Baundule
July 15, 2010, 12:36 PM
[বাংলা]
(নামগুলো বাস্তব, চরিত্র বা ঘটনা কাল্পনিক)
আকরাম খান
আকরাম ক্যাপ্টেন, আইসিসি ট্রফির এক ম্যাচ, পাপুয়া নিউগিনির ১৬৩ রান চেজ করতে গিয়েই বাংলাদেশ ২৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে। ক্রিজে ছিলো বুলবুল, আকরাম ব্যাট করতে এসেই বললো, "ম্যাচের সিচুয়েশন খারাপ, তুই প্যাডল সুইপ করিস না, সোজা ব্যাটে খ্যাল।"
কিন্তু বুলবুল হলো আশরাফুলের পূর্বসুরী, লেগস্ট্যাম্পে বল পেলে প্যাডল সুইপ না করে পারে না। যথারীতি এক লেগস্পিনারের বল প্যাডল সুইপ করতে গিয়ে ফাইন লেগে ক্যাচ দিয়ে আউট।
আকরাম খেটেখুটে একটা ফিফটি করে ম্যাচ জেতানোর পরে ড্রেসিং রুমে ফিরেই বুলবুলকে ঝাড়ি, "তোরে এতো করে মানা করলাম ....."
বুলবুল কাচুমাচু করে বললো, "ধুরু, আকরাম ভাই, তুমি হুদাই বকাবকি করো। আমি কি জানি যে প্যাডল সুইপ প্যাডে না লেগে ব্যাটে লাগবে?"
খালেদ মাসুদ
তখন পাইলট ক্যাপ্টেন। ২০০৩ বিশ্বকাপে কানাডার সাথে ম্যাচ। এমন ইজি ম্যাচের আগে কিসের কি প্রস্তুতি, পাইলট সারারাত ডিসকোতে নাচ-পান-গান করে পরের দিন খেলতে নেমেছে। কানাডা ব্যাটিং করে খুব একটা সুবিধা করতে পারছে না। কিন্তু বিলক্লিফ সেট হয়ে গেছে। রফিকের বলে তবুও সে স্কোর করতে পারছে না। এক ওভারের ৪টা বল সলিড ডিফেন্স করে ডট দেয়ায় ধৈর্য হারিয়ে পঞ্চম বলে ডাউন দ্য উইকেটে এসে মারতে যায়। কিন্তু ফ্লাইট মিস করে। ওদিকে পাইলটও বল ধরতে না পারায় বাই রান চার।
রফিকের রুদ্রমূর্তির সামনে পাইলটের মিনমিন অজুহাত,
"রফিক বাই, তুমি অগোরে দুয়েকটা রানটান দাও। উইকেটের পিছনে বল না আসায় আমি তো ঘুমায়া গেছিলাম।"
হাবিবুল বাশার
এবার বাশার-ডেভ জুটি, জিম্বাবুয়ের সাথে ৫ ম্যাচের সিরিজ চলছে। আজ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ। প্রথম ১০ ওভারের ম্যান্ডাটরি পাওয়ার প্লে শেষ, এরপর বাশার ১১-১৫ ওভারে বোলিং পাওয়ার প্লেও নিয়েছে। এরপর থেকে খেলা খুব স্মুথলি চলছে। প্রত্যেক ওভারের শেষে পকেট থেকে একটা কাগজ বের করে বাশার ফিলডিং সাজাচ্ছে, বোলার চেইঞ্জ করছে। টাইবু আর মার্ক ভেরমিউলেন প্রতি ওভারে মাত্র ৬টা করে সিংগেলস নিচ্ছে। বাশার খুশি।
হঠাৎ করে ৩১তম ওভারের শুরুতে সে আম্পায়ারের কাছে গিয়ে বলে,
"আমরা বোলিং পাওয়ার প্লে নিবো।"
আম্পায়ার ছিলো অশোকা। সে তার নিজের চোথা বের করে দেখে বলে, "না, তুমি বোলিং পাওয়ার প্লে ইতিমধ্যে নিয়েছো।"
বাশার নাছোড়বান্দা। সে হাতের টিম প্ল্যানের কাগজ দেখিয়ে বলে, "এই দ্যাখো লেখা আছে - ৩১ থেকে ৩৫ ওভারে বোলিং পাওয়ার প্লে নিতে হবে।"
অশোকা একটু বিভ্রান্ত হয়। অপর প্রান্তের আম্পায়ার বিলি বাওডেনকে ডেকে বলে, "বিলি সাহেব, একটু দ্যাখেন তো, ঘটনা তো প্যাচ খাইয়া গেছে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য কি থার্ড আম্পায়ারের কাছে পাঠাবো?"
বিলি বাওডেন বাশারের হাত থেকে কাগজখানা নিয়ে বলে, "এটা তো সিরিজের তৃতীয় ম্যাচের গেম প্লান, আজ তো দ্বিতীয় ম্যাচ খেলছো!"
বাশার লজ্জায় লাল হয়ে তার বিখ্যাত নির্বোধের হাসিটা দেয় আর মুখে বলে, "সরি, একটু চিন্তা করতে গিয়ে ট্রাউজারের ডান পকেটের বদলে বাম পকেটে হাত ঢুকায়া ফেলেছি!"[/বাংলা]
(নামগুলো বাস্তব, চরিত্র বা ঘটনা কাল্পনিক)
আকরাম খান
আকরাম ক্যাপ্টেন, আইসিসি ট্রফির এক ম্যাচ, পাপুয়া নিউগিনির ১৬৩ রান চেজ করতে গিয়েই বাংলাদেশ ২৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে। ক্রিজে ছিলো বুলবুল, আকরাম ব্যাট করতে এসেই বললো, "ম্যাচের সিচুয়েশন খারাপ, তুই প্যাডল সুইপ করিস না, সোজা ব্যাটে খ্যাল।"
কিন্তু বুলবুল হলো আশরাফুলের পূর্বসুরী, লেগস্ট্যাম্পে বল পেলে প্যাডল সুইপ না করে পারে না। যথারীতি এক লেগস্পিনারের বল প্যাডল সুইপ করতে গিয়ে ফাইন লেগে ক্যাচ দিয়ে আউট।
আকরাম খেটেখুটে একটা ফিফটি করে ম্যাচ জেতানোর পরে ড্রেসিং রুমে ফিরেই বুলবুলকে ঝাড়ি, "তোরে এতো করে মানা করলাম ....."
বুলবুল কাচুমাচু করে বললো, "ধুরু, আকরাম ভাই, তুমি হুদাই বকাবকি করো। আমি কি জানি যে প্যাডল সুইপ প্যাডে না লেগে ব্যাটে লাগবে?"
খালেদ মাসুদ
তখন পাইলট ক্যাপ্টেন। ২০০৩ বিশ্বকাপে কানাডার সাথে ম্যাচ। এমন ইজি ম্যাচের আগে কিসের কি প্রস্তুতি, পাইলট সারারাত ডিসকোতে নাচ-পান-গান করে পরের দিন খেলতে নেমেছে। কানাডা ব্যাটিং করে খুব একটা সুবিধা করতে পারছে না। কিন্তু বিলক্লিফ সেট হয়ে গেছে। রফিকের বলে তবুও সে স্কোর করতে পারছে না। এক ওভারের ৪টা বল সলিড ডিফেন্স করে ডট দেয়ায় ধৈর্য হারিয়ে পঞ্চম বলে ডাউন দ্য উইকেটে এসে মারতে যায়। কিন্তু ফ্লাইট মিস করে। ওদিকে পাইলটও বল ধরতে না পারায় বাই রান চার।
রফিকের রুদ্রমূর্তির সামনে পাইলটের মিনমিন অজুহাত,
"রফিক বাই, তুমি অগোরে দুয়েকটা রানটান দাও। উইকেটের পিছনে বল না আসায় আমি তো ঘুমায়া গেছিলাম।"
হাবিবুল বাশার
এবার বাশার-ডেভ জুটি, জিম্বাবুয়ের সাথে ৫ ম্যাচের সিরিজ চলছে। আজ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ। প্রথম ১০ ওভারের ম্যান্ডাটরি পাওয়ার প্লে শেষ, এরপর বাশার ১১-১৫ ওভারে বোলিং পাওয়ার প্লেও নিয়েছে। এরপর থেকে খেলা খুব স্মুথলি চলছে। প্রত্যেক ওভারের শেষে পকেট থেকে একটা কাগজ বের করে বাশার ফিলডিং সাজাচ্ছে, বোলার চেইঞ্জ করছে। টাইবু আর মার্ক ভেরমিউলেন প্রতি ওভারে মাত্র ৬টা করে সিংগেলস নিচ্ছে। বাশার খুশি।
হঠাৎ করে ৩১তম ওভারের শুরুতে সে আম্পায়ারের কাছে গিয়ে বলে,
"আমরা বোলিং পাওয়ার প্লে নিবো।"
আম্পায়ার ছিলো অশোকা। সে তার নিজের চোথা বের করে দেখে বলে, "না, তুমি বোলিং পাওয়ার প্লে ইতিমধ্যে নিয়েছো।"
বাশার নাছোড়বান্দা। সে হাতের টিম প্ল্যানের কাগজ দেখিয়ে বলে, "এই দ্যাখো লেখা আছে - ৩১ থেকে ৩৫ ওভারে বোলিং পাওয়ার প্লে নিতে হবে।"
অশোকা একটু বিভ্রান্ত হয়। অপর প্রান্তের আম্পায়ার বিলি বাওডেনকে ডেকে বলে, "বিলি সাহেব, একটু দ্যাখেন তো, ঘটনা তো প্যাচ খাইয়া গেছে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য কি থার্ড আম্পায়ারের কাছে পাঠাবো?"
বিলি বাওডেন বাশারের হাত থেকে কাগজখানা নিয়ে বলে, "এটা তো সিরিজের তৃতীয় ম্যাচের গেম প্লান, আজ তো দ্বিতীয় ম্যাচ খেলছো!"
বাশার লজ্জায় লাল হয়ে তার বিখ্যাত নির্বোধের হাসিটা দেয় আর মুখে বলে, "সরি, একটু চিন্তা করতে গিয়ে ট্রাউজারের ডান পকেটের বদলে বাম পকেটে হাত ঢুকায়া ফেলেছি!"[/বাংলা]