| |
| Forget Cricket Talk about anything [within Board Rules, of course :) ] |

July 25, 2012, 10:19 AM
|
|
Banned
|
|
Join Date: February 19, 2011
Location: A hospital near you
Favorite Player: Brian Lara
Posts: 2,552
|
|
Quote:
Originally Posted by kalpurush
Liberal mind!?
They (HA & Shawon) got married, didn't they? From islamic point of view, I do not see anything wrong here.
I am amused by these so called "liberal minds" !!!
|
Islam also says polygamy is just fine...doesn't mean it's something I plan to practice, nor will I be congratulating those who do.
Remind me what does Islam say about adopted daughters...
yes, liberal mind because I'm not out to force society to see the world through my eyes and I normally don't comment on personal issues and try to put across my sense of morals(not exclusively driven by religion) as being superior.
Oh and   
Last edited by F6_Turbo; July 25, 2012 at 11:42 AM.
|

July 25, 2012, 10:21 AM
|
|
Banned
|
|
Join Date: February 19, 2011
Location: A hospital near you
Favorite Player: Brian Lara
Posts: 2,552
|
|
Quote:
|
Originally Posted by Night_wolf
seriously i agree with you that shaone is a scum..but your last line for a person who just died is utter disgraceful
|
Simply saying it how I see it...don't expect people to agree with me. It was slightly mean spirited, but it's not like I was condemning him to eternal hell or anything.
|

August 2, 2012, 04:18 PM
|
 |
Cricket Legend
|
|
Join Date: August 2, 2011
Location: NY
Favorite Player: Lara, Shakib
Posts: 3,311
|
|
An emotional letter from Nuhash, Humayun Ahmed's son.
নুহাশের ভালোবাসা
যে চিঠি দেওয়া হয়নি বাবাকে
গত জুলাইয়ে বাবার প্রথম অস্ত্রোপচারের পর তাঁর উদ্দেশে আমি একটি চিঠি লিখি। নিউ ইয়র্কে বাবার সঙ্গে আমার চাচা ও চাচিমা আছেন। পরিকল্পনা ছিল চিঠিটা তাঁদের কাছেই ইমেইল করব। আমি চেয়েছিলাম বাবার জ্ঞান ফিরে এলে তাঁরা চিঠিটি তাঁকে পড়ে শোনাবেন। চিঠিটি বাবার আর পড়া হয়নি। কারণ মৃত্যুর আগে বাবার আর পুরোপুরি জ্ঞান ফেরেনি। চিঠির বিষয়টি আমি আর বাবার সঙ্গে ভাগাভাগি করতে পারলাম না_ভাবতেই আমার ভেতরটা কী এক শূন্যতায় হাহাকার করে ওঠে। একেবারেই ব্যক্তিগত চিঠি এটি। তবু আমি মনে করি, হয়তো, হ্যাঁ হয়তো, অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারলে আমার সে শূন্যতা বোধ হয় কিছুটা হলেও কমবে।
বাবা,
আশা করি তুমি ভালো বোধ করছ। তবে আমি ভালো নেই। টাইফয়েডে পড়ে আমার পাকস্থলী বড় দুর্বল হয়ে গেছে। টানা একটা সপ্তাহ আমি কিছু মুখে পুরতে পারিনি। খাবার বলতে ছিল একেবারেই অখাদ্য একটা জিনিস, বাংলায় সম্ভবত একে জাউ বলে। বিছানাবন্দি অবস্থায় জাউ খেতে খেতে আমার কেবলই মনে হয়েছে, ভালো সময়গুলোতে কত সুস্বাদু খাবারই না আমার জুটত। এরই মধ্যে আমার গলদা চিংড়ি খেতে ইচ্ছে করে। আর তখনই মনে পড়ে যায় কিছু স্মৃতি।
মা ও তোমার মধ্যে ডিভোর্স হয়ে যাওয়ার ঠিক পরের সময়টা আমার জন্য ছিল বড়ই কঠিন। আমি সব সময়ই আশা করতাম সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে এবং তুমি আবারও আমাদের কাছে ফিরে আসবে। কিন্তু তোমাদের ডিভোর্স হয়ে যাওয়ার পর আমি বুঝে গেলাম যে সে দরজা চিরতরে বন্ধ হয়ে গেছে। রসায়নের ভাষায় যাকে বলে 'আগুন জ্বলে ওঠা', আমি সেটা প্রত্যক্ষ করলাম। আমার মধ্যে সবচেয়ে বড় যে ভয়টি কাজ করত তা হচ্ছে তোমার আর আমার মধ্যে দূরত্ব তৈরি হবে এবং তুমি আর আমাকে তোমার ছেলে হিসেবে দেখবে না। ডিভোর্সের কয়েক দিন পর একদিন তুমি আমায় ফোন দিলে। বললে, তুমি সবেমাত্র বাজার থেকে ফিরেছ, সঙ্গে বড় বড় গলদা চিংড়ি। তুমি চাইছ সেগুলো নিজে রান্না করবে এবং আমাকে সঙ্গে করে খাবে। আমরা দুজনই জানতাম এটা অসম্ভব। স্নায়ুযুদ্ধের সময় তুমি আর যা-ই হোক কোনো ভোজ-উৎসব করতে পার না। কিন্তু ঘটনাটি সেখানেই শেষ হলো না। প্রায় আধা ঘণ্টা পর আমার বাসার ইন্টারকম বেজে উঠল। গার্ড বলল, আমার বাবা একটা জীবন্ত গলদা চিংড়ি নিয়ে বাসার গেটে দাঁড়িয়ে আছেন। সিঁড়ি ভেঙে নিচে গেলাম। আমি তখন হতভম্ব, বিস্মিত এবং কিছুটা উত্তেজিতও। তুমি বললে, 'বাবা, আমি সত্যি সত্যিই চেয়েছিলাম তোমাকে সঙ্গে করে এই চিংড়ি আমি খাব। কিন্তু এই সময়ে এটা তো আর সম্ভব না। তবে আমি তোমাকে কথা দিচ্ছি, আমি সব সময় তোমার কাছাকাছি থাকব। আর কোনো একদিন আমরা আবারও একসঙ্গে বসে খাওয়া-দাওয়া করব। তবে এই সময়ের জন্য তুমি এ চিংড়িটা নাও।' এরপর তুমি আমার হাতে সেই জ্যান্ত চিংড়িটা দিলে। কুতকুতে ও উজ্জ্বল চোখের, সরু পা-ওয়ালা এই বিদ্ঘুটে প্রাণীটি তখন আমার জন্য আশার আলো নিয়ে এসেছে। মনে হলো, যা কিছুই ঘটে থাকুক না কেন, বাবা, তুমি সব সময়ই আমার পাশে থাকার চেষ্টা করবে।
আমি মনে করি না, আমি তোমার সঙ্গে ছিলাম, অন্তত যতটা আমার থাকা উচিত ছিল। যখনই আমি তোমাকে ফোন দিয়েছি মনে হয়েছে, তোমার কথা বলার মতো অবস্থা নেই। এমনকি যখন আমরা কথা বলেছি, নিজেকে বোঝানোর মতো মানসিক অবস্থা আমার ছিল না। আমি তো তোমার মতো কথার কারিগর নই। অস্ত্রোপচারের আগে তুমি যখন ঢাকা এলে তোমাকে দেখতে যাওয়াটা আমার জন্য বড়ই কষ্টের ছিল। তুমি যে বাড়িতে ছিলে তার গেটে গিয়ে প্রতিবারই আমার থমকে যাওয়াটাও ছিল বড়ই মর্মান্তিক একটি বিষয়। এক সন্তান তার বাবাকে দেখতে যাবে, আর গেটে সে জন্য নিরাপত্তা প্রহরীকে প্রতিবারই জবাবদিহি করতে হবে_এটা তো হতে পারে না। তবে এগুলোর কোনোটাই অজুহাত হতে পারে না। তোমার জন্যই আমার সেখানে বেশি বেশি উপস্থিতির প্রয়োজন ছিল। আমি তোমাকে জানাতে চাই, বাবা আমি সত্যিই তোমাকে মিস করি। আমি জানাতে চাই, আমি আরো বেশি করে তোমার পাশে থাকতে চেয়েও যে পারিনি সেটা আজও আমাকে দগ্ধ করছে। বাবা, এই চিঠিটা তোমার জন্য আমার পক্ষ থেকে গলদা চিংড়ির ভালোবাসা।
_তোমার ছেলে, নুহাশ
http://www.kalerkantho.com/?view=det...news_id=275117
|

August 2, 2012, 09:31 PM
|
 |
Cricket Guru
|
|
Join Date: February 28, 2007
Location: melbourne, Australia
Favorite Player: SHAKIB IQBAL MORTAZAAAA
Posts: 8,640
|
|
Awww, that letter is so sad 
__________________
It feels better to lose in IPL, then it does to win.--- Mashrafe Bin Mortaza
|
|
Currently Active Users Viewing This Thread: 1 (0 members and 1 guests)
|
|
|
| Thread Tools |
|
|
| Display Modes |
Linear Mode
|
Posting Rules
|
You may not post new threads
You may not post replies
You may not post attachments
You may not edit your posts
HTML code is On
|
|
|
All times are GMT -5. The time now is 08:01 AM.
|
|