facebook Twitter RSS Feed YouTube StumbleUpon

Home | Forum | Chat | Tours | Articles | Pictures | News | Tools | History | Tourism | Search

 
 


Go Back   BanglaCricket Forum > Miscellaneous > Forget Cricket

Forget Cricket Talk about anything [within Board Rules, of course :) ]

Reply
 
Thread Tools Display Modes
  #76  
Old November 22, 2011, 04:33 PM
idrinkh2O's Avatar
idrinkh2O idrinkh2O is offline
Test Cricketer
 
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869

ভুট্টা চাষে বদলে গেছে জীবন
নারীমঞ্চ প্রতিবেদক | তারিখ: ২৩-১১-২০১১


জাহানারা বেগম

বছর তিনেক আগেও জাহানারা বেগম ছিলেন একজন দিনমজুর। দিনভর ধান কিংবা ভুট্টার খেতে কাজ করতেন, দিনশেষে মজুরি ৭০ টাকা। তবে রোজ রোজ যে কাজ জুটত, তাও নয়।

বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার আওলাকান্দি চরের এই নারীর জীবনটা হঠাৎ করেই বদলে যেতে শুরু হলো ২০১০-এর শেষ দিকে কন্টাক্ট ফার্মিং বা চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পর। আওলাকান্দির চরে কৃষি উপকরণ সরবরাহ করেন রুবেল হোসেন। তিনি জাহানারা বেগমের মতো নারীদের শেখালেন, কীভাবে অন্যের জমি কয়েক মাসের জন্য লিজ নিয়ে চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদ করতে হয়। চুক্তিটা এ রকম: মূলধন যা লাগে রুবেলই দেবেন। সঙ্গে বিনা মূল্যে সব রকম তথ্য ও পরামর্শ আর মানসম্পন্ন উপকরণ যা যা লাগে। এরপর ফলন যা-ই হোক, একটা নির্দিষ্ট দামে পুরোটা কিনেও নেবেন তিনি। অর্থাৎ ফসল তুলে বাজারে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করা কিংবা দাম উঠল কি উঠল না—এগুলো নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা নেই।

চরের বেশির ভাগ মানুষই গরিব। চাষবাস শুরুর জন্য সামান্য যে অর্থ দরকার, সেটাও জোগাড় করা মুুশকিল। জাহানারা বেগমের আধা একর বা ৫০ শতকের মতো জমি ছিল। এর সঙ্গে আরও কিছু জমি নিলেন। রুবেলের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে শুরু হলো ভুট্টার চাষ। সেবার ফলন হলো চমৎকার। সে সময় জাহানারার মতো আরও ৩০ নারী এই চুক্তিভিত্তিক ভুট্টা চাষাবাদ-প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন। গত অর্থবছরেই ২ দশমিক ৩ একর জমিতে ভুট্টা ফলিয়ে জাহানারা একরপ্রতি আয় করেছেন ৩৬ হাজার টাকা। এ থেকে বিনিয়োগ বাবদ রুবেলকে ফেরত দিতে হয়েছে একরপ্রতি সাড়ে ১৩ হাজার টাকা। এর পরও প্রতি একরে সাড়ে ২২ হাজার টাকা করে লাভ ছিল জাহানারার।

সব মিলিয়ে জাহানারা এখন খুশি। ছেলেমেয়েদের পড়ার খরচ নিয়ে চিন্তা নেই। ঘর পাকা করেছেন। পরিবারের সাত সদস্যের তিন বেলা খাওয়া নিয়েও সমস্যা নেই। আশপাশের নারীরাও জাহানারাকে দেখে উৎসাহিত বোধ করছেন, সকাল-বিকেল ভিড় করছেন বুদ্ধি-পরামর্শের জন্য। জাহানারার অত দিকে মন দেওয়ার সময় নেই। তাঁর চিন্তা, এই মৌসুমে আরও বেশি জমি লিজ নিয়ে ফলন বাড়াতে হবে, তাহলে উপার্জনও বাড়বে।

এই সাফল্য নিয়ে রুবেলের বক্তব্য অনেকটাই পরিষ্কার, চুক্তির বিষয়ে পুরুষ কৃষকদের চেয়ে নারীরা অনেক বেশি সিরিয়াস। তারা চুক্তি ভাঙে না। ফসলের যত্ন নেয়। সামনের বার আরও বেশি নারীকে চাষবাস বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা ভাবছেন তিনি। তাঁকে এ কাজে সহায়তা দিচ্ছে ‘সুইস কন্ট্যাক্ট’-এর বাজার উন্নয়ন প্রকল্প ‘ক্যাটালিস্ট’। বাইরের কয়েকটি দেশের উদাহরণ বিশ্লেষণ করে, চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদের ধারণাটা তারাই এ দেশে এনেছে। মাঠে ফসল ফলানো থেকে শুরু করে পাইকারি পর্যায়ের ডিলার হয়ে খুচরা বাজারে বিক্রি পর্যন্ত তারা একটা সুষম কাঠামো গড়তে চায়।
এরই মধ্যে দুটো ব্যাংক এসব নারী উদ্যোক্তাকে ঋণ দেওয়ার জন্য খুঁজছে। জাহানারার মতো নারীরা মাত্র ৪ শতাংশ সুদে ঋণ নিয়ে ভুট্টা ফলাতে পারবে। মৌসুম শেষে ফসল বিক্রি করে একবারে ছয় মাস পর ফেরত দিলেই চলবে।

ফলে সব মিলিয়ে ভাগ্যবদলের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন বগুড়ার প্রত্যন্ত চরের উদ্যমী নারীরা।
__________________
-- Alwayz with !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!
Reply With Quote
  #77  
Old November 22, 2011, 04:40 PM
idrinkh2O's Avatar
idrinkh2O idrinkh2O is offline
Test Cricketer
 
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869

মা এখনো বাসভাড়া দিতে চান
নারীমঞ্চ প্রতিবেদক | তারিখ: ২৩-১১-২০১১


ফাতেমা আখতার মাহমুদা খাতুন


১৯৮৫ সালে তোলা পরিবারের ছবি

অল্প বয়সে বিয়ে হয়েছিল তাঁর। এরপর কোলে এল প্রথম সন্তান। একে একে জন্ম হলো আরও সাত সন্তানের। কিন্তু তাঁর লেখাপড়া থেমে থাকল না। স্বামীর সহযোগিতা তাঁকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করল। তাঁর স্বামী মুহাম্মদ আবদুর শাকুর ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক। তিনিও পেশা হিসেবে বেছে নিলেন শিক্ষকতা পেশাকে। একটা অদ্ভুত মিল রয়েছে এই পরিবারে। মা-বাবার আট সন্তানের মধ্যে সাতজনই শিক্ষকতা পেশার সঙ্গে জড়িত। বলছিলাম ময়মনসিংহ মুসলিম বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক ফাতেমা আখতার মাহমুদা খাতুনের কথা।

মাহমুদা খাতুন বলেন, ‘সফল মা হলে কষ্টের দিনগুলোর কথা মনে থাকে না। এখন মাঝেমধ্যে ভাবি, কীভাবে এত দূর এসেছি। প্রতিষ্ঠিত সন্তানের মা হওয়ার অনুভূতিই আসলে অন্য রকম। আমার স্বামী ও আমি সহনশীল প্রকৃতির। যেকোনো সমস্যা হলে দুজন মিলে মোকাবিলা করেছি। আমার সন্তানেরা মেধাবী ছিল। এ জন্য তাদের কোনো গৃহশিক্ষক দেওয়ার প্রয়োজন হয়নি। কোনো সমস্যা হলে ওরা বাবার কাছে দেখিয়ে নিত। কখনো কখনো আমিও পড়াতাম। সন্তানেরা কোনো আবদার করত না আমাদের কাছে। সাধ্যের মধ্যে তাদের প্রয়োজন মেটানোর চেষ্টা করেছি। সন্তানদের সব ধরনের দেখভাল আমাকেই করতে হতো। তবে আমার স্বামী সব সময় সমর্থন দিয়েছেন। তা না হলে হয়তো এতগুলো সন্তানকে মানুষ করতে পারতাম না। সন্তান হিসেবে ওরাও নিজেরা চেষ্টা করেছে। বিয়ের আগে আমার বাবা, আর বিয়ের পরে শাশুড়ি খুব সহযোগিতা করেছেন। যেহেতু আমরা দুজনই কর্মজীবী ছিলাম। আমার অবর্তমানে শাশুড়িই ওদের দেখাশোনা করতেন।’

মাহমুদা খাতুনের বড় ছেলে মাহমুদ হাসান বর্তমানে ইংল্যান্ডে নিউক্যাসলে নর্থ হ্যামব্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করছেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক ছিলেন।

কথা হয় দ্বিতীয় ছেলে তানভীর হাসানের সঙ্গে। তিনি বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক। বললেন, ‘আমাদের সব বিষয়ে মা তদারক করতেন। বড় ভাইবোনেরা ছোটদের পড়া দেখিয়ে দিতেন। কখনো কোনো সমস্যা হলে মা-বাবা আমাদের বুঝতে দেননি। যেমন ভালোবাসতেন, তেমন শাসন করতেন তিনি। মনে আছে, অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত মায়ের সেলাই করা কাপড় পরেছি। এখনো মা শীতে উলের সোয়েটার তৈরি করে পাঠান। সব সন্তানের কাছে মা অনেক গর্বের। কিন্তু আমাদের মা একজন সফল মানুষ, সফল মা। এই অনুভূতি যে কী রকম, তা বোঝানো যাবে না। মজার বিষয় হলো, মা এখনো আমাদের ছোট ভাবেন। ময়মনসিংহে বেড়াতে গেলে ফেরার সময় জিজ্ঞাসা করেন, বাসভাড়া আছে কি না। এমন মায়ের সন্তান হতে পারা সৌভাগ্যের ব্যাপার।’

ছোট ছেলে অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করছেন।

মাহমুদা খাতুনের বড় মেয়ে দিলআফরোজ মাহবুবা, দ্বিতীয় মেয়ে শরীফা সুলতানা—দুজনই শিক্ষকতা পেশায় আছেন।

তৃতীয় মেয়ে শামীমা সুলতানা শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ।

আরেক মেয়ে শাহীদা সুলতানা কলেজে অধ্যাপনা করছেন।

ছোট মেয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের অ্যানাটমি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।

ফাতেমা আখতার মাহমুদা খাতুন বলেন, ‘কর্মজীবন থেকে অবসর নিয়েছি প্রায় ১১ বছর আগে। চার বছর আগে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছি। কিন্তু এ রোগ শরীরকে কাবু করলেও মনকে কাবু করতে পারেনি। ছেলেমেয়ে ও নাতি-নাতনি নিয়ে অনেক ভালো আছি। নাতি-নাতনিরাও সবাই মেধাবী। সব মিলিয়ে মনে হয়, জীবনটা আসলে সুখের।’
__________________
-- Alwayz with !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!
Reply With Quote
  #78  
Old November 22, 2011, 09:45 PM
Naimul_Hd's Avatar
Naimul_Hd Naimul_Hd is offline
Cricket Guru
 
Join Date: October 18, 2008
Location: Global City of Australia
Favorite Player: Shakib, Mashrafe
Posts: 13,277

^ salute to her.
__________________
Char Chokha hoi hoi....chulkani' r por balls gelo koi ?
Reply With Quote
  #79  
Old November 26, 2011, 12:42 PM
nakedzero's Avatar
nakedzero nakedzero is offline
Cricket Legend
 
Join Date: February 3, 2011
Favorite Player: ShakTikMashNasir(ShakV2)
Posts: 2,024
Default স্যালুট জাঁ ক্যুয়ে!



৩ ডিসেম্বর ১৯৭১ । ভারত আক্রমণ করে আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে তুমুল গতি দেয় পাকিস্তান। আর ১৩ দিন পরই মিত্রবাহিনীর হাতে ঢাকার পতন, স্বাধীন হয়ে যায় বাংলাদেশ। একই দিন আরেকটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। প্যারিসের অর্লি বিমানবন্দরে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের একটি বোয়িংয়ের নিয়ন্ত্রণ নেন জাঁ ক্যুয়ে নামে এক ফরাসি যুবক। না, টাকা-পয়সা কিছু দাবি করেননি। অবিলম্বে ২০ টন মেডিকেল সামগ্রী ও রিলিফ প্লেনটিতে তোলা না হলে এটি বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি। আর সেগুলোর গন্তব্য হবে পূর্ব পাকিস্তান। স্বাধীনতার জন্য লড়তে থাকা বাংলাদেশে।




ফুটেজের ধারাবর্ণনার ইংরেজী অনুবাদ:


Quote:
"This young 28 year old boy has spent the night in jail. He is called Jean Quai and is an old OAS who has fought then in Biafra and in Yemen and he wanted to be an help to bengali refugees. That is the reason why yesterday, during 8 hours, he has immobilized a pakistani Boeing. I figure out that some among you have followed this lets call it extraordinary, suspense the whole afternoon, due to the direct cameras of Jean Claude Ditierre et d'Armand Vande, and, i must add it was itself an event, because for the first time, the television did present directly an event in a continue way, same as till now the radio channels.

Anyway, to come back to this very surprizing adventure of yesterday, Hervé Chabalier has remade the film of what occured yesterday afternoon. It was at the time 17h05, moment where Chabalier will begin his story, and it had been 6 hours while the Boeing 720 had been immobilized in Orly airport. Since 11h50, the young air terrorist threatened the cockpit pilot with his weapon, a gun. He is eager to 20 metric ton of medicine, for the bengali population, or else he "is to be blast the whole plane". 17h15 the french authorities accept the conditions of Janquet, the first medicines have already landed in Orly airport, the terrorist accept than 8 passengers, a child among them, leave the plane.

These passengers, that you can see now, will be directly transported to Paris : the journalists won't be able to reach them. On the runway, the loading of medicine begins. Anti ear infection, powder milk essentialy. 19 hour a second truck full of medicine park near the plane. But this time, the warehousmen are disguised cops. This man who dirigate the conductor of the truck, on the right of your screen, will arrest in a few time the air pirat. Ideed the disguised policemen transport into the cockpit boxes of penicillin and take advantage of a moment of unawareness of the air pilot in order to belt him and master him.

The last passengers leave the plane, go down the gangway steps hurriedly, Janquet is carried in ambulance till Orly's police office, where he is given a first questioning. The crew go back to the air terminal, few minutes later there are the very first testimonies of passengers and policemen in front of the information cameras (Mr Peyresaube):"The young man, who looked about 24 years old, has given to the hostess, stewards and us the right to take some dinner" (Journalist):" And what was his behaviour toward you, has he diriged his gun toward you?" "Absolutely not, he was excessively full of amability, very nice" (Journalist)"Did he spoke to you?" (Mr Peyresaubes)"Oh yes he did, yes yes" (Journalist):"What did he said to you? (Mr Peyresaubes): "He said to us it was to give medicine, that we shouldnt be worried, and he has placed in the back of the plane a little girl with her mother, and then we when met the people who were carrying medicine, he has allowed to leave the old men,

" (Antoine Siblo, police officer): "We have taken advantage of an inattention moment of the boy, and because I was the closest from him, we reached him in hurry, he was surprized naturally (Jounalist)"I already know" (Antoine Siblo)"And in a reflex he pointed out his gun, myself to avoid the shoot i left in a hurry, and the bullet reached the pullover and the blazer made in setton" (Jounalist):"You were dressed up like bagagists, does the crew thought once that you all were policemen?" (Antoine Siblo):"No, I don't think so, at no time" (Journalist):"What concerns the medicins, they were instantanely carried out of the plane, and transported to Paris, but in fact it is only a transit." (Marquis (aristocrat title)of Agosti from the Malta order) " These medicine were all on the order of Malta, they are all here, and we will..."

(Journalist)"What will you do of these, now" (D'Agoste)" We will, well we will carried them out to the order of Malta order, and make them land to Pakistan too, because they were themselves supposed to reach Pakistan ! ".

READ MORE
Reply With Quote
  #80  
Old November 30, 2011, 08:32 PM
idrinkh2O's Avatar
idrinkh2O idrinkh2O is offline
Test Cricketer
 
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869

interesting story...

নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ
উবাস্তে ইয়ামা

হুমায়ূন আহমেদ | তারিখ: ০১-১২-২০১১

‘উবাস্তে’র অর্থ ময়লা, ইংরেজিতে গারবেজ। ‘ইয়ামা’ শব্দের অর্থ পর্বত। জাপানি এই শব্দ দুটির অর্থ—যে পর্বতে ময়লা ফেলা হয়।

প্রাচীন জাপানের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর বৃদ্ধ পিতা-মাতাকে লালন-পালন করার সামর্থ্য ছিল না। একটা পর্যায়ে তারা পিঠে করে বাবা-মাকে নিয়ে পর্বতের খাদে ফেলে দিয়ে আসত। সবার কাছে এটাই ছিল স্বাভাবিক। পিঠে চড়া বৃদ্ধ পিতা-মাতার হাতে গাছের একটি ছোট্ট ডাল থাকত। এই ডাল দিয়ে তারা পুত্রের গায়ে আস্তে আস্তে বাড়ি দিত। এই কাজটা তারা কেন করত, তা পরিষ্কার নয়। বলা হয়ে থাকে, এই কাজটি তারা করত, যেন পুত্র ফিরে যাওয়ার পথ ভুলে না যায়।

আজকের জাপান অর্থনৈতিকভাবে বিশ্বের তৃতীয় শক্তি। জাপানি ইয়েনের পাশে আমেরিকান ডলার দাঁড়াতেই পারছে না। কিন্তু উবাস্তে ইয়ামা এখনো জাপানে আছে। তবে এখন আর পাহাড়-পর্বতে জাপানিরা বৃদ্ধ পিতা-মাতাকে রেখে আসছে না। তারা ফেলে দিয়ে আসছে আধুনিক ওল্ড হোমে।
এই বৃদ্ধনিবাসের একটি গল্প নাসিরের কাছে শুনলাম। [ড. নাসির উদ্দিন জমাদার, পূর্ণ প্রফেসর, রিক্কিও বিশ্ববিদ্যালয়, জাপান।] বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছুটি নিয়ে নাসির আমাকে দেখতে আমেরিকায় এসেছে। এখন আমার সঙ্গে বাস করছে। প্রতিদিন জাপানি রান্না রাঁধছে। অতি পুষ্টিকর এবং অতি অখাদ্য এসব খাবার খেতে আমাকে বাধ্য করছে।

যা-ই হোক, বৃদ্ধনিবাসের গল্পটা বলি। নাসির প্রথম যৌবনে ভলান্টিয়ার হিসেবে জাপানিদের বৃদ্ধনিবাসে কাজ করত। অথর্ব এসব মানুষকে গোসল করানো, খাওয়ানো ছিল তার কাজ। একদিন নাসিরের উপস্থিতিতে এক বৃদ্ধা তাঁর তিন পুত্রকে খবর পাঠালেন। তাদের বললেন, বাবারা! আমার খুব শখ বৃদ্ধাশ্রমে মৃত্যু না হয়, তোমাদের কারও বাসায় আমার মৃত্যু হয়। আমার কাছে নগদ পাঁচ কোটি টাকা আছে (বাংলাদেশি হিসাবে বলা হলো)। তোমাদের মধ্যে যে আমাকে জীবনের শেষ কটি দিন রাখবে, তাকে আমি এই পাঁচ কোটি টাকা দিয়ে যাব।

তিন পুত্রই কিছুক্ষণ মাথা চুলকে বলল, মা, সম্ভব হবে না। বাসা ছোট। এখন তোমার অনেক সেবা দরকার। সেটা পারব না।
বৃদ্ধ দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বললেন, ঠিক আছে।

আমরা অনেক ভালো আছি না? বাংলাদেশের হতদরিদ্র রিকশাওয়ালা তার রিকশার পেছনে লিখে রাখে ‘মায়ের দোয়া’। বৃদ্ধ পিতা-মাতার সেবা করা শুধু যে আমাদের সংস্কৃতির অংশ, তা নয়, এটা বাধ্যতামূলক।

যৌথ পরিবার বাংলাদেশে এখন আর নেই। যৌথ পরিবার ভেঙে পড়েছে। বৃদ্ধ পিতা-মাতাদের এখন বিভিন্ন ছেলেমেয়ের বাসায় রুটিন করে থাকতে হয়। যে পুত্র বা কন্যার কাছে বৃদ্ধ পিতা বা মাতা থাকতে যান, সেই পুত্র বা কন্যা আকাশের চাঁদ হাতে পায় বলে আমার ধারণা।

ধর্মও পিতা-মাতার প্রতি আমাদের কর্তব্য বিষয়ে অনুশাসন দিয়ে গেছে। অনেক উদাহরণের মধ্যে একটি দিচ্ছি, ‘শো গ্র্যাটিচ্যুড টু মি অ্যান্ড টু ইয়োর প্যারেন্টস।’ (সূরা ৩১, আয়াত-১৪) আল্লাহপাক তাঁর নিজের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পরপরই বলেছেন পিতা-মাতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের কথা।
সূরা ১৭, আয়াত ২৩-এ বলা হয়েছে, ‘ইয়োর লর্ড ডিক্রিড দ্যাট ইউ ওয়রশিপ নান বাট হিম, অ্যান্ড দ্যাট ইউ বি কাইন্ড টু প্যারেন্টস।’


আমি কল্পনায় দেখার চেষ্টা করলাম, আমার বয়স ৭০ হয়েছে। আমি অথর্ব, সংসারে অপ্রয়োজনীয়। আমার বড় পুত্র নুহাশ হুমায়ূন আমাকে পিঠে করে নিয়ে যাচ্ছে উবাস্তে বেঙ্গালওয়ানে [যেহেতু বাংলাদেশে পর্বত নেই, ফেলে দিতে হবে সমুদ্রে। বঙ্গোপসাগরের জাপানি নাম বেঙ্গালওয়ান।] আমার হাতে ছোট্ট লাঠি। আমি লাঠি দিয়ে পুত্রের গায়ে মাঝেমধ্যে বাড়ি দিচ্ছি। কী ভয়ংকর! কী ভয়ংকর!!

জাপানের রিক্কিও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম হয়েছে। এর মূল প্রবক্তা হলেন রিক্কিও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক কাসাহারা কিওশি। এই কাজে অধ্যাপক কাসাহারাকে কয়েকবার ঢাকায় আসতে হয়েছে।

প্রতিবারই তাঁর সঙ্গী ছিলেন রিক্কিও বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক অধ্যাপক ড. নাসির উদ্দিন জমাদার। এই মানুষটির ধারণা, হুমায়ূন আহমেদ এমন একজন, যাকে অধ্যাপক কাসাহারা কিওশি খুবই পছন্দ করবেন। মূলত নাসিরের আগ্রহে আমি অধ্যাপক কাসাহারাকে ঢাকা ক্লাবে ডিনারে দাওয়াত করলাম। ডিনারের একটি পর্যায়ে কাসাহারা ওয়াইনের গ্লাস হাতে নিয়ে ঘোষণা করলেন, হুমায়ূন আহমেদ তাঁর বন্ধু।

এরপর তাঁর সঙ্গে আরও দুবার আমার দেখা হলো। প্রতিবারই আমার রসিকতায় তাঁকে হো হো করে হাসতে দেখলাম। একবার তিনি গলা নিচু করে বললেন, বন্ধু, আমি খুব খারাপ অবস্থায় আছি। আমার মানিব্যাগের ওপর আমার কোনো কন্ট্রোল নেই। মানিব্যাগ জমা রাখতে হয় আমার স্ত্রীর কাছে। আমাকে আমার হাতখরচের টাকাও তার কাছ থেকে চেয়ে নিতে হয়। তোমার কী অবস্থা আমাকে বলো।

যা-ই হোক, বন্ধু কাসাহারা ড. নাসির জমাদারের হাতে একটি খাম আমাকে পাঠিয়েছেন। নাসির খুবই লজ্জিত ভঙ্গিতে খামটা আমার হাতে দিয়ে বলল, আপনার বন্ধু কাসাহারা এই খামটি আপনাকে দিতে বলেছেন। আমি আপনার স্বভাব জানি। আমি ভয় পাচ্ছি, আপনি খামটি নেবেন না। তাহলে আপনার বন্ধু মনে কষ্ট পাবেন। জাপানের নিয়ম হচ্ছে, বন্ধুর আনন্দে ও দুঃসময়ে তার পাশে দাঁড়ানো।
আমি খাম খুলে দেখি, সেখানে সাত হাজার আমেরিকান ডলার। বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ছয় লাখ টাকা। অধ্যাপক কাসাহারা (যাঁর মানিব্যাগের ওপর কন্ট্রোল নেই) তাঁর বন্ধুর চিকি ৎ সার জন্য পাঠিয়েছেন।
উবাস্তে ইয়ামার দেশের একজন মানুষের এই আচরণ হিসাবে মেলে না।

‘পৃথিবীর এই ক্লান্ত এ অশান্ত কিনারার দেশে
এখানে আশ্চর্য সব মানুষ রয়েছে।’

—জীবনানন্দ দাশ
__________________
-- Alwayz with !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!
Reply With Quote
  #81  
Old December 1, 2011, 09:55 AM
mufi_02's Avatar
mufi_02 mufi_02 is offline
Cricket Legend
 
Join Date: August 2, 2011
Location: NY
Favorite Player: Lara, Shakib
Posts: 4,117

Humayun Ahmed is quoting Quran and Hadith quite often nowadays. Bepar ta ki?
Reply With Quote
  #82  
Old December 4, 2011, 04:12 PM
idrinkh2O's Avatar
idrinkh2O idrinkh2O is offline
Test Cricketer
 
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869

রোগী দেখে তারপর খেলা
ক্রীড়া প্রতিবেদক | তারিখ: ০৪-১২-২০১১

পেশায় দন্তচিকিৎসক। পেশার খাতিরেই খেলা ছেড়ে দিয়েছিলেন। তবে সাত বছর পর ফিরে দুবার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেলেন। এক মৌসুম পর কাল জাতীয় টিটির এককে শিরোপা পুনরুদ্ধার করে মানস চৌধুরী বললেন প্রাসঙ্গিক অনেক বিষয় নিয়ে

 এক মৌসুম পর আবার জাতীয় টিটির শিরোপা পেলেন। নিশ্চয়ই খুব খুশি?
মানস চৌধুরী: ভীষণ খুশি। মজার ব্যাপার, ২০০৭ সালে টিটিতে ফিরেই ২০০৯ সালে মাহবুবকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম। গতবার মাহবুবের কাছে হেরে রানার্সআপ, এবার আবার সেই মাহবুবকে হারিয়েই চ্যাম্পিয়ন। পাশাপাশি বাগেরহাটের হয়ে আমরা দলগত চ্যাম্পিয়নও।

 মাঝখানে খেলা ছেড়ে দিয়েছিলেন কেন?
মানস: আমি পেশায় ডেন্টিস্ট সার্জন। প্রতিদিনই রোগী দেখি। তাই পেশার কারণে টিটিতে সময় দিতে পারছিলাম না। সেজন্য ২০০১-০৭ পর্যন্ত খেলিনি। পরে দেখলাম, ওজন বেড়ে যাচ্ছে। ফিটনেস নেই। তাই আবার শুরু করলাম।

 ফিরে এসে দেখালেন, খেলা ছাড়াটা ঠিক হয়নি। আপনি এই ৩৬-এ পা রেখেও দাপটে খেলছেন...
মানস: একটা আত্মবিশ্বাস সব সময়ই ছিল, মনোযোগ দিয়ে খেললে ভালো করব। এখন পুরোপুরি মনঃসংযোগ করছি। এটাই আসলে মূল রহস্য। ২০০৭ সালে ফিরে এসেই জাতীয় দলে ঢুকেছি। এখন নিয়মিতই খেলছি জাতীয় দলে।

 অনুশীলন করেন কোথায়?
মানস: চট্টগ্রামের রহমতগঞ্জে আমার বাড়ি। আমার বাবা প্রয়াত সংগীতশিল্পী প্রবাল চৌধুরীর কথা তো নতুন করে বলার নেই। বাবার নামে একটা রাস্তার নামকরণও করা হয়েছে। চট্টগ্রামেই থাকি, চেম্বারে রোগী দেখা শেষ করে চট্টগ্রাম স্টেডিয়ামের জিমনেসিয়ামে রাতে অনুশীলন করি। আসিফ-রিগানরাও আমার সঙ্গে অনুশীলন করে।

 চট্টগ্রামের টিটির অবস্থা এখন কেমন?
মানস: আস্তে আস্তে ভালো হচ্ছে। আমি জুনিয়দের অনুশীলন করিয়েছি, তাদের অনেকে এখন বিমানে খেলে। তা ছাড়া এবারের প্রতিযোগিতায় সেরা আটে ঢুকেছে জুনিয়রদের কেউ কেউ। এদের মধ্যে হাসিব-হিমেলদের কথা বলব। জুনিয়রদের উঠে আসা টিটির জন্য ভালো খবর।

 টিটিতে কীভাবে এলেন?
মানস: আমার কাকারা খেলতেন। বাসার পাশে ক্লাবে যাওয়া-আসা করতাম ছোটবেলায়। ক্লাবে টিটির একটা টেবিলও ছিল। সেখানে খেলতে খেলতেই চলে আসা। খেলা শুরু করি ১৯৮৮ সালে। ’৯১-তে জুনিয়রে চ্যাম্পিয়ন হই।

 এবারের জাতীয় টিটি কেমন হলো?
মানস: ভালোই। তবে খেলাটার বিকেন্দ্রীকরণের জন্য এটিকে বাইরেই নিয়ে যেতে হবে। এটা খুব দরকার। ঢাকার বাইরে যেখানেই হোক, লোকে আগ্রহ নিয়ে হয়তো জানতে চাইবে খেলাটা নিয়ে। ঢাকায় উডেনফ্লোর জিমনেসিয়ামটা এমন জায়গায়, এদিকটায় কেউ আসে না। অনেকে জানেও না। খেলা না থাকলে আজেবাজে লোকজনের আড্ডা বসে।

 তার ওপর প্রচার-প্রচারণাও তো সেভাবে নেই...
মানস: এটা তো আজকের সমস্যা নয়। তবে একটা ব্যাপার, খেলাটা মনে হয় আরও আকর্ষণীয় করা যেত। আঞ্চলিক পর্ব খেলে দলগুলোকে চলে যেতে হয়েছে। চূড়ান্ত খেলাগুলো জেলার খেলোয়াড়েরা ভেন্যুতে বসে দেখতে পারলে ওরা অনেক উদ্বুদ্ধ হতো।

 এমনিতে দেশের টিটির সামগ্রিক অবস্থা এখন কেমন?
মানস: ভালোর দিকে যাচ্ছে। গত বছর এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে দলগত সেরা ১৬-তে ছিলাম আমরা। এটা কিন্তু কম নয়। তবে আরও ভালো কিছু করতে অনেক দূর যেতে হবে। পৃষ্ঠপোষক দরকার। নতুন খেলোয়াড়দের উদ্বুদ্ধ করার বিকল্প নেই।
__________________
-- Alwayz with !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!
Reply With Quote
  #83  
Old December 4, 2011, 04:44 PM
simon's Avatar
simon simon is offline
Cricket Sage
 
Join Date: February 20, 2008
Favorite Player: Tam,Sak,Nasa,Mash
Posts: 19,208
Default :')

__________________
Tea20 is just not our cup of tea.
Reply With Quote
  #84  
Old December 5, 2011, 05:23 AM
zinatf's Avatar
zinatf zinatf is offline
Cricket Legend
 
Join Date: August 1, 2011
Location: Melbourne, Australia
Favorite Player: Shakib,Sangakkara,Lee
Posts: 4,653

End of an animal's life!

http://www.banglanews24.com/detailsn...source=message
__________________
jitsi jitsi jitsi
Reply With Quote
  #85  
Old December 5, 2011, 06:06 AM
Naimul_Hd's Avatar
Naimul_Hd Naimul_Hd is offline
Cricket Guru
 
Join Date: October 18, 2008
Location: Global City of Australia
Favorite Player: Shakib, Mashrafe
Posts: 13,277

Quote:
Originally Posted by zinatf
End of an animal's life!

http://www.banglanews24.com/detailsn...source=message
Quote:
Originally Posted by zinatf
End of an animal's life....

http://www.banglanews24.com/detailsn...source=message
ek animal ke koybar marba ? ekbar to marchoi....6mins por abar mara ki dorkar ?
__________________
Char Chokha hoi hoi....chulkani' r por balls gelo koi ?
Reply With Quote
  #86  
Old December 5, 2011, 06:38 AM
nakedzero's Avatar
nakedzero nakedzero is offline
Cricket Legend
 
Join Date: February 3, 2011
Favorite Player: ShakTikMashNasir(ShakV2)
Posts: 2,024

Reply With Quote
  #87  
Old December 5, 2011, 09:40 AM
mufi_02's Avatar
mufi_02 mufi_02 is offline
Cricket Legend
 
Join Date: August 2, 2011
Location: NY
Favorite Player: Lara, Shakib
Posts: 4,117

Amazing but sad picture. Inspiring as well. A picture is truly worth a thousand words!
Reply With Quote
  #88  
Old December 5, 2011, 11:08 AM
ahnaf's Avatar
ahnaf ahnaf is offline
Cricket Legend
 
Join Date: May 31, 2010
Location: Dhaka,BD
Favorite Player: Tamim,Ash,Mash,Shakib
Posts: 3,009

Quote:
Originally Posted by nakedzero
thanks a lot for sharing this..

Posted via BC Mobile Edition (Opera Mobile)
Reply With Quote
  #89  
Old December 5, 2011, 11:10 AM
ahnaf's Avatar
ahnaf ahnaf is offline
Cricket Legend
 
Join Date: May 31, 2010
Location: Dhaka,BD
Favorite Player: Tamim,Ash,Mash,Shakib
Posts: 3,009

Quote:
Originally Posted by mufi_02
Humayun Ahmed is quoting Quran and Hadith quite often nowadays. Bepar ta ki?
lol..bhaiya.. Or onek novel eo amn qoute korche age..

Posted via BC Mobile Edition (Opera Mobile)
Reply With Quote
  #90  
Old December 5, 2011, 11:17 AM
mufi_02's Avatar
mufi_02 mufi_02 is offline
Cricket Legend
 
Join Date: August 2, 2011
Location: NY
Favorite Player: Lara, Shakib
Posts: 4,117

Yes I noticed that too. His dada was a big time Maulana.
Reply With Quote
  #91  
Old December 9, 2011, 04:29 PM
idrinkh2O's Avatar
idrinkh2O idrinkh2O is offline
Test Cricketer
 
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869
Thumbs up Love it!

‘আমিও দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি’
ক্রীড়া প্রতিবেদক | তারিখ: ১০-১২-২০১১


ফাহিম মুনতাসির (সুমিত)

২০০২ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষেই টেস্ট অভিষেক হয়েছিল তাঁর। বয়স মাত্র ৩১, এখনো খেলে যাওয়ার কথা। অথচ এখন তিনি পাকিস্তান দলের লিয়াজোঁ। ৩টি করে টেস্ট আর ওয়ানডেতেই থেমে গেছে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার। তবে সাবেক অফ স্পিনার ফাহিম মুনতাসির (সুমিত) জানালেন, এখনকার কাজটাও দারুণ উপভোগ করছেন তিনি

 অভিষেকের স্মৃতি মনে পড়ে?
ফাহিম মুনতাসির: টেস্ট হোক, ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টি, অভিষেক তো কেউ ভুলতে পারে না। তবে টেস্ট অভিষেকটাই বেশি স্পেশাল। কোনো উইকেট পাইনি, তবে টাইট বোলিং করেছিলাম। শেষ দিকে রশিদ লতিফের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে (৪০ বলে ৪২ নিয়েছিলেন লতিফ) ইকোনমি রেট একটু খারাপ হয়ে গিয়েছিল। পরের টেস্টেই এই চট্টগ্রামে (এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে) ৩ উইকেট পেয়েছিলাম। ইনজামাম-উল হক ছিল আমার প্রথম টেস্ট উইকেট, বুলবুল ভাই ক্যাচ নিয়েছিলেন।

 ক্যারিয়ারটা আরেকটু লম্বা না হওয়ার আক্ষেপ পোড়ায় না?
মুনতাসির: আমার মনে হয়, ৩টি টেস্ট একজন স্পিনারের জন্য মোটেই যথেষ্ট নয়। ওই সময়টায় পরিণত ছিলাম না। কিন্তু পরে আমি অনেক উন্নতি করেছিলাম। প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট ছাড়ার আগের দুুই বছর সম্ভবত আমি জীবনের সেরা খেলা খেলেছি। ব্যাটিংয়েও অনেক উন্নতি করেছিলাম, একটা সেঞ্চুরিও করেছিলাম প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে। কিন্তু আর দলে ফেরা হলো না। ওই সময়টায় নিজেকে আমার বঞ্চিত মনে হয়েছে। এখনো মনে হলে খুব কষ্ট লাগে।

 যে দলের লিয়াজোঁ আপনি, তারা কি জানে আপনিও টেস্ট ক্রিকেটার ছিলেন?
মুনতাসির: ওরা জানে, আমি টেস্ট-ওয়ানডে খেলেছি। ইউনুস খানের বিপক্ষে তো খেলেছিই। বিশ্বকাপেও পাকিস্তান দলের লিয়াজোঁ ছিলাম, তখন ওকে বলেছিলাম যে আমি তোমাকে আউট করেছিলাম চট্টগ্রাম টেস্টে। ও তখন বলল, ‘হ্যাঁ, হ্যাঁ, মনে পড়ছে, মিড উইকেটে ক্যাচ দিয়েছিলাম।’ ক্যাচটা নিয়েছিল অপি।

 আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট দলের লিয়াজোঁ, কেমন লাগে?
মুনতাসির: আমি ক্রিকেটার জীবনের সঙ্গে এখনকার জীবনের তুলনা করি না। দুটি আলাদা কাজ। হ্যাঁ, মাঝেমধ্যে মাঠে নেমে যেতে খুব ইচ্ছে করে।
পুরোনো আক্ষেপগুলোও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। তবে ওই ভাবনাগুলোকে মাথায় ঢুকতে দিতে চাই না। ওসব যদি বেশি ভাবি, তাহলে এখনকার কাজে মন দিতে পারব না। এই কাজ উপভোগ করছি। অনেকে লিয়াজোঁর কাজকে ছোট করে দেখতে চায়। এই কাজটা কিন্তু আসলে লোকাল ম্যানেজারের মতো। ক্রিকেটারদের মতো আমিও দেশকে প্রতিনিধিত্ব করছি। ভালো কাজ করে আমিও দেশের ভাবমূর্তি ভালো করতে চাই।

 লিয়াজোঁ হওয়ার ভাবনা এসেছিল কীভাবে?
মুনতাসির: ক্রিকেট আসলে রক্তের সঙ্গে মিশে গেছে। ক্রিকেট ছাড়া থাকতে পারব না। খেলা ছাড়ার পর কোচিং কোর্স করলাম, লেভেল-২ করেছি। এই সময়ই হঠাৎ লিয়াজোঁর কাজ করার প্রস্তাব পেলাম। ভাবলাম, করে দেখি। এভাবেই শুরু। এখন খুবই উপভোগ করছি। বাংলাদেশে আসা প্রায় সব দলেরই লিয়াজোঁ ছিলাম আমি। সব দলের ড্রেসিংরুম, তাদের সংস্কৃতি এসবের সঙ্গে পরিচিত হওয়াটাও তো কম নয়। তা ছাড়া কোচিং পদ্ধতি নিয়ে অনেক বড় বড় কোচের সঙ্গে কথা হয়েছে, এটাও তো বড় পাওয়া।

 লিয়াজোঁ জীবনে অনেক স্মরণীয় ঘটনাই নিশ্চয়ই আছে?
মুনতাসির: সাম্প্রতিকতম একটা ঘটনাই বলি, কদিন আগে রিচি রিচার্ডসন এসেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের ম্যানেজার হয়ে। যাওয়ার আগের দিন ও বলল, ‘সুমিত, আমি ১৮ বছর বয়স থেকেই ক্রিকেট সফর করি, জাতীয় দলের সঙ্গে ২১ বছর বয়স থেকে। কিন্তু তোমাদের কাছ থেকে যেমন আতিথেয়তা পেয়েছি, সত্যি বলছি, জীবনে কোথাও পাইনি।’ এমনকি ভারতে যাওয়ার পরও রিচি আমাকে ফোন করেছে, টিম বয়দের খোঁজখবর পর্যন্ত নিয়েছে। আমার কারণে একজন লোকের বাংলাদেশ সম্পর্কে এত ভালো ধারণা হয়েছে, ভাবতেই খুব ভালো লাগে।


 ভবিষ্যৎ ভাবনা কী? কোচিয়ে আসার ইচ্ছা আছে?
মুনতাসির: দূর ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবছি না। ভালো আছি, সুখে আছি। একদিন হয়তো কোচিংয়ে আসতেও পারি। আপাতত এভাবেই থাকত চাই। আর আমার নিজের শহর ময়মনসিংহের ক্রিকেট-ঐতিহ্য ফেরাতে কাজ করতে চাই। কিছুটা শুরুও করেছি, দেখা যাক...।
__________________
-- Alwayz with !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!
Reply With Quote
  #92  
Old December 10, 2011, 12:04 PM
idrinkh2O's Avatar
idrinkh2O idrinkh2O is offline
Test Cricketer
 
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869

একটি উদ্ভাবন!
শাহরিয়ার হোসেন, প্রকৌশলী, এএমআইই (বুয়েট)



বর্তমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সমস্যা মোকাবেলা সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের একটি। সারাদেশে বিদ্যুৎ সমস্যা মোকাবেলা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশের অধিকাংশ মানুষ এখন চরম লোডশেডিংয়ের ভুক্তভোগী। বিশেষ করে ঢাকায় অবস্থিত নতুন আবাসিক এলাকাগুলোতে লোডশেডিংয়ের পরিমান একটু বেশিই।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দিয়ে দেশের চাহিদা পূরণ করা হবে। আর এ জন্য তিনি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

দেশের বিদ্যুৎ সমস্যার কথা চিন্তা করে আর প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানের প্রতি শদ্ধা রেখে আমি ব্যক্তিগতভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়ে গবেষণা শুরু করি। বায়ুগতিবিদ্যা, ইলেকট্রিক্যাল, ম্যাকানিক্যাল এবং ইলেকট্রনিক্স বিয়য়ে অনেক গবেষণার পর আমি দেশিয় পদ্ধতিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছি। যেটি এখন আমি পরীক্ষামূলক ভাবে ব্যবহার করছি।

আমি ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে ব্যবহৃত বিভিন্ন বিদ্যুৎ শক্তি, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিকল্প ব্যবস্থা সম্পর্কে অনেক তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করেছি। যেখানে থেকে আমি জানতে পারলাম উন্নত দেশে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতিগুলো খুবই ব্যয়বহুল এবং সেগুলো ব্যবহার করে ঢাকা শহরে পর্যাপ্ত বিদুৎ সরবরাহ করা যাবে না। ঢাকার অধিকাংশ ভবন-ই জনাকীর্ণ এবং তলা অনুযায়ী ছোট ছাদ বিশিষ্ট। সাধারণত জায়গা সংকটের কথা মাথায় রেখে ভবনগুলো নকশা করা হয়।

যদি আমরা কোনও বাণিজ্যিক ভবনের ছাদের পুরো অংশটা সোলার প্যানেল বা সোলার বোর্ড বসাই তাহলেতা দিয়ে প্রত্যোকটি ফ্লাটে একটি লাইট এবং একটি ফ্যান চালানো সম্ভব হবে। যেটা বহুতল বিশিষ্ট ভবনের জন্য উপযোগী নাও যেতেপারে। এ পদ্ধতি সূর্যের তাপের প্রখরতার ওপর এবং মেঘলা অবস্থার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু আমার বায়ু চালিত পাওয়ারজেনারেটর দিয়ে একটি বহুতল ভবনের বিদ্যুৎ সমস্যা মেটানো সম্ভব। যদি জেনারেটরটি ভবনের বাইরে কোনও উপযুক্ত জায়গায় ব্যবহার করা যায়।

বর্তমান বিদ্যুৎ সমস্যার কথা মাথাই রেখেই আমি বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে বিকল্প বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্যএ বিষয়ে গবেষণা শুরু করি।

আমার গবেষণা অনুযায়ী, ঢাকা শহরে যে বায়ু বিদ্যুৎ যন্ত্রগুলো ব্যবহার করা হয় সেগুলোর অধিকাংশই পর্যাপ্ত বাতাস পায় না এবং প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যর্ হয়। শহরের এই বিষয়টিই বায়ু বিদ্যুৎ সরবরাহের সবচেয়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

সৌভাগ্যক্রমে আমি আমার গবেষণায় শহরের এই অল্প বায়ু ব্যবহার করেই বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানের উপায় বের করতে সক্ষম হয়েছি। যেটি আমার গবেষণায় কাজ করছে।

এখন আমার বাসার বারান্দা থেকে কয়েক ফুট দূরে একটি মেশিন বসিয়েছি। যেটির অল্প বাতাসে চলতে সক্ষম এবং আমি ২৪ ঘণ্টাই নূন্যতম ঘণ্টা ১ কি.মি গতিতে বাতাস পাচ্ছি।

এ যন্ত্রটি ব্যবহার করে আমি আমার রুমে আলো জ্বালানোর জন্য পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ পাচ্ছি। যা দিয়ে আমি একটি ফ্যানও চালাচ্ছি।

হিসাব করে দেখা গেছে, যদি একটি ছোট বায়ু বিদ্যুৎ মেশিন ভবনের ছাদে স্থাপন করা যায় যেখানে দিনের ১৮ ঘণ্টাই ১ কি. মি. বেগে বাতাস পাওয়া যাবে তবে তা দিয়ে দুই হাজার ভোল্ট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব।

যেহেতু পরীক্ষামূলকভাবে আমি আমার বারান্দায় এ যন্ত্রটি স্থাপন করেছি সেহেতু আমি সর্বক্ষণপর্যবেক্ ণ করতে পারছিযা আমার গবেষণার জন্য খুবই দরকার।

আমি একটি বিশেষ ফ্যান উদ্ভাবন করেছি যেটি আমার কক্ষের পাওয়ার সার্কিটের ডিসি বা এসি ব্যাটারির দিয়ে চালানো সম্ভব।

আমার উদ্ভাবিত এ বিশেষ ধরনের ফ্যানের কিছু সুবিধা রয়েছে। তা হলো-

১. এই ফ্যানটি চালাতে মাত্র ১৮-২৪ ওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হয় এবং সাধারণ ফ্যানের মতোই বাতাসহয়। বিখ্যাত ব্রান্ডের ফ্যান চালাতে কমপক্ষে ৮৬ ওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। এখানে আমার উল্লেখ করা প্রয়োজন হবে না যে, এটাই একমাত্র সস্তা ফ্যান।

২. আমার উদ্ভাবিত লাইট জ্বালাতে মাত্র ৭ ওয়াট বিদ্যুৎ খরচ হয় এবং কক্ষে সাধারণ লাইটের মতোই আলো সরবরাহ করে।

আমার এই প্রজেক্টরে সুবিধা হলো:

যদি আমি আমর এই প্রকল্প ব্যবহার করি তবে একটি লাইট ও একটি ফ্যান চলাতে খরচ হবে মাত্র ২৪+৭=৩১ ওয়াট বিদ্যুৎ। যেখানে সাধারণ বাজারের লাইট বা ফ্যান ব্যবহার কররে খরচ হবে ৮৬+৬০= ১৪৬ ওয়াট বিদ্যুৎ। সুতরাং আমার এখানে ১৪৬-৩১= ১১৫ ওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হচ্ছে। অন্যদিকে যদি আমি আমার উদ্ভাবিত জেনারেটর ব্যবহার করি তবে আমাকে কোনও বিদ্যুৎ বিল বহন করতে হবে না।

ছোট কক্ষের সঙ্গে স্থাপন করে যদি আমরা এ পদ্ধতি সারা দেশে ব্যবহার করি তবে আমরা কি কল্পনা করতে পারি যে কত বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে? আমাদের দেশের ৪০-৩০ শতাংশ মানুষ শুধুমাত্র লাইট এবং ফ্যান ব্যবহার করে।

এখন মধ্যবিত্ত মানুষের নাগালে এই প্রযুক্তি পৌঁছানো এবং রক্ষাণাবেক্ষণ খরচ কমানোর বিষয়টি মাথায় রেখে আমার সমস্ত প্রকল্পটির নকশা করছি।

সর্বশেষে এ বিষয়টি বিবেচনায় নিতে আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং আশা করছি যে এ প্রকল্পটি দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণ বয়ে আনবে। আমি আমার দেশের জন্য কিছু করতে চাই এবং আমার দেশের মানুষকে উৎসাহ দিতে চাই যাতে তারা নিজেদের প্রচেষ্টা, আরাধনা, বৈজ্ঞানিক জ্ঞান এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের সমস্যার সমাধান করতে পারে।

এই কাজটি করতে কয়েকজন দেশপ্রেমিকআমাকে উৎসাহ যুগিয়ে ও বিভিন্নভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে সাফল্যের পথে নিয়ে এসেছেন। তাদের প্রতি আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। তাদের নাম আমি কোনও এক সময় প্রকাশ করবো।
__________________
-- Alwayz with !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!

Last edited by RazabQ; December 14, 2011 at 12:49 PM.. Reason: added bangla tag
Reply With Quote
  #93  
Old December 10, 2011, 05:17 PM
idrinkh2O's Avatar
idrinkh2O idrinkh2O is offline
Test Cricketer
 
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869

We can learn a few things from this interview...
-------------------------------------------------------------------------------------------------------

মাঝে মাঝে নিজেরই হাসি পায়...
| তারিখ: ১১-১২-২০১১

যতক্ষণ উইকেটে ছিলেন, এমন হাসিমুখেই সময় কেটেছে হাফিজের

সবকিছুর দারুণ বিশ্লেষণ করতে পারেন, ক্রিকেট-জ্ঞান অগাধ। সতীর্থরা তাই তাঁকে ডাকেন ‘প্রফেসর’। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতেই ৭ বছর লেগে গেছে। গত বছর দলে ফেরার পর থেকেই অবশ্য ব্যাটে-বলে অসাধারণ পারফরম্যান্স, পাকিস্তানের সাম্প্রতিক সাফল্যে বড় অবদান তাঁর। কাল পেলেন টেস্ট ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ রান। কাল দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে কথা বললেন মোহাম্মদ হাফিজ, সেখানে ছিলেন আরিফুল ইসলাম

 দারুণ একটি ইনিংস শেষ হলো আম্পায়ারের বাজে সিদ্ধান্তে। নিশ্চয়ই হতাশ?
মোহাম্মদ হাফিজ: এটা দুর্ভাগ্যজনক, তবে আমি হতাশ নই। এটা খেলারই অংশ, এসব মেনে নিতেই হয়। আমার কোনো অভিযোগ নেই। যতটা ভালো খেলেছি, তার জন্যই স্রষ্টার কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই। কখনো কখনো কঠিন সিদ্ধান্ত পেতে হতেই পারে। সমস্যা নেই।


 ৪২ বছর পর টেস্টের প্রথম ওভার করলেন কোনো স্পিনার। নতুন বল হাতে নিয়ে কেমন ছিল অনুভূতি?
হাফিজ: কোচ-অধিনায়ক, টিম ম্যানেজমেন্ট আমার ওপর আস্থা রেখেছে, ভেবেছে, আমি পারব। গত এক বছরে নতুন বল হাতে অনেকবার বোলিং করছি। ওয়ানডেতে নিয়মিতই করছি, টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজে করেছি। আমি তাই আত্মবিশ্বাসীই ছিলাম।


 সতীর্থরা তো আপনাকে ‘প্রফেসর’ ডাকেন, কতটা উপভোগ করেন নিজের এই নাম?
হাফিজ: উমম...নামটা ভালোই। আমার কোনো সমস্যা নেই...(হাসি)। সবাই প্রফেসর বলে, এর কারণ হতে পারে আমি ফালতু কথা খুব বেশি একটা বলি না...! (হাসি)।

 গত বছর দলে ফেরার পর থেকে তিন ধরনের ক্রিকেটেই আপনার পারফরম্যান্স অসাধারণ। রহস্য কী? কী করেছেন বাইরে থাকা সময়টায়?
হাফিজ: বাদ পড়াটা ছিল খুব কঠিন। তবে ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়াটাই গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যে ভুলগুলো করেছি, চেষ্টা করেছি ঘরোয়া ক্রিকেটে সেসব না করতে। হতাশ না হয়ে পারফর্ম করার চেষ্টা করেছি। কঠোর পরিশ্রম করে গেছি। এ জন্য হয়তো এখন সবকিছুই আমার পক্ষে যাচ্ছে। দলের জয়ে অবদান রাখতে পারছি, এতেই আমি সবচেয়ে বেশি খুশি।


 ২০০৩ সালে অভিষেক, দ্বিতীয় টেস্টেই সেঞ্চুরি। কিন্তু ৮ বছরে মাত্র ২২ টেস্ট খেলতে পেরেছেন, আক্ষেপ নেই?
হাফিজ: আক্ষেপ খুব বেশি নেই। দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েই আমি খুশি, যত কম সুযোগই পাই না কেন। যা হয়েছে, হয়ে গেছে। এখন চেষ্টা করে যাব দলের জয়ে অবদান রেখে যেতে।


 সবাই আপনাকে ব্যাটিং অলরাউন্ডার হিসেবেই চিনত। অথচ এখন আপনি ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ের দুই নম্বর বোলার...
হাফিজ: সত্যি বলতে, ভাবলে মাঝে মাঝে আমার নিজেরই হাসি পায়...এটা কী করে হলো! আমি মূলত ব্যাটসম্যান, বোলিংটা আসে পরে। তবে ব্যাটসম্যান বলেই হয়তো বোলিংটাও ভালো হচ্ছে। কারণ নিজে ব্যাটসম্যান হওয়ায় অন্য ব্যাটসম্যানদের মনোজগৎটা আমি বুঝি, তাদের পড়তে পারি। বুঝতে পারি, তারা এখন কী করতে চাইছে। এ জন্যই ওয়ানডেতে আমার বোলিংটা বেশি কার্যকর। আমি চেষ্টা করি রান না দিতে। এটাই আমার বোলিংয়ের মূলমন্ত্র। যা-ই হোক, এই অর্জনে আমি নিজেকে সম্মানিত বোধ করছি। র‌্যাঙ্কিংয়ে দুইয়ে ওঠা প্রমাণ করে দলের জন্য আমি অবদান রাখতে পারছি। এটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি তৃপ্তি দেয়।


 প্রথম সেঞ্চুরি বাংলাদেশের বিপক্ষে, আজ পেলেন চতুর্থ সেঞ্চুরিটাও। বাংলাদেশ তো মনে হয় আপনার প্রিয় প্রতিপক্ষ!
হাফিজ: আসলে সবাই সব দলের বিপক্ষেই পারফর্ম করতে চায়। আমিও সব ম্যাচেই শতভাগ দিতে চাই। আমার প্রথম সেঞ্চুরিটা বাংলাদেশের বিপক্ষে, আজ আবার পেলাম। এমন নয় যে বাংলাদেশ আমার প্রিয় প্রতিপক্ষ। তবে এভাবে পারফর্ম করে গেলে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে আমার খারাপ লাগবে না।

 ২০০৩ সালে আপনার অভিষেক সিরিজে বাংলাদেশ দারুণ খেলেছিল, দুটো টেস্ট জিততেও পারত। অথচ এবার দাঁড়াতেই পারছে না। বাংলাদেশ কি তাহলে পেছনে হাঁটছে?
হাফিজ: দেখুন, গত ৮-৯ বছরে বাংলাদেশ কিন্তু বেশ কিছু দারুণ ম্যাচও খেলেছে। অসাধারণ কিছু পারফরম্যান্সও ছিল। টেস্টের চেয়ে অবশ্য ওয়ানডেতেই তারা বেশি ভালো খেলেছে। তবে যত খেলবে, ততই শিখবে। কঠোর পরিশ্রম করে গেলে উন্নতি হবেই। আমরা প্রতিপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশকে সব সময়ই সমীহ করেছি। ওরা ভালো দল।


 ২৮০ রানে এগিয়ে পাকিস্তান, কাল আর কতক্ষণ ব্যাট করবে দল?
হাফিজ: আমার ঠিক জানা নেই। টিম ম্যানেজমেন্ট বলতে পারবে। তবে আমরা এখন খুব ভালো অবস্থায় আছি, ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে। প্রথম দিনের চেয়ে কাল ব্যাটিং করা অনেক সহজ ছিল। সবাই ভালো ব্যাটিং করেছে, ইউনুস খান দারুণ খেলছে। ইনিংস ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেবেন কোচ-অধিনায়ক। দেখা যাক...।
__________________
-- Alwayz with !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!

Last edited by RazabQ; December 14, 2011 at 12:06 PM.. Reason: added bangla tag
Reply With Quote
  #94  
Old December 10, 2011, 05:32 PM
idrinkh2O's Avatar
idrinkh2O idrinkh2O is offline
Test Cricketer
 
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869

বিজয়ের ৪০ বছর: বিদেশি সহযোদ্ধা
সম্পর্ক জন্মের সময় থেকেই
শওকত হোসেন | তারিখ: ১১-১২-২০১১

জর্জ হ্যারিসনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক দেশটির জন্মের সময় থেকেই, যদিও সময়টা কারও জন্যই ভালো যাচ্ছিল না। দেশটিতে তখন মানবেতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম গণহত্যা ঘটে গেছে। লাখ লাখ মানুষ উদ্বাস্তু হয়ে আশ্রয় নিয়েছে সীমান্তের ওপারে, ভারতে। দেশের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে পাকিস্তানি সেনারা। সঙ্গে আছে রাজাকার বাহিনী। এ রকম এক সময় স্বীকৃতি আর সহায়তার আশায় বাংলাদেশ তখন তাকিয়ে আছে সারা বিশ্বের দিকে।

দুনিয়া খ্যাত বিটলসের অন্যতম সদস্য জর্জ হ্যারিসনকে বলা হতো ‘কোয়ায়েট বিটল’। ষাটের দশকে দুনিয়াজুড়ে যে অস্থিরতা ও বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়েছিল তরুণদের মধ্যে, তারই প্রতিনিধি ছিলেন বিটলসরা। পুরো একটি প্রজন্মকে সংগীত দিয়ে আচ্ছন্ন করে রেখেছিলেন তাঁরা। সেই বিটলস তখন ভেঙে গেছে। জর্জ হ্যারিসন একক ক্যারিয়ার করার কথা ভাবছেন। সে সময়ই জর্জ হ্যারিসন বাংলাদেশের সঙ্গে গড়লেন নতুন এক আত্মিক সম্পর্ক।

১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হলো ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে হওয়া এই কনসার্টের মাধ্যমে পৃথিবীর বহু মানুষ প্রথম জেনেছিল বাংলাদেশের নাম, যদিও বাংলাদেশ নিয়ে কিছু একটা করার মূল পরিকল্পনা ছিল পণ্ডিত রবিশঙ্করের। রবিশঙ্কর ও জর্জ হ্যারিসনের বন্ধুত্ব শুরু হয়েছিল ১৯৬৬ সালে। বাংলাদেশ নিয়ে কনসার্ট করার কথা প্রথম রবিশঙ্কর ভাবলেও কাজটি সম্ভব হয়েছিল জর্জ হ্যারিসনের জন্যই। তিনিই উদ্যোগী হয়ে শিল্পীদের জোগাড় করেছিলেন। আত্মাভিমান ভুলে তিনি বিটলসের সহশিল্পীদের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিলেন। সঙ্গে সঙ্গেই রাজি হয়েছিলেন ড্রামার রিঙ্গো স্টার। বিল প্রেস্টন ও লিওন রাসেলও রাজি হন। তবে জর্জ হ্যারিসন ছাড়াও কনসার্টের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিলেন বব ডিলান ও এরিক ক্ল্যাপটন। বিশেষ করে এরিক ক্ল্যাপটনের গিটারের ঝংকার আর বব ডিলানের বিখ্যাত সেই গান ‘ব্লোয়িং ইন দ্য উইন্ড’ মানুষ আজীবন মনে রাখবে। একই দিনে দুটি কনসার্ট হয়েছিল, একই নামে।

কনসার্টটি শুরু হয়েছিল রবিশঙ্কর ও আলী আকবর খানের যুগলবন্দী দিয়ে। তবলায় ছিলেন আল্লারাখা। রবিশঙ্কর ‘বাংলা ধুন’ নামের নতুন একটি সুর সৃষ্টি করেছিলেন। সেটি দিয়েই শুরু হয়েছিল কনসার্ট। আর শেষ পরিবেশনা ছিল জর্জ হ্যারিসনের অবিস্মরণীয় সেই গান ‘বাংলাদেশ’। এই গানটির মধ্য দিয়ে জর্জ হ্যারিসন বুঝিয়ে দিয়েছিলেন বাংলাদেশের সংকটের প্রকৃত চিত্র। গানটি কিন্তু শুরু হয়েছিল বন্ধু রবিশঙ্করের কথা দিয়েই। ‘মাই ফ্রেন্ড কেইম টু মি/ উইথ স্যাডনেস ইন হিজ আইজ/ টোল্ড মি দ্যাট হি ওয়ান্টেড হেল্প/ বিফোর হিজ কান্ট্রি ডাইজ’।

‘আই মি মাইন’ বিটলসের একটি গান, লিখেছিলেন জর্জ হ্যারিসন। এই নামে তাঁর একটি আত্মজীবনীও আছে। সেখানে দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ নিয়ে অনেক কিছুই লিখেছেন। রবিশঙ্কর ও জর্জ হ্যারিসনের প্রত্যাশা ছিল বাংলাদেশের উদ্বাস্তুদের জন্য কনসার্ট থেকে ২৫ হাজার ডলার তোলা যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এর চেয়ে অনেক বেশি টাকা উঠেছিল। টিকিট বিক্রি থেকে আয় হয়েছিল আড়াই লাখ ডলার। এর বাইরে কনসার্টের অ্যালবাম ও কনসার্ট নিয়ে তৈরি ফিল্ম বিক্রি করে আরও অর্থ আয় হয়। বাংলাদেশকে কখনোই ভুলে যাননি জর্জ হ্যারিসন। ১৯৮২ সালে এক মার্কিন টিভি অনুষ্ঠানে জর্জ হ্যারিসন বাংলাদেশের শিশুদের জন্য আবারও কয়েক লাখ ডলারের একটি চেক তুলে দিয়েছিলেন।
বাংলাদেশকে সব সময় মনে রাখলেও জর্জ হ্যারিসনকে সেভাবে মনে রাখেনি বাংলাদেশ। রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মান জানায়নি কখনোই। এমনকি বাংলাদেশে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, এমনটিও কখনো শোনা যায়নি। অথচ কঠিন এক দুঃসময়ে সারা বিশ্বে ‘বাংলাদেশ’ নামটি তুলে ধরেছিলেন এই জর্জ হ্যারিসন। রাষ্ট্র মনে না রাখুক, বাংলাদেশের মানুষের অন্তরে সব সময়ই থেকে যাবে জর্জ হ্যারিসনের নাম। ২০০১ সালের ৩০ নভেম্বর মাত্র ৫৮ বছর বয়সে তিনি মারা যান, ক্যানসারে ভুগে।

----------------------------------------

I own a copy of the Concert for Bangladesh. It's really amazing. Thank you, George Harrison and thank you, Ravi Shankar. We are grateful to you.
__________________
-- Alwayz with !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!
Reply With Quote
  #95  
Old December 10, 2011, 05:35 PM
idrinkh2O's Avatar
idrinkh2O idrinkh2O is offline
Test Cricketer
 
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869

মাঠের মুখ
চট্টগ্রাম থেকে প্রতিনিধি | তারিখ: ১১-১২-২০১১


মিসবাহ উদ্দিন

মাঠের খেলায় তখন ‘লাঞ্চ ব্রেক’, তবে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে শীতের সকালের আমেজ। সূয্যি মামার তেজ কেবল বাড়তে শুরু করেছে, শীতবস্ত্র খুলে ফেলছে অনেকে। অনেকেই আড়মোড়া ভাঙছে, অনেকেই বসে আছে আয়েশ করে। অলস ভঙ্গিতে বসে আছেন তিনিও, তবে গ্যালারির সিটে নয়, হুইলচেয়ারে।

২৭ বছর ধরে এই হুইলচেয়ারই মিসবাহ উদ্দিনের সবচেয়ে কাছের বন্ধু। তিন বছর বয়সে হাঁটার ক্ষমতা হারিয়েছেন পোলিওতে। সে সময়ের কথা মনে নেই। জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই তাই বলা যায় মিসবাহর জীবন বাঁধা এই হুইলচেয়ারে। তবে নিজেকে এই গণ্ডিতে বেঁধে ফেলেননি। হুইলচেয়ার নিয়েই স্কুল-কলেজ পাড়ি দিয়ে চট্টগ্রাম কলেজ থেকে মাস্টার্স করেছেন ইংরেজিতে। এখন চাকরি করছেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। টিউশনিও করেন। প্রথম ক্রিকেটের প্রেমে পড়া ১৯৯৯ বিশ্বকাপ টিভিতে দেখে। তারপর থেকে চট্টগ্রামে খেলা হলেই মাঠে আসার চেষ্টা করেন। ভিড় কম থাকে বলে ওয়ানডের চেয়ে টেস্টেই বেশি আসেন। প্রথম দিন মাঠে না এসে কাল আসার একটা অদ্ভুত ব্যাখ্যা দিলেন, ‘বাংলাদেশের ব্যাটিং দেখলে আমার হার্টবিট বেড়ে যায়, সব সময়ই মনে হয় এই বুঝি কেউ আউট হলো। আজ কোনো টেনশন নেই, পাকিস্তান সারা দিন ব্যাট করবে, নিশ্চিন্তে খেলা দেখা যাবে।’ তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় আক্ষেপও এই ক্রিকেটকে নিয়ে, ‘এমনিতে হাঁটতে পারি না বলে আমার কোনো কষ্ট নেই। তবে মাঠে এলেই শুধু মনে হয়, যদি ক্রিকেট খেলতে পারতাম!
__________________
-- Alwayz with !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!

Last edited by RazabQ; December 14, 2011 at 12:01 PM.. Reason: added bangla tag
Reply With Quote
  #96  
Old December 14, 2011, 03:17 AM
nakedzero's Avatar
nakedzero nakedzero is offline
Cricket Legend
 
Join Date: February 3, 2011
Favorite Player: ShakTikMashNasir(ShakV2)
Posts: 2,024
Default গাড়িচালক বাঁচিয়ে গেলেন ৫২টি প্রাণ

গাড়ি চালানো অবস্থায় হূদেরাগে আক্রান্ত হন চালক সুবল সাহা। সঙ্গে সঙ্গে ব্রেক চেপে ও চোখলিভার টেনে গাড়িটি মহাসড়কের মধ্যেই থামিয়ে দিয়ে ঢলে পড়েন ইঞ্জিন কভারের ওপর। তৎক্ষণাৎ স্থানীয় একটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এভাবেই মৃত্যুর আগমুহূর্তে ফরিদপুরের গাড়িচালক সুবল বাঁচিয়ে গেলেন ৫২টি তাজা প্রাণ। গত রোববার বিকেলে এ ঘটনাটি ঘটে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার বনমালিদিয়া এলাকার শাহ হাবীব মাদ্রাসার সামনে। ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার বাসিন্দা সুবল সাহা শহরের গোয়ালচামট মহল্লার লাহেড়ীপাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। স্ত্রী ছাড়াও তাঁর দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।
ফরিদপুরের বিভিন্ন পথে ৩০ বছর ধরে গাড়ি চালান সুবল সাহা (৫৫)। কখনো বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেনি তাঁর হাতে। গত রোববার মৃত্যুর আগমুহূর্তেও নিজের প্রত্যুৎপন্নমতির জোরে বাঁচিয়ে গেলেন বাসের ৫০ জন যাত্রী, সুপারভাইজার ও হেলপারসহ ৫২টি প্রাণ।
বাসের সুপারভাইজার আবদুল কুদ্দুস জানান, মাগুরা থেকে বেলা তিনটা ৩২ মিনিটে বাসটি চালিয়ে ফরিদপুরের উদ্দেশে রওনা হন সুবল সাহা। বিকেল সাড়ে চারটায় মধুখালীতে এসে ১০ মিনিট বিরতি দিয়ে তিনি আবার বাস চালানো শুরু করেন। আবদুল কুদ্দুস হঠাৎ দেখতে পান মহাসড়কের মাঝখানেই ব্রেক চেপে ও চোখলিভার টেনে গাড়িটি থামিয়ে দিয়েই চালকের আসন থেকে ইঞ্জিন কভারের ওপর ঢলে পড়েন সুবল।
ফরিদপুর মোটর ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সভাপতি জুবায়ের জাকির প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের দেশে চালকদের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ ও বদনাম আছে। সুবল সাহা যেন আমাদের এই বদনাম ঘোচাতে জীবনের শেষ সময়ও চেষ্টা করেছেন।’



SOURCE
Reply With Quote
  #97  
Old December 15, 2011, 01:53 PM
idrinkh2O's Avatar
idrinkh2O idrinkh2O is offline
Test Cricketer
 
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869
Thumbs up Let's do it!!!

Let us, the youth, make Sonar Bangla inshAllah!!! Freedom fighters did their part and now it's time to do our part! I pray to Almighty Allah to help us succeed in attaining His blessings to create our Sonar Bangla...Ameen!



------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় কাজ করতে হবে

প্রফেসর ড. এম আফজাল হোসেন
ভাইস-চ্যান্সেলর
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুর

৭১-এ আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। পেয়েছি নিজস্ব পতাকা, ভৌগোলিক সীমারেখা এবং নিজ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার অধিকার। তাই গণতান্ত্রিক, ন্যায় ভিত্তিক, অসাম্প্রদায়িক, সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমাদের ঐক্যবদ্ধ ও সুদৃঢ় বন্ধনে আবদ্ধ হতে হবে। ব্যক্তি স্বার্থ ও লোভ লালসা ত্যাগ করে সততা, ন্যায়-নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠায় হতে হবে আন্তরিক। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আমরা নিজ নিজ অবস্থানে থেকে নিরলসভাবে দেশের উন্নয়নে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

দেশে গণতান্ত্রিক সরকার রয়েছে। জাতীয় অগ্রগতি ও গণতন্ত্রের সুষ্ঠু বিকাশের জন্য আজ সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন মত ও পথের ভিন্নতা সত্ত্বেও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ।

-----------------------------------------------------------------------------------

শোষনহীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি -
http://www.banglanews24.com/1971/ima...1216004401.jpg
মো: সফিকুল ইসলাম
প্রধান শিক্ষক, সারদেশ্বরী বালিকা বিদ্যালয়

বিজয়ের মাসে মহান মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ঘিরে একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, শোষনহীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি। যে আদর্শ নিয়ে যুদ্ধ করেছিলাম সেই আদর্শের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্নই আমি লালন করি।
----------------------------------------------------------------------------------
একদিন ডিজিটাল বাংলাদেশ হবে

মোঃ ময়নুল ইসলাম
পুলিশ সুপার, দিনাজপুর

দেশটা আমরা স্বাধীন করেছিলাম সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার জন্য। যে দেশে শোষণ-নিপীড়ন, দুর্নীতি, স্বজন-প্রীতি ও রাজনৈতিক হানাহানি থাকবে না। নানা কারণে প্রত্যাশা অনুযায়ী দেশ হয়তো এগিয়ে যায়নি। তবে দেশ অনেক এগিয়েছে।

বাংলাদেশ একদিন অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উন্নত বা মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ভিশন ২০২০-২০২১ রূপকল্প বাস্তবায়ন করা হলে দেশ পুরোপুরি ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত হবে। সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গীবাদ, মাদকমুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা করি।
-------------------------------------------------------------------------------------

দেশকে ঘিরে আমার প্রত্যাশা অনেক

মো: জামাল উদ্দীন আহমেদ
জেলা প্রশাসক, দিনাজপুর

দেশকে প্রায় সব ক্ষেত্রে অগ্রসর করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রূপকল্প ২০২১ ঘোষণা করেছেন। এই কর্মসূচিতে আমার অংশগ্রহণ কোন পন্থায় সম্ভব করা যাবে তাই আমার এই সময়ের ভাবনা।

৩০ লক্ষ শহীদের রক্তে পাওয়া আমাদের প্রিয় স্বদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে সোনার বাংলায় পরিণত করতে চাই। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমি প্রশাসনের সদস্য হিসেবে কাজ করছি।

দেশকে ঘিরে আমার প্রত্যাশা অনেক। আমাদের আগামী প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে দেশের কাজে অংশ নেবে। শিক্ষার আলোয় আলোকিত হবে প্রতিটি জনপদ। দারিদ্র আর নিরন্নের হাহাকার অতীতের ইতিহাস হয়ে যাবে। এমন বাংলাদেশই আমার প্রত্যাশা।

---------------------------------------------------------

নতুন প্রজন্ম রক্ষা করবে স্বাধীনতা: উর্মিলা রাণী

বাংলাদেশ পালন করছে বিজয়ের চল্লিশ বছর। এমন উৎসবের আগে বাংলানিউজের মুখোমুখি হয়েছেন নারী মুক্তিযোদ্ধা উর্মিলা রাণী। পিরোজপুরের এ নারী মুক্তিযোদ্ধা রশিদ আল মুনানকে বলেছেন দেশ নিয়ে তার ভাবনার কথা।

উর্মিলা রাণী বলেন, ‘দেশকে স্বাধীন করা এবং দেশকে রক্ষা করা এক কথা নয় । প্রকৃতভাবে দেশকে যারা স্বাধীন করেছিলেন তাদের অনেকেই আমরা এখন সুখে নেই । ৪০ বছর অতিবাহিত হলেও দেশ তার অভিষ্ঠ লক্ষে পৌঁছতে পারেনি । সামান্য প্রাপ্তি টুকুও দিতে পারেনি দেশ আমাদের দিতে পারেনি । দেশ আজ ভাগাভাগিতে লিপ্ত। অসুস্থ রাজনীতি গ্রাস করছে আমার দেশকে । এখান থেকে রাজনীতিবীদদের বেরিয়ে আসতে হবে।’

তিনি বলেন, অনেকে মনে করেন দেশ গঠনে শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান রাখতে হবে। তবে আমি মনে করি এক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে হবে দেশের তরুণ প্রজম্মকে । জাগিয়ে তুলতে হবে দেশত্ববোধ। বর্তমান প্রজন্ম ছাড়া দেশ গঠন সম্ভব নয়। আর এ স্বাধীনতা রক্ষা করবে নতুন প্রজন্ম। আমরা তো স্বাধীনতা দিয়ে গেলাম। এবার তোমরা স্বাধীনতা রক্ষা করো।

উর্মিলা রাণী বাংলাদেশকে সম্পূর্ণ স্বাধীন দেশ হিসেবে দেখতে চান। সেই সঙ্গে দেশ রক্ষায় নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে দেশে তৈরি করতে হবে। একদিন সুস্থ রাজনীতির চর্চা বাংলাদেশে শুরু হবে; এমনটা আশা করেন।
সবশেষে তিনি বলেন, ‘মানুষের মাঝে কোন বিভেদ না করে দেশের সব মানুষকেই জন শক্তিতে রূপান্তরিত করতে হবে ।’

বাংলাদেশ সময়: ১৯২৫ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১৫, ২০১১
-----------------------------------------------------

একদিন নিশ্চয়ই পারবো


মুক্তিযোদ্ধা শেখ মনিরুজ্জামান মনি
সাধারণ সম্পাদক, খুলনা মহানগর বিএনপি

গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ চাই। সবার জন্য সমান সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত হতে হবে।
ধনী গরীবের বৈষম্য দূর করতে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম। কেউ কোটিপতি আবার কেউ দরিদ্র এমন বাংলাদেশ চাইনি।

মাতৃভূমি বাংলাদেশকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখতাম। অনেক কিছু ভাবতাম। তেমন দেশতো গড়তে পারলাম না। তবে একদিন নিশ্চয়ই পারবো।
----------------------------------------------------------

চাই তারুণ্যের পূনর্জাগরণ


অ্যাডভোকেট ফিরোজ আহমেদ
মুক্তিযোদ্ধা, খুলনা

ক্ষুধা, দারিদ্রমুক্ত একটি শোষণহীন বাংলাদেশ ছিল আমার স্বপ্ন এবং প্রত্যাশা। সে কারণেই একাত্তরে তরুণ বয়সে হাতে রাইফেল নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম। কিন্তু স্বাধীনতার ৪০ বছর পরে এসে দেখছি আমার স্বপ্নগুলো এক এক করে ভেঙ্গে যাচ্ছে।

কোটি কোটি মানুষ এখনও ভূমিহীন। পাকিস্তানী শোষণের মতো অনেক দেশ আমাদের পানি আগ্রাসনে ফেলেছে। বহুজাতিক কোম্পানিগুলো ইজারার নামে আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ লুণ্ঠন করছে। লক্ষ লক্ষ শিক্ষিত যুবক বেকার। স্বপ্ন পূরণে চাই তারুণ্যের পূনর্জাগরণ।
--------------------------------------------------------------------------------------------------

দুর্নীতিমুক্ত সমাজ চাই


অ্যাডভোকেট এনায়েত আলী
সাবেক গণ পরিষদের সদস্য,
সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান,
খুলনা পৌরসভা

এমন বাংলাদেশ চাই যেখানে থাকবে না কোন সন্ত্রাস, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, কোন প্রকার নির্যাতন, সমতার ভিক্তিতে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে নারী পুরুষ নির্বিশেষে বসবাস করবে।

স্বাধীন বাংলাদেশ হয়ে উঠুক স্বনির্ভর, আত্মপ্রত্যয়ী মানুষের দেশ।

দুর্নীতিমুক্ত সমাজ চাই। সমতা, ন্যায় পরায়ণতা ও সুবিবেচনার মাধ্যমে সকল কর্মকান্ড পরিচালিত হোক এই আমার প্রত্যাশা।

-----------------------------------------------------------------------

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে এগিয়ে যেতে চাই
লেফটেনেন্ট রহমাতুল্লাহ দাদু (বীরপ্রতিক)

এখনও আশাভঙ্গ হইনি। যে লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম তার বাস্তবায়ন হবেই। স্বপ্নের বাংলাদেশ, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ, আধুনিক জাতি হিসেবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে আরো এগিয়ে যেতে চাই।

এজন্য প্রতিটি মানুষ হবে দক্ষ জনশক্তি, সবসময় ব্যস্ত থাকবে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন কর্মকান্ড নিয়ে। সর্বপরি দেশের সব মানুষ যাতে সুখে শান্তিতে বাস করতে পারে এমনই আমার প্রত্যাশা।

----------------------------------------------------------
লক্ষ্য বাস্তবায়নের সময় এসেছে


শিক্ষাবিদ অসিত বরন ঘোষ
সাবেক সহযোগী অধ্যাপক, খুলনা সরকারী এমএম সিটি কলেজ

স্বাধীনতার চল্লিশ বছরে দেশ অনেক এগিয়েছে, অর্জিত হয়েছে নানা অর্জন। স্বাধীনতার চল্লিশ বছর অতিবাহিত হলেও দেশের জনসাধরণ বস্ততঃ এখনও স্বাধীনতার সাধ পুরোপুরি ভোগ করতে পারিনি। অতীতে নানামুখী অপতৎপরতার চেতনা, স্বাধীনতার স্বপ্ন কিংবা স্বাধীন বাংলাদেশের কাংঙ্খিত লক্ষ্য সমূহ অর্জন সম্ভব হয়নি।

সময় এসেছে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করার। দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে, নির্বিঘেœ দিন যাপন করতে পারে সে পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।

আমার প্রত্যাশা রাজনীতিবিদরা যেন জনগণ থেকে দূরে সরে না যায়। তাদেরকে জনগণের আরও কাছাকাছি আসতে হবে। ভুলে গেলে হবে না জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস।

----------------------------------------------------

সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে

তানভীর হায়দার চৌধুরী
পুলিশ সুপার, খুলনা

বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। জনসংখ্যাকে সম্পদে পরিণত করে এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে। মেধাবী, দক্ষ ও যোগ্য লোককে যথা স্থানে দায়িত্ব দেয়া গেলে দেশ সমৃদ্ধির পথে আরও এগিয়ে যাবে।

আত্মনির্ভর সুখী সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার দূঢ় প্রত্যয় নিয়ে আমি কাজ করে যেতে চাই।


Source: বাংলানিউজটোয়েন্ট ফোর.কম
__________________
-- Alwayz with !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!
Reply With Quote
  #98  
Old December 15, 2011, 02:04 PM
idrinkh2O's Avatar
idrinkh2O idrinkh2O is offline
Test Cricketer
 
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869

আমি যুদ্ধে যাচ্ছি তুই দোয়া করিস
ওয়ালিউল্লাহ ওলি


বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আলাউদ্দিন

যুদ্ধ করে দেশটা স্বাধীন করে এখন আমাদের রিক্সা চালাতে হয়, এতে যত না কষ্ট হয় তার থেকে বেশি কষ্ট হয় যখন রাজাকারেরা এই দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের সামনে গাড়িতে করে চলাফেরা করে। ঠিক এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের রিক্সাচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: আলাউদ্দিন।

মুক্তিযোদ্ধা আলাউদ্দিনের বাড়ী নওগাঁ জেলার সাপাহার থানার শিরণটী গ্রামে। তার বাবার নাম লাল মুহাম্মদ। ১৯৭১ সালে ৭ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন তিনি।

তিনি জানান, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের পর থেকেই যুদ্ধের মানসিক প্রস্তুতি নিতে শুরু করি। পাক হানাদার বাহিনীর ২৫ মার্চের নৃশংসতার খবর ছড়িয়ে পড়লে কৃষিকাজ ছেড়ে চলে যাই ভারতের মালদহের তপন থানার পাড়িলিয়া ক্যাম্পে। যুদ্ধে যাওয়ার আগে মাকে বলি ‘সাড়ে সাত কোটি মানুষের সবাই তো যুদ্ধে যাবে না মা; আমি যুদ্ধে যাচ্ছি তুই দোয়া করিস। তোর আরো দুইটা ছেলে ও একটা মেয়ে থাকল। যাওয়ার সময় মার মনটা একটু খারাপ হল। পরে বলল যা বেটা যা যেতে তো হবেই।

পরে আমি মাকে বললাম, তুই দোয়া করলে আমি স্বাধীন হয়ে ফিরে আসব। মা আমার মাথায় হাত বুলাল দোয়া করে দিল। আমি চলে গেলাম। যাওয়ার সময় পিছন ফিরে দেখলাম মা আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমি বললাম তুই দেখে আছিস কেন? তুই দোয়া করিস আমি দেশ স্বাধীন করে ফিরে আসব। মা হাসল আর বলল, যা বেটা দোয়া করে দিলাম তোর বিপদ আসলে বিপদ কেটে যাবে। আর পিছনে ফিরে দেখিনি। চলে গেলাম ভারতের মালদহের তপন থানার পাড়িলিয়া ক্যাম্পে।

সেখানে ট্রেনিং নিয়ে রাতে ঢুকতাম দেশে। চালাতাম গেরিলা হামলা। প্রথমে নাজমুল হক ও পরে নুরুজ্জামানের অধীনে যুদ্ধ করি ৭নং সেক্টরের নওগাঁ ও রাজশাহী অঞ্চলে। বরাবরের মতো এক রাতে হামলা চালাতে আসি সাপাঁহারের পাক ক্যাম্পে। এসে দেখি সব ফাঁকা, পাক বাহিনীর কোন চিহ্নও নেই আশেপাশে। পরে জানতে পারলাম যুদ্ধ থেমে গেছে। স্বাধীন হয়ে গেছে বাংলাদেশ। আনন্দে ভরে গেল মন।

নিজের ভাষায় আলাউদ্দিন বলেন, ‘সেদিন যে আনন্দ পাইছিনু এরকম আনন্দ মনে হয় আর কোনদিন পামুনা।’

আলাউদ্দিন আরো বলে, আমাদের দলে ছিল ১০০-১৫০ জনের মত মুক্তিযোদ্ধা। যুদ্ধে কেউ মারা গেলে আমাদের জানতে দিত না। আমাদের লোকজনই তাদের সরিয়ে নিত। মাঝে মাঝে বড় কোন আক্রমণে গেলে পাশের ক্যাম্পের মুক্তিযোদ্ধারা এসে আমাদের সহযোগীতা করত।

মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেও আলাউদ্দিন অল্প শিক্ষা বলে কোন চাকরি কপালে জোটেনি। জীবিকার তাগিদ থেকে ভাগ্যকে মেনে নিয়ে উপার্যনের জন্য রিক্সা চালাতে শুরু করেন। কিন্তু তিনি মুক্তিযোদ্ধা বলে তাকে সম্মান করে নওগাঁ এলাকায় তার রিক্সায় কেউ উঠতে চায় না। মুক্তিযুদ্ধের কমান্ডারা তাকে রিক্সা চালাতে মানা করে। যার ফলে তিনি নওগাঁ ছেড়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে রিক্সা চালাতে আসেন।

আলাউদ্দিন ক্যাম্পাসের পাশে গেরুয়া গ্রামে একটি ভাড়া বাসায় থাকে। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা থাকে নওগাঁয় তার নিজ বাড়িতে। প্রতিদিন তার উপার্জন মাত্র এক থেকে দেড়’শ টাকা। এ স্বল্প উপার্জন দিয়ে তার পরিবার ও সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হয় তাকে।

সে জানায়, তার এই অসচ্ছল পরিবারকে সচ্ছল করার ইচ্ছা যতখানি তার থেকে বেশি ইচ্ছা জীবিত অবস্থায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দেখে যাওয়া।

তিনি বর্তমান সরকার তথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে যুদ্ধাপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবী জানান।

তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হলে মুক্তিযুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের আত্মা শান্তি পাবে এবং সে সব মুক্তিযোদ্ধা জীবিত আছে তারাও মানসিক দিক দিয়ে স্বস্তি পাবে।
__________________
-- Alwayz with !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!
Reply With Quote
  #99  
Old December 15, 2011, 02:44 PM
idrinkh2O's Avatar
idrinkh2O idrinkh2O is offline
Test Cricketer
 
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869
BDFlag Amar Shonar Bangla!

1971:

7th March


27th March: Liberation Declaration of Bangladesh


Muktijoddha singing national anthem


Zaheer Raihan tells about pakistan


Bangladesh 1971


Liberation War of Bangladesh: NBC News Footage 1


Liberation War of Bangladesh: NBC News Footage 2


BANGLADESH GENOCIDE 1971 - DHAKA attack at (3/26/1971)


Bloody Birth of Bangladesh- The Worst Genocide!


1971- Video Footage From Dhaka


1971- British Journalist In Dhaka


Celebrating Victory


TV broadcast in 16th December, 1971
__________________
-- Alwayz with !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!

Last edited by idrinkh2O; December 15, 2011 at 10:35 PM..
Reply With Quote
  #100  
Old December 15, 2011, 04:41 PM
idrinkh2O's Avatar
idrinkh2O idrinkh2O is offline
Test Cricketer
 
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869
BDFlag Friday, 16th December, 2011


~ Shuvo Bijoy Dibos! ~ Happy Victory Day, Everyone!~ Shuvo Bijoy Dibos!~


----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
~Bismillahir Rahmanir Raheem!!!~
SubhanAllah, Alhamdulillah, Allahu Akbar!!!



Let's do something for our beloved BANGLADESH, inshAllah!
Big or small - it doesn't matter!

Here is the list of ideas that can be implemented at an individual or a collective (team-effort) level: (Feel free to share it with others!)

~ KEEP IT SIMPLE!!!~
~Don't need to wait till you become someone somewhere someday!!!~

- Help out our poor relatives --> and yes, EVERYONE has 'em! (by sponsoring a child's education and so on)

- Develop the area (district) of Bangladesh that we come from (or live in)!
---------> i.e. streets, cricket academy, health clinic, basic adult school, open a computer trainning center, you name it! Trust me, we need help in every sector!

- Open a business in Bangladesh to create jobs!

- Open an institution in Bangladesh to create opportunities for our youth/students!

- Open a non-profit organization (for adult education, clean water projects, sanitation etc.)

- Invest/Donate our time, intellects, expertise, ideas, resources etc. for developing Bangladesh

- Collaborate our work/institution/academy with Bangladesh

--------->Idea 1: If we are in academia of any foreign institutions (UK, US, CAN, AUS etc), we can collaborate with Bangladeshi Universities

--------->Idea 2: During a summer time, we can sponser a project and bring foreign exchange students in Bangladesh. It can increase the awareness of Bangladesh.

--------->Topics of the project may include: Arts, science, culture, language, engineering projects, landscape, environment (pretty much anything!)

--------->Idea 3: Similar to Sundarban study case (can't remember, but I read it in banglanews24.com)

- etc. etc. etc.

- Add your own idea and please share it with us.

~NOW~

LOOK at your LEFT, LOOK at your RIGHT, Now LOOK at yourself in the MIRROR and Point your index finger towards it!
and YES, YOU ARE THE ONE TO CHANGE BANGLADESH!!!

SO, JUST DO IT!!!

Let's change Bangladesh one life at a time, inshAllah!!!

As a reminder to both myself and everyone else, I'll leave you with this thought tonight...



__________________
-- Alwayz with !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!

Last edited by idrinkh2O; December 15, 2011 at 10:33 PM..
Reply With Quote
Reply

Bookmarks


Currently Active Users Viewing This Thread: 1 (0 members and 1 guests)
 
Thread Tools
Display Modes

Posting Rules
You may not post new threads
You may not post replies
You may not post attachments
You may not edit your posts

BB code is On
Smilies are On
[IMG] code is On
HTML code is On



All times are GMT -5. The time now is 07:58 PM.


Powered by vBulletin® Version 3.8.7
Copyright ©2000 - 2014, vBulletin Solutions, Inc.
BanglaCricket.com
 

About Us | Contact Us | Privacy Policy | Partner Sites | Useful Links | Banners |

© BanglaCricket