
April 21, 2012, 02:08 PM
|
 |
Test Cricketer
|
|
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869
|
|
I hope that someone will come forward to help these students
এটিও একটি বিদ্যালয়
মজিবর রহমান খান, ঠাকুরগাঁও | তারিখ: ২১-০৪-২০১২
বেঞ্চে বসা শিশুরা ও পতাকাদণ্ডটি না থাকলে হয়তো বিশ্বাস করতেই কষ্ট হতো, এটি একটি রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়। ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সর্বমঙ্গলা গ্রাম থেকে সম্প্রতি তোলা ছবি
ফাঁকা মাঠের মধ্যে একটি ঘর! ঘর বললে ভুল হবে। বাঁশের খুঁটির ওপর একটি খড়ের চালা দাঁড়িয়ে আছে। বেড়া বলতে যা আছে, সেটাও খসে পড়ছে। এক পাশ থেকে তাকালে অন্য পাশের দৃশ্য দেখা যায়। সেই ঘর ঘিরে শিশুদের ছুটাছুটি। ঘরের পাশে একটি দণ্ডে পতপত করে উড়ছে জাতীয় পতাকা। বিদ্যালয়ের নিশানা বলতে ওই পতাকাটিই।
এটি ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সর্বমঙ্গলা রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়। ১৯৯১ সালে সর্বমঙ্গলা গ্রামের তরুণেরা মিলে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১০ সালে এটি সরকারের নিবন্ধন পায়। বর্তমানে পাঁচটি শ্রেণীতে দেড় শ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে এখানে। শিক্ষক আছেন চারজন। সরেজমিনে দেখা যায়, ঘরটি দৈর্ঘ্যে ৩২ ফুট। মাথার ওপর খড়ের তৈরি আচ্ছাদনের অর্ধেক খসে পড়েছে। ঘরটিতে তিনটি শ্রেণীকক্ষ বসানো হলেও মাঝখানে নেই কোনো বিভাজন। তিনটি শ্রেণীকক্ষের মধ্যে ঝুলছে একটি মাত্র ব্ল্যাকবোর্ড। বিদ্যালয়ে ১৮ জোড়া বেঞ্চ আছে। তাও অর্ধেক ভাঙা। মূল্যবান কাগজ ও খাতা সংরক্ষণের জন্য কোনো আলমারিও নেই। জরুরি কাগজপত্র প্রধান শিক্ষক তাঁর বাড়িতে নিয়ে যান। বিদ্যালয়টিতে নেই কোনো শৌচাগার। পিপাসা পেলে পাশের বাড়ির নলকূপই শিক্ষার্থীদের ভরসা।
পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী নাসিমা আক্তার বলে, ‘শুরু থেকে এভাবেই ক্লাস করছি। সামান্য বৃষ্টি হলেই ক্লাসরুম ভেসে যায়। তখন পড়ালেখা বন্ধ থাকে।’ তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র আল আমিন জানায়, স্কুলের বেড়া ভাঙা। ক্লাস চলাকালে অনেক সময় কুকুর দৌড়ে এক পাশ থেকে অন্য পাশে চলে যায়। পঞ্চম শ্রেণীর আরেক ছাত্র মোসাদ্দেক আলী বলে, ‘ছাদ না থাকায় প্রচণ্ড রোদে ক্লাসরুমে বসে থাকা যায় না।’
প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘দুই কিলোমিটারের মধ্যে আর কোনো বিদ্যালয় নেই। এটিই এলাকার একমাত্র ভরসা। সমস্যাগুলো অনেকবার কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও সমাধানের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। শিক্ষার্থীরা এই বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে।’
উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা প্রত্যুষ চ্যাটার্জি জানান, বিদ্যালয়টির অবকাঠামো নির্মাণের জন্য তালিকা পাঠানো হয়েছে।
বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক গর্বভরে বলেন, ‘অবকাঠামো না থাকলেও গত বছর আমার স্কুল থেকে ২২ শিক্ষার্থী প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ২১ জনই পাস করেছে।’
__________________
-- Alwayz with  !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!
|