nakedzero
July 3, 2011, 12:04 AM
[বাংলা]দেওয়ান শফিউল আরেফিন টুটুলের দেওয়া একটি চিঠি নিয়ে তোলপাড় হচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি)। পরিচালকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে পত্র পাঠ করে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।
বিসিবি পরিচালক ও ফোরাম নেতা দেওয়ান শফিউল আরেফিন শনিবার বিসিবির গেমডেভলপমেন্ট চেয়ারম্যানকে উদ্দেশ্য করে একটি পত্র দেন। যাতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধানের কাছে কাজের জবাব দিহিতা চাওয়া হয়েছে। লিফলেটের মতো চিঠি বিলি করা হয়েছে বোর্ডের পরিচালক এবং কর্মকর্তাদের মধ্যে। একজন পরিচালক হিসেবে ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে কোন বিভাগের কাছে জবাবদিহিতা চাওয়ার অধিকার শফিউল আরেফিনের নেই বলে দাবি করছেন বোর্ড পরিচালকরা।
চিঠির ভাষা হুবহু তুলে ধরা হলো:
শ্রদ্ধেয়,
আপনি অবগত আছেন যে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালনা পরিষদের গত ১৮ মে ২০১০ তারিখে অনুষ্ঠিত ১৮তম (মূলতবী) সভায় এই মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিলো যে, বিসিবি গেইম ডেভলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান বিসিবি ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমীর প্রস্তাবিত জনবলের দায়িত্ব, তাদের কর্মপরিধি এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে কোন কোন পদে জনবল নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, সে বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন বোর্ডে উপস্থাপন করবেন। এ বিষয়ে বোর্ডের সুস্পষ্ট নির্দেশনা সত্যেও অদ্যাবদি কোন পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন বোর্ডে উপস্থাপন করা হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
এখানে আরো উল্লেখ্য যে, বোর্ডের পরিচালনা পরিষদের গত সভায় একাডেমির প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আওতায় উইকেট তৈরির লক্ষ্যে সুদূর অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রচুর বৈদেশিক মূদ্রা ব্যয়ে মাটি আমদানীর একটি প্রস্তাব পেশ করা হয়। এ বিষয়ে, বোর্ডের গ্রাউন্ডস এন্ড ফেসেলিটিজ ম্যানেজমেন্ট কমিটিকে কোন পর্যায়ে সম্পৃক্ত করা হয়েছে, বিষয়টি আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়। এছাড়া, একাডেমীর যাবতীয় কার্যক্রম, জনবল নিয়োগ এবং এর খরচাদি কি প্রক্রিয়ায় অনুমোদিত হচ্ছে এ বিষয়গুলোও বোর্ড অবগত নয়।
শ্রদ্ধেয়,
বোর্ড কার্যক্রম পরিচালনায় একটি বিষয়ে আমাদের স্মরণ রাখা আবশ্যক যে, একটি অনুমোদিত গঠনতন্ত্রের আলোকে বোর্ডের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। এক্ষেত্রে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান অনুমোদিত গঠনতন্তের “উপানুচ্ছেদ ১৭ (৫) চ” অনুযায়ী বিসিবি ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমীর কার্যক্রম পরিচালনার সকল দায়িত্ব গেইম ডেভলপমেন্ট কমিটির উপর ন্যস্ত। সুতরাং, এক্ষেত্রে একাডেমী পরিচালনার কার্যক্রমে কোন কিছু গঠনতন্ত্র পরিপন্থী হলে তার দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কমিটি তথা বোর্ডকে বহন কর হবে, যা কাম্য নয়।
পরিশেষে, বোর্ডের পরিচালনা পরিষদের গত ১৮ তারিখে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিসিবি ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমীর সামগ্রীক কার্যক্রম, ভবিষ্যত পরিকল্পনা, জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়া, বাজেট এবং আর্থিক সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন আগামী বোর্ড সভায় আশা করছি।
আপনাদের
দেওয়ান শফিউল আরেফিন (টুটুল)
পত্র হাতে পাওয়ার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন পরিচালকদের কেউ কেউ। সূত্র মতে,“চিঠি খানা জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপুকে উদ্দেশ্য করে। বিসিবি নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তে জিপি-বিসিবি একাডেমির দায়িত্ব পালন করছেন লিপু। সেখানে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের বিষয়টিও দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাকে। জাতীয় স্বার্থে লিপু কাজ করছেন। কোন অনিয়ম পাওয়া গেলে সেটা নিয়ে বোর্ড সভায় প্রশ্ন উত্থাপন করা যেতে পারে। কিন্তু গেমডেভলপমেন্টের কাছে এভাবে চিঠি দিয়ে জবাব চাইতে পারেন না টুটুল সাহেব। এতে কাজের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। যিনি চিঠি দিয়েছেন এবং জবাব চাচ্ছেন তিনি তো অনিয়ম করে যাচ্ছেন। বিশ্বকাপের আগে এলওসির জন্য জনবল নিয়োগের জন্য তিনি তো বোর্ডের অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেননি? নিয়োগ শেষে শুধু জানিয়েছেন। যার প্রতিরন্ধে রন্ধে অনিয়ম তিনি অন্য বিভাগের কাছে কাজের কৈফিয়ত চাওয়ার অধিকার রাখেন না। বোর্ড তো তাকে সে অধিকার দেয়নি। গঠনতন্ত্র তো টুটুলের নিয়মে হয় না। উনি কাঁদা ছোড়া ছুড়ি করছেন। আসলে লিপুর ভালো সহ্য করতে পারছেন না তিনি।”
এদিকে শফিউল আরেফিনের কাছে চিঠি দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বাংলানিউজকে বলেন,“চিঠি দিয়েছি বোর্ড পরিচালকদের, এটা তো গোপনীয়। তৃতীয় পক্ষের হাতে তা যাওয়ার কথা নয়। যদি কোন পরিচালকের চিঠি নিয়ে কোন প্রশ্ন থাকে, তবে আমার কাছে জানতে চাইতে পারে। একজন পরিচালক হিসেবে তাদের অধিকার আছে জানতে চাওয়া।"
একজন পরিচালক হিসেবে শফিউল আরেফিন বোর্ডের কোন বিভাগের কাছে চিঠি দিয়ে জবাব দিহিতা চাইতে পারে কি না জানাতে চাওয়া হলে তিনি বলেন,“যে পরিচালকরা জানতে চাচ্ছেন তারা আমার কাছে প্রশ্ন করুক। আমি চাই বোর্ড গঠনতন্ত্র মোতাবেক চলবে। এখন গঠনতন্ত্রের বাইরে অনেক কাজ হচ্ছে। যা কাম্য নয়। আমি হয় তো বোর্ড সভায় হইহুল্লোর করি কিন্তু বোর্ডের সিদ্ধান্তকে অমান্য করি না। এখন কোন নিয়ম মানা হচ্ছে না। আমার বক্তব্য হচ্ছে গঠনতন্ত্র মেনে কাজ হলে কোন প্রশ্ন নেই।”
গাজী আশরাফ হোসেন লিপু বিদেশে থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। বিসিবি গেম ডেভলপমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান আমিনুল হকের মুঠোফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি। তবে বিদেশে বিসিবি সভাপতির ফোনে যোগাযোগ করলে চিঠি সম্পর্কে তিনি কোন মন্তব্য করতে চাননি। বিসিবি সভাপতি আ হ ম মোস্তফা কামাল বাংলানিউজকে ব্যাংকক থেকে মুঠোফোনে বলেন,“চিঠিতে কি লেখা হয়েছে আমি জানি না। কাল (রোববার) দেশে ফিরে চিঠি দেখার পর বলতে পারবো। তবে অপ্রীতিকর কিছু আশা করা যায় না।”
চিঠি পাওয়ার পর ফোরাম থেকে নির্বাচিত পরিচালকরাও নিন্দা প্রকাশ করেছেন। নেতার পেছনে অনেকে নিন্দা করলেও কথা বলার সময় নাম গোপন রাখার শর্ত দিয়েছেন।[/বাংলা]
SOURCE (http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=f2d8cce98c79b34deecc466b1ee6f 788&nttl=2011070210163147328&toppos=1)
বিসিবি পরিচালক ও ফোরাম নেতা দেওয়ান শফিউল আরেফিন শনিবার বিসিবির গেমডেভলপমেন্ট চেয়ারম্যানকে উদ্দেশ্য করে একটি পত্র দেন। যাতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধানের কাছে কাজের জবাব দিহিতা চাওয়া হয়েছে। লিফলেটের মতো চিঠি বিলি করা হয়েছে বোর্ডের পরিচালক এবং কর্মকর্তাদের মধ্যে। একজন পরিচালক হিসেবে ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে কোন বিভাগের কাছে জবাবদিহিতা চাওয়ার অধিকার শফিউল আরেফিনের নেই বলে দাবি করছেন বোর্ড পরিচালকরা।
চিঠির ভাষা হুবহু তুলে ধরা হলো:
শ্রদ্ধেয়,
আপনি অবগত আছেন যে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালনা পরিষদের গত ১৮ মে ২০১০ তারিখে অনুষ্ঠিত ১৮তম (মূলতবী) সভায় এই মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছিলো যে, বিসিবি গেইম ডেভলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান বিসিবি ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমীর প্রস্তাবিত জনবলের দায়িত্ব, তাদের কর্মপরিধি এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে কোন কোন পদে জনবল নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, সে বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন বোর্ডে উপস্থাপন করবেন। এ বিষয়ে বোর্ডের সুস্পষ্ট নির্দেশনা সত্যেও অদ্যাবদি কোন পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন বোর্ডে উপস্থাপন করা হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
এখানে আরো উল্লেখ্য যে, বোর্ডের পরিচালনা পরিষদের গত সভায় একাডেমির প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আওতায় উইকেট তৈরির লক্ষ্যে সুদূর অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রচুর বৈদেশিক মূদ্রা ব্যয়ে মাটি আমদানীর একটি প্রস্তাব পেশ করা হয়। এ বিষয়ে, বোর্ডের গ্রাউন্ডস এন্ড ফেসেলিটিজ ম্যানেজমেন্ট কমিটিকে কোন পর্যায়ে সম্পৃক্ত করা হয়েছে, বিষয়টি আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়। এছাড়া, একাডেমীর যাবতীয় কার্যক্রম, জনবল নিয়োগ এবং এর খরচাদি কি প্রক্রিয়ায় অনুমোদিত হচ্ছে এ বিষয়গুলোও বোর্ড অবগত নয়।
শ্রদ্ধেয়,
বোর্ড কার্যক্রম পরিচালনায় একটি বিষয়ে আমাদের স্মরণ রাখা আবশ্যক যে, একটি অনুমোদিত গঠনতন্ত্রের আলোকে বোর্ডের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। এক্ষেত্রে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান অনুমোদিত গঠনতন্তের “উপানুচ্ছেদ ১৭ (৫) চ” অনুযায়ী বিসিবি ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমীর কার্যক্রম পরিচালনার সকল দায়িত্ব গেইম ডেভলপমেন্ট কমিটির উপর ন্যস্ত। সুতরাং, এক্ষেত্রে একাডেমী পরিচালনার কার্যক্রমে কোন কিছু গঠনতন্ত্র পরিপন্থী হলে তার দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কমিটি তথা বোর্ডকে বহন কর হবে, যা কাম্য নয়।
পরিশেষে, বোর্ডের পরিচালনা পরিষদের গত ১৮ তারিখে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিসিবি ন্যাশনাল ক্রিকেট একাডেমীর সামগ্রীক কার্যক্রম, ভবিষ্যত পরিকল্পনা, জনবল নিয়োগ প্রক্রিয়া, বাজেট এবং আর্থিক সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন আগামী বোর্ড সভায় আশা করছি।
আপনাদের
দেওয়ান শফিউল আরেফিন (টুটুল)
পত্র হাতে পাওয়ার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন পরিচালকদের কেউ কেউ। সূত্র মতে,“চিঠি খানা জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপুকে উদ্দেশ্য করে। বিসিবি নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্তে জিপি-বিসিবি একাডেমির দায়িত্ব পালন করছেন লিপু। সেখানে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের বিষয়টিও দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাকে। জাতীয় স্বার্থে লিপু কাজ করছেন। কোন অনিয়ম পাওয়া গেলে সেটা নিয়ে বোর্ড সভায় প্রশ্ন উত্থাপন করা যেতে পারে। কিন্তু গেমডেভলপমেন্টের কাছে এভাবে চিঠি দিয়ে জবাব চাইতে পারেন না টুটুল সাহেব। এতে কাজের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। যিনি চিঠি দিয়েছেন এবং জবাব চাচ্ছেন তিনি তো অনিয়ম করে যাচ্ছেন। বিশ্বকাপের আগে এলওসির জন্য জনবল নিয়োগের জন্য তিনি তো বোর্ডের অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করেননি? নিয়োগ শেষে শুধু জানিয়েছেন। যার প্রতিরন্ধে রন্ধে অনিয়ম তিনি অন্য বিভাগের কাছে কাজের কৈফিয়ত চাওয়ার অধিকার রাখেন না। বোর্ড তো তাকে সে অধিকার দেয়নি। গঠনতন্ত্র তো টুটুলের নিয়মে হয় না। উনি কাঁদা ছোড়া ছুড়ি করছেন। আসলে লিপুর ভালো সহ্য করতে পারছেন না তিনি।”
এদিকে শফিউল আরেফিনের কাছে চিঠি দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বাংলানিউজকে বলেন,“চিঠি দিয়েছি বোর্ড পরিচালকদের, এটা তো গোপনীয়। তৃতীয় পক্ষের হাতে তা যাওয়ার কথা নয়। যদি কোন পরিচালকের চিঠি নিয়ে কোন প্রশ্ন থাকে, তবে আমার কাছে জানতে চাইতে পারে। একজন পরিচালক হিসেবে তাদের অধিকার আছে জানতে চাওয়া।"
একজন পরিচালক হিসেবে শফিউল আরেফিন বোর্ডের কোন বিভাগের কাছে চিঠি দিয়ে জবাব দিহিতা চাইতে পারে কি না জানাতে চাওয়া হলে তিনি বলেন,“যে পরিচালকরা জানতে চাচ্ছেন তারা আমার কাছে প্রশ্ন করুক। আমি চাই বোর্ড গঠনতন্ত্র মোতাবেক চলবে। এখন গঠনতন্ত্রের বাইরে অনেক কাজ হচ্ছে। যা কাম্য নয়। আমি হয় তো বোর্ড সভায় হইহুল্লোর করি কিন্তু বোর্ডের সিদ্ধান্তকে অমান্য করি না। এখন কোন নিয়ম মানা হচ্ছে না। আমার বক্তব্য হচ্ছে গঠনতন্ত্র মেনে কাজ হলে কোন প্রশ্ন নেই।”
গাজী আশরাফ হোসেন লিপু বিদেশে থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। বিসিবি গেম ডেভলপমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান আমিনুল হকের মুঠোফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি। তবে বিদেশে বিসিবি সভাপতির ফোনে যোগাযোগ করলে চিঠি সম্পর্কে তিনি কোন মন্তব্য করতে চাননি। বিসিবি সভাপতি আ হ ম মোস্তফা কামাল বাংলানিউজকে ব্যাংকক থেকে মুঠোফোনে বলেন,“চিঠিতে কি লেখা হয়েছে আমি জানি না। কাল (রোববার) দেশে ফিরে চিঠি দেখার পর বলতে পারবো। তবে অপ্রীতিকর কিছু আশা করা যায় না।”
চিঠি পাওয়ার পর ফোরাম থেকে নির্বাচিত পরিচালকরাও নিন্দা প্রকাশ করেছেন। নেতার পেছনে অনেকে নিন্দা করলেও কথা বলার সময় নাম গোপন রাখার শর্ত দিয়েছেন।[/বাংলা]
SOURCE (http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=f2d8cce98c79b34deecc466b1ee6f 788&nttl=2011070210163147328&toppos=1)