View Single Post
  #48  
Old July 11, 2018, 03:06 AM
Jadukor's Avatar
Jadukor Jadukor is offline
Moderator
 
Join Date: October 17, 2010
Favorite Player: Shakib, Brian Lara
Posts: 12,936

Quote:
Originally Posted by boka

খুবই ভালা বিষয়
চলেন ঠান্ডা মাথায় কারণ খুঁজি

আগেই কইয়া লই - কারণ খুঁজতে গিয়া যেন আমগো নির্বাচকগো মতো হইয়া না পরি
(২৪ টেস্টে বিশ্বরেকর্ড করা ৭৯ গড়েরর টেস্টের জন্য অক্করেই খারাপ বোলার রুবেলরে দলে নিছে আবারও, রুবেলের একদিনের খেলার বোলিং চলে কিন্তু টেস্টে কেন সে আবারও ?)

টেস্ট, একদিনের খেলা আর টি২০ সব মিশায়া জগাখিচুড়ী বানাইয়া না ফেলি

একদিনের খেলাতে ৭ নাম্বার দল হইছি মানেই টেস্টে ৭ বা টি২০ ৭ হওয়া না
এইটা নিশ্চয় আমগো সববেরই বুঝে আছে।

প্রথমে দেহি টেস্টে আমরা ৯ থেইক্কা ৮ হইলাম কেমনে ?
---------------------------------------------------------------------

২০১৫ থেইক্কা ২০১৭ তে আমরা কি করলাম
আর ওয়েস্ট ইন্ডিজই বা কি করলো ?

আমগো কপালটা ছিলো খুবই ভালা ২০১৫তে
বৃষ্টির জোরে ইন্ডিয়ার সাথে নির্ঘাত হারা খেলা বাই্চ্চা গিয়া ১ ম্যাচের টেস্ট সিরিজটাই ড্র হইয়া গেলো
শুধু কি তাই,
আইলো দক্ষিন আফ্রিকা
বৃষ্টি আমগো খেলতে না দিয়া আবারো ২ টেস্টের সিরিজ ড্র
আর পাকিস্তানের লগে খুলনাতে মহামরা পিচ বানাইয়া টেস্ট ড্র করা তো ইতিহাস।
মারাত্বক কিছু পয়েন্ট আমগো জুইট্টা গেলো ফাওয়ের উপরে ঐ বছর।

পরের বছরগুলাতে - ইংল্যান্ড অস্ট্রেলিয়ার স্পিন ভালা খেলতে না পারার সুযোগটা ঠিকমতো কাজে লাগাইয়া তাগো লগেও সিরিজ ড্র
শ্রীলংকার নতুন দলটা তৈরী হইতেছে এমন সময় তাগো দেশে গিয়া তাগো লগে দারুন খেইল্লা ১টা টেস্ট জিইত্তা সিরিজ ড্র।
এইতো আমগো খেলা -
এই হগ্গল সময়টাতে ১৮ টা টেস্টের (উপমহাদেশের বাইরে মুটে ৪টা খেলছি) মধ্যে জিতছি কইলাম মুটে ৩টা টেস্টে।
তার দুইটা দেশের ঢাকা স্টেডিয়ামের স্পিন রাজ্যে স্পিন ভালো খেলতে না পারা কিন্তু আমগো থেইক্কা অনেক উপরের দিকের দলের সাথে
বাকীটা লংকাতে ( উপমহাদেশেই) তাগো নতুন দলটার সাথে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ এই পুরা সময়ে খেলছে ৩০টা টেস্ট
হেরা দেশের বাইরেই খেলছে ১৫ টা
জিতছে ৬টা খেলা
সিরিজ ড্র করছে দুইটা আর সিরিজ জিতছে খালি জিম্বাবুয়ের লগে।

শক্ত দলের সাথে দেশের বাইরে অনেক খেইল্লা ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেস্টে হারের কারণে যে র‌্যা্ঙ্ক এ ক্ষতি হইলো তার লগে আমগো ফাওগুলা এবং মারাত্বক স্পিন পিচের "চমৎকার বুদ্ধিটা" মিইল্লা আমরা হইলাম ৯ থেইক্কা ৮।

এইটার মানে কইলাম এই না যে আমগো দল টেস্টে অনেক উন্নতি কইরা ফেলছে বা ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেইক্কা আমরা অনেক আগায়ে গেছি।

যারা ওয়েস্ট ইন্ডিজকে এক্কেবারেই গোনায় ধরতেছেন না তাগো কি বুঝার ভুল হইলো না ? কি কন ?

এইবার আসি আমগো অভিজ্ঞ খেলোয়াড় যাগো কই তারা আসলে কতোটা অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগ পাইতেছে হেই বিষয়েঃ
-------------------------------------------------------

আমগো মনে হইতেই পারে লংকাতে গিয়া ওগোরে হারাইলাম কিন্তু ওরা ২ বছর পরে এইখানে আইস্সা আমগো হারায়ে দিলো?

হিসাবটা একটু দেহেন খেয়াল কইরা মনোযোগ কইস্সা লাগাইয়া

কুশল ম্যান্ডিস পোলাটা বেশ ব্যটার
হে টেস্ট খেলা শুরু করছে ২০১৫ অক্টোবরে
এরই মধ্যে হেই ব্যটার কইলাম ২৭ টা টেস্ট দেশে বিদেশে খেইল্লা ফেলছে।
মজার বিষয় এর ১৭টাই নিজের দেশের বাইরে খেলছে।
কুশল মাত্র সাড়ে তিন বছরে প্রথম শ্রেণীর খেলা (টেস্ট বাদে) খেলছে ২৪টা

আমগো যে শ্রেষ্ঠ ব্যটার তামিম
হে পুরা ১০ বছরে খেলছে মুটে ৫৫টা টেস্ট।
বেচারা দেশের বাইরে খেলছে মুটে ২১ টা।
তামিম প্রথম শ্রেণীর খেলা (টেস্ট বাদে) ১৩ বছরে খেলছে ৩০টা,
হ ঠিকই দেখতেছেন সংখ্যাটা "৩০", তিনে শূন্য ত্রিশ।

অহন আমরা যদি আমগো খেলোয়াড়গো গাইল দেই যে তারা এত্তো বছর ধইরা খেইল্লা কেন পোলাপাইন লংকানদের সাথে হারলো তা কি পুরাপুরি ঠিক কাজ হয়?

আমগো খেলোয়াড়রা যে -
একই সময়ে অনেক বেশী টেস্ট, প্রথম শ্রেণীর খেলার মধ্যে থাকতে পারলো না হেইডাও কি খেলোয়াড়গো দোষ ?

আমি কইলাম অস্ট্রেলিয়া, ইন্ডিয়া, ইংল্যান্ডের কোন খেলোয়াড় দিয়া উদাহারনটা দিলাম না এইটা নজর দিয়া দেইখেন।

বুঝিকম
কিন্তু এইটাতো বুঝি এইরকম খেলাধূলায় যে যতো বেশী উচ্চ পর্যায়ে বারবার খেলার সুযোগ পাইবো হে ততো বেশী ভালা করতে পারবো।

আমগো জাতীয় দল তো খেলেই কম টেস্ট
আবার "এ" দল, অনূর্ধ্ব দল নিয়ম কইরা সারা বছরে ৪-৫টা চাইরদিনের খেলার সফর কইলাম রাখে না।
বরং এমনও রেকর্ড আছে যে সারা বছরে - জাতীয় দলের মতোই অন্য দলগুলাও একবারও দেশের বাইরে যায় নাই চাইর দিনের খেলা খেলতে।

তা এই যে নতুন পোলাপাইন দেশের বাইরে অন্য পরিবেশে চাইর দিনের খেলা খেইল্লা নিজেগো গইড়া তোলার সুযোগ কইরা নিবো তার সুযোগটা কই দিতেছে আমগো কর্তারা?

দর্শক হিসাবে আমগোও একটা দায়িত্ব আছে
খালি খেলোয়াড়গো গাইল পাইরা সেইটা পালন করা হয় না।

৮মাস হেড কোচ ছাড়া পৃথিবীর কয়টা ভালো দল থাকে কইতে পারেন কেউ?

মাত্র নতুন হেড কোচ আইছে
আমরা ধৈর্য্য ধরি
হের কামডা কঠিন হইয়াগেছে আমগো সবথেইক্কা পচা খেলার (উপমহাদেশের বাইরে গিয়া টেস্ট) বিষয়টার মধ্যে প্রথমেই পইরা গিয়া।

টেস্টটা খেলা আমরা অহনও ভালা কইরা শিখতে পারি নাই।
মূল কারণঃ
- আমগো স্কুল ক্রিকেট দুই দিনের না
পোলাপাইন তো ধৈর্য্য ধইরা লম্বা সময় খেলাটা শিখবো এই সময়েই, অথচ বিসিবি কখনও কখনও ৪০ওভারেও স্কুল ক্রিকেট খেলার ব্যবস্থা করে। লোক দেখাইন্না সেমিফাইনাল বা ফাইনাল "দুই দিন" কখনও সখনও খেলানো হয়, তবে সেইটা ঐ তিনটা খেলাতেই শেষ।

- আমগো চাইরদিনের খেলাটাতে মুটে ৮ দল
তারউপর আবার সেই দলগুলারে দুইটা ভাগ কইরা দু্ই স্তর বানাইয়া কোন রকমে প্রতি বছরে কয়টা খেলা হয়। যেইটাতে কয়েকজন মুখচেনারা একজন আরেকজনের সাথে খেইল্লা চলছে।
দুই স্তরের টেস্ট আমগো দেশ মানে না অথচ নিজেগো চাইরদিনের খেলার মূল প্রতিযোগিতারে দুই স্তর বানাইয়া রাখছে, খুবই কান্ডজ্ঞানহীন কাম এইটা।

- আমগো জাতীয় দল এবং অন্য দলগুলা বাইরের শক্ত দলগুলার সাথে দেশের বাইরে নিয়ম কইরা বারংবার অনেক খেলা খেলে না।

- জাতীয় নির্বাচকরা মাঠে গিয়া খেলা দেহে না বইল্লাই তাগো কার্যকলাপ কয়। নাইলে টেস্টে যে ভালা হইতে পারে তারে টি২০তে নেয়, আর একদিনের খেলাতে ভালোজনরে টেস্টে এইরকমটা হয় কেমনে?
তাগো "দেখি না কি হয়" মার্কা প্রতিভা চিনতে না পারাটাও একটা গন্ডগোলের কারণ।

আমার নিজের বুঝ উপরের কাজগুলা ঠিক করতে পারলে আমগো টেস্টে দেশের বাইরে এইরকম ভরাডুবি কইম্মা যাইবোগা.............
Good analysis
__________________
vacant slot
Reply With Quote