
November 10, 2011, 11:07 AM
|
 |
Cricket Legend
|
|
Join Date: February 3, 2011
Favorite Player: ShakTikMashNasir(ShakV2)
Posts: 2,024
|
|
নিরাপত্তারক্ষীর পেছনে কোটি টাকা বেরিয়ে যাচ্ছে বিসিবির!
ক্রিকেট অবকাঠামো পাহারা দেওয়ার জন্য আইএসএস গ্রুপ থেকে ১০৪ জন নিরাপত্তাকর্মী নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যার বিনিময় মূল্য দিতে হয় বছরে এক কোটি ছয় লাখ আট হাজার টাকা। অথচ সমান সংখ্যক নিরাপত্তারক্ষী গ্রুপফোর থেকে নেওয়া হলে বছরে ২১ লাখ ৩০ হাজার ৩৩৬ হাজার বাঁচাতে পারতো বিসিবি।
দুই বছরে আইএসএস’র পেছনে বিসিবিকে দিতে হবে অতিরিক্ত ৪২ লাখ ৬০ হাজার ৬৭২ টাকা। কিন্তু আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন নিরাপত্তারক্ষী সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান গ্রুপফোর থাকলে টাকাগুলো দেশের ক্রিকেটের কাজে লাগানো যেতো। বিসিবির নিজস্ব এক প্রতিবেদন থেকে পাওয়া গেছে গ্রুপফোর থেকে নিরাপত্তাকর্মী নেওয়ার ব্যাপারে আপত্তি করেছেন খোদ বিসিবি সভাপতি আ হ ম মোস্তফা কামাল। বিশ্বকাপের সময় ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের বাসে ঢিল পরার ঘটনা গ্রুপফোরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করায় তাদের সঙ্গে চুক্তি রাখতে রাজি হননি তিনি।
আসল খবর এটা নয়, খবর হচ্ছে বিসিবির ওই প্রতিবেদনে পয়েন্ট করে লেখা হয়েছে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের বিসিবি প্রশাসক কর্নেল (অব জাকিউল ইসলাম নিজ উদ্যোগে আইএসএস কোম্পানি থেকে নিরাপত্তারক্ষী নিয়েছেন। বিশেষ একজন বোর্ড পরিচালকের ক্ষমতা ব্যবহার করে তিনি বেশি মূল্যে আইএসএস‘র সঙ্গে চুক্তি করেছেন।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জাকি বছরে অন্তত ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা উৎকোচ পেয়ে আইএসএসকে কাজ পাইয়ে দিয়েছেন। ওই প্রতিবেদনে জাকিকে চাকারি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আইএসএস’র সঙ্গে বিদ্যমান চুক্তি বাতিলের জন্যও অনুরোধ করা হয়েছে।
যদিও কর্নেল (অব জাকির মোবাইলফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি। তবে জাকির বস গ্রাউন্ডস এন্ড ফ্যাসিলিটি বিভাগের চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান মুন্নার কাছ থেকে পাওয়া গেছে অন্যরকম তথ্য। তিনি ওই প্রতিবেদনকে ভীত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার মোবাইলফোনে তিনি বাংলানিউজকে বলেন,“জাকির কোন ক্ষমতা নেই। আমরা টেন্ডার করে সেরা প্রতিষ্ঠান থেকে নিরাপত্তারক্ষী নিয়েছি। এসব হয়েছে বিসিবির মহাব্যবস্থাপক নিজামউদ্দিন চৌধুরীর মাধ্যমে। সে সব জানে।”
বিসিবি মহাব্যবস্থাপকের মোবাইলফোনে যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একাধিকবার ফোন করা হয়েছে বিসিবি মহাব্যবস্থাপকের মোবাইলফোনে। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিদেশে থাকায় তার সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে কর্নেল (অব জাকিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিলো কমখরচে ভালো কোন প্রতিষ্ঠান খুঁজে বের করার জন্য। অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান দেখে তিনি সবচেয়ে বেশি মূল্যের প্রতিষ্ঠানকে বেছে নেন। অথচ দেশের আরেকটি ভালো প্রতিষ্ঠান একেএইচ প্রতি আটঘন্টার জন্য পাঁচ হাজার টাকা করে নিতে রাজি ছিলো। কিন্তু ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করা হয়নি।
আইএসএ এর মালিক একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তার বলে প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে। যার সঙ্গে জাকি বছরে কোটি টাকা লেনদেন করেন।
SOURCE
|