেশে গিয়ে বরাবরের মতো এইবারও আমরা ধোলাই খেয়ে ফিরে এসেছি।
ও-ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ঘুমন্ত দানব কি ২০০৮ এ উঠবে জেগে? খেলাকে যেই দেশ নিয়ে গিয়েছিল শিল্পের কাছে,সেই দেশের এখনকার অবস্থা পুরো ক্রিকেট বিশ্বের জন্য দুঃখজনক।
ওয়েস্ট ইন্ডিজে আয়োজিত বিশ্বকাপ আমাদের জন্য ছিল সাফল্য ব্যার্থতায় মোড়ানো,যদিও আয়োজকরা একটা সফল বিশ্বকাপ আয়োজনে পুরোপুরি ব্যর্থ
ঔ- এবছর বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা দেখিয়েছে নাক উচা ইন্ডিয়ার খাড়া নাক থ্যাবড়া করে দেয়ার ঔদ্ধত্য,আবার পরে দেশে এসে ঔদার্যের সাথে তাদেরকেই রান বিতরন করেছি আমরা। ঔচিত্য অনৌচিত্যের ধার না ধেড়ে সমর্থকদের অনাহুত ঔৎসুক্যের কারনে বিদেশে গিয়েও খেলোয়াড়রা শান্তিতে ঘুরতে পারেন নি। তবে সর্মথকদের অনেকেই কিন্তু খেলোয়াড়দের ঔদরিক সেবায়ও এগিয়ে এসেছেন,অনেকেই নিজের রান্না নিয়ে।
কি মিয়া,দিলাম তো ঔ দিয়া বানায়া,কেমন হইলো?
ঋ- ঋষির ঋজুতায় ক্রিজে ঘরবাড়ি পাতা ব্যাটসম্যানশিপ দেখেছি আমরা মিসবাহ আর চন্দরপলের কাছে,চারদিকে যাই হোক,মাঝখানে তারা ছিলেন নির্বিকার। নতুন বছরে তাদের জন্য রইলো শুভকামনা।
আমাদের ঋণী করে রাখলেন হোয়াটমোর।বিদায় যেভাবেই হোক না কেন,আমাদের ক্রিকেটের উন্নয়নে তার অবদান প্রশ্নাতীত।
মাস্টার শেফ রা একবারে এক পাতিলে এক হাজার জনের রান্না রাধে,আর আমাদের দুই জনের জন্য ভর্তা বানাতেই খবর হয়ে যায়।এইখানে তেল কম তো ওইখানে লবন বেশি। এইটুকু রাধতেই হাত পা পুড়ে যায়। তাও আশা করি আপনেরা সাহায্য করলে ব্যঞ্জনবর্ণ দিয়া পঞ্চব্যাঞ্জন রান্না হয়তো সবাই মিলে করেই ফেলবো। দয়া করে সাহায্য করেন।[/বাংলা]