WarWolf
July 30, 2011, 02:43 AM
[বাংলা]স্বপ্নের বুলেট ট্রেন আসছে পশ্চিমবঙ্গে (http://new.ittefaq.com.bd/news/view/32018/2011-07-30/4)
লেখক: ইত্তেফাক | শনি, ৩০ জুলাই ২০১১, ১৫ শ্রাবণ ১৪১৮
http://new.ittefaq.com.bd/uploads/news_image/2011-07-30_1311955103.jpg
চীন-জাপানের আদলে এবার বুলেট ট্রেন চলবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও। হাওড়া থেকে হলদিয়া একশো পঁয়ত্রিশ কিলোমিটার পথ পেরোনো যাবে ঘন্টাখানেকের ভিতরেই। একদিন এই স্বপ্নের সফরের ভিত গড়েছিলেন প্রাক্তন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এখন সেই ভাবনায় গতির ডানা জুড়ে দিতে শুরু হয়ে গিয়েছে কাজ। দেশের ছয়টি পথে বুলেট ট্রেন চালাতে প্রাথমিক সম্ভাব্যতার অন্তর্বর্তী রিপোর্ট কয়েকদিন আগেই রেল মন্ত্রণালয়ে জমা পড়েছে। ঘন্টায় ২৫০ থেকে ৩৫০ কিলোমিটার গতির বুলেট ট্রেনের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে ন্যাশনাল হাইস্পিড রেল অথরিটি গড়ে তোলার ভাবনা রয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার সামনে বিষয়টিকে রাখতে ক্যাবিনেট নোট তৈরি হচ্ছে।
প্রক্রিয়া যখন এগোচ্ছে দ্রুত, তখন একবার খুঁজে নেয়া যেতে পারে বুলেট ট্রেনের জাদুকে। কী কারণে দ্রুতগতির প্রায় উড়ন্ত এই ধরনের ট্রেনের ভাবনা তা বুঝতে গিয়ে রেলমন্ত্রক সূত্রের ব্যাখ্যা, ছয়-সাত ঘণ্টার সফর বদলে যাবে দু’আড়াই ঘণ্টায়। বুলেট ট্রেন চলবে ঘণ্টায় আড়াইশো থেকে সাড়ে তিনশো কিলোমিটার গতিতে। পরিবেশবন্ধু প্রযুক্তি। গাড়ি কিংবা বিমানের তুলনায় ট্রেন চালানোর শক্তি সাশ্রয়ও হবে বেশি। পাশাপাশি, এক্সপ্রেসওয়ে গড়ে তোলার তুলনায় করিডোর গড়তে জমিও লাগবে অনেক কম। সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগ বা পিপিপি মডেলে এই হাইস্পিড রেল করিডোর গড়ে তোলার ভাবনাকে সামনে এনেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ভাবনা ছিল, রাজধানী শহরের বাইরেও বিকশিত হবে অন্য শহরগুলো। সেখানকার মানুষ স্বপ্ন সফরের সুযোগই শুধু পাবেন না, বুলেট ট্রেনকে ঘিরে গতির ডানায় চাঙ্গা হবে অর্থনীতিও। আর সে সবের জেরে হয়তো নিজের শহর ছেড়ে চাকরির জন্য রাজধানীতে বসবাস করতে হবে না সাধারণ মানুষকে। এই ভাবনাকে বাস্তবের জামা পরাতেই এখন উদ্যোগী নতুন রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদী, যিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতোই প্রযুক্তি আর অভিনব ভাবনার মিশেলে রেলকে বদলে দিতে তত্পর এখন।
পথগুলোতে বুলেট ট্রেন চালানোর সম্ভাবনা দেখা হয়েছে, সেগুলো হল দিল্লি-চণ্ডীগড়-অমৃতসর (প্রায় ৪৫০ কিঃমিঃ), পুনে-মুম্বই-আমেদাবাদ (প্রায় ৬৫০ কিঃমিঃ), হায়দরাবাদ-দরনকাল-বিজয়ওয়াড়া-চেন্নাই (৬৬৪ কিঃমিঃ), চেন্নাই-ব্যাঙ্গালুরু-কোয়েম্বাটোর-এর্নাকুলাম (প্রায় ৬৪৯ কিঃ মিঃ), হাওড়া-হলদিয়া (১৩৫ কিঃ মিঃ), দিল্লি-আগ্রা-লখনউ-বারাণসী-পাটনা (৯৯১ কিঃ মিঃ) প্রি ফিজিবিলিটি স্টাডির জন্য সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলোতে ৫০ শতাংশ টাকা দিতে হচ্ছে।
-প্রতিদিন
[/বাংলা]
http://new.ittefaq.com.bd/news/view/32018/2011-07-30/4
লেখক: ইত্তেফাক | শনি, ৩০ জুলাই ২০১১, ১৫ শ্রাবণ ১৪১৮
http://new.ittefaq.com.bd/uploads/news_image/2011-07-30_1311955103.jpg
চীন-জাপানের আদলে এবার বুলেট ট্রেন চলবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও। হাওড়া থেকে হলদিয়া একশো পঁয়ত্রিশ কিলোমিটার পথ পেরোনো যাবে ঘন্টাখানেকের ভিতরেই। একদিন এই স্বপ্নের সফরের ভিত গড়েছিলেন প্রাক্তন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এখন সেই ভাবনায় গতির ডানা জুড়ে দিতে শুরু হয়ে গিয়েছে কাজ। দেশের ছয়টি পথে বুলেট ট্রেন চালাতে প্রাথমিক সম্ভাব্যতার অন্তর্বর্তী রিপোর্ট কয়েকদিন আগেই রেল মন্ত্রণালয়ে জমা পড়েছে। ঘন্টায় ২৫০ থেকে ৩৫০ কিলোমিটার গতির বুলেট ট্রেনের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে ন্যাশনাল হাইস্পিড রেল অথরিটি গড়ে তোলার ভাবনা রয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভার সামনে বিষয়টিকে রাখতে ক্যাবিনেট নোট তৈরি হচ্ছে।
প্রক্রিয়া যখন এগোচ্ছে দ্রুত, তখন একবার খুঁজে নেয়া যেতে পারে বুলেট ট্রেনের জাদুকে। কী কারণে দ্রুতগতির প্রায় উড়ন্ত এই ধরনের ট্রেনের ভাবনা তা বুঝতে গিয়ে রেলমন্ত্রক সূত্রের ব্যাখ্যা, ছয়-সাত ঘণ্টার সফর বদলে যাবে দু’আড়াই ঘণ্টায়। বুলেট ট্রেন চলবে ঘণ্টায় আড়াইশো থেকে সাড়ে তিনশো কিলোমিটার গতিতে। পরিবেশবন্ধু প্রযুক্তি। গাড়ি কিংবা বিমানের তুলনায় ট্রেন চালানোর শক্তি সাশ্রয়ও হবে বেশি। পাশাপাশি, এক্সপ্রেসওয়ে গড়ে তোলার তুলনায় করিডোর গড়তে জমিও লাগবে অনেক কম। সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগ বা পিপিপি মডেলে এই হাইস্পিড রেল করিডোর গড়ে তোলার ভাবনাকে সামনে এনেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ভাবনা ছিল, রাজধানী শহরের বাইরেও বিকশিত হবে অন্য শহরগুলো। সেখানকার মানুষ স্বপ্ন সফরের সুযোগই শুধু পাবেন না, বুলেট ট্রেনকে ঘিরে গতির ডানায় চাঙ্গা হবে অর্থনীতিও। আর সে সবের জেরে হয়তো নিজের শহর ছেড়ে চাকরির জন্য রাজধানীতে বসবাস করতে হবে না সাধারণ মানুষকে। এই ভাবনাকে বাস্তবের জামা পরাতেই এখন উদ্যোগী নতুন রেলমন্ত্রী দীনেশ ত্রিবেদী, যিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতোই প্রযুক্তি আর অভিনব ভাবনার মিশেলে রেলকে বদলে দিতে তত্পর এখন।
পথগুলোতে বুলেট ট্রেন চালানোর সম্ভাবনা দেখা হয়েছে, সেগুলো হল দিল্লি-চণ্ডীগড়-অমৃতসর (প্রায় ৪৫০ কিঃমিঃ), পুনে-মুম্বই-আমেদাবাদ (প্রায় ৬৫০ কিঃমিঃ), হায়দরাবাদ-দরনকাল-বিজয়ওয়াড়া-চেন্নাই (৬৬৪ কিঃমিঃ), চেন্নাই-ব্যাঙ্গালুরু-কোয়েম্বাটোর-এর্নাকুলাম (প্রায় ৬৪৯ কিঃ মিঃ), হাওড়া-হলদিয়া (১৩৫ কিঃ মিঃ), দিল্লি-আগ্রা-লখনউ-বারাণসী-পাটনা (৯৯১ কিঃ মিঃ) প্রি ফিজিবিলিটি স্টাডির জন্য সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলোতে ৫০ শতাংশ টাকা দিতে হচ্ছে।
-প্রতিদিন
[/বাংলা]
http://new.ittefaq.com.bd/news/view/32018/2011-07-30/4