PDA

View Full Version : পপগুরু আর নেই !!


Naimul_Hd
June 5, 2011, 12:24 AM
পপগুরু ও মুক্তিযোদ্ধা আজম খান আর নেই। রোববার সকালে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মারা গেছেন তিনি। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।



মুখ গহ্বরে ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে লাইফ সাপোর্টে থাকা আজম খানকে রোববার সকাল সোয়া ১০টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন সিএমএইচ-এর চিকিৎসকরা। হাসপাতাল ও আজম খানের পারিবারিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।


Source (http://banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=039877e2030dcb53763e516363a3d a6d&nttl=2011060543260&toppos=1)

(http://banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=039877e2030dcb53763e516363a3d a6d&nttl=2011060543260&toppos=1)


ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন !!! আল্লাহ তালা তাকে জান্নাতবাসী করুন !!!

Ashraf-FTP
June 5, 2011, 12:29 AM
innal.....rajiun.

That is really sad to hear. I was expecting him to recover :( The doctors said the signs were looking better. But ohh well, I hope Allah helps him :)

Zunaid
June 5, 2011, 12:33 AM
RIP legend.
<br />Posted via BC Mobile Edition (iPhone)

Murad
June 5, 2011, 12:37 AM
Innalilllahi wa inna ilahi rajeun.

Naimul_Hd
June 5, 2011, 01:04 AM
Detail News

<table align="right" border="0" cellpadding="3" cellspacing="2"> <tbody><tr> <td valign="top" align="center">http://bdnews24.com/nimage/2011-06-05-11-30-27-azam-khan3005b.jpg </td> </tr> </tbody></table> ঢাকা, জুন ০৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে হার মানলেন পপগুরু আজম খান। রোববার সকালে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে তার।

সিএমএইচের চিকিৎসক কর্নেল ডা. আজিজুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানিয়েছেন, সকাল ১০টা ২০ মিনিটে মারা যান আজম খান।

ক্যান্সারাক্রান্ আজম খানের বয়স হয়েছিলো ৬১ বছর। তাকে কয়েকদিন আগেই স্কয়ার হাসপাতাল থেকে সিএমএইচে নেওয়া হয়।

আজম খানের দীর্ঘদিনের বন্ধু ফকীর আলমগীর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আজম খানের দাফনসহ পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটসহ অন্য সাংস্কৃতিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর ঠিক হবে।

শরীরের বিভিন্ন অংশে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়ায় আজম খানের শারীরিক অবস্থার উন্নতির কোনো আশা দিতে পারেননি চিকিৎসকরা।

নয় দিন আগে আজম খানের অবস্থার অবনতি ঘটে। সে দিন থেকেই স্কয়ার হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন বাংলাদেশে পপ সঙ্গীতের এই অগ্রপথিককে।

ব্যান্ড দল উচ্চারণ গড়ার মধ্য দিয়ে সঙ্গীতাঙ্গনে আত্মপ্রকাশকারী আজম খানের মুখগহ্বরের ২০১০ সালে ক্যান্সার ধরা পড়ে। এ জন্য দুবার তাকে সিঙ্গাপুরে নিয়েও চিকিৎসা করানো হয়।

তবে গত নভেম্বরে সিঙ্গাপুরে শেষ বারের চিকিৎসা সম্পূর্ণ না করেই আজম খান ফিরে আসেন।

১৯৫০ সালের ২৮ ফেব্র"য়ারি ঢাকার আজিমপুরে জন্ম নেওয়া মাহবুবুল হক খান সঙ্গীতাঙ্গনে পরিচিত হয়ে ওঠেন আজম খান নামে।

২১ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া এ সঙ্গীত শিল্পী স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে গঠন করেন ব্যান্ড দল 'উচ্চারণ'। বাংলাদেশ টেলিভিশনে তার প্রথম কনসার্ট প্রচারিত হয় ১৯৭২ সালে। ১৯৭৪-৭৫ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে 'রেললাইনের ওই বস্তিতে' গেয়ে স্থান করে নেন বাংলার মানুষর হৃদয়ে।

বাংলাদেশে পপ সঙ্গীতের জনপ্রিয়তা আজম খানের হাত ধরেই। দেশে এ জগতে কিংবদন্তী মনে করা হয় তাকে। আজম খানের কণ্ঠে 'ওরে সালেকা, ওরো মালেকা', 'আলাল ও দুলাল', 'অনামিকা', 'অভিমানী, 'আসি আসি বলে' গানগুলো এখনো ফেরে মানুষের মুখে মুখে।

Source (http://bdnews24.com/bangla/details.php?cid=2&id=160614&hb=top)

Isnaad
June 5, 2011, 01:16 AM
Inna Lillahi Wa Inna Illaihi Wa Roajiun.
<br />Posted via BC Mobile Edition (Opera Mobile)

Zeeshan
June 5, 2011, 01:18 AM
My condolences.

Ajfar
June 5, 2011, 01:28 AM
Inna Lillahi Wa Inna Illaihi Wa Roajiun. I really liked this guy.

Rail line-er oi bostite- probably one of the first songs I ever listened to and got hooked on.

Sohel
June 5, 2011, 02:47 AM
May GOD rest his soul in peace.

simon
June 5, 2011, 03:30 AM
innalillahi wa inna ilaihi rajiun.
what a legend.:flag:
RIP.

tutul
June 5, 2011, 04:21 AM
RIP Guru (http://www.youtube.com/watch?v=5HD0tiWxYcE)

roman
June 5, 2011, 04:25 AM
inna lillahi wa inna ilaihi rajeun..this is end of an era..May he rest in peace...
<br />Posted via BC Mobile Edition

kalpurush
June 5, 2011, 04:44 AM
Inna lillahi wa innalollahi rajeun - may God rest his soul in peace.

Sakib
June 5, 2011, 04:49 AM
Inna lillahi wa inna ilayhi raji'un
We belong to Allah and to Him we shall be returned

Rabz
June 5, 2011, 04:58 AM
রেল লাইনের ওই বস্তিতে, জন্মেছিল একটি ছেলে, মা তার কাদে, ছেলেটি মরে গেছে... হায়রে হায় বাংলাদেশ, বাংলাদেশ, বাংলাদেশ...বাংলাদে ।

গুরু তোমায় হাজার সালাম । আল্লাহ তোমার আত্মা কে শান্তি দান করুন, তোমাকে করুক বেহেস্ত নসীব ...

Inna Lillahi Wa Inna Ilaihi Rajiun.

bujhee kom
June 5, 2011, 01:42 PM
Inna Lillahi Wa Inna Ilaihi Rajiun. My heart-felt salaam to you Azam Khan! Goodbye our dear Guru, our Bangali youth movement/Rock movement's frontline spiritualist leader!

The dream-weaving, story telling, the psychedelic colors and bright crispy afternoon sun-rays are gone, over! What a sad, depressing day it is for me!

nakedzero
June 6, 2011, 02:08 PM
আমার সৌভাগ্য হয়েছিল এমন বাবার ঘরে জন্ম নেওয়ার, যিনি জগত খ্যাত। আমি তার সন্তান এটা ভাবতেই ভীষণ গর্ব বোধ করি। কারণ তিনি হলেন বাংলা পপ গানের জনক কিংবদন্তী, ৭১’ এর মুক্তিযোদ্ধা শ্রদ্ধেয় আজম খান। তাঁর স্বপ্ন একটি আধুনিক, উন্নত, সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ দেখবেন। যেখানে এদেশের সব মানুষ সুখ-শান্তিতে বসবাস করবে এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারবে, বাংলাদেশ হবে একটি স্বর্গরাজ্য। দূর্ভাগ্যবশত আজ তিনি তা দেখে যেতে পারলেন না!

সাধারণত একটি নতুন বিষয় জাতির মাঝে কতটুকু গ্রহণযোগ্যতা পাবে তা নির্ভর করে যে বিষয়গুলোর উপর তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে জনগণের মানসিকতা, চিন্তাধারা, রুচিশীলতা এবং তা গ্রহণ করার প্রয়াস। নতুন একটা কিছু করতে গেলে তা নিয়ে শুরু হয় নানারকম আলোচনা সমালোচনা। এক্ষেত্রে সকল প্রকার সমালোচনাকে উপেক্ষা করে তিনি পপ সংগীতের সুরে গেয়ে গেছেন গান, যাকে সাদরে বরণ করে নিয়েছিল এ দেশের জনগণ। কারণ তখন জনগণের তাগিদ ছিল যুদ্ধের ধকলে ধ্বসে পড়া বাংলাদেশকে কিভাবে শক্তিশালী করা যায় আর তার কোন কোন ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় উপাদানের যোগান দিয়ে তা পূনর্গঠন করা যায় সে বিষয়ে। তিনি অনন্য, কারণ তার অতি ক্ষুদ্র সাধ্য থেকে তিনি ভীষণ ত্যাগ, বিসর্জন আর অর্জনের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতিকে দিয়েছেন আর্ন্তজাতিক পর্যায়ের সংগীত সাধনের সফল সোপান। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবেও তিনি দেশের কৃতি সন্তান।

মূলত তিনি সংগীত প্রেমিক। এ ছাড়াও খেলাধুলা ও সিনেমা দেখার ঝোঁক ছিল তার শৈশব থেকেই। আধুনিক বাংলা গান, ভারতীয় বাংলা গান ছাড়াও বিশেষভাবে ভক্ত ছিলেন ইংরেজী পপ সংগীতের। নিজস্ব আড্ডা মহলে বিনোদনের মূল বিষয় হয়ে উঠেছিল পপ সংগীত। তরুণ উদ্দীপনায় সৃষ্টি হতে থাকে আলাল ও দুলাল... ওরে সালেকা ওরে মালেকা... হাই কোর্টের মাজারে... এত সুন্দর দুনিয়া... এর মতো একের পর এক বাংলা পপ সংগীত। এমনকি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার পর অবসর মূহূর্তেও মানসিক স্পৃহা যোগাতে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে বসে গান ধরতেন তিনি। তার সঙ্গে সুর মিলিয়ে ঘটি, বাটিতে চামচ বাজিয়ে গান ধরতেন ক্যাম্পের অন্য মুক্তিযোদ্ধারাও। উচ্চ রবে গাইতো সবাই -হে মহামানব একবার এসো ফিরে...., মানবো না মানবো না বন্ধনে মানবো না মানবো না শৃংখলে.., ধন ধান্য পুষ্পে ভরা আমাদের এ বসুন্ধরা.. প্রভৃতি গান। মানুষের ভাল লাগা, সমর্থন আর তার স্বচেষ্ট সাধনের ফলেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আজকের বাংলা পপ সংগীত। আর অজস্র ভক্তের ভক্তিতে তিনি গুরু নামে আখ্যায়িত। কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি তিনি আমার জীবনের সকল বিষয়ের মূল শিক্ষা গুরু।

বাবা দৈনিক সব কাজই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে ভালবাসতেন।। কারো সঙ্গে কোনও দ্বন্দ-বিবাদে যাওয়ার অবকাশ ছিলো না তার। নির্ভেজাল, ছিমছাম, নিরিবিলি, স্বাধীন জীবন যাপনে বিশ্বাসী তিনি। কায়িক পরিশ্রম, সততা আর নিষ্ঠার জীবনে সর্বদাই ভেবেছেন মানব কল্যাণের কথা। আত্মিক দিক থেকে অত্যন্ত শক্তিশালী, সরল মনের, অল্পভাষী, সংগীতমনা এ কিংবদন্তী ছিলেন মানবধর্মে বিশ্বাসী। তাঁর দৃষ্টিতে নারী পুরুষ সব ক্ষেত্রে সমান সুযোগ, সুবিধা আর অধিকার পাওয়ার যোগ্য। আমি ব্যক্তিগতভাবে তার কন্যা সন্তান হয়ে কখনো অনুভব করতে পারিনি যে, তিনি আমাকে আমার ছোট ভাই এর তুলনায় কখনো কোনও দিক থেকে কম অধিকার বা সুযোগ সুবিধা দিয়েছেন। আর এ জন্যেও আমি তাকে শ্রদ্ধা জানাই।

পপ সম্রাট আজম খানকে মিডিয়ার মাধ্যমে জনগণ দেখেছে একজন মুক্তিযোদ্ধা, একজন শিল্পী, একজন অভিনেতা, একজন মডেল এমনকি উপস্থাপক হিসেবেও। কিন্তু ব্যক্তি আজম খানকে দেখেছে তাঁর পরিবারের মানুষরা। তাঁর পরিবারের একজন সদস্য এবং তাঁর বড় সন্তান হিসেবে আমি তাকে আখ্যায়িত করি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা হিসেবে। ব্রোকেন ফ্যামিলির বাবা হয়ে সংসার এবং সন্তানদের সমস্ত দায়-দায়িত্ব তিনি নিজে সামাল দেবার পরও সংসারের আয়-রোজগার করার মতো বিষয়েও সক্রিয় থেকেছেন ভীষণভাবে। যদিও তার নিজস্ব কোনও চাকরী বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছিলো না। মূলত তিনি জন-দরদি ছিলেন আর তাই আন্তরিকভাবে অসহায় অবস্থায় দুস্থ মানুষকে যথাসাধ্য সহযোগিতা করেছেন । এলাকার অনেক গরীবের সন্তানকে লেখাপড়ার খরচ দিয়েছেন মেট্রিক-ইন্টার পর্যন্ত। সহযোগিতা করেছেন বিয়ে-শাদির মত নানান প্রয়োজনীয়তায়। এজিবি কলোনি’র বাজারে অনেক ছোট ছেলের কর্মসংস্থানের আয়োজনে টুকরি-ডালার মত প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনে দিয়েছেন নিজ খরচে। বিভিন্ন মসজিদ মাজারেও দান করেছেন মাঝে মধ্যেই। শুক্রবার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে যেতেন। আর মাঝে মাঝে নিয়ে আসতেন মিলাদের মিষ্টি বা মাজারের তবারক, যা আমাদের কাছে ছোটবেলা থেকেই একটা আকর্ষণীয় বিষয়। বাবা আমাদের খেলার সাথী, পড়ার সাথী, গানের সাথী, জীবন যুদ্ধের সাথী। সেই বাবাকে আমরা হারাতে চাইনি।

পরিশেষে বলবো আমার বাবার বিষয়ে অল্প বলে শেষ করা সম্ভব নয়। আজ আমার লেখাটির উদ্দেশ্য এই নয় যে, আমি আমার বাবাকে সবার মাঝে অতি উচ্চ সম্মানের জায়গায় তুলে ধরার চেষ্টা করছি বরং আমি মনে করি, আমার বাবার সম্পর্কে জেনে পাঠকের মনে কিছু ভাবনার সৃষ্টি হবে; কেউ হয়তো ব্যতিক্রমী কিছু করতে উৎসাহ পাবেন, উপকৃত হতে পারেন অনেকেই। আর আমার বাবা জানবেন, তার সন্তানদের দৃষ্টিতে তিনি অত্যন্ত সম্মানিত। দেশ-বিদেশের সকল মানুষের কাছে বাবার জন্যে দোয়া প্রার্থনা করি। আল্লাহ্ সবার সহায় হোন।


By Azam Khan's Elder Daughter Ema Khan (http://glitz.bdnews24.com/details.php?catry=15&showns=1596)

ialbd
June 6, 2011, 03:25 PM
innalillahi wa inna ilaihi rajiun...

guru ektai....

Kabir
June 7, 2011, 11:19 AM
Innalillah. This is really sad. Hope his soul rests in peace.

Like Ishtiaque said - guru ektai.

auntu
June 7, 2011, 03:54 PM
[বাংলা]সবাই গুরুকে নিয়ে ব্যাবসাই করেছে। গুরুর জন্য কেউ কিছু করে নাই। [/বাংলা]

nakedzero
June 7, 2011, 03:56 PM
[বাংলা]সবাই গুরুকে নিয়ে ব্যাবসাই করেছে। গুরুর জন্য কেউ কিছু করে নাই। [/বাংলা]

Akdom khati kotha, ami o ak e jinish bhabi.

nakedzero
June 10, 2011, 02:34 PM
http://www.banglanews24.com/images/imgAll/2011June/azam-bg20110610003831.jpg


প্রয়াত পপগুরু আজম খানের পরিবারের পক্ষ থেকে কুল এক্সপোজারের কর্নধার এরশাদুল হক টিংকুর একটি লিখিত বিবৃতি ৯ জুন বৃহস্পতিবার রাতে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়। এতে প্রয়াত পপগুরু আজম খানকে ঘিরে অপবাণিজ্য রোধের আহ্বান জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, ইতিপূর্বে বীর মুক্তিযোদ্ধা পপগুরু আজম খানের আইনত উত্তরাধিকারদের লিখিত অনুমতি ছাড়া আজম খানের ছবি সম্বলিত টি-শার্ট অথবা পোস্টার কিংবা শিল্পীর গাওয়া গানগুলোর রিমেক/রিমিক্স, মোবাইল ফোনের রিংটোন হিসেবে ব্যবহার এবং পুরনো-নতুন গান মিলিয়ে অ্যালবাম বাজারজাতকরণ ইত্যাদি না করার জন্য সকলকে অনুরোধ করা হয়েছিলো।
কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সাথে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, এক শ্রেণীর সুবিধাবাদীগোষ্ঠী আজম খানের আকাশচুম্বি জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে শিল্পীর পরিবারের লিখিত অনুমতি ছাড়াই এ থেকে ফায়দা লুটতে বিভিন্ন ধরনের অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। এ অবস্থায় সকল মোবাইল অপারেটর, কনটেন্ট প্রোভাইডার, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ অপতৎপরতা রোধে আজম খানের পরিবার কিংবা আইনত উত্তরাধিকারের লিখিত অনুমতিপত্র ছাড়া এ ধরণের বাণিজ্যিক লেনদেন না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

বিবৃতিতে আরো উল্লেখ করা হয়, আজম খানের পরিবার এবং স্বজনদের পক্ষ থেকে আবারও স্পষ্ট ভাষায় বলা হচ্ছে, শিল্পীর পরিবারের সদস্যদের বিনা অনুমতি অথবা অনুমোদনে এ ধরনের যে কোনো তৎপরতাকে অবৈধ বলে গণ্য করা হবে। যদি কাউকে এ ধরনের অপতৎপরতায় লিপ্ত হতে দেখা যায় কিংবা এর সাথে জড়িত থাকার প্রমান পাওয়া যায়, তবে তার বা তাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, বিবৃতি প্রেরণকারী এরশাদুল হক টিংকু ছিলেন পপগুরু আজম খানের একজন ঘনিষ্ঠ সহচর। সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে আজম খানের চিকিৎসাকালীন সময়ে তিনি ছিলেন তার সফরসঙ্গী। স্কয়ার হাসপাতাল ও সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে আজম খানের শেষ দিনগুলিতেও তিনি ছিলেন চিকিৎসা তত্ত্বাবধানে নিবেদিত।

SOURCE (http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=3bc1b866e579d0a68ea1da41a4814 d90&nttl=2011061144059&toppos=2)

Nadim
June 19, 2011, 03:26 PM
[বাংলা]ক্রিকেটার আজম খান
[/বাংলা]

http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/images/images/image.php/uploads/media/2011-06-18-14-12-29-086233700-2.jpg?width=340&&image=http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/uploads/media/2011-06-18-14-12-29-086233700-2.jpg

[বাংলা]১৯৯৮ সালের কথা। আমি তখন পেস বোলার হিসেবে গোপীবাগ ফ্রেন্ডস ক্লাবে খেলি। আমাদের প্র্যাকটিস হতো ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাব মাঠে। একদিন দেখলাম বেশ লম্বা একজন লোক এক প্রান্তে একা স্ট্রেচিং করছেন। খেয়াল করে দেখলাম, পপসম্রাট আজম খান। বিশ্বাস হচ্ছিল না। গানের জগতে উনিই যে আমাদের হিরো!
আমাকে আরও অবাক করে দিয়ে আজম ভাই নেটে এলেন, আমার পাশাপাশি মিডিয়াম পেস বোলিংও করলেন, একটা বলও এদিক-সেদিক না করে গুড লেংথে ফেললেন সবই। সেই থেকেই আজম ভাইয়ের সঙ্গে আমার পরিচয়, ঘনিষ্ঠতা।
টেপ টেনিস টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়ার নেশা ছিল আজম ভাইয়ের। প্রায় সব খেলাতেই আমাকে নিতেন। আজম ভাই প্রথম বিভাগ ক্রিকেটে খেলেন ১৯৯৮ সালে। প্রথম খেলা ছিল যাত্রাবাড়ীর বিপক্ষে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে। কীভাবে ৫২ বছর বয়সেও নিজেকে একজন ভালো ক্রিকেটার হিসেবে পরিচিত করানো যায় সেটা নিয়ে খেলার আগের দিন কত যে চিন্তা আজম ভাইয়ের! ওই ম্যাচে আজম ভাই অপরাজিত ১৬ রান করলেন, বাউন্ডারি দুটো। আর বল হাতে যাত্রাবাড়ীর এক মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানকে বোল্ড করলেন, আরেকজনকে ফেললেন এলবিডব্লুর ফাঁদে। ওই ম্যাচ দিয়েই আজম ভাই হয়ে গেলেন সিসিডিএমের সবচেয়ে বেশি বয়সী খেলোয়াড়। এটা সম্ভবত একটা রেকর্ডই, যা কেউ ভাঙতে পারেননি।
জাতীয় দলের ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুল আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু, শৈশব থেকেই আমরা একে অপরের সুখ-দুঃখের সাথি। স্বাভাবিকভাবেই আশরাফুলের সঙ্গেও অচিরেই আজম ভাইয়ের ঘনিষ্ঠতা হয়ে গেল। আজম ভাইয়ের সঙ্গে প্রায়ই আমাদের আড্ডা হতো। আশরাফুল যখন কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচে অফ স্টাম্পের বাইরের বল খোঁচা মেরে আউট হতো উনি বলতেন, ‘কী মিয়া, খোঁচা মারো কেন; আমি এই ৫২ বছর বয়সে ঢাকা স্টেডিয়ামে চার মারছি; আর তুমি হইলা ওয়ার্ল্ড ক্লাস ব্যাটসম্যান! আমার খাটের নিচে স্প্রিং আছে। তোমারে দিমুনে, ব্যাটিং করার সময় শরীরে বাইন্ধা নিয়ো, ব্যাট স্টাম্পের বাইরে গেলেও ভেতরে চইলা আইব, আউট হইবা না।’ মাঝে মাঝে অদ্ভুত একটা আফসোসও করতেন আজম ভাই—‘ইস একটা বিশ্বকাপ যদি খেলতে পারতাম!’
জাতীয় ক্রিকেট দলের অনেকের সঙ্গেই হূদ্যতা ছিল আজম ভাইয়ের। বাংলাদেশ ক্রিকেট দল যেদিন খারাপ করত সেদিন তাঁর মন থাকত উদাস। একাত্তরের দুর্ধর্ষ গেরিলা আজম খান সংগীতকে নিয়েছিলেন একটা যুদ্ধ হিসেবে। ক্রিকেটকেও নিয়েছিলেন অনেকটা সেভাবেই। ৫২ বছর বয়সে ক্রিকেট খেলার সাহস দেখিয়েছেন, যুদ্ধই তো! ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িয়ে আছে তাঁর এ রকম আরও অনেক স্মৃতি।
আজম ভাই আর নেই, চলে গেছেন না-ফেরার দেশে। ওই পারে ভালো থাকুন—আজম ভাই, আপনাকে সালাম।
লেখক: সাবেক প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটার।[/বাংলা]
http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-06-20/news/163417

Ekhane o Sir Ash!!!

Severus
June 19, 2011, 10:41 PM
admit it, nothing can be said or done abt cricket without Don Ash :p