Rabz
February 3, 2008, 01:30 PM
I think its quite outrages that a player could be physically harassed in front of club officials!!
Read the following from Bdnews24.com
ঢাকা, ৩ ফেব্র"য়ারি (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম) --- ছোটোবেলা থেকেই মোহামেডানের সমর্থক তিনি। স্বপ্ন ছিল কোনো একদিন দেশের ঐতিহ্যবাহী এই ক্লাবটিতে খেলবেন। রোববার শুরু ঢাকার প্রিমিয়ার ও প্রথম বিভাগের ক্রিকেটারদের দলবদলের প্রথম দিনেই সোনারগাঁ ক্রিকেটার্স থেকে মোহামেডানে নাম লিখিয়ে সেই স্বপ্ন পূরণের পথ পাকা করে ফেললেন মোহাম্মদ আশরাফুল।
সূর্যতরুণে দুই বছর, বিমানে এক বছর এবং সোনারগাঁ ক্রিকেটার্সে দুই বছর কাটিয়ে এই প্রথম দেশের সবচেয়ে বড় দলের মর্যাদা নিয়ে থাকা দুটো দলের (আবাহনী ও মোহামেডান) একটিতে যোগ দিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তবে জাতীয় দলে তার ডেপুটি মাশরাফি বিন মর্তুজার অবস্থা তা নয়। মোহমেডানেও খেলেছেন। গত বছর আবাহনীর লিগ শিরোপা জয়ে বড় ভূমিকা রাখা দেশসেরা এই পেসার এবারের সবচেয়ে দামী ক্রিকেটারের তকমা গায়ে লাগিয়ে সই করে গেলেন বিমানে। একই দিনে তাদের দুজনের উপস্থিতি বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের দলবদল কক্ষটায় বেশ আলো ছড়ালো। ফটোসাংবাদিকদের ক্যামেরার ফ্ল্যাশ জ্বললো একের পর এক। বেসরকারী টিভি চ্যানেলগুলোর ক্যামেরা হুমড়ি খেয়ে পড়লো। কিন্ত এতো আলোর নীচের অন্ধকার হয়ে থাকলো বিমানের মোশাররফ হোসেন রুবেলের মার খাওয়া। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের তিন নাম্বার গেটের সিঁড়িতে মোহামেডানের সমর্থক গোষ্ঠীর সদস্যদের হাতে নিগৃহীত হয়েছেন নবম ইস্পাহানী মির্জাপুর চা জাতীয় ক্রিকেট লিগের সর্বোচ্চ উইকেটধারী এই বাঁ হাতি স্পিনার।
ঘটনার সূত্রপাত বিমানের আরেক বাঁ হাতি স্পিনার নাবিল সামাদকে নিয়ে। ওল্ড ডিওএইচএস থেকে বিমানে নাম লেখানো এই তরুণ বললেন, "মোহামেডান আমাকে পেতে চেয়েছিল। কিন্তু বিমানকে কথা দিয়ে ফেলায় আমি তাদের ডাকে সাড়া দেইনি। বলেছিলাম বিমান যদি কোনো কারণে না নেয় তাহলেই মোহামেডানে খেলবো।" সন্ধ্যা ছয়টার পরে আশরাফুল, জুনায়েদ ইমরোজদের দিয়ে দলবদলের প্রক্রিয়া অনেকটা এগিয়ে নিয়ে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম থেকে মোহামেডান বেরিয়ে যাওয়ার সময় আসে বিমান। সেসময়েই সিঁড়িতে নাবিল সামাদের হাত ধরে টানাটানি করতে থাকে মোহামেডান সমর্থক গোষ্ঠীর সদস্যরা। এসময় মোশাররফ এগিয়ে গেলে তাকে চড়-থাপ্পর মারতে শুরু করে তারা। বিমানের অধিনায়ক সানোয়ার হোসেন, জাভেদ ওমর বেলিমসহ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আরো বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার রফিক নামের মোহামেডান সমর্থকগোষ্ঠীর এক সদস্যকে চিিহ্নত করতে পেরেছেন যিনি হাত তুলেছেন মোশাররফের গায়ে। মোহামেডান ক্রিকেট দলের সমন্বয়কারী তরিকুল ইসলাম টিটুর উপস্থিতিতেই এমন ঘটনা ঘটেছে বলেও দাবি করেছেন তারা। ঘটনার আকস্মিকতায় একরকম ভেঙ্গে পড়া মোশাররফ কাঁদতে কাঁদতে বললেন, "আমি এর বিচার চাই।"
সানোয়ার বললেন, "২০ বছর ধরে ক্রিকেট খেলছি। দলবদলের সময় অনেক ঘটনাই দেখেছি। কিন্তু এরকম এই প্রথম দেখলাম।" এমন অপ্রীতিকর ঘটনার তীব্র নিন্দা জানালেন মাশরাফিও, "একজন ক্রিকেটারের গায়ে হাত তোলা কখনোই ঠিক নয়। তার অধিকার আছে দল বেছে নেওয়ার।" তখন বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামেই চলছিল মোহামেডান-ভিক্টোরিয়ার বিজয় দিবস ফুটবলের ম্যাচ। খেলা দেখতে আসা মোহামেডানের অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক মোস্তাকুর রহমান ঘটনা শুনে তদন্ত করে দোষীকে শাস্তি দেওয়ার আশ্বাস দিলেন বটে, কিন্তু মোশাররফ বিচার কতোটা পাবেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছেই। ক্রিকেট কমিটি অফ ঢাকা মেট্রোপলিশের (সিসিডিএম) চেয়ারম্যান গাজী আশরাফ লিপু যেমন একরকম দায়ই এড়াতে চাইলেন, "আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। আর ঘটনাটা দলবদল এলাকার বাইরে ঘটেছে। আমরা হয়তো পরদিন থেকে সেখানেও নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অনুরোধ করতে পারি। আর বিচারের জন্য বিমানই তো আইনগত প্রক্রিয়ায় যেতে পারে।"
মাশরাফির (সবমিলিয়ে সাড়ে ১০ লাখ) মতো না হলেও আশরাফুলকে পেতে কম টাকা গুণতে হয়নি মোহামেডানকেও। আগেরদিন রাতে তাকে প্রস্তাব দিয়েছিল ভিক্টোরিয়াও। এই দলটির কর্মকর্তা হাসিবউদ্দিনের কথায় আঁচ করা যাচ্ছে আশরাফুলের এবারের পারিশ্রমিকের অঙ্কটা, "আমরা নয় লাখের নীচে কোনোভাবেই তাকে রাজী করাতে পারিনি।" তাহলে কী শুধু টাকার জন্যই মোহামেডানে আসা? আশরাফুলের জবাব, "ছোটবেলায় মোহামেডানের সমর্থক ছিলাম ঠিকই। তবে এখন পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে টাকাটাই মুখ্য।" মাশরাফির কাছ থেকেও পাওয়া গেল একইধরনের জবাব, "টাকাটা অবশ্যই অনেক বড় ফ্যাক্টর।"
তার দল বিমান প্রথমদিনেই ঘর গুছিয়ে নিয়েছে। মাশরাফির সঙ্গে জাভেদ ওমর ও ডিওএইচএস থেকে আসা তামিম ইকবালকে দিয়ে পুলের তিনজনের কোটা পূরণ করেছে দলটি। বড় ভাই নাফিস ইকবালের সঙ্গে এবার ইনিংস ওপেন করার সুযোগ পাচ্ছেন তামিম। মোশাররফকে রেখে দেওয়ার পাশাপাশি ডিওএইচএস থেকে বিমান টেনেছে নাবিলকেও। প্রথম দিনে ঘর গোছানোর কাজ সেরেছে মোহামেডান এবং ডিওএইচএসও। আশরাফুল-আফতাবের পর আব্দুর রাজ্জাক রাজকে দিয়ে পুলকোটা ভরিয়েছে তারা। বাঁ হাতি স্পিনার আরাফাত সানিকে আবাহনী এবং উইকেটকিপার ধীমান ঘোষকে ভিক্টোরিয়া নিয়ে গেছে ঠিকই। কিন্তু তারা আবার আবাহনী থেকে অনুর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক সোহরাওয়ার্দী শুভ এবং ভিক্টোরিয়া থেকে ইমরুল কায়েসকে নিয়ে এসেছে। বিমান থেকে রাকিবুল হাসান ও ডিওএইচএস থেকে পেসার ডলার মাহমুদও যোগ দিয়েছেন মোহামেডানে। মোহামেডানের গতবারের অধিনায়ক হাবিবুল বাশারের গন্তব্য তাই এখনো অনিশ্চিত। রোববার রাতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-কে টেলিফোনে বললেন, "এখনো ঠিক হয়নি কিছু। সুর্যতরুণ ছাড়াও আরেকটা দলের সঙ্গে কথা চলছে। কিন্তু বলার মতো ম্যাচিউরড হয়নি। আমি সাইন করলে দলবদলের শেষদিনে করবো।"
একই অবস্থা দেশসেরা স্পিনার মোহাম্মদ রফিক এবং বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়ের নায়ক এনামুল হক জুনিয়রেরও। রফিকের আবাহনীতে যোগ দেওয়ার কথা শোনা গেলেও তাদের ক্রিকেট কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বললেন ভিন্ন কথা, "আমরা তো আরাফাত সানীকে নিয়ে স্পিনারের জায়গাটা পূরণ করে ফেলেছি। তাছাড়া এবার আমাদের বাজেটও কম। রফিক যদি আমাদের প্রস্তাবে রাজী থাকে তাহলে নেব নাহলে নয়।" দলবদলের প্রথম দিনে অনুপস্থিত আবাহনীর কাছে রফিক আট লাখ টাকা চেয়েছেন বলে জানা গেছে। কিন্তু আবাহনী তাকে ছয় লাখও দিতে চায় না। যে কারণে রফিকের আবাহনীতে যোগ দেওয়াটা অনিশ্চিত।
প্রথম দিনে দল গুছিয়ে নিয়েছে ওল্ড ডিওএইচএস। মেহরাব হোসেন জুনিয়রকে রেখে দেওয়া দলটি পুলের কোটা পূরণ করেছে গতবার পারটেক্সের রাজিন সালেহ ও বিমানের ফরহাদ রেজাকে দিয়ে। এছাড়া আরো কিছু উদীয়মান ক্রিকেটারকে দলে ভিড়িয়েছে তারা।
Source:
Mosharraf Rubel Got beaten by Mohammedan Fan during player transfer! (http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?id=19424&cid=5&us=d9fee63342ea29a65b9ad0bf260f00d5)
Something never changes in Bangladesh.
This things used to happen during football transfer where players used to be kidnaped by club officials, but never before in cricket.
I saw the poor fellas face on tele right after the incident.
It was really dishearting.
Read the following from Bdnews24.com
ঢাকা, ৩ ফেব্র"য়ারি (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম) --- ছোটোবেলা থেকেই মোহামেডানের সমর্থক তিনি। স্বপ্ন ছিল কোনো একদিন দেশের ঐতিহ্যবাহী এই ক্লাবটিতে খেলবেন। রোববার শুরু ঢাকার প্রিমিয়ার ও প্রথম বিভাগের ক্রিকেটারদের দলবদলের প্রথম দিনেই সোনারগাঁ ক্রিকেটার্স থেকে মোহামেডানে নাম লিখিয়ে সেই স্বপ্ন পূরণের পথ পাকা করে ফেললেন মোহাম্মদ আশরাফুল।
সূর্যতরুণে দুই বছর, বিমানে এক বছর এবং সোনারগাঁ ক্রিকেটার্সে দুই বছর কাটিয়ে এই প্রথম দেশের সবচেয়ে বড় দলের মর্যাদা নিয়ে থাকা দুটো দলের (আবাহনী ও মোহামেডান) একটিতে যোগ দিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তবে জাতীয় দলে তার ডেপুটি মাশরাফি বিন মর্তুজার অবস্থা তা নয়। মোহমেডানেও খেলেছেন। গত বছর আবাহনীর লিগ শিরোপা জয়ে বড় ভূমিকা রাখা দেশসেরা এই পেসার এবারের সবচেয়ে দামী ক্রিকেটারের তকমা গায়ে লাগিয়ে সই করে গেলেন বিমানে। একই দিনে তাদের দুজনের উপস্থিতি বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের দলবদল কক্ষটায় বেশ আলো ছড়ালো। ফটোসাংবাদিকদের ক্যামেরার ফ্ল্যাশ জ্বললো একের পর এক। বেসরকারী টিভি চ্যানেলগুলোর ক্যামেরা হুমড়ি খেয়ে পড়লো। কিন্ত এতো আলোর নীচের অন্ধকার হয়ে থাকলো বিমানের মোশাররফ হোসেন রুবেলের মার খাওয়া। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের তিন নাম্বার গেটের সিঁড়িতে মোহামেডানের সমর্থক গোষ্ঠীর সদস্যদের হাতে নিগৃহীত হয়েছেন নবম ইস্পাহানী মির্জাপুর চা জাতীয় ক্রিকেট লিগের সর্বোচ্চ উইকেটধারী এই বাঁ হাতি স্পিনার।
ঘটনার সূত্রপাত বিমানের আরেক বাঁ হাতি স্পিনার নাবিল সামাদকে নিয়ে। ওল্ড ডিওএইচএস থেকে বিমানে নাম লেখানো এই তরুণ বললেন, "মোহামেডান আমাকে পেতে চেয়েছিল। কিন্তু বিমানকে কথা দিয়ে ফেলায় আমি তাদের ডাকে সাড়া দেইনি। বলেছিলাম বিমান যদি কোনো কারণে না নেয় তাহলেই মোহামেডানে খেলবো।" সন্ধ্যা ছয়টার পরে আশরাফুল, জুনায়েদ ইমরোজদের দিয়ে দলবদলের প্রক্রিয়া অনেকটা এগিয়ে নিয়ে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম থেকে মোহামেডান বেরিয়ে যাওয়ার সময় আসে বিমান। সেসময়েই সিঁড়িতে নাবিল সামাদের হাত ধরে টানাটানি করতে থাকে মোহামেডান সমর্থক গোষ্ঠীর সদস্যরা। এসময় মোশাররফ এগিয়ে গেলে তাকে চড়-থাপ্পর মারতে শুরু করে তারা। বিমানের অধিনায়ক সানোয়ার হোসেন, জাভেদ ওমর বেলিমসহ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আরো বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার রফিক নামের মোহামেডান সমর্থকগোষ্ঠীর এক সদস্যকে চিিহ্নত করতে পেরেছেন যিনি হাত তুলেছেন মোশাররফের গায়ে। মোহামেডান ক্রিকেট দলের সমন্বয়কারী তরিকুল ইসলাম টিটুর উপস্থিতিতেই এমন ঘটনা ঘটেছে বলেও দাবি করেছেন তারা। ঘটনার আকস্মিকতায় একরকম ভেঙ্গে পড়া মোশাররফ কাঁদতে কাঁদতে বললেন, "আমি এর বিচার চাই।"
সানোয়ার বললেন, "২০ বছর ধরে ক্রিকেট খেলছি। দলবদলের সময় অনেক ঘটনাই দেখেছি। কিন্তু এরকম এই প্রথম দেখলাম।" এমন অপ্রীতিকর ঘটনার তীব্র নিন্দা জানালেন মাশরাফিও, "একজন ক্রিকেটারের গায়ে হাত তোলা কখনোই ঠিক নয়। তার অধিকার আছে দল বেছে নেওয়ার।" তখন বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামেই চলছিল মোহামেডান-ভিক্টোরিয়ার বিজয় দিবস ফুটবলের ম্যাচ। খেলা দেখতে আসা মোহামেডানের অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক মোস্তাকুর রহমান ঘটনা শুনে তদন্ত করে দোষীকে শাস্তি দেওয়ার আশ্বাস দিলেন বটে, কিন্তু মোশাররফ বিচার কতোটা পাবেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছেই। ক্রিকেট কমিটি অফ ঢাকা মেট্রোপলিশের (সিসিডিএম) চেয়ারম্যান গাজী আশরাফ লিপু যেমন একরকম দায়ই এড়াতে চাইলেন, "আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। আর ঘটনাটা দলবদল এলাকার বাইরে ঘটেছে। আমরা হয়তো পরদিন থেকে সেখানেও নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অনুরোধ করতে পারি। আর বিচারের জন্য বিমানই তো আইনগত প্রক্রিয়ায় যেতে পারে।"
মাশরাফির (সবমিলিয়ে সাড়ে ১০ লাখ) মতো না হলেও আশরাফুলকে পেতে কম টাকা গুণতে হয়নি মোহামেডানকেও। আগেরদিন রাতে তাকে প্রস্তাব দিয়েছিল ভিক্টোরিয়াও। এই দলটির কর্মকর্তা হাসিবউদ্দিনের কথায় আঁচ করা যাচ্ছে আশরাফুলের এবারের পারিশ্রমিকের অঙ্কটা, "আমরা নয় লাখের নীচে কোনোভাবেই তাকে রাজী করাতে পারিনি।" তাহলে কী শুধু টাকার জন্যই মোহামেডানে আসা? আশরাফুলের জবাব, "ছোটবেলায় মোহামেডানের সমর্থক ছিলাম ঠিকই। তবে এখন পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে টাকাটাই মুখ্য।" মাশরাফির কাছ থেকেও পাওয়া গেল একইধরনের জবাব, "টাকাটা অবশ্যই অনেক বড় ফ্যাক্টর।"
তার দল বিমান প্রথমদিনেই ঘর গুছিয়ে নিয়েছে। মাশরাফির সঙ্গে জাভেদ ওমর ও ডিওএইচএস থেকে আসা তামিম ইকবালকে দিয়ে পুলের তিনজনের কোটা পূরণ করেছে দলটি। বড় ভাই নাফিস ইকবালের সঙ্গে এবার ইনিংস ওপেন করার সুযোগ পাচ্ছেন তামিম। মোশাররফকে রেখে দেওয়ার পাশাপাশি ডিওএইচএস থেকে বিমান টেনেছে নাবিলকেও। প্রথম দিনে ঘর গোছানোর কাজ সেরেছে মোহামেডান এবং ডিওএইচএসও। আশরাফুল-আফতাবের পর আব্দুর রাজ্জাক রাজকে দিয়ে পুলকোটা ভরিয়েছে তারা। বাঁ হাতি স্পিনার আরাফাত সানিকে আবাহনী এবং উইকেটকিপার ধীমান ঘোষকে ভিক্টোরিয়া নিয়ে গেছে ঠিকই। কিন্তু তারা আবার আবাহনী থেকে অনুর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক সোহরাওয়ার্দী শুভ এবং ভিক্টোরিয়া থেকে ইমরুল কায়েসকে নিয়ে এসেছে। বিমান থেকে রাকিবুল হাসান ও ডিওএইচএস থেকে পেসার ডলার মাহমুদও যোগ দিয়েছেন মোহামেডানে। মোহামেডানের গতবারের অধিনায়ক হাবিবুল বাশারের গন্তব্য তাই এখনো অনিশ্চিত। রোববার রাতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-কে টেলিফোনে বললেন, "এখনো ঠিক হয়নি কিছু। সুর্যতরুণ ছাড়াও আরেকটা দলের সঙ্গে কথা চলছে। কিন্তু বলার মতো ম্যাচিউরড হয়নি। আমি সাইন করলে দলবদলের শেষদিনে করবো।"
একই অবস্থা দেশসেরা স্পিনার মোহাম্মদ রফিক এবং বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়ের নায়ক এনামুল হক জুনিয়রেরও। রফিকের আবাহনীতে যোগ দেওয়ার কথা শোনা গেলেও তাদের ক্রিকেট কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বললেন ভিন্ন কথা, "আমরা তো আরাফাত সানীকে নিয়ে স্পিনারের জায়গাটা পূরণ করে ফেলেছি। তাছাড়া এবার আমাদের বাজেটও কম। রফিক যদি আমাদের প্রস্তাবে রাজী থাকে তাহলে নেব নাহলে নয়।" দলবদলের প্রথম দিনে অনুপস্থিত আবাহনীর কাছে রফিক আট লাখ টাকা চেয়েছেন বলে জানা গেছে। কিন্তু আবাহনী তাকে ছয় লাখও দিতে চায় না। যে কারণে রফিকের আবাহনীতে যোগ দেওয়াটা অনিশ্চিত।
প্রথম দিনে দল গুছিয়ে নিয়েছে ওল্ড ডিওএইচএস। মেহরাব হোসেন জুনিয়রকে রেখে দেওয়া দলটি পুলের কোটা পূরণ করেছে গতবার পারটেক্সের রাজিন সালেহ ও বিমানের ফরহাদ রেজাকে দিয়ে। এছাড়া আরো কিছু উদীয়মান ক্রিকেটারকে দলে ভিড়িয়েছে তারা।
Source:
Mosharraf Rubel Got beaten by Mohammedan Fan during player transfer! (http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?id=19424&cid=5&us=d9fee63342ea29a65b9ad0bf260f00d5)
Something never changes in Bangladesh.
This things used to happen during football transfer where players used to be kidnaped by club officials, but never before in cricket.
I saw the poor fellas face on tele right after the incident.
It was really dishearting.