PDA

View Full Version : বাংলাদেশের ২০১০-প্রথম আলো


ahnaf
December 18, 2010, 10:18 PM
টেস্টে বাংলাদেশ
শেবাগের মন্তব্যের পরই
ভারতের
পরাক্রমশালী ব্যাটিং
লাইনআপকে প্রথমবারের
মতো আড়াই শর নিচে (২৪৩)
গুটিয়ে দেওয়ার পর
মনে হচ্ছিল,
জবাবটা দারুণভাবে দেবে
বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত
অবশ্য চট্টগ্রাম
টেস্টে ১১৩ রানের বড়
ব্যবধানে পরাজয়ই
জোটে বাংলাদেশের কপালে।
তবে প্রথম ইনিংসে শাহাদাত-
সাকিবের ৫টি করে উইকেট
বা মুশফিকুর রহিমের প্রথম
টেস্ট সেঞ্চুরি—
টেস্টটিকে একেবারে
বিস্মরণযোগ্য করে রাখেনি।
বছর শুরুর এই
টেস্টটিকে বলা যায়
বছরজুড়ে বাংলাদেশের টেস্ট
পারফরম্যান্সের প্রতীক।
সবগুলো টেস্টই
হারতে হয়েছে, কিন্তু
মনে রাখার মতো কিছু না কিছু
পাওয়া গেছে প্রতিটি
টেস্টেই। এই প্রথম এক
বছরে দুবার চার শ
পেরিয়েছে বাংলাদেশ, ১৪
ইনিংসে দু শর নিচে অলআউট
হয়েছে মাত্র একবার।
ইংল্যান্ডের
মাটিতে প্রথমবারের
মতো পেরিয়েছে সাড়ে তিন শ
(লর্ডসে ৩৮২), প্রথম চার শ
এসেছে নিউজিল্যান্ডে।
একসময় যে নিউজিল্যান্ড ছিল
বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের
জন্য মূর্তিমান আতঙ্ক,
সেখানেই ক্যারিয়ারের প্রথম
টেস্ট সেঞ্চুরি পেয়েছেন
সাকিব ও মাহমুদউল্লাহ। এই
দুজন আর মুশফিক ছাড়াও এ
বছরই প্রথম টেস্ট
সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন
জুনায়েদ সিদ্দিক। সব
মিলিয়ে টেস্ট
ইতিহাসে বাংলাদেশের ২২
সেঞ্চুরির সাতটিই এসেছে এ
বছর, এক বছরে এত
সেঞ্চুরি আর
কখনো পায়নি বাংলাদেশ। ৭
টেস্টে ৭ সেঞ্চুরি আর ২০
ফিফটি, এমন বছরই
বা বাংলাদেশের
ব্যাটসম্যানরা কাটিয়েছেন
কবে!
এ বছরই আন্তর্জাতিক
ক্রিকেটে প্রথম দুই শ
রানের
জুটি দেখেছে বাংলাদেশ
(ভারতের বিপক্ষে ঢাকায়
তামিম-জুনায়েদের ২০০), এই
বছরেই প্রথম একাধিক দেড় শ
রানের জুটি (৩টি)। বিভিন্ন
উইকেটে বাংলাদেশের
সেরা জুটির রেকর্ড দেখুন—
সেরা চারটিই হয়েছে এ বছর
(প্রথম, দ্বিতীয়, সপ্তম,
অষ্টম)। চাইলে এগুলোকে বড়
কোনো অর্জন নয়
বলে উড়িয়ে দিতে পারেন
অনেকেই, কিন্তু উন্নতির
মানদণ্ড কিন্তু এগুলোই।
সবচেয়ে বড় কথা,
প্রাপ্তিগুলো এখন আর
খুঁজে খুঁজে বের
করতে হচ্ছে না, খালি চোখেই
স্পষ্ট ধরা পড়ছে।
উন্নতির
রেখাটা যেভাবে উপরের
দিকে উঠছিল, তাতে টেস্ট
ক্রিকেটে বাংলাদেশের
বছরটা জুনের শুরুতেই শেষ
না হয়ে গেলে নিশ্চিতভাবেই
ভারী হতো প্রাপ্তির
পাল্লা। বছরটা শেষ
হয়েছে একটা শঙ্কা নিয়েও।
ওল্ড ট্রাফোর্ড টেস্টের
প্রায় ১১ মাস পর
আগামী এপ্রিলে আবার টেস্ট
খেলার কথা বাংলাদেশের, এই
দীর্ঘ বিরতির পর সবকিছু
না আবার নতুন করে শুরু
করতে হয়! ২০০৭ সালে ১৩
মাসের বিরতির পর
টেস্টে ফেরার
অভিজ্ঞতাটা কিন্তু একদমই
সুখকর হয়নি।
বীরেন্দর শেবাগই তাহলে ঠিক!
ভারতের বিস্ফোরক ওপেনার
ব্যাটিং-দর্শন মেনে চলেন
কথাবার্তায়ও,
যা মনে আসে বলে দেন। তাই
বলে বাংলাদেশে এসে
বাংলাদেশকে এভাবে
তুচ্ছতাচ্ছিল্য! গত ১৬
জানুয়ারি চট্টগ্রাম টেস্ট
শুরুর আগের দিন ‘বাংলাদেশ
অর্ডিনারি’
বলে বাংলাদেশে প্রায়
গণশত্রুতে পরিণত হয়েছিলেন
শেবাগ। জহুর আহমেদ
চৌধুরী স্টেডিয়ামের সংবাদ
সম্মেলন কক্ষকে হতভম্ব
করে দেওয়ার পর তাঁর
বক্তব্যের ব্যাখ্যাও
দিয়েছিলেন শেবাগ,
‘ওয়ানডেতে কখনো কখনো
প্রতিপক্ষকে চমকে দিতে পারে
, কিন্তু টেস্টের বাংলাদেশ
সাধারণ।’ ৭ টেস্টের
সবগুলোতে বেশ বড়সড় পরাজয়
আর ২৭ ওয়ানডের ৯টিতে জয়—
বছর
শেষে তো দেখা যাচ্ছে শেবাগ
ঠিকই বলেছিলেন!
জয়-পরাজয়ের
হিসাবটা সাদা চোখে দেখলে
হয়তো তা-ই। তবে ক্রিকেটে এর
বাইরেও অনেক কিছু থাকে। সেই
হিসাব বলছে, শেবাগ
পুরোপুরি ঠিক নন।
‘কখনো কখনো’ নয়,
ওয়ানডেতে প্রতিপক্ষকে চমকে
দেওয়ার কাজটা বাংলাদেশ
মোটামুটি নিয়মিতই করেছে।
টেস্টেও ‘অর্ডিনারি’র
চেয়ে খানিকটা ভালো করেছে।
শেবাগ যেটা বলেননি, সেই টি-
টোয়েন্টি নিয়ে অবশ্য বলার
বেশি কিছু নেইও, বাংলাদেশ
নিজেই যে স্বীকার করে এই
ক্রিকেটটা এখনো ঠিক
বুঝে উঠতে পারছে না তারা!
বর্ষসেরা
টেস্টে বাংলাদেশের
সেরা প্রাপ্তি নিঃসন্দেহে
তামিম ইকবাল। বীরেন্দর
শেবাগের ‘বাংলাদেশি ও
বাঁহাতি সংস্করণ’
হিসেবে নিজেকে মোটামুটি
প্রতিষ্ঠিত করার
কাজটা তিনি করে ফেলেছেন এ
বছর। দুজনের ব্যাটিংয়েরই
প্রথম ও শেষ কথা আক্রমণ
এবং দুজনই
বিস্ময়করভাবে টি-
টোয়েন্টির
চেয়ে ওয়ানডেতে বেশি সফল,
ওয়ানডের চেয়ে সফল
বেশি টেস্টে।
২০১০ সালে তামিমের
৩টি টেস্ট
সেঞ্চুরি এসেছে ১০১, ৯৪ ও
১০০ বলে। বাংলাদেশের
পক্ষে দ্রুততম টেস্ট
সেঞ্চুরির তালিকার ১, ২ ও ৩
নম্বরেও এই তিনটি। টেস্টে এ
বছর কমপক্ষে ৩০০ রান
করেছেন, এমন
ব্যাটসম্যানদের
মাঝে তামিমের চেয়ে (৮০.৭১)
বেশি স্ট্রাইক রেট
আছে কেবল শেবাগেরই (৯১.৪৩)।
ধারাবাহিকতায়ও কিন্তু
‘শেবাগ’ তামিম। টানা ৫
ইনিংসে ফিফটি, ১৪ ইনিংসে ৩
সেঞ্চুরি ও ৬ ফিফটি, এ বছর
বাংলাদেশের
পক্ষে পঞ্চাশোর্ধ্ব
ইনিংসের এক-তৃতীয়াংশই
এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে—এমন
ধারাবাহিকতা বাংলাদেশের
কোনো ব্যাটসম্যানের জন্য
অভূতপূর্ব। বাংলাদেশ যখন
বছরের শেষ টেস্ট খেলল, অনেক
ব্যবধানে সর্বোচ্চ রান
সংগ্রাহক ছিলেন তামিম।
পরে অবশ্য তাঁর
চেয়ে বেশি টেস্ট
খেলে তামিমকে পেরিয়ে গেছেন
অনেকেই।
এগুলো সবই পরিসংখ্যানের
ঝনঝনানি, তামিমের কাছ
থেকে বাংলাদেশের
সেরা প্রাপ্তি দুঃসাহস।
ইনিংস হারের খাঁড়া মাথায়
নিয়ে ঢাকায় ভারতের
বিপক্ষে ১৫১, আঙুলের চোট
নিয়েও
ঘোষণা দিয়ে লর্ডসে সেঞ্চুরি
বা বিরুদ্ধ পরিবেশে ওল্ড
ট্রাফোর্ডের সেঞ্চুরি—
প্রতিটি ইনিংস
তামিমকে দিয়েছে নিজের
সামর্থ্যের ওপর আরও
আস্থা আর সতীর্থদের
জুগিয়েছে সাহস।
টি -টোয়েন্টি
ক্রিকেটের এই সংস্করণটিতেই
সবচেয়ে স্বচ্ছন্দ হওয়ার
কথা ছিল বাংলাদেশের। অথচ
টি-টোয়েন্টি বাংলাদেশের
জন্য একটি জটিল
ধাঁধা থেকে গেছে এ বছরও।
হ্যামিল্টনে নিউজিল্যান্ড
সফর সূচনাকারী একমাত্র টি-
টোয়েন্টিতে মাত্র ৭৮
রানে গুটিয়ে গিয়ে ১০
উইকেটের হার। এরপর টি-
টোয়েন্টি বিশ্বকাপে
পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়ার
কাছে হার ২১ ও ২৭ রানে।
পাকিস্তানের
বিপক্ষে ম্যাচটিতে অবশ্য
জয়ের একটা সম্ভাবনা সৃষ্টি
করেছিল বাংলাদেশ, ১৭৩ রান
তাড়া করতে গিয়ে শেষ ৫
ওভারে ৮ উইকেট
হাতে নিয়ে প্রয়োজন ছিল ৫৩
রান। কিন্তু সামি-আমিরদের
দুর্দান্ত
বোলিংয়ে কাছাকাছিও
যাওয়া হয়নি বাংলাদেশের।
ওয়ানডে
‘বছরের শুরুর দিকে বড়
দলগুলোর
বিপক্ষে আমরা জিততে পারিনি,
তবে উন্নতি করছিলাম। বছরের
শেষ দিকে এসে প্রমাণিত
হয়েছে সেটাই’—সাকিব আল
হাসানের এই বিশ্লেষণেই
ফুটে উঠেছে ওয়ানডেতে
বাংলাদেশের বছরটা।
জানুয়ারিতে ঢাকার
ত্রিদেশীয়
টুর্নামেন্টে শ্রীলঙ্কার
বিপক্ষে ২৬০ রান করার পরের
ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে ২৯৬
—কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশের
বিপক্ষে বাংলাদেশের
সর্বোচ্চ। জয় অবশ্য আসেনি,
তবে এরপর পূর্ব দিগন্ত
রক্তলাল হয়ে উঠেছিল অন্তত
দুবার। ক্রাইস্টচার্চে ২৪৩
রান তাড়া করতে নামা
নিউজিল্যান্ড ২১০
রানে হারিয়েছিল ৭ উইকেট,
পেসার ইয়ান
বাটলারকে নিয়ে বাংলাদেশকে
হারিয়ে দেন জেমস
ফ্রাঙ্কলিন। কদিন পর
অসাধারণ এক
সেঞ্চুরি করে বলতে গেলে একা
বাংলাদেশের জয় ছিনিয়ে নেন
এউইন মরগান, ২
উইকেটে জেতে ইংল্যান্ড।
তবে ইংল্যান্ডে ফিরতি সফরে
ঠিকই একটা ওয়ানডে জিতে যায়
বাংলাদেশ। ব্রিস্টলের ওই
জয়ে আন্তর্জাতিক
ক্রিকেটে সব দলকে হারানোর
চক্রও পূরণ হয়। দীর্ঘ ও
ক্লান্তিময় সফরের শেষ
দিকে আয়ারল্যান্ড ও
হল্যান্ডের
কাছে অপ্রত্যাশিত হারের
হতাশায় অবশ্য অনেকটাই
ম্লান হয়ে যায় সেই সাফল্য।
সেই হতাশা ভোলাতে বড় কিছুর
প্রয়োজন ছিল।
নিউজিল্যান্ডকে
হোয়াইটওয়াশের
মাধ্যমে সেটিও মেলে। বছরের
শেষটা হয়েছে দুর্দান্ত,
শেষ ৯টি ওয়ানডের ৮টিই
জিতেছে বাংলাদেশ।
বর্ষসেরা
আইসিসি র‌্যাঙ্কিং তাঁকে
বিশ্বসেরা ওয়ানডে
অলরাউন্ডারের
স্বীকৃতি দিয়েছে ২০০৯
সালের শুরুতে। মাঠের
পারফরম্যান্স দিয়ে সেই
স্বীকৃতি শুধু ধরেই
রাখেননি, এ বছর সাকিব আল
হাসান নিজেকে নিয়ে গেছেন
নতুন উচ্চতায়। ৪৬ উইকেট
নিয়ে এ বছর
ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি উইকেট
তাঁর (২০০৬ সালে মাশরাফির
পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি),
ব্যাট হাতে ১টি সেঞ্চুরি ও
৫টি ফিফটিতে রান করেছেন
৭৮৭, সঙ্গে যোগ করুন
দলকে দারুণ দক্ষতায়
নেতৃত্ব দেওয়া—পেয়ে যাবেন
এক আদর্শ অলরাউন্ডারের
প্রতিচ্ছবি। চার ম্যাচের
দুটিতে ম্যাচ-সেরা,
সিরিজে সবচেয়ে বেশি রান ও
উইকেট—নিউজিল্যান ড
তো হোয়াইটওয়াশ হলো সাকিব-
জাদুতেই!

Night_wolf
December 18, 2010, 10:32 PM
thanks ahnaf vai...great article!...you should PM this to Boss

Naimul_Hd
December 18, 2010, 10:33 PM
^ PA ki kobita likhche naki ?? :-p

ahnaf
December 18, 2010, 10:34 PM
thanks ahnaf vai...great article!...you should PM this to Boss

bhaiya! Ki kow tmi! Aita jodi ami likhtam taile to sarchilo... :p

Naimul_Hd
December 18, 2010, 10:35 PM
For better view :

http://www.eprothomalo.com/contents/2010/2010_12_19/content_zoom/2010_12_19_29_17_b.jpg

Night_wolf
December 18, 2010, 10:37 PM
bhaiya! Ki kow tmi! Aita jodi ami likhtam taile to sarchilo... :p

:-p link nai daikhe ami vabsilam tumi likso!

Naimul_Hd
December 18, 2010, 10:39 PM
http://www.eprothomalo.com/contents/2010/2010_12_19/content_zoom/2010_12_19_29_20_b.jpg

Naimul_Hd
December 18, 2010, 10:40 PM
http://www.eprothomalo.com/contents/2010/2010_12_19/content_zoom/2010_12_19_29_19_b.jpg

Naimul_Hd
December 18, 2010, 10:41 PM
http://www.eprothomalo.com/contents/2010/2010_12_19/content_zoom/2010_12_19_29_25_b.jpg

Naimul_Hd
December 18, 2010, 10:41 PM
http://www.eprothomalo.com/contents/2010/2010_12_19/content_zoom/2010_12_19_29_27_b.jpg

Naimul_Hd
December 18, 2010, 10:42 PM
http://www.eprothomalo.com/contents/2010/2010_12_19/content_zoom/2010_12_19_29_23_b.jpg

ahnaf
December 18, 2010, 10:43 PM
:-p link nai daikhe ami vabsilam tumi likso!

hehehe.. Link post korar jayga hyteche kno jani oi post e..tai.. Bhai.. Tbe jodi keo pa na porto taile kintu akta chance nitam..: p

Naimul_Hd
December 18, 2010, 10:44 PM
http://www.eprothomalo.com/contents/2010/2010_12_19/content_zoom/2010_12_19_29_24_b.jpg

http://www.eprothomalo.com/contents/2010/2010_12_19/content_zoom/2010_12_19_29_21_b.jpg


http://www.eprothomalo.com/contents/2010/2010_12_19/content_zoom/2010_12_19_29_22_b.jpg

There you go. Now, its much easier to read :)

Source : PA (http://www.eprothomalo.com/index.php?opt=view&page=29&date=2010-12-19)

ahnaf
December 18, 2010, 10:45 PM
Thank u naimul da..

amar11432
December 19, 2010, 09:57 AM
Whats going on???

Roni_uk
December 19, 2010, 06:03 PM
great stuff... I wonder if this is the best year of Bangladesh cricket to date.

FagunerAgun
December 19, 2010, 07:40 PM
Thanks Naimul bhai...now I can read even without my eye-glasses. :)

magic boy
December 19, 2010, 11:03 PM
still cant believe we whitewashed New Zealand by 4-:eek: