nadim 98
October 18, 2010, 04:11 PM
Thats the spirit. Unlike Raki-bul who would re-retired if this was happened to him.
[বাংলা]আয়ারল্যান্ড ও হল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ দুটি ওয়ানডেতে রান করেছেন ৩৪ আর ৪১। দুটিই ছিল দলের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান। অথচ ফর্মে থাকা এই জহুরুল ইসলামই কিনা পুরো নিউজিল্যান্ড সিরিজটা কাটালেন মাঠের বাইরে বসে! সিরিজ জয়ের আনন্দের সঙ্গে তাই একটু দুঃখও আছে তাঁর মনে
- নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করলেন। নিশ্চয়ই খুব খুশি...
জহুরুল ইসলাম: অনেক ভালো লাগছে। বাংলাদেশ এই প্রথম পূর্ণশক্তির একটা টেস্ট দলকে হারাল। অনেক বড় অর্জন। আমি দলের অংশ ছিলাম, নিজেকে ভাগ্যবান মনে হচ্ছে।
- কিন্তু আপনার মনে তো একটু দুঃখও থাকার কথা। চার ম্যাচের একটাও খেলার সুযোগ পেলেন না...
জহুরুল: হ্যাঁ, তা তো অবশ্যই...দুঃখ আছে। আমি নিশ্চিত ছিলাম শেষ ম্যাচটা হয়তো খেলব। খেলার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম। যা-ই হোক, টিম ম্যানেজমেন্ট যেটাকে ভালো মনে করেছে সেটাই হয়েছে। দুঃখ থাকলেও আমি হতাশ নই। আমার যদি যোগ্যতা থাকে নিশ্চয়ই আমি আবার খেলব। খেলোয়াড়দের জীবনে এ রকম হয়ই। শোয়েব মালিকও তো টানা ২৮টা ম্যাচ বাদ পড়েছিল।
- আপনার কি খেলার কথা ছিল এ ম্যাচে? নাকি ধারণা করেছিলেন আপনি খেলবেন?
জহুরুল: না, ও রকম কিছু না। আসলে আমিও তো ছোটবেলা থেকে কোনো না কোনো দলে খেলি। সে অভিজ্ঞতা থেকেই মনে হয়েছিল শেষ ম্যাচে হয়তো সুযোগ পাব। জানি না আসলে...হয়তো বিশেষ কোনো পরিকল্পনা ছিল টিম ম্যানেজমেন্টের। আমি আসলে কিছু বুঝে উঠিনি।
- না খেললেও অভিনন্দন তো আপনিও পাচ্ছেন। কখনো কি মনে হয় খেলতে পারলে আরও ভালো লাগত এসব অভিনন্দন আর শুভেচ্ছায়?
জহুরুল: না না, সে রকম কিছু না। আমার ভালোই লাগে। আমিও তো অংশ এই অর্জনের। দলের সঙ্গে ছিলাম, মাঠে অন্যদের কাছে কোচের বার্তা নিয়ে গেছি। না খেললেও অবদান তো এভাবেও রাখা যায়। দল জিতেছে এটাই তো বড় পাওয়া।
-নিজের সর্বশেষ দুটি ওয়ানডেতে আপনি খুব একটা খারাপ ব্যাটিং করেননি। তার পরও এই সিরিজে একটা ম্যাচও খেলতে না পারার কী কারণ?
জহুরুল: নিজের খেলা সর্বশেষ ওয়ানডেতে দলের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান ছিল আমার। কিন্তু কী কারণে দলে নেওয়া হয়নি, সেটা তো আমি বলতে পারব না। আমার সঙ্গে এ নিয়ে কেউ কোনো কথা বলেনি। আমিও বলিনি। যদি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আরও একটা ওয়ানডে হতো এবং তাতেও আমাকে না নিত, তবুও কিছু বলতাম না। দলের জন্য যেটা ভালো মনে হবে টিম ম্যানেজমেন্ট তো তাই করবে। হয়তো তারা উইনিং কম্বিনেশন ভাঙতে চায়নি।
- সামনে তো জাতীয় লিগ। এখানে ভালো খেলে নিশ্চয়ই নিজের দাবিটা আরও জোরালোভাবে জানাতে চাইবেন?
জহুরুল: চেষ্টা করব। যেহেতু কঠোর অনুশীলন করেছি, পরিশ্রম করেছি, ভালো করব আশাবাদী। আমিও এই অনুশীলনের অংশ ছিলাম। প্রস্তুতি তাই ভালো আছে। দেখা যাক এখন কী হয়।
- বিশ্বকাপের আগে সবারই পারফরম্যান্স দেখানোর ব্যাপার আছে। খেলার সুযোগ পেলে জিম্বাবুয়ে সিরিজে ভালো করার ব্যাপারে কতটা আশাবাদী?
জহুরুল: বিশ্বকাপ নিয়ে আমার আলাদা করে কোনো আবেগ নেই। বাংলাদেশের হয়ে প্রতিটি ম্যাচ খেলাই আমার কাছে সৌভাগ্যের মনে হয়, সেটা যেখানেই খেলি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলি বা বিশ্বকাপে খেলি...আমার শুধু ভালো খেলার ইচ্ছা। এমন ভালো যেন আমাকে আর কেউ বাদ দেওয়ার কথা ভাবতে না পারে। দল নির্বাচনের সময় আমার খেলা না-খেলা নিয়ে যাতে কোনো আলোচনা না হয়...খেলোয়াড় হলে এ রকম খেলোয়াড়ই হতে হবে। বাদও দেওয়া যায় না আবার নেওয়াও যায় না, এ রকম অবস্থায় আর থাকতে চাই না।
[/বাংলা]
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-10-19/news/102489
[বাংলা]আয়ারল্যান্ড ও হল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ দুটি ওয়ানডেতে রান করেছেন ৩৪ আর ৪১। দুটিই ছিল দলের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান। অথচ ফর্মে থাকা এই জহুরুল ইসলামই কিনা পুরো নিউজিল্যান্ড সিরিজটা কাটালেন মাঠের বাইরে বসে! সিরিজ জয়ের আনন্দের সঙ্গে তাই একটু দুঃখও আছে তাঁর মনে
- নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইটওয়াশ করলেন। নিশ্চয়ই খুব খুশি...
জহুরুল ইসলাম: অনেক ভালো লাগছে। বাংলাদেশ এই প্রথম পূর্ণশক্তির একটা টেস্ট দলকে হারাল। অনেক বড় অর্জন। আমি দলের অংশ ছিলাম, নিজেকে ভাগ্যবান মনে হচ্ছে।
- কিন্তু আপনার মনে তো একটু দুঃখও থাকার কথা। চার ম্যাচের একটাও খেলার সুযোগ পেলেন না...
জহুরুল: হ্যাঁ, তা তো অবশ্যই...দুঃখ আছে। আমি নিশ্চিত ছিলাম শেষ ম্যাচটা হয়তো খেলব। খেলার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম। যা-ই হোক, টিম ম্যানেজমেন্ট যেটাকে ভালো মনে করেছে সেটাই হয়েছে। দুঃখ থাকলেও আমি হতাশ নই। আমার যদি যোগ্যতা থাকে নিশ্চয়ই আমি আবার খেলব। খেলোয়াড়দের জীবনে এ রকম হয়ই। শোয়েব মালিকও তো টানা ২৮টা ম্যাচ বাদ পড়েছিল।
- আপনার কি খেলার কথা ছিল এ ম্যাচে? নাকি ধারণা করেছিলেন আপনি খেলবেন?
জহুরুল: না, ও রকম কিছু না। আসলে আমিও তো ছোটবেলা থেকে কোনো না কোনো দলে খেলি। সে অভিজ্ঞতা থেকেই মনে হয়েছিল শেষ ম্যাচে হয়তো সুযোগ পাব। জানি না আসলে...হয়তো বিশেষ কোনো পরিকল্পনা ছিল টিম ম্যানেজমেন্টের। আমি আসলে কিছু বুঝে উঠিনি।
- না খেললেও অভিনন্দন তো আপনিও পাচ্ছেন। কখনো কি মনে হয় খেলতে পারলে আরও ভালো লাগত এসব অভিনন্দন আর শুভেচ্ছায়?
জহুরুল: না না, সে রকম কিছু না। আমার ভালোই লাগে। আমিও তো অংশ এই অর্জনের। দলের সঙ্গে ছিলাম, মাঠে অন্যদের কাছে কোচের বার্তা নিয়ে গেছি। না খেললেও অবদান তো এভাবেও রাখা যায়। দল জিতেছে এটাই তো বড় পাওয়া।
-নিজের সর্বশেষ দুটি ওয়ানডেতে আপনি খুব একটা খারাপ ব্যাটিং করেননি। তার পরও এই সিরিজে একটা ম্যাচও খেলতে না পারার কী কারণ?
জহুরুল: নিজের খেলা সর্বশেষ ওয়ানডেতে দলের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান ছিল আমার। কিন্তু কী কারণে দলে নেওয়া হয়নি, সেটা তো আমি বলতে পারব না। আমার সঙ্গে এ নিয়ে কেউ কোনো কথা বলেনি। আমিও বলিনি। যদি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আরও একটা ওয়ানডে হতো এবং তাতেও আমাকে না নিত, তবুও কিছু বলতাম না। দলের জন্য যেটা ভালো মনে হবে টিম ম্যানেজমেন্ট তো তাই করবে। হয়তো তারা উইনিং কম্বিনেশন ভাঙতে চায়নি।
- সামনে তো জাতীয় লিগ। এখানে ভালো খেলে নিশ্চয়ই নিজের দাবিটা আরও জোরালোভাবে জানাতে চাইবেন?
জহুরুল: চেষ্টা করব। যেহেতু কঠোর অনুশীলন করেছি, পরিশ্রম করেছি, ভালো করব আশাবাদী। আমিও এই অনুশীলনের অংশ ছিলাম। প্রস্তুতি তাই ভালো আছে। দেখা যাক এখন কী হয়।
- বিশ্বকাপের আগে সবারই পারফরম্যান্স দেখানোর ব্যাপার আছে। খেলার সুযোগ পেলে জিম্বাবুয়ে সিরিজে ভালো করার ব্যাপারে কতটা আশাবাদী?
জহুরুল: বিশ্বকাপ নিয়ে আমার আলাদা করে কোনো আবেগ নেই। বাংলাদেশের হয়ে প্রতিটি ম্যাচ খেলাই আমার কাছে সৌভাগ্যের মনে হয়, সেটা যেখানেই খেলি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলি বা বিশ্বকাপে খেলি...আমার শুধু ভালো খেলার ইচ্ছা। এমন ভালো যেন আমাকে আর কেউ বাদ দেওয়ার কথা ভাবতে না পারে। দল নির্বাচনের সময় আমার খেলা না-খেলা নিয়ে যাতে কোনো আলোচনা না হয়...খেলোয়াড় হলে এ রকম খেলোয়াড়ই হতে হবে। বাদও দেওয়া যায় না আবার নেওয়াও যায় না, এ রকম অবস্থায় আর থাকতে চাই না।
[/বাংলা]
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-10-19/news/102489