kalpurush
February 20, 2011, 08:31 PM
[বাংলা] টসে জিতে আপনার ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত তো এখন ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’...
সাকিব আল হাসান: আর কোনো কারণ খুঁজে না পেলে এটাই কারণ। তবে আমি টস নিয়ে এত কথা বলার কারণ দেখছি না।
টসে হেরে ফিল্ডিং নেওয়ার পর প্রতিপক্ষ ৩৭০ রান করে ফেললে কথা তো হবেই। আপনার জবাবটা কী হবে?
সাকিব: মিরপুরে ডে-নাইট ম্যাচে শেষ ১০ ওভারে ডিউ-ফ্যাক্টর বড় ব্যাপার হয়ে যায়। বল রিভার্স সুইং করে না। বল থেমে না এসে স্কিড করে বলে স্পিনারদের খেলাও অনেক সহজ হয়ে যায়। অনেকে বলতে পারেন, কাল (পরশু) তেমন শিশির ছিল না। তার পরও ওরা কিন্তু বল রিভার্স সুইং করাতে পারেনি। স্পিনারদের খেলাও অনেক সহজ হয়ে গেছে।
পরে বোলিং করায় সমস্যা বলছেন, আগে বোলিং করেও তো ভালো কিছু হলো না। কোথায় এলোমেলো হয়ে গেল সব?
সাকিব: নতুন বলে ভালো বোলিং না হওয়াতেই আমাদের প্ল্যানটা এলোমেলো হয়ে গেছে। ঠিক করে রেখেছিলাম, রুবেল ২-৩ ওভার করার পর নতুন বলে সুহাস (শফিউল) আর রাজ ভাইকে (রাজ্জাক) দিয়ে বোলিং করাব। রুবেলকে আবার আনব ২৩-২৪ ওভারের দিকে। ও তখন খুব ভালো রিভার্স সুইং করাতে পারে। কিন্তু সুহাস ভালো করেনি বলে রুবেলকে নতুন বলে বেশি বোলিং করাতে হলো। শুরুতে উইকেট পেলে আমরা স্পিনাররাও আরও ভালো করতে পারতাম।
আমজনতার মুখে মুখে একটা কথা ফিরছে, বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাটিং করলে ভারত চাপে পড়ে যেত। আপনি একমত?
সাকিব: একদমই না। আগে ব্যাটিং করলে আমরা কত করতাম...২৫০? ২৬০? আমরা তো সাধারণত এমনই করি। রাতের বেলা এটা ভারতের কাছে কোনো রানই হতো না। কেন সবাই ভুলে যায়, এই মাঠেই ভারতের বিপক্ষে ২৯৬ করেও আমরা হেরেছি।
ঠিক আছে, আপনি ক্রিকেটীয় যুক্তিবুদ্ধি দিয়েই সিদ্ধান্তটা নিয়েছেন। কিন্তু ভারতীয় ব্যাটিং-তাণ্ডবের সময় কখনো ‘ভুলই করলাম কি না’ মনে হয়নি?
সাকিব: হয়নি। কারণ এই সিদ্ধান্ত তো আমি মাঠে গিয়ে হুট করে নিইনি। ৫-৭ দিন আগে থেকেই ভেবে রেখেছিলাম। দলের মধ্যে আলোচনাও হয়েছে।
আলোচনাটা কি টিম মিটিংয়ে হয়েছে, নাকি টিম ম্যানেজমেন্টের মধ্যে?
সাকিব: সাধারণত যেমন হয়, কোচ-ক্যাপ্টেন-ভাইস ক্যাপ্টেন ও দলের সিনিয়র দু-একজন খেলোয়াড় মিলে আলোচনা হয়েছে। ১১ জনকে জিজ্ঞেস করলে তো ১১ মত আসতে পারে।
প্রশ্নটা আবার করছি, ভারত ৩০ ওভারেই ২ উইকেটে ১৬৯ করে ফেলার পর সিদ্ধান্তটা ঠিক হয়েছে কি না, এ নিয়ে নিজের মধ্যে একটুও দ্বিধাদ্বন্দ্ব দেখা দেয়নি?
সাকিব: না, কখনোই মনে হয়নি আগে ব্যাটিং করলেই ভালো হতো। সিদ্ধান্তটা কেন নিয়েছি, সে ব্যাপারে তো আমি পরিষ্কার ছিলাম। তবে হ্যাঁ, ইন্ডিয়ার তিন শ হয়ে যাওয়ার পর একবার মনে হয়েছে, সাংবাদিকেরা তো জিজ্ঞেস করবেই কেন ফিল্ডিং নিয়েছি (হাসি)।
সিদ্ধান্তটা বুমেরাং হয়ে যাওয়ার মূল কারণ কী?
সাকিব: কারণ তো একটাই, আমাদের মূল স্ট্রাইক বোলাররা সামর্থ্য অনুযায়ী বোলিং করতে পারেনি। বোলারদের মধ্যে আমি মোটামুটি করেছি। একমাত্র রুবেলই খুব ভালো করেছে। কেউ বলতে পারে, রুবেল তো ১০ ওভারে ৬০ দিয়েছে। আসলে অন্য দিকে খুব রান উঠেছে বলে ওর ওপর দিয়েও এর জের গেছে। অন্য দিক থেকে টাইট বোলিং হলে রুবেলের বোলিং ফিগারটাও দেখার মতো হতো।
৩৭০ হয়ে যাওয়ার প্রত্যক্ষ কারণ তো বীরেন্দর শেবাগ। ও যখন ওভাবে মারছিল, অসহায় লাগছিল না?
সাকিব: তা তো লেগেছেই। ওকেই সবার আগে আউট করার টার্গেট ছিল আমাদের। কারণ জানতাম, শেবাগ থাকলে ৩৬০-৩৭০ হয়েই যাবে। টেন্ডুলকার থাকলেও হয়তো ৩২০ হতো। গম্ভীর থাকলে ৩১০। কিন্তু শেবাগ তো শেবাগ। আর এ দিন ও অনেক সেনসিবল ব্যাটিং করেছে। মিডল ওভারে ১-২ নিয়ে খেলেছে। আমি তো ফিল্ডার ওপরে রেখে বল করলাম যাতে মারে। তা-ও মারেনি, মেরেছে পরে।
শেবাগ যেদিন খেলে, সেদিন তো ফিল্ডিং সাজানোই কঠিন...
সাকিব: বিশেষ করে অফ সাইড-লেগ সাইড দুই দিকেই যখন মারছিল, খুব অসহায় লাগছিল। সব বল তো মারারও ছিল না। রুবেলের প্রথম ওভারে পুল করতে গিয়ে হঠাৎ সোজা ব্যাট নামিয়ে চার মেরে দিল! পাওয়ার প্লেতে আমার পরপর দুটি বল ডট যাওয়ার পর তৃতীয় বলটা কভারে মারতে গিয়ে ব্যাকফুটে এসে সোজা মেরে চার! কী যে সাহস! ক্রিকেটে মূলত সাহসটাই আসল।
শেবাগীয় তাণ্ডবের সময় নিজেকে উদ্দীপ্ত রেখেছেন কীভাবে?
সাকিব: দর্শকেরা খুব সাহায্য করেছে। জীবনে এমন সাপোর্ট দেখিনি। এমনিতে আমরা খারাপ খেললে অনেকে গালি দেয়। এ দিন কেউ এমন করেনি। এই ম্যাচে দর্শকদেরই আমার সবচেয়ে পজিটিভ লেগেছে।
এই ম্যাচ নিয়ে এমন হাইপ, মাঠভর্তি দর্শক—টস করতে নামার সময় কি একটু নার্ভাস লাগছিল?
সাকিব: নাহ্। বরং ধোনিকে আমি এত নার্ভাস দেখিনি জীবনে। আমি টস জেতার পর দর্শকেরা যখন চিৎকার দিয়ে উঠল, ওকে খুব নার্ভাস লাগছিল।
৩৭১ টার্গেট হয়ে গেলে অধিনায়কের কী-ই বা বলার থাকে! তার পরও জিজ্ঞেস করি, ব্যাটসম্যানদের আপনি কী বলেছিলেন?
সাকিব: আমাদের প্ল্যান ছিল পজিটিভ থাকব। এমনিতে যার ৭০-৮০ স্ট্রাইক রেট, তারও যেন ১০০ স্ট্রাইক রেট থাকে। আমরা কিন্তু তেমনই খেলেছি। ক্রিকেটিং শট খেলেই রান করেছি।
কিন্তু শেষটা কি ভালো হলো? শেষ ৫ ওভারে মাত্র ১৯ রান, তিন শ হলে মানসিকভাবে আরেকটু চাঙা থাকতেন না?
সাকিব: তিন শ তো হওয়াই উচিত ছিল। তিন শ করতে শেষ ৪২ বলে ৪৮ রান লাগত। উইকেটে রকিবুল-রিয়াদ ভাই (মাহমুদউল্লাহ), এরপর নাঈম, পাওয়ার প্লের তিন-চার ওভার বাকি...এর পরও হলো না! আমি বলব, ৪০-৪২ ওভার পর্যন্ত আমাদের ব্যাটিং ঠিক ছিল।
এই ম্যাচের পর দলের অবস্থা কী?
সাকিব: ভালো। দু-একজন একটু ডাউন আছে, বাকি সবাই মানসিকভাবে খুব ভালো আছে বলে মনে হচ্ছে। এই ম্যাচে জয়ের আশা থাকলেও আমি বাস্তববাদীই ছিলাম। জিততে পারিনি, তবে এই পারফরম্যান্সের পর ৩২০-৩৩০ চেজ করার ব্যাপারেও আমরা আত্মবিশ্বাসী থাকব। কালই তো আমরা বলাবলি করছিলাম, ভারত তিন শ বিশ-টিশ করলেও আমরা জিতে যেতে পারতাম। ২৭০-২৮০ রানে আমরা আর ঘাবড়ে যাব না। [/বাংলা]
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-02-21/news/132862
সাকিব আল হাসান: আর কোনো কারণ খুঁজে না পেলে এটাই কারণ। তবে আমি টস নিয়ে এত কথা বলার কারণ দেখছি না।
টসে হেরে ফিল্ডিং নেওয়ার পর প্রতিপক্ষ ৩৭০ রান করে ফেললে কথা তো হবেই। আপনার জবাবটা কী হবে?
সাকিব: মিরপুরে ডে-নাইট ম্যাচে শেষ ১০ ওভারে ডিউ-ফ্যাক্টর বড় ব্যাপার হয়ে যায়। বল রিভার্স সুইং করে না। বল থেমে না এসে স্কিড করে বলে স্পিনারদের খেলাও অনেক সহজ হয়ে যায়। অনেকে বলতে পারেন, কাল (পরশু) তেমন শিশির ছিল না। তার পরও ওরা কিন্তু বল রিভার্স সুইং করাতে পারেনি। স্পিনারদের খেলাও অনেক সহজ হয়ে গেছে।
পরে বোলিং করায় সমস্যা বলছেন, আগে বোলিং করেও তো ভালো কিছু হলো না। কোথায় এলোমেলো হয়ে গেল সব?
সাকিব: নতুন বলে ভালো বোলিং না হওয়াতেই আমাদের প্ল্যানটা এলোমেলো হয়ে গেছে। ঠিক করে রেখেছিলাম, রুবেল ২-৩ ওভার করার পর নতুন বলে সুহাস (শফিউল) আর রাজ ভাইকে (রাজ্জাক) দিয়ে বোলিং করাব। রুবেলকে আবার আনব ২৩-২৪ ওভারের দিকে। ও তখন খুব ভালো রিভার্স সুইং করাতে পারে। কিন্তু সুহাস ভালো করেনি বলে রুবেলকে নতুন বলে বেশি বোলিং করাতে হলো। শুরুতে উইকেট পেলে আমরা স্পিনাররাও আরও ভালো করতে পারতাম।
আমজনতার মুখে মুখে একটা কথা ফিরছে, বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাটিং করলে ভারত চাপে পড়ে যেত। আপনি একমত?
সাকিব: একদমই না। আগে ব্যাটিং করলে আমরা কত করতাম...২৫০? ২৬০? আমরা তো সাধারণত এমনই করি। রাতের বেলা এটা ভারতের কাছে কোনো রানই হতো না। কেন সবাই ভুলে যায়, এই মাঠেই ভারতের বিপক্ষে ২৯৬ করেও আমরা হেরেছি।
ঠিক আছে, আপনি ক্রিকেটীয় যুক্তিবুদ্ধি দিয়েই সিদ্ধান্তটা নিয়েছেন। কিন্তু ভারতীয় ব্যাটিং-তাণ্ডবের সময় কখনো ‘ভুলই করলাম কি না’ মনে হয়নি?
সাকিব: হয়নি। কারণ এই সিদ্ধান্ত তো আমি মাঠে গিয়ে হুট করে নিইনি। ৫-৭ দিন আগে থেকেই ভেবে রেখেছিলাম। দলের মধ্যে আলোচনাও হয়েছে।
আলোচনাটা কি টিম মিটিংয়ে হয়েছে, নাকি টিম ম্যানেজমেন্টের মধ্যে?
সাকিব: সাধারণত যেমন হয়, কোচ-ক্যাপ্টেন-ভাইস ক্যাপ্টেন ও দলের সিনিয়র দু-একজন খেলোয়াড় মিলে আলোচনা হয়েছে। ১১ জনকে জিজ্ঞেস করলে তো ১১ মত আসতে পারে।
প্রশ্নটা আবার করছি, ভারত ৩০ ওভারেই ২ উইকেটে ১৬৯ করে ফেলার পর সিদ্ধান্তটা ঠিক হয়েছে কি না, এ নিয়ে নিজের মধ্যে একটুও দ্বিধাদ্বন্দ্ব দেখা দেয়নি?
সাকিব: না, কখনোই মনে হয়নি আগে ব্যাটিং করলেই ভালো হতো। সিদ্ধান্তটা কেন নিয়েছি, সে ব্যাপারে তো আমি পরিষ্কার ছিলাম। তবে হ্যাঁ, ইন্ডিয়ার তিন শ হয়ে যাওয়ার পর একবার মনে হয়েছে, সাংবাদিকেরা তো জিজ্ঞেস করবেই কেন ফিল্ডিং নিয়েছি (হাসি)।
সিদ্ধান্তটা বুমেরাং হয়ে যাওয়ার মূল কারণ কী?
সাকিব: কারণ তো একটাই, আমাদের মূল স্ট্রাইক বোলাররা সামর্থ্য অনুযায়ী বোলিং করতে পারেনি। বোলারদের মধ্যে আমি মোটামুটি করেছি। একমাত্র রুবেলই খুব ভালো করেছে। কেউ বলতে পারে, রুবেল তো ১০ ওভারে ৬০ দিয়েছে। আসলে অন্য দিকে খুব রান উঠেছে বলে ওর ওপর দিয়েও এর জের গেছে। অন্য দিক থেকে টাইট বোলিং হলে রুবেলের বোলিং ফিগারটাও দেখার মতো হতো।
৩৭০ হয়ে যাওয়ার প্রত্যক্ষ কারণ তো বীরেন্দর শেবাগ। ও যখন ওভাবে মারছিল, অসহায় লাগছিল না?
সাকিব: তা তো লেগেছেই। ওকেই সবার আগে আউট করার টার্গেট ছিল আমাদের। কারণ জানতাম, শেবাগ থাকলে ৩৬০-৩৭০ হয়েই যাবে। টেন্ডুলকার থাকলেও হয়তো ৩২০ হতো। গম্ভীর থাকলে ৩১০। কিন্তু শেবাগ তো শেবাগ। আর এ দিন ও অনেক সেনসিবল ব্যাটিং করেছে। মিডল ওভারে ১-২ নিয়ে খেলেছে। আমি তো ফিল্ডার ওপরে রেখে বল করলাম যাতে মারে। তা-ও মারেনি, মেরেছে পরে।
শেবাগ যেদিন খেলে, সেদিন তো ফিল্ডিং সাজানোই কঠিন...
সাকিব: বিশেষ করে অফ সাইড-লেগ সাইড দুই দিকেই যখন মারছিল, খুব অসহায় লাগছিল। সব বল তো মারারও ছিল না। রুবেলের প্রথম ওভারে পুল করতে গিয়ে হঠাৎ সোজা ব্যাট নামিয়ে চার মেরে দিল! পাওয়ার প্লেতে আমার পরপর দুটি বল ডট যাওয়ার পর তৃতীয় বলটা কভারে মারতে গিয়ে ব্যাকফুটে এসে সোজা মেরে চার! কী যে সাহস! ক্রিকেটে মূলত সাহসটাই আসল।
শেবাগীয় তাণ্ডবের সময় নিজেকে উদ্দীপ্ত রেখেছেন কীভাবে?
সাকিব: দর্শকেরা খুব সাহায্য করেছে। জীবনে এমন সাপোর্ট দেখিনি। এমনিতে আমরা খারাপ খেললে অনেকে গালি দেয়। এ দিন কেউ এমন করেনি। এই ম্যাচে দর্শকদেরই আমার সবচেয়ে পজিটিভ লেগেছে।
এই ম্যাচ নিয়ে এমন হাইপ, মাঠভর্তি দর্শক—টস করতে নামার সময় কি একটু নার্ভাস লাগছিল?
সাকিব: নাহ্। বরং ধোনিকে আমি এত নার্ভাস দেখিনি জীবনে। আমি টস জেতার পর দর্শকেরা যখন চিৎকার দিয়ে উঠল, ওকে খুব নার্ভাস লাগছিল।
৩৭১ টার্গেট হয়ে গেলে অধিনায়কের কী-ই বা বলার থাকে! তার পরও জিজ্ঞেস করি, ব্যাটসম্যানদের আপনি কী বলেছিলেন?
সাকিব: আমাদের প্ল্যান ছিল পজিটিভ থাকব। এমনিতে যার ৭০-৮০ স্ট্রাইক রেট, তারও যেন ১০০ স্ট্রাইক রেট থাকে। আমরা কিন্তু তেমনই খেলেছি। ক্রিকেটিং শট খেলেই রান করেছি।
কিন্তু শেষটা কি ভালো হলো? শেষ ৫ ওভারে মাত্র ১৯ রান, তিন শ হলে মানসিকভাবে আরেকটু চাঙা থাকতেন না?
সাকিব: তিন শ তো হওয়াই উচিত ছিল। তিন শ করতে শেষ ৪২ বলে ৪৮ রান লাগত। উইকেটে রকিবুল-রিয়াদ ভাই (মাহমুদউল্লাহ), এরপর নাঈম, পাওয়ার প্লের তিন-চার ওভার বাকি...এর পরও হলো না! আমি বলব, ৪০-৪২ ওভার পর্যন্ত আমাদের ব্যাটিং ঠিক ছিল।
এই ম্যাচের পর দলের অবস্থা কী?
সাকিব: ভালো। দু-একজন একটু ডাউন আছে, বাকি সবাই মানসিকভাবে খুব ভালো আছে বলে মনে হচ্ছে। এই ম্যাচে জয়ের আশা থাকলেও আমি বাস্তববাদীই ছিলাম। জিততে পারিনি, তবে এই পারফরম্যান্সের পর ৩২০-৩৩০ চেজ করার ব্যাপারেও আমরা আত্মবিশ্বাসী থাকব। কালই তো আমরা বলাবলি করছিলাম, ভারত তিন শ বিশ-টিশ করলেও আমরা জিতে যেতে পারতাম। ২৭০-২৮০ রানে আমরা আর ঘাবড়ে যাব না। [/বাংলা]
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-02-21/news/132862