PDA

View Full Version : Congrats to our special Olympic team 2011


Naimul_Hd
July 2, 2011, 08:39 AM
<table width="621" align="center" border="0" cellpadding="0" cellspacing="0"><tbody><tr><td class="dotbb" valign="top" width="508" height="30">[বাংলা]<table width="621" align="center" border="0" cellpadding="0" cellspacing="0"><tbody><tr><td class="dotbb" valign="top" width="508" height="30">বিশেষ অলিম্পিকে আরো চারটি স্বর্ণপদক
</td> <td class="dotbb" valign="top" width="54">

</td> </tr> <tr valign="middle"> <td colspan="2" height="29"> <table width="620" border="0"> <tbody><tr> <td class="body01" width="288">Sat, Jul 2nd, 2011 5:48 pm BdST
</td> </tr> </tbody></table></td> </tr> </tbody></table> <table align="right" border="0" cellpadding="3" cellspacing="2"> <tbody><tr> <td valign="top" align="center">http://www.bdnews24.com/nimage/2011-07-02-17-48-52-olympic-5-tm.jpg </td> </tr> </tbody></table> এথেন্স, জুলাই ০২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- গ্রিসের এথেন্সে বুদ্ধি প্রতিবন্ধীদের গ্রীষ্মকালীন বিশেষ আন্তর্জাতিক অলিম্পিক গেমসে আরো চারটি স্বর্ণপদক পেয়েছে বাংলাদেশ।

শনিবার ফুটবলে একটি, বৌচিতে দুটি, ও দীর্ঘ লম্ফে একটি করে স্বর্ণপদক জয় করে বাংলাদেশ। দীর্ঘলম্ফে একটি রৌপ্য পদকও জেতে বাংলাদেশ।

বিশেষ অলিম্পিকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ফুটবলে স্পেনকে ১১-১ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে স্বর্ণ জয় করে বাংলাদেশ। স্পেন গতবারের চ্যাম্পিয়ান। প্রতিদলে খেলোয়াড় ছিলেন ১১ জন। এ ইভেন্টে ফুটবল দলের ১৬ খেলোয়াড়ই পদক পাবেন। সে হিসেবে একটি ইভেন্টেই স্বর্ণপদক হয় ১৬টি।

গ্রিসের অলিম্পিক স্টেডিয়ামে এই ফুটবল খেলার ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়।

পিস এন্ড স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বৌচিতে দুটি স্বর্ণপদক জেতেন বাংলাদেশের কাফি উজ্জ্বল ও মনজুরুল ইসলাম। উজ্জ্বল বাহামাকে হারান, অপরদিকে মনজুরুল হারান পাকিস্তানকে।

ওয়াকা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত দীর্ঘ লম্ফে স্বর্ণ ও রৌপ্য দুটিই এসেছে বাংলাদেশের ঘরে। স্বর্ণ জয় করেন কানিজ ফাতেমা, আর রৌপ্য জেতেন তানজিনা ইসলাম তনু।

এর আগে শুক্রবার ব্যাডমিন্টন এককে আইনিনা আজিজ শাম্মী স্বর্ণপদক জিতেছেন। এদিন ব্যাডমিন্টন এককে রৌপ্য পদক জেতেন রাবেয়া খাতুন।

বুধবার বৌচিতে স্বর্ণপদক পেয়েছেন সাদিয়া আক্তার উর্মি। মেয়েদের ৫০ মিটার ফ্রি স্টাইল সাঁতারে রূপা জেতেন নুরুন্নাহার।

একই ইভেন্টে সবার আগে সাঁতার শেষ করেও রিভিউতে ডিসকোয়ালিফাই হওয়ায় স্বর্ণপদকবঞ্চিত হন আরেক প্রতিযোগী পারুল আক্তার।

সোমবার ছেলেদের ৫০ মিটার ব্রেস্ট স্ট্রোকে স্বর্ণপদক জেতেন বাংলাদেশের মোহাম্মদ মাসুদ।

১৩তম বিশেষ অলিম্পিক শুরু হয়েছে ২৪ জুন চলবে ৪ জুলাই পর্যন্ত।

১৮০টি দেশের ৭ হাজারের বেশি প্রতিযোগী এতে অংশ নিচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে অংশ নিয়েছেন ৪০ জন। [/বাংলা]</td><td class="dotbb" valign="top" width="54">
</td><td class="dotbb" valign="top" width="54">
</td></tr><tr valign="middle"><td colspan="3" height="29">
Source (http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?cid=19&id=163766&hb=5)




</td></tr></tbody></table>

Naimul_Hd
July 2, 2011, 08:45 AM
What a great performance by our special olympic team. They always have been a star in previous olympics too. Still 2 more days to go, hope they will win more medals for Bangladesh. :)

Night_wolf
July 2, 2011, 08:57 AM
11-1 Spain!!!...man thats some performance!...great going..congrats

Naimul_Hd
July 3, 2011, 04:49 AM
[বাংলা]স্পেশাল অলিম্পিকে বাংলাদেশের খুশির দিন

<hr style="border: 1px solid rgb(214, 214, 214);" width="100%" color="#ffffff"> স্পোর্টস করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্ট ফোর.কম
<table align="right" border="0" cellpadding="5" cellspacing="0"> <tbody><tr><td> http://www.banglanews24.com/images/imgAll/2011June/SM/2-sm20110702200458.jpg </td></tr></tbody></table>
ঢাকা: অ্যাথেন্স স্পেশাল অলিম্পিকে শনিবার বিশেষ একটি দিন কাটিয়েছে বাংলাদেশ। ফুটবলের দলগত স্বর্ণ ছাড়াও টেবিল টেনিস ও লং জাম্পে স্বর্ণপদক জিতেছে বাংলাদেশ।


গেমসের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ইভেন্ট ফুটবলে বাংলাদেশ ১১-১ গোল ব্যবধানে হারিয়েছে স্পেনকে। এ ইভেন্টে একাদশ ছাড়াও দলের প্রত্যেকেই ব্যক্তিগত স্বর্ণপদক দেওয়ায় মোট স্বর্ণ পদকের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৬টি।


দিনশেষে বাংলাদেশের জন্য আনন্দের উপলক্ষ্য আরো বাড়িয়ে দেন টেবিল টেনিস সিঙ্গলসে জয়ী ফারহানা তানজিয়া ইথু ও লংজাম্পার কানিজ ফাতেমা। এছাড়া লং জাম্পে তানজিয়া ইসলাম তনু রৌপ্য পদক জয় করেন।
এর আগে সাঁতার, বোচি ও ব্যাডমিন্টনে তিনটি স্বর্ণ পদক জেতে বাংলাদেশ। ফলে সবমিলে বাংলাদেশের স্বর্ণপদকের সংখ্যা দাঁড়ালো ২১টিতে।


গ্রীসে অনুষ্ঠিত স্পেশাল অলিম্পিকে ১৮০টি দেশ অংশ নিচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে ৪০জন প্রতিযোগীসহ বিভিন্ন ইভেন্টে সাত হাজারেরও বেশি প্রতিযোগী অংশ নিচ্ছেন। গত ২৫ জুন থেকে শুরু হওয়া প্রতিযোগীতা চলবে আগামী ৪ জুলাই পর্যন্ত।
[/বাংলা]

Source (http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=6ac8e08e6bccd54722a88a3fa3b17 f9e&nttl=2011070208045747300&toppos=7)

Isnaad
July 3, 2011, 05:18 AM
Thats cool!

Tigers_eye
July 3, 2011, 09:11 AM
Dana cup, gotia cup'er moto dui nombor'i na hoilei hoilo. Bad taste never went away.

Congrats anyways!!

deshimon
July 3, 2011, 10:43 AM
unbelievable performance! What a great news it is!

akabir77
July 3, 2011, 05:11 PM
hope its not like the dona gothia cup... hope they didn't sent a fit team to participate...

Naimul_Hd
July 6, 2011, 07:37 PM
[বাংলা]‘জোগালি’ মাসুদের এথেন্স জয় (http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-07-07/news/168444)


http://paloadmin.prothom-aloblog.com:8088/resize/maxDim/340x1000/img/uploads/media/2011-07-06-19-33-14-057215500-5.jpg স্পেশাল অলিম্পিকে বাংলাদেশের হয়ে সবার আগে সোনা জিতেছিলেন। কাল বিমানবন্দরেও সবার আগেই দেখা গেল মাসুদ রানাকে। এথেন্সে স্পেশাল অলিম্পিকে মোট ৩৭টি সোনা, ১৭টি রুপা ও ৬টি ব্রোঞ্জ জিতেছে বাংলাদেশ





এথেন্স থেকে বাহরাইন হয়ে ঢাকা হজরত শাহজালাল বিমানবন্দর। সাড়ে সাত ঘণ্টার বিমান ভ্রমণের ক্লান্তি ছিল মাসুদ রানার চোখেমুখে। সৈয়দ আনোয়ার হোসেনের রহস্য উপন্যাসের কোনো নায়ক নন, বাস্তবেই এখন নায়ক স্পেশাল অলিম্পিকে সোনাজয়ী ২০ বছরের যুবক। কাল ভোরে মাসুদকে যখন ফুলের তোড়া দিচ্ছিলেন যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী, তাঁর বাবা লোকমান মণ্ডল তখন বগুড়ায় রাজমিস্ত্রির জোগালির কাজে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
মুঠোফোনে যোগাযোগ করতেই মা কুলসুম বেগমের উত্তর, ‘হ। টিভিতে দেখছি আমার মাসুদরে। কী যে খুশি লাগছে।’ খুশি লাগারই কথা। বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী মাসুদকে দিয়ে যখন কিছুই হবে না ভেবেছিল প্রতিবেশীরা, তখনই সে দেখিয়ে দিল দেশকে সেও কিছু দিতে পারে!

মাসুদের এই প্রাপ্তির আড়ালে আছে এক করুণ গল্প। মাসুদ একজন নির্মাণশ্রমিক। বাবা লোকমান মণ্ডলের হাত ধরে সে রাজমিস্ত্রির জোগালির কাজে ঢোকেন। অভাবের সংসারে বাবার সঙ্গে মাসুদকেও প্রতিদিন রড-সিমেন্ট মাথায় তুলতে হয়, ইট ভাঙতে হয়। এমনকি স্পেশাল অলিম্পিকের অনুশীলন ক্যাম্পে বিকেএসপিতে যোগ দেওয়ার আগে বন্ধুদের সঙ্গেও জোগালির কাজ করতে হয়েছে ঢাকায়।

বাড়ি গাইবান্ধা হলেও মাসুদরা এখন বগুড়ায় থাকেন। অভাবের কারণে মাসুদের বাবা যখন কোনো দিশা খুঁজে পাচ্ছিলেন না তখনই সপরিবারে চলে আসেন বগুড়ায়। সেটা বছর পাঁচেক আগের কথা। বাবার সঙ্গে কাজে গেলেও মাসুদের ইচ্ছে হতো স্কুলে যেতে। স্কুলের পোশাকে, বইয়ের ব্যাগ কাঁধে নিয়ে পাশ দিয়ে সমবয়সীরা গেলে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকতেন। কিন্তু বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী হওয়ায় কোনো স্কুলই তাঁকে ভর্তি করতে চাইত না। সেই কষ্টের কথা বলছিলেন মা কুলসুম বেগম, ‘ছেলের পড়াশোনার আগ্রহ দেখে স্কুলে নিয়ে যাই। কিন্তু প্রতিবন্ধী বলে কেউ ওকে নিতে চাইত না। পরে এক দারোগা সাহেবের বউয়ের পরামর্শে আমি বগুড়ায় প্রতিবন্ধী স্কুলে ভর্তি করি ওকে। এরপর ঢাকা থেকে একদিন বড় স্যাররা আসেন। ওনারা আমার কাছে জিজ্ঞাসা করে তোমার ছেলে কি খেলাধুলা পারে? আমি বললাম, ও তো ভালো সাঁতরাতে পারে। বাড়ির পাশে নদীতে ভালোই সাঁতরায়। এরপরই ওরা ছেলেকে নিয়ে ঢাকায় চলে যায়।’

বাকি গল্পটা এখন ইতিহাস। সুইড স্কুলের সহায়তায় প্রশিক্ষণ নিয়ে এথেন্স স্পেশাল অলিম্পিকে গিয়েও ৫০ মিটার ব্রেস্টস্ট্রোকে বাংলাদেশের হয়ে জেতে প্রথম সোনা। ২০০৭ সাংহাই গেমসেও এই ইভেন্টে রুপা জেতেন মাসুদ। কোচ গোলাম মোস্তফা মাসুদের ব্যাপারে দারুণ আশাবাদী, ‘ওর সঠিক পরিচর্যা হলে ভবিষ্যতে আরও ভালো করবে ছেলেটা। এথেন্সে ওর পারফরম্যান্স ছিল দারুণ।’ জোগালির কাজ মোটেও ভালো লাগে না মাসুদের। পড়াশোনাতেই বেশি আগ্রহ। কাল ভাঙা ভাঙা উচ্চারণে জানালেন, ‘আমি কাজ করতে চাই না, পড়তে চাই।’ কিন্তু মাসুদের পরিবারের যে অবস্থা তাতে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া মুশকিল। মাসুদের মায়ের দাবি, গতবার রুপা জেতার পর মাত্র ২ হাজার টাকা আর্থিক পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল। এবারও কি ওই রকম একটা সংবর্ধনা আর নামমাত্র মূল্যের পুরস্কার জুটবে মাসুদের ভাগ্যে?
[/বাংলা]