nakedzero
July 14, 2011, 12:07 PM
[বাংলা]বান্দরবানে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় মেয়েদের দলে ছেলে খেলোয়াড় নামিয়ে খেলানোর ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকালে বান্দরবান শহরের রাজার মাঠে ছিলো ফুটবল টুর্নামেন্টের সদর উপজেলা পর্যায়ের ফাইনাল খেলা। এতে গোয়ালিয়াখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিপক্ষে খেলতে নামে বান্দরবান আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দল।
মেয়েদের এই খেলায় গোয়ালিয়াখোলা বিদ্যালয় দলে নামানো হয় তাকে। চোখে কাজল, ঠোঁটে লিপস্টিক লাগিয়ে মেয়ে সেজে খলতে নামে সে।
খেলা চলাকালে ওই খেলোয়াড়ের খেলার কৌশল ও শারীরিক ভঙ্গি দেখে বিপক্ষ দল ও মাঠে উপস্থিত লোকজনের সন্দেহ হয়। এক পর্যায়ে চ্যালেঞ্জ করা হলে প্রধান অতিথি এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা যাচাই করে নিশ্চিত হন যে, মেয়েদের দলের এই খেলোয়াড় আসলে ছেলে।
এই ঘটনার প্রতিবাদে হেরে যাওয়া দল পুরস্কার গ্রহণে বিরত থাকে।
স্থানীয় প্রশাসন এ ব্যাপারে অভিযুক্ত স্কুলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে।
বান্দরবান আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহিদুল আলম জানান, ফাইনাল খেলায় তাঁর স্কুলের মেয়ে দল গোয়ালিয়াখোলা দলের মুখোমুখি হয়। কিন্তু খেলার সময় গোয়ালিয়াখোলা দলের মিড ফিল্ডার এক খেলোয়াড়ের খেলার কৌশল ও শারীরিক ভঙ্গি দেখে সন্দেহ হয় যে, ওই খেলোয়াড় মেয়ে নয়।
ফাইনাল খেলা উপলক্ষে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান বীর বাহাদুর উশৈসিং।
আরো ছিলেন জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান, পুলিশ সুপার কামরুল আহসান এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও টুর্নামেন্ট কমিটির আহ্বায়ক ইশরাত জামান।
এক পর্যায়ে অতিথিরা ওই খেলোয়াড়কে ডেকে এনে যাচাই করে নিশ্চিত হন যে, সে মেয়ে নয়, ছেলে। মেয়ে সেজে খেলতে নেমেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইশরাত জামান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হওয়ায় তাকে খেলা থেকে বিরত রাখা হয়।
কিন্তু যেহেতু ফাইনাল খেলা ছিল তাই খেলা চালিয়ে যাওয়া হয় এবং পুরস্কারও বিতরণ করা হয়। তবে গোয়ালিয়াখোলা বিদ্যালয় এ ধরনের কাজ করায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে খেলা নির্ধারিত সময়ে গোলশূণ্য ড্র হওয়ায় টাইব্রেকারে গোয়ালিয়াখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দল জয়লাভ করে এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়।
মেয়েদের খেলায় ছেলে নামিয়ে খেলানোয় মাঠে উপস্থিত দর্শকসহ অভিভাবক মহলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অভিভাবকরা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য গোয়ালিয়াখোলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক আমির হোসেন নয়নের সঙ্গে অনেকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।[/বাংলা]
SOURCE (http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?cid=5&id=165045)
Ki chomotkar dekha gelo :facepalm:
বৃহস্পতিবার বিকালে বান্দরবান শহরের রাজার মাঠে ছিলো ফুটবল টুর্নামেন্টের সদর উপজেলা পর্যায়ের ফাইনাল খেলা। এতে গোয়ালিয়াখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিপক্ষে খেলতে নামে বান্দরবান আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দল।
মেয়েদের এই খেলায় গোয়ালিয়াখোলা বিদ্যালয় দলে নামানো হয় তাকে। চোখে কাজল, ঠোঁটে লিপস্টিক লাগিয়ে মেয়ে সেজে খলতে নামে সে।
খেলা চলাকালে ওই খেলোয়াড়ের খেলার কৌশল ও শারীরিক ভঙ্গি দেখে বিপক্ষ দল ও মাঠে উপস্থিত লোকজনের সন্দেহ হয়। এক পর্যায়ে চ্যালেঞ্জ করা হলে প্রধান অতিথি এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা যাচাই করে নিশ্চিত হন যে, মেয়েদের দলের এই খেলোয়াড় আসলে ছেলে।
এই ঘটনার প্রতিবাদে হেরে যাওয়া দল পুরস্কার গ্রহণে বিরত থাকে।
স্থানীয় প্রশাসন এ ব্যাপারে অভিযুক্ত স্কুলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে।
বান্দরবান আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহিদুল আলম জানান, ফাইনাল খেলায় তাঁর স্কুলের মেয়ে দল গোয়ালিয়াখোলা দলের মুখোমুখি হয়। কিন্তু খেলার সময় গোয়ালিয়াখোলা দলের মিড ফিল্ডার এক খেলোয়াড়ের খেলার কৌশল ও শারীরিক ভঙ্গি দেখে সন্দেহ হয় যে, ওই খেলোয়াড় মেয়ে নয়।
ফাইনাল খেলা উপলক্ষে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান বীর বাহাদুর উশৈসিং।
আরো ছিলেন জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান, পুলিশ সুপার কামরুল আহসান এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও টুর্নামেন্ট কমিটির আহ্বায়ক ইশরাত জামান।
এক পর্যায়ে অতিথিরা ওই খেলোয়াড়কে ডেকে এনে যাচাই করে নিশ্চিত হন যে, সে মেয়ে নয়, ছেলে। মেয়ে সেজে খেলতে নেমেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইশরাত জামান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি দৃষ্টিগোচর হওয়ায় তাকে খেলা থেকে বিরত রাখা হয়।
কিন্তু যেহেতু ফাইনাল খেলা ছিল তাই খেলা চালিয়ে যাওয়া হয় এবং পুরস্কারও বিতরণ করা হয়। তবে গোয়ালিয়াখোলা বিদ্যালয় এ ধরনের কাজ করায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে খেলা নির্ধারিত সময়ে গোলশূণ্য ড্র হওয়ায় টাইব্রেকারে গোয়ালিয়াখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দল জয়লাভ করে এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়।
মেয়েদের খেলায় ছেলে নামিয়ে খেলানোয় মাঠে উপস্থিত দর্শকসহ অভিভাবক মহলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অভিভাবকরা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য গোয়ালিয়াখোলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক আমির হোসেন নয়নের সঙ্গে অনেকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।[/বাংলা]
SOURCE (http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?cid=5&id=165045)
Ki chomotkar dekha gelo :facepalm: