Murad
December 10, 2010, 04:17 PM
[বাংলা]অল্পস্বল্প
‘আমার চিন্তা ছিল উইকেট নিয়ে’
চট্টগ্রাম থেকে প্রতিনিধি | তারিখ: ১১-১২-২০১০
http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/resize/maxDim/340x1000/img/uploads/media/2010-12-10-19-24-05-052026700-5.gif
পরশু সন্ধ্যার পর কাল ভোরেও সোয়া ঘণ্টার বৃষ্টি। যতই বেলা গড়িয়েছে, সূর্য হেসেছে। মধ্য দুপুরে তো কড়া রোদই উঠল! তার পরও বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে চতুর্থ ওয়ানডেটা বাতিল হয়ে গেল মাঠ খেলার অনুপযোগী থাকায়। এ নিয়েই কথা বলেছেন মাঠের কিউরেটর জাহিদ রেজা
কাল (পরশু) রাতে মাঠ শুকানোর অনেক চেষ্টা করেছেন আপনারা। তার পরও তো ম্যাচ হলো না...
জাহিদ রেজা: রাত ১০টা পর্যন্ত আমরা কাজ করেছি। কাল (পরশু) যে বৃষ্টিটা হয়েছিল, তাতে পানি তেমন জমেনি। মাঠেরও খুব বেশি ক্ষতি হয়নি। সুপার সপার চালানোর মতো কাজও ছিল না। আমরা মূলত কাজ করেছি উইকেটের। আজ (গতকাল) সকাল পৌনে ছয়টা থেকে সাতটা পর্যন্ত সোয়া এক ঘণ্টার বৃষ্টিতেই সমস্যাটা হয়েছে।
এরপর তো সকালে আর বৃষ্টি হয়নি। বরং একসময় কড়া রোদও উঠেছে। তার পরও মাঠ না শুকানোর কারণ কী?
জাহিদ রেজা: এ মাঠের ঘাস সাগরপাড়ের ঘাস। এটা ওপরের দিকে তেমন ওঠে না, পাশে পাতা ছড়ায়। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের যে পাতা ঘাস আছে না, যার ভেতর আলো-বাতাস কিছু যায় না, এটাও সে রকম। অনেকটা স্পঞ্জের মতো। যে কারণে পানি সরার সুযোগ নেই।
দুই দলের খেলোয়াড়েরাই বলছেন ঘাস বড়, সে জন্য আউটফিল্ড স্লো...
জাহিদ রেজা: ঘাস বড় নয়, মিরপুর স্টেডিয়ামেও এই হাইটের ঘাসই আছে। তবে যেহেতু এখানকার ঘাস ঘন, সে জন্যই মাঠ স্লো।
আপনি এ মাঠের দায়িত্ব নিয়েছেন কবে?
জাহিদ রেজা: দেড় মাসের মতো হবে।
বিশ্বকাপের মাত্র তিন-চার মাস আগে একটা মাঠের দায়িত্ব দেওয়া হলো আপনাকে। কাজটা তো সহজ হওয়ার কথা নয়...
জাহিদ রেজা: আমি এটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে চেষ্টা করছি। উইকেটের কথা ধরুন, এখানকার একটা উইকেটে গতবার জিম্বাবুয়ে ৪৪ রানে অলআউট হয়েছে। এবার কিন্তু সেই উইকেটেও আমি খেলা দিয়েছিলাম। আমরা দেখতে চেয়েছিলাম, কেন এখানে এত কম রান হলো। যদিও শেষ ওয়ানডেটা এখন আর সেই উইকেটে হবে না। আজ (গতকাল) খেলা হয়নি বলে আজকের উইকেটেই ১২ তারিখে খেলা হবে।
এ মাঠের পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা ভালো নয়। বিশ্বকাপের সময়ও বৃষ্টি হানা দিলে, কী করবেন?
জাহিদ রেজা: যতটুকু জানি, বিশ্বকাপের সময় বৃষ্টি হলে আমরা পুরো মাঠ কাভার দিয়ে ঢেকে দিতে পারব। শ্রীলঙ্কাতেও এমন করা হয়।
কিউরেটর হিসেবে আপনার পূর্ব অভিজ্ঞতা কী?
জাহিদ রেজা: তখন তো মাঠ একটাই ছিল—বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম। ওখানে মিনি বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে ২০০১ সাল পর্যন্ত কাজ করেছি। এ ছাড়া ফতুল্লাতেও কাজ করেছি। তখনকার কিউরেটর আলম ভাইয়ের সঙ্গে ছিলাম আমি।
আবারও কিউরেটর হিসেবে ফিরে এই জিম্বাবুয়ে সিরিজই আপনার প্রথম দায়িত্ব এবং প্রথম ম্যাচটাই মাঠ অনুপযুক্ত থাকায় হলো না। একটু কি হতাশ?
জাহিদ রেজা: আমি আসার পর প্রথম ম্যাচটা হলো না...মন খারাপ হওয়াই স্বাভাবিক। আমি চেষ্টা করেছি, কিন্তু পারিনি। না পারার জন্য খারাপ লাগছে। তবে আমি আউটফিল্ড নিয়ে এত চিন্তিত ছিলাম না, আমার চিন্তা ছিল উইকেট নিয়ে।
উইকেট নিয়েও কিন্তু সন্তুষ্ট নন কেউ। আপনি ২৬০-২৭০ রানের উইকেট বললেও বাংলাদেশের কোচ জেমি সিডন্স বললেন, এই উইকেটে ১২০-১৩০ রানের বেশি হবে না...
জাহিদ রেজা: একজন সাংবাদিকের কাছে শুনেছি, যে উইকেটে জিম্বাবুয়ে ৪৪ রানে অলআউট হয়েছিল, ম্যাচের আগে সিডন্স বলেছিলেন ওই উইকেটে ৩০০ রান হবে। যতটুকু জানি, পৃথিবীর কোনো কিউরেটরই এক শ ভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে বলতে পারবে না কোন উইকেটে কী হবে। ন্যূনতম একটা ধারণা দিতে পারবে কেবল। যে উইকেটে আজ খেলা হওয়ার কথা ছিল, সেটা স্পোর্টিং উইকেটই ছিল।[/বাংলা]
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-12-11/news/114941
Haha Siddons re bowled kore diyese :-D
‘আমার চিন্তা ছিল উইকেট নিয়ে’
চট্টগ্রাম থেকে প্রতিনিধি | তারিখ: ১১-১২-২০১০
http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/resize/maxDim/340x1000/img/uploads/media/2010-12-10-19-24-05-052026700-5.gif
পরশু সন্ধ্যার পর কাল ভোরেও সোয়া ঘণ্টার বৃষ্টি। যতই বেলা গড়িয়েছে, সূর্য হেসেছে। মধ্য দুপুরে তো কড়া রোদই উঠল! তার পরও বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে চতুর্থ ওয়ানডেটা বাতিল হয়ে গেল মাঠ খেলার অনুপযোগী থাকায়। এ নিয়েই কথা বলেছেন মাঠের কিউরেটর জাহিদ রেজা
কাল (পরশু) রাতে মাঠ শুকানোর অনেক চেষ্টা করেছেন আপনারা। তার পরও তো ম্যাচ হলো না...
জাহিদ রেজা: রাত ১০টা পর্যন্ত আমরা কাজ করেছি। কাল (পরশু) যে বৃষ্টিটা হয়েছিল, তাতে পানি তেমন জমেনি। মাঠেরও খুব বেশি ক্ষতি হয়নি। সুপার সপার চালানোর মতো কাজও ছিল না। আমরা মূলত কাজ করেছি উইকেটের। আজ (গতকাল) সকাল পৌনে ছয়টা থেকে সাতটা পর্যন্ত সোয়া এক ঘণ্টার বৃষ্টিতেই সমস্যাটা হয়েছে।
এরপর তো সকালে আর বৃষ্টি হয়নি। বরং একসময় কড়া রোদও উঠেছে। তার পরও মাঠ না শুকানোর কারণ কী?
জাহিদ রেজা: এ মাঠের ঘাস সাগরপাড়ের ঘাস। এটা ওপরের দিকে তেমন ওঠে না, পাশে পাতা ছড়ায়। বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের যে পাতা ঘাস আছে না, যার ভেতর আলো-বাতাস কিছু যায় না, এটাও সে রকম। অনেকটা স্পঞ্জের মতো। যে কারণে পানি সরার সুযোগ নেই।
দুই দলের খেলোয়াড়েরাই বলছেন ঘাস বড়, সে জন্য আউটফিল্ড স্লো...
জাহিদ রেজা: ঘাস বড় নয়, মিরপুর স্টেডিয়ামেও এই হাইটের ঘাসই আছে। তবে যেহেতু এখানকার ঘাস ঘন, সে জন্যই মাঠ স্লো।
আপনি এ মাঠের দায়িত্ব নিয়েছেন কবে?
জাহিদ রেজা: দেড় মাসের মতো হবে।
বিশ্বকাপের মাত্র তিন-চার মাস আগে একটা মাঠের দায়িত্ব দেওয়া হলো আপনাকে। কাজটা তো সহজ হওয়ার কথা নয়...
জাহিদ রেজা: আমি এটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে চেষ্টা করছি। উইকেটের কথা ধরুন, এখানকার একটা উইকেটে গতবার জিম্বাবুয়ে ৪৪ রানে অলআউট হয়েছে। এবার কিন্তু সেই উইকেটেও আমি খেলা দিয়েছিলাম। আমরা দেখতে চেয়েছিলাম, কেন এখানে এত কম রান হলো। যদিও শেষ ওয়ানডেটা এখন আর সেই উইকেটে হবে না। আজ (গতকাল) খেলা হয়নি বলে আজকের উইকেটেই ১২ তারিখে খেলা হবে।
এ মাঠের পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা ভালো নয়। বিশ্বকাপের সময়ও বৃষ্টি হানা দিলে, কী করবেন?
জাহিদ রেজা: যতটুকু জানি, বিশ্বকাপের সময় বৃষ্টি হলে আমরা পুরো মাঠ কাভার দিয়ে ঢেকে দিতে পারব। শ্রীলঙ্কাতেও এমন করা হয়।
কিউরেটর হিসেবে আপনার পূর্ব অভিজ্ঞতা কী?
জাহিদ রেজা: তখন তো মাঠ একটাই ছিল—বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম। ওখানে মিনি বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে ২০০১ সাল পর্যন্ত কাজ করেছি। এ ছাড়া ফতুল্লাতেও কাজ করেছি। তখনকার কিউরেটর আলম ভাইয়ের সঙ্গে ছিলাম আমি।
আবারও কিউরেটর হিসেবে ফিরে এই জিম্বাবুয়ে সিরিজই আপনার প্রথম দায়িত্ব এবং প্রথম ম্যাচটাই মাঠ অনুপযুক্ত থাকায় হলো না। একটু কি হতাশ?
জাহিদ রেজা: আমি আসার পর প্রথম ম্যাচটা হলো না...মন খারাপ হওয়াই স্বাভাবিক। আমি চেষ্টা করেছি, কিন্তু পারিনি। না পারার জন্য খারাপ লাগছে। তবে আমি আউটফিল্ড নিয়ে এত চিন্তিত ছিলাম না, আমার চিন্তা ছিল উইকেট নিয়ে।
উইকেট নিয়েও কিন্তু সন্তুষ্ট নন কেউ। আপনি ২৬০-২৭০ রানের উইকেট বললেও বাংলাদেশের কোচ জেমি সিডন্স বললেন, এই উইকেটে ১২০-১৩০ রানের বেশি হবে না...
জাহিদ রেজা: একজন সাংবাদিকের কাছে শুনেছি, যে উইকেটে জিম্বাবুয়ে ৪৪ রানে অলআউট হয়েছিল, ম্যাচের আগে সিডন্স বলেছিলেন ওই উইকেটে ৩০০ রান হবে। যতটুকু জানি, পৃথিবীর কোনো কিউরেটরই এক শ ভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে বলতে পারবে না কোন উইকেটে কী হবে। ন্যূনতম একটা ধারণা দিতে পারবে কেবল। যে উইকেটে আজ খেলা হওয়ার কথা ছিল, সেটা স্পোর্টিং উইকেটই ছিল।[/বাংলা]
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-12-11/news/114941
Haha Siddons re bowled kore diyese :-D