facebook Twitter RSS Feed YouTube StumbleUpon

Home | Forum | Chat | Tours | Articles | Pictures | News | Tools | History | Tourism | Search

 
 


Go Back   BanglaCricket Forum > Miscellaneous > Forget Cricket

Forget Cricket Talk about anything [within Board Rules, of course :) ]

Reply
 
Thread Tools Display Modes
  #1  
Old December 2, 2011, 04:21 AM
PoorFan PoorFan is offline
Moderator
 
Join Date: June 15, 2004
Location: Tokyo
Posts: 14,333
Default Foreign National those who supported Bangladesh in '71

Lets learn some those person, who supported us at our most sacrificing and struggling history. Especially, In a month when we should be tankful to many we have lost, and to very little we still have around. In a month and perhaps in a ongoing cricket series where we see unpleasant delusion of youth, lacking dignity or is it lacking effort to learn.

So, I thought may be we should gather those articles on PA and read/learn, who knows we might come to know few things which we didnt know.


বিজয়ের ৪০ বছর: বিদেশি সহযোদ্ধা

যুদ্ধসাথি সায়মন ড্রিং

মশিউল আলম | তারিখ: ০১-১২-২০১১


  • ১১ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • ShareThis




« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»

  • সায়মন ড্রিং
1 2




১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী গণহত্যা শুরু করার আগে ঢাকায় অবস্থানকারী সব বিদেশি সাংবাদিককে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্ট লে (ভূতপূর্ব শেরাটন, এখন রূপসী বাংলা) আটকে ফেলে। পরদিন তাঁদের বিমানবন্দরে নিয়ে তুলে দেওয়া হয় উড়োজাহাজে। ঢাকাকে বিদেশি সাংবাদিকশূন্য করার উদ্দেশ্য—পাকিস্ত নি সেনাদের বাঙালি নিধনযজ্ঞের খবর যেন বাইরের পৃথিবীতে না পৌঁছায়।
কিন্তু পাকিস্তানিদের ওই সাধে বাদ সাধেন ২৫ বছরের এক বিলেতি তরুণ। নাম সায়মন ড্রিং। সামরিক আইনের নির্দেশ অমান্য করে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে তিনি লুকিয়ে ছিলেন হোটেলে। ২৭ মার্চ সকালে কারফিউ উঠে গেলে হোটেলের কর্মচারীদের সহযোগিতায় ছোট্ট একটি মোটরভ্যানে করে ঘুরে ঘুরে দেখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হল, রাজারবাগ পুলিশ ব্যারাক ও পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকা।
ঢাকায় দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর চালানো প্রথম দফার গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের প্রত্যক্ষ চিত্র উঠে আসে তাঁর প্রতিবেদনে: ‘আল্লাহর নামে আর অখণ্ড পাকিস্তান রক্ষার অজুহাতে ঢাকা আজ ধ্বংসপ্রাপ্ত ও সন্ত্রস্ত এক নগর। পাকিস্তানি সৈন্যদের ঠান্ডা মাথায় টানা ২৪ ঘণ্টা গোলাবর্ষণের পর এ নগরের...।’ ‘ট্যাংকস ক্র্যাশ রিভোল্ট ইন পাকিস্তান’ শিরোনামের সেই প্রতিবেদন লন্ডনের ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় ৩০ মার্চ ছাপা হয়। এ প্রতিবেদন থেকে বিশ্ববাসী জানতে পারে, পাকিস্তানি বাহিনীর সেদিনের বর্বরতার কথা। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত সঞ্চারের প্রাথমিক মুহূর্ত ছিল সেটি।
ইংল্যান্ডের নরফোক এলাকার সন্তান সায়মন ড্রিং (জন্ম ১৯৪৬) বাংলাদেশকে ভালোবেসে ফেলেছিলেন। ঢাকায় তিনি প্রথম এসেছিলেন ১৯৬৮ সালে। তারপর ১৯৭১-এর মার্চে তিনি ডেইলি টেলিগ্রাফ-এর সংবাদদাতা হিসেবে যখন ভিয়েতনামে, তখন পূর্ব পাকিস্তানে রাজনৈতিক ঝড় ঘনিয়ে ওঠে। সায়মন ছুটে আসেন ঢাকায়। ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুনেছেন মঞ্চের ঠিক পাশে দাঁড়িয়ে। ২৫ মার্চ রাত সাড়ে নয়টার দিকে টেলিফোনে কথা বলেছেন বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে। জিগ্যেস করেছিলেন, ‘আপনি কি আত্মগোপনে যাচ্ছেন?’ বঙ্গবন্ধু উত্তরে বলেছিলেন, ‘না। আমাকে না পেলে ওরা তো সব জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে ছারখার করে দেবে।’
অবরুদ্ধ ঢাকায় বেশি দিন থাকতে পারেননি সায়মন। খুব শিগগির ফিরে যেতে হয়েছে স্বদেশে। নভেম্বরে আসেন ভারতে; কলকাতা থেকে মুক্তিযুদ্ধের খবরাখবর সংগ্রহ করে পাঠিয়ে দিতেন লন্ডনের টেলিগ্রাফ পত্রিকায়। ১৬ ডিসেম্বর মিত্রবাহিনীর সঙ্গে ট্যাংকে চড়ে ময়মনসিংহ হয়ে প্রবেশ করেন মুক্ত বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়, তিনিও যেন বিজয়ী মুক্তিযোদ্ধাদের একজন।
চোখের সামনে মানবতার বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধ সংঘটিত হতে দেখে নিরপেক্ষ, নির্লিপ্ত খবর সংগ্রহকারীর ভূমিকায় থাকতে পারেননি সেই সময়ের ডেইলি টেলিগ্রাফ-এর সাংবাদিক সায়মন ড্রিং। একটি পক্ষে তিনি দাঁড়িয়েছিলেন—ন্য য়ের পক্ষে। সেই পক্ষপাতের জন্য তিনি মৃত্যুর ঝুঁকিও অগ্রাহ্য করেছেন। ১৬ ডিসেম্বরের পর ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা কর্মকর্তা মেজর সিদ্দিক সালিকের সঙ্গে দেখা হলে সায়মন তাঁকে জিগ্যেস করেছিলেন, মার্চে ধরা পড়ে গেলে তাঁর (সায়মনের) কী হতো? সিদ্দিক সালিক উত্তরে বলেছিলেন, ‘আপনাকে গুলি করে মারা হতো।’
সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেছেন ১৮ বছর বয়স থেকে। দেখেছেন ২২টি যুদ্ধ, অভ্যুত্থান ও বিপ্লব। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনবাসী সায়মন ড্রিং স্বাধীন বাংলাদেশে আবার এসেছিলেন ২০০০ সালে, এ দেশের প্রথম বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল একুশে টিভি গড়ে তোলার প্রধান কারিগর হিসেবে। কিন্তু ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর একুশে টিভি বন্ধ করে দেয়। ২০০২ সালের অক্টোবরে সরকার সায়মন ড্রিংয়ের ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করে তাঁকে অবিলম্বে বাংলাদেশ ত্যাগের আদেশ দিলে তিনি চলে যান। বাংলাদেশের কাছে এই কি তাঁর প্রাপ্য ছিল?
সায়মন ড্রিং বাংলাদেশের একজন অকৃত্রিম বন্ধু, মুক্তিযুদ্ধে তাঁর ভূমিকা ছিল আমাদের সহযোদ্ধার। বাংলাদেশ তাঁর ঋণ কখনো ভুলবে না।



Prothom Alo
Reply With Quote
  #2  
Old December 2, 2011, 04:23 AM
PoorFan PoorFan is offline
Moderator
 
Join Date: June 15, 2004
Location: Tokyo
Posts: 14,333


বিজয়ের ৪০ বছর: বিদেশি সহযোদ্ধা

যুদ্ধবিবেক আর্চার ব্লাড

মিজানুর রহমান খান | তারিখ: ০২-১২-২০১১


  • ৪ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • ShareThis




« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»
  • আর্চার ব্লাড
1 2




তাঁকে বাংলাদেশের যুদ্ধবিবেক বলা যায়। তিনি একাত্তরে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন কনসাল জেনারেল আর্চার কেন্ট ব্লাড। তিনি নিক্সন-কিসিঞ্জারের পাকিস্তানপন্থী অন্যায় নীতির বিরুদ্ধে একাত্তরে আমেরিকার বিবেক হয়ে উঠেছিলেন।
১৯৬০ সালে ব্লাড ঢাকায় ছিলেন মার্কিন পলিটিক্যাল কর্মকর্তা হিসেবে। তখন বাংলার রূপে মুগ্ধ হয়েছিলেন। সেই থেকে আজ অবধি ব্লাড পরিবার বাংলাদেশের আত্মার আত্মীয়। ব্লাড চিরনিদ্রায় শায়িত কলোরাডোর ফোর্ট কলিন্সে। তাঁর স্ত্রী মেগ ব্লাড, ছেলে পিটার ব্লাড—বস্তুত, পুরো ব্লাড পরিবারের মনন ও চিন্তায় বাংলাদেশ চিরভাস্মর।
গত বছরের মার্চে পিটার ব্লাডের সঙ্গে আমার প্রথম যোগাযোগ ঘটে। তিনি বর্তমানে ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত লাইব্রেরি অব কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ তথ্য বিশেষজ্ঞ হিসেবে কর্মরত। ওই সময় তাঁর মা মেগ ব্লাডের আবেগাপ্লুত চিঠি পেয়েছিলাম, ‘ব্লাড দেখেছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূর্যোদয়।’ প্রথম আলোয় তা ছাপা হয়।
‘সৃজনশীল ভিন্নমতাবলম্বী’ হিসেবে পরবর্তী সময়ে পুরস্কৃত আর্চার ব্লাড নামটি মার্কিন কূটনৈতিক জগতে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হয়ে থাকে। তবে এই জগ ৎ টি অবশ্যই নিক্সন-কিসিঞ্জারের সরকারি তকমা আঁটা ওয়াশিংটনের জগ ৎ নয়।
৬ এপ্রিল ১৯৭১ ঐতিহাসিক ‘ব্লাড টেলিগ্রাম’ ঢাকা থেকে পাঠানো হয়েছিল ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে। ঢাকায় মার্কিন কর্মকর্তারা পঁচিশের ‘কলঙ্কিত রাতের’ গণহত্যা এবং সে বিষয়ে নিক্সন-কিসিঞ্জারের অন্ধ ইয়াহিয়া-ঘেঁষা নীতির প্রতিবাদ জানাতে সংকল্পবদ্ধ হয়েছিলেন। তাঁরা খুব ভেবেচিন্তে একটি কেব্ল লিখেছিলেন। এতে সই করেছিলেন ব্লাড ও তাঁর ২০ জন সমর্থক সহকর্মী। তাঁরা তাতে ঢাকায় ইয়াহিয়ার গণহত্যার প্রতি ওয়াশিংটনের অব্যাহত নীরবতার নিন্দা করেছিলেন।
ব্লাড তাতে শুধুই সই দেননি, বাড়তি এক ব্যক্তিগত নোটও লিখেছিলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, পূর্ব পাকিস্তানে এখন যে সংগ্রাম চলছে, তার সম্ভাব্য যৌক্তিক পরিণতি হলো বাঙালিদের বিজয় এবং এর পরিণতিতে একটি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা।’ এই ‘ব্লাড টেলিগ্রাম’ বস্তুত তখনকার নিক্সন-কিসিঞ্জারের দুর্গে বোমা ফেলেছিল।
‘দ্য ট্রায়াল অব হেনরি কিসিঞ্জার’-এর লেখক ক্রিস্টোফার হিচিনসের কথায়, ‘মার্কিন ইতিহাসে ব্লাড টেলিগ্রামের কোনো তুলনা নেই।’ কিসিঞ্জার এ জন্য ব্লাডকে নির্বাসন দণ্ড দিয়েছিলেন।
ওই ‘ব্লাড টেলিগ্রামে’ সইদাতা ২০ কূটনীতিকের সন্ধান ও তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগে প্রথম আলোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। পিটার ব্লাড জানান, ক্রেইগ ব্যাক্সস্টার (পরবর্তীকালের বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়া বিশেষজ্ঞ) বেঁচে নেই। ডব্লিউ স্কট বুচার মার্কিন সমারিক বাহিনীর প্রশিক্ষক। হাওয়ার্ড শেফার্ড (পরে বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূত) রয়েছেন ওয়াশিংটন ডিসিতে। হার্ব গর্ডন (একাত্তরে কলকাতায় কনসাল জেনারেল) থাকেন মেরিল্যান্ডে।
বিজয় মাসের প্রথম প্রহরে পিটার ব্লাডের সঙ্গে ই-মেইল বিনিময় হলো। পিটার বৃহস্পতিবার প্রতিবেদককে লিখেছেন, বাংলাদেশের বিজয়ের ৪০তম বার্ষিকীতে তিনি ও তাঁর মা মেগ মিলওয়ার্ড ব্লাড ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সাময়িকীর জন্য নিবন্ধ লিখেছেন। আর্চার ব্লাড তাঁর দ্য ক্রুয়েল বার্থ অব বাংলাদেশ বইয়ের সূচনায় লেখেন, ‘একাত্তর নিয়ে লিখতে বসে আমার চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরছে। কারণ আমার বহু বন্ধুর মুখ ভেসে উঠছে, যারা শহীদ হয়েছে।’
আর্চার ব্লাড ২৫ বছরের ব্যবধানে বিজয়ের রজতজয়ন্তীতে ১৯৯৬ সালে ঢাকায় ফিরেছিলেন। তাঁর বন্ধু এ এম এ মুহিতের বাসভবনে মতিউর রহমানের উপস্থিতিতে কথা হয়। সেই আলোচনার ফসল ২০০২ সালে প্রকাশিত তাঁর ওই স্মৃতিচারণমূলক বই।
আর্চার কে ব্লাড রূপসী বাংলার প্রেমে মোহাবিষ্ট হয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও পল্লি কবি জসীমউদ্দীন ব্লাড পরিবারের প্রিয়। আর্চার ব্লাডের বয়ানে, ‘যত দূর চোখ যায় পানি আর পানি, আদিগন্ত সবুজ ধানক্ষেত, কচুরিপানার বেগুনি রং আর তাতে ঠিকরে পড়া সোনালি সূর্যের ঝিকিমিকি—এই হলো বাংলার যাদু।’
পিটারের স্মৃতিচারণ, ‘আমার বাবা ভার্জিনিয়ার জেফারসন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক হিসেবে গর্বিত ছিলেন। দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার সপক্ষে অবস্থান নিতে জেফারসনীয় (মার্কিন সংবিধানের মুখ্য জনক) মন্ত্রে তিনি আস্থাবান ছিলেন।’
স্বাধীনতার পরে নিক্সন-কিসিঞ্জার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারও ঠেকিয়েছিলেন। ১৯৫ জন পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীর বিচারে বঙ্গবন্ধুর সরকার যাতে ব্যর্থ হয়, সে জন্য মাও সেতুংয়ের সমর্থন পেয়েছিলেন কিসিঞ্জার। বেইজিংয়ে মাওকে কিসিঞ্জার বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশের বিচারের উদ্যোগ ভণ্ডুল করে দেওয়াই হবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি।’
যুক্তরাষ্ট্র এসবের জন্য আজও ক্ষমা চায়নি। বরং গুয়ানতানামো বের কালিমা নিয়ে তাদের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এখন আমাদের ট্রাইব্যুনালের ‘স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা’ নিয়ে ভীষণ বিচলিত। তবে এটাই যুক্তরাষ্ট্রের পুরো চেহারা নয়।
আর্চার ব্লাডকে সহযোদ্ধা নয়, বাংলাদেশের একমাত্র আমেরিকান ‘সশস্ত্র মুক্তিযোদ্ধা’ বলতে পারলেই স্বস্তি পেতাম। কারণ মার্কিন কূটনীতিক হয়েও তিনি তাঁর ধানমন্ডির বাসার পেছনের বাগানে একদল বাঙালি পুলিশের অস্ত্র মাটি খুঁড়ে কয়েক দিন লুকিয়ে রেখেছিলেন।
আমরা গভীর শ্রদ্ধা জানাই শ্রেষ্ঠ বীর আর্চার কেন্ট ব্লাডের স্মৃতির প্রতি। ১ ডিসেম্বর ভোর পাঁচটায় আমি তাঁর ছেলে পিটার ব্লাডকে লিখলাম, ‘জেফারসনীয় মূল্যবোধের প্রকৃত উত্তরাধিকার ব্লাড পরিবার।’ পিটারের শেষ উক্তি: ‘আপনাকে সবিনয়ে ধন্যবাদ জানাই।’


Prothom Alo
Reply With Quote
  #3  
Old December 2, 2011, 09:22 AM
HereWeGo HereWeGo is offline
Cricket Legend
 
Join Date: March 7, 2006
Posts: 2,339

Mr Simon Dring was also the visionary behind Ekushey TV when it was first launched and basically brought a revolutionary change in news broadcasting in Bangladesh. For political reasons he was humiliated by the than BNP government and was forced to leave the country.
(what a messed up country we belong to)
Reply With Quote
  #4  
Old December 2, 2011, 09:59 AM
Navo's Avatar
Navo Navo is offline
Moderator
BC Editorial Team
 
Join Date: April 3, 2011
Location: Dhaka
Favorite Player: Shakib, M. Waugh, Bevan
Posts: 3,522

There's a fantastic book on Arthur K. Blood in English available in Bangladesh. I've only skimmed through it but it effectively documents, through primary sources, his contribution to the Liberation War and his direct opposition to orders from the American Embassy based in (West) Pakistan.

I think we shouldn't forget Anthony Mascarenhas here either. He was a West Pakistani journalist of Goan origin who, at great personal risk to himself and his family, gave an interview about the genocide + atrocities occuring in the then East Pakistan to the editor of the Sunday Times. The Times ran an extensive report on it immediately, thus garnering world-wide attention. He also published two books on the war, The Rape of Bangladesh (1972) and Bangladesh: A Legacy of Blood (1986), both of which are easily available in Bangladesh and are essential reading for everyone.
__________________
thebarnecessities.wordpress.com
Reply With Quote
  #5  
Old December 2, 2011, 11:04 AM
nakedzero's Avatar
nakedzero nakedzero is offline
Cricket Legend
 
Join Date: February 3, 2011
Favorite Player: ShakTikMashNasir(ShakV2)
Posts: 2,024



৩ ডিসেম্বর ১৯৭১ । ভারত আক্রমণ করে আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে তুমুল গতি দেয় পাকিস্তান। আর ১৩ দিন পরই মিত্রবাহিনীর হাতে ঢাকার পতন, স্বাধীন হয়ে যায় বাংলাদেশ। একই দিন আরেকটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। প্যারিসের অর্লি বিমানবন্দরে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের একটি বোয়িংয়ের নিয়ন্ত্রণ নেন জাঁ ক্যুয়ে নামে এক ফরাসি যুবক। না, টাকা-পয়সা কিছু দাবি করেননি। অবিলম্বে ২০ টন মেডিকেল সামগ্রী ও রিলিফ প্লেনটিতে তোলা না হলে এটি বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি। আর সেগুলোর গন্তব্য হবে পূর্ব পাকিস্তান। স্বাধীনতার জন্য লড়তে থাকা বাংলাদেশে।




ফুটেজের ধারাবর্ণনার ইংরেজী অনুবাদ:

"This young 28 year old boy has spent the night in jail. He is called Jean Quai and is an old OAS who has fought then in Biafra and in Yemen and he wanted to be an help to bengali refugees. That is the reason why yesterday, during 8 hours, he has immobilized a pakistani Boeing. I figure out that some among you have followed this lets call it extraordinary, suspense the whole afternoon, due to the direct cameras of Jean Claude Ditierre et d'Armand Vande, and, i must add it was itself an event, because for the first time, the television did present directly an event in a continue way, same as till now the radio channels.

Anyway, to come back to this very surprizing adventure of yesterday, Hervé Chabalier has remade the film of what occured yesterday afternoon. It was at the time 17h05, moment where Chabalier will begin his story, and it had been 6 hours while the Boeing 720 had been immobilized in Orly airport. Since 11h50, the young air terrorist threatened the cockpit pilot with his weapon, a gun. He is eager to 20 metric ton of medicine, for the bengali population, or else he "is to be blast the whole plane". 17h15 the french authorities accept the conditions of Janquet, the first medicines have already landed in Orly airport, the terrorist accept than 8 passengers, a child among them, leave the plane.

These passengers, that you can see now, will be directly transported to Paris : the journalists won't be able to reach them. On the runway, the loading of medicine begins. Anti ear infection, powder milk essentialy. 19 hour a second truck full of medicine park near the plane. But this time, the warehousmen are disguised cops. This man who dirigate the conductor of the truck, on the right of your screen, will arrest in a few time the air pirat. Ideed the disguised policemen transport into the cockpit boxes of penicillin and take advantage of a moment of unawareness of the air pilot in order to belt him and master him.

The last passengers leave the plane, go down the gangway steps hurriedly, Janquet is carried in ambulance till Orly's police office, where he is given a first questioning. The crew go back to the air terminal, few minutes later there are the very first testimonies of passengers and policemen in front of the information cameras (Mr Peyresaube):"The young man, who looked about 24 years old, has given to the hostess, stewards and us the right to take some dinner" (Journalist):" And what was his behaviour toward you, has he diriged his gun toward you?" "Absolutely not, he was excessively full of amability, very nice" (Journalist)"Did he spoke to you?" (Mr Peyresaubes)"Oh yes he did, yes yes" (Journalist):"What did he said to you? (Mr Peyresaubes): "He said to us it was to give medicine, that we shouldnt be worried, and he has placed in the back of the plane a little girl with her mother, and then we when met the people who were carrying medicine, he has allowed to leave the old men,

" (Antoine Siblo, police officer): "We have taken advantage of an inattention moment of the boy, and because I was the closest from him, we reached him in hurry, he was surprized naturally (Jounalist)"I already know" (Antoine Siblo)"And in a reflex he pointed out his gun, myself to avoid the shoot i left in a hurry, and the bullet reached the pullover and the blazer made in setton" (Jounalist):"You were dressed up like bagagists, does the crew thought once that you all were policemen?" (Antoine Siblo):"No, I don't think so, at no time" (Journalist):"What concerns the medicins, they were instantanely carried out of the plane, and transported to Paris, but in fact it is only a transit." (Marquis (aristocrat title)of Agosti from the Malta order) " These medicine were all on the order of Malta, they are all here, and we will..."

(Journalist)"What will you do of these, now" (D'Agoste)" We will, well we will carried them out to the order of Malta order, and make them land to Pakistan too, because they were themselves supposed to reach Pakistan ! ".



READ MORE



P.S. My post actually belong to this thread. Sorry for the repost. Dear Mods please delete the original post (same post) in the other thread if possible. Thanks.
Reply With Quote
  #6  
Old December 2, 2011, 02:26 PM
Neel Here's Avatar
Neel Here Neel Here is offline
Cricket Legend
 
Join Date: March 17, 2009
Favorite Player: Aravinda DeSilva, Lara
Posts: 2,765

Navo, archer blood, not arthur blood.

here's his famous telegram to the state dept.

full size http://upload.wikimedia.org/wikipedi...d_telegram.png
Quote:
The Concert for Bangladesh was the name for two benefit concerts organised by George Harrison and Ravi Shankar, held at noon and at 7 PM on August 1, 1971, playing to a total of 40,000 people at Madison Square Garden in New York City. The concert was organised to fund relief efforts for refugees from East Pakistan (now Bangladesh) following the 1970 Bhola cyclone and atrocities during Bangladesh Liberation War. The event was the first ever benefit concert of such a magnitude. It featured a supergroup of performers that included Ravi Shankar, Bob Dylan, Eric Clapton, George Harrison, Billy Preston, Leon Russell, Badfinger, and Ringo Starr.
__________________
Anything can be sacrificed for truth,
nothing is too valuable to sacrifice truth instead.
-- Swami Vivekananda
Reply With Quote
  #7  
Old December 2, 2011, 04:11 PM
Rifat's Avatar
Rifat Rifat is offline
Cricket Guru
 
Join Date: March 30, 2007
Location: Connecticut
Favorite Player: Hashim Amla
Posts: 10,587

Trivia: Which Country was the First Nation to give Recognition to Bangladesh?
Reply With Quote
  #8  
Old December 2, 2011, 04:27 PM
Neel Here's Avatar
Neel Here Neel Here is offline
Cricket Legend
 
Join Date: March 17, 2009
Favorite Player: Aravinda DeSilva, Lara
Posts: 2,765

bhutan. .
__________________
Anything can be sacrificed for truth,
nothing is too valuable to sacrifice truth instead.
-- Swami Vivekananda
Reply With Quote
  #9  
Old December 2, 2011, 09:13 PM
PoorFan PoorFan is offline
Moderator
 
Join Date: June 15, 2004
Location: Tokyo
Posts: 14,333


বিজয়ের ৪০ বছর: বিদেশি সহযোদ্ধা

দুঃসময়ের বন্ধু এডওয়ার্ড কেনেডি

এম এ মোমেন | তারিখ: ০৩-১২-২০১১



  • ০ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • ShareThis




« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»
1 2




পাকিস্তানি সেনা-বাহিনীর নির্মম নৃশংসতার রক্তাক্ত বিবরণ ঢাকা থেকে ওয়াশিংটনে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টে পাঠিয়ে যাচ্ছেন ঢাকায় কর্মরত কনসাল জেনারেল আর্চার ব্লাড। কিন্তু তা কোনোভাবেই নিক্সন প্রশাসনকে পাকিস্তান-বান্ধব অবস্থান থেকে সরিয়ে আনতে পারছে না। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার প্রকারান্তরে প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খানের সংহতির জন্য সহিংসতাকে সমর্থন করে যাচ্ছেন, পূর্ব পাকিস্তানে ব্যবহারের জন্য মার্কিন বন্দর থেকে জাহাজে ওঠানো হচ্ছে অস্ত্র ও রসদ—একজন এডওয়ার্ড কেনেডি দাঁড়িয়ে গেলেন নিপীড়িত বাংলাদেশের পক্ষে। তাঁকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের এবং সামগ্রিকভাবে পশ্চিমের বিবেক জেগে উঠল। মার্কিন সহায়তায় পাকিস্তানের সামরিক সরকার মানবতা ও গণতন্ত্রের মানচিত্র ধূলিসা ৎ করে দিচ্ছে, ডেমোক্র্যাট সিনেটর কেনেডি শুরু থেকে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার।
কেনেডি ১৯৬২ থেকে সিনেটর। ১৯৭১-এ তাঁর বয়স ৩৯, তখন তিনি শরণার্থীবিষয়ক সিনেট জুডিশিয়ারি উপকমিটির চেয়ারম্যান। ১৯৭১-এর আগস্টে তিনি এলেন বাংলার মানুষের দুর্দশার সাক্ষী হতে, নিজ চোখে দেখে বিশ্ববিবেক জাগাতে। তিনি কলকাতা, জলপাইগুড়ি, ত্রিপুরা ও দার্জিলিংয়ের শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করলেন এবং লিখলেন: পূর্ব বাংলার ট্র্যাজেডি কেবল পাকিস্তানের জন্য ট্র্যাজেডি নয়, এটা কেবল ভারতের জন্য ট্র্যাজেডি নয়, এটা সমগ্র বিশ্ব সম্প্রদায়ের জন্য ট্র্যাজেডি এবং এই সংকট নিরসনের জন্য একত্রে কাজ করা বিশ্ব সম্প্রদায়েরই দায়িত্ব। শরণার্থী শিবিরে ভাগ্যাহত বিপন্ন মানুষের অবস্থা দেখে তিনি যে মন্তব্য করেছেন, তা উদ্ধৃত করে লন্ডন টাইমস লিখেছে, এটা মানবজাতির জন্য আমাদের সময়ের সম্ভবত সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি।
এডওয়ার্ড কেনেডি প্রশ্ন রেখেছেন, ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে বাঙালিদের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভই যদি অপরাধ হয়ে থাকে, তাহলে গণতন্ত্রের ভবিষ্য ৎ কী? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের প্রতি সমর্থন কি তাহলে প্রহসন হয়ে যায় না? কেনেডি শরণার্থী শিবির ঘুরে স্বদেশে ফিরে একই সঙ্গে মানবতার লাঞ্ছনা এবং একটি দেশের সম্ভাব্য অভ্যুদয়ের চিত্র তুলে ধরেছেন: এই কঠিন ট্র্যাজেডি পৃথিবী এখনো বুঝে উঠতে পারেনি। আমি আপনাদের বলতে পারি, যতক্ষণ না নিজ চোখে দেখছেন, এর বিশাল ব্যাপ্তি সম্পর্কে ধারণাও করতে পারবেন না। কেবল সেখানে গেলেই সেখানকার অনুভূতি আপনি আঁচ করতে পারবেন, মানুষের ভোগান্তি বুঝতে পারবেন, সহিংসতার যে শক্তি শরণার্থীর জন্ম দিচ্ছে এবং বেসামরিক মানুষের মৃত্যুর সংখ্যা বাড়িয়ে যাচ্ছে, তা অনুধাবন করতে পারবেন।
শরণার্থী শিবির ঘুরে যখন তিনি খুলনা সীমান্তে, সেদিন কমপক্ষে সাত হাজার শরণার্থী বয়রার কাছে নদী পেরিয়ে সীমান্ত ঘেঁষে স্রোতধারার মতো নেমে এসেছে। এদের প্রায় সবাই কৃষক, চাষি-মজুর, অধিকাংশই হিন্দু। ঢাকা জেলার দক্ষিণে খুলনা ও বরিশাল থেকে এসেছে। গত শরতের সাইক্লোনে বিধ্বস্ত প্রান্তবর্তী জেলা থেকে। (ষাটজনের সাক্ষ্য থেকে উদ্ধৃত)
১ নভেম্বর ১৯৭১ মূলত পূর্ব বাংলার সংকট নিরসনের জন্য কেনেডি যে সাত দফা সুপারিশ পেশ করেন, তার একটি ছিল: ‘ইসলামাবাদ সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক শক্তিগুলোর প্রতীকী নেতৃত্ব শেখ মুজিবের। এই সংকটের যেকোনো রাজনৈতিক সমাধানে তাঁর প্রতি ন্যায়বিচার এবং তাঁর ব্যক্তিগত নিরাপত্তার গুরুত্ব সর্বাধিক।’ সাত দফার একটি: দক্ষিণ এশিয়ার সংকটের মূল কারণ যুক্তরাষ্ট্রকে খতিয়ে দেখতে হবে; অপর একটি: পূর্ব বাংলা ট্র্যাজেডি অবশ্যই জাতিসংঘের সামনে উপস্থাপন করতে হবে এবং সাধারণ পরিষদের বিশেষ কমিটিতে অন্তর্ভুক্তির চলমান প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন করতে হবে।
সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২-এর ফেব্রুয়ারি মাসে কেনেডি যখন সফরে এলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন চত্বরে তাঁকে নিয়ে ‘জয় কেনেডি জয় কেনেডি’ আনন্দধ্বনি উঠেছিল। দুঃসময়ের এই বন্ধুকে দিয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে উ ৎপাটিত বটমূলে নতুন করে বটবৃক্ষের চারা রোপণ করানো হয়েছিল। তখন স্কুলছাত্র হলেও পায়ের আঙুলে ভর দিয়ে মাথা উঁচিয়ে এই বৃক্ষরোপণের দৃশ্যটি দেখার সুযোগ নিবন্ধকারের হয়েছিল। এডওয়ার্ড কেনেডির সঙ্গে এসেছিলেন তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্রী কেরোলিন কেনেডি। বিস্মিত চোখে তিনিও দেখছিলেন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে দুঃসময়ের বন্ধুকে নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের প্রবল উচ্ছ্বাস। দেশে ফিরেই তিনি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য তাঁর ওজনদার ক্রমাগত চাপ অব্যাহত রাখলেন, শরণার্থী পুনর্বাসনে আন্তর্জাতিক সহায়তা চাইলেন, পিএল ৪৮০-এর আওতায় খাদ্য-সহায়তা কর্মসূচি দ্রুত চালুর দাবি জানালেন।
‘গণতন্ত্রের আইকন’, ‘সিনেটের সিংহ’ এডওয়ার্ড মুর কেনেডির জন্ম ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২, মৃত্যু ২৫ আগস্ট ২০০৯। তিনি দীর্ঘ ৪৭ বছর ম্যাসাচুসেটস থেকে নির্বাচিত সিনেটর ছিলেন। আততায়ীর হাতে প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি এবং পরবর্তী সময়ে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী রবার্ট কেনেডি নিহত হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট পদে তাঁর প্রার্থিতাই যখন ছিল সবচেয়ে অনুকূল; একটি ব্যক্তিগত দুর্ঘটনা ও পারিবারিক প্রয়োজন তাঁকে এই সম্ভাবনা থেকে সরিয়ে রাখে। তাঁর উদ্যোগ এবং তাঁর সহায়তায় ৪৭ বছরে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৩০০ জনকল্যাণমুখী ও শান্তি-সহায়ক আইন পাস হয়।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪০ বছর পূর্তিতে এই অকৃত্রিম বন্ধুর প্রতি অশেষ শ্রদ্ধা।


Prothom Alo
Reply With Quote
  #10  
Old December 2, 2011, 10:06 PM
Zunaid Zunaid is offline
Administrator
 
Join Date: January 22, 2004
Posts: 21,738

I am sure, they will cover Andre Malraux. He was resistance member during the 2nd World War, and the author of Le Humane Condition (1933), he was ready to parachute into Bangladesh to liberate her.

I had the privilege of receiving and allowed to put up some historical documents from the
Bangladesh Liberation Council of the Intelligentsia on Virtua Bangladesh. The Council was an organization of displaced teachers, scientists, poets, artists, writers, journalists and actors of Bangladesh who managed to escape the wrath of the Pakistani army during the war.

It was formed with the objective of supporting the war efforts of the Bangladesh Government, to press to the attention of the world our case for independence, to document crimes of the Pakistan Army, to do educational work among our freedom fighters, and to find for their members means of subsistence while they work for the liberation movement.

I had the privilege of seeing the following original letter from Andre Malraux.



Reply With Quote
  #11  
Old December 2, 2011, 10:13 PM
Navo's Avatar
Navo Navo is offline
Moderator
BC Editorial Team
 
Join Date: April 3, 2011
Location: Dhaka
Favorite Player: Shakib, M. Waugh, Bevan
Posts: 3,522

Quote:
Originally Posted by Neel Here
Navo, archer blood, not arthur blood.

here's his famous telegram to the state dept.

full size http://upload.wikimedia.org/wikipedi...d_telegram.png
Ah yes, sorry about that. Will never forget this man's contribution. Automatically my favourite Beatle.

__________________
thebarnecessities.wordpress.com
Reply With Quote
  #12  
Old December 3, 2011, 01:46 AM
bujhee kom's Avatar
bujhee kom bujhee kom is offline
Cricket Sage
 
Join Date: June 27, 2007
Location: Dhaka Mental Hospital
Favorite Player: Mo Chow = Chow Mo
Posts: 21,486

Thank you bhais and apus for all the posts.
Laal Salaam to these good souls, great hearts of humanity and freedom.\


Good to have you back in here my dear Neel.
__________________
Khela-dhulai Haraa-haari maraa-maari often with Lathi o ghushi thakbei...
Reply With Quote
  #13  
Old December 3, 2011, 05:16 AM
Nocturnal's Avatar
Nocturnal Nocturnal is offline
Cricket Guru
 
Join Date: June 18, 2005
Location: AB,Canada
Favorite Player: Rahul Dravid
Posts: 8,990

Lear Levin - American filmmaker - "Muktir Gaan" film was mainly based on his footage. Editing neatly done by late Tareque Masud.
__________________
ভাই, ল্যাঞ্জা যখন বাইর হইয়াই গেছে, একটু নাড়ান না
Reply With Quote
  #14  
Old December 3, 2011, 05:52 AM
nakedzero's Avatar
nakedzero nakedzero is offline
Cricket Legend
 
Join Date: February 3, 2011
Favorite Player: ShakTikMashNasir(ShakV2)
Posts: 2,024

Thanks to poorfan bhai specially. This is one of the most lovely thread of BC forum. Post gulo porle je ki onubhuti hoy can't explain. Anyway, Thanks.
Reply With Quote
  #15  
Old December 3, 2011, 06:24 AM
Night_wolf's Avatar
Night_wolf Night_wolf is offline
BC Staff
BC Bangladesh
 
Join Date: October 30, 2010
Location: City of Traffic Jam
Favorite Player: Gilly
Posts: 12,570

Ghorge harisson was another one...i awfully spelled the name wrong
__________________
Associates whom Bangladesh has lost to: 1.Kenya 2.Canada 3.Ireland 4.Netherlands 5. Scotland 6. Afganistan 7. Hongkong
Reply With Quote
  #16  
Old December 3, 2011, 09:28 AM
shuziburo's Avatar
shuziburo shuziburo is offline
Moderator
 
Join Date: April 12, 2007
Location: Dhaka / NYC Metro Area
Favorite Player: Shakib, Nasir, Sir Don
Posts: 9,082

Quote:
Originally Posted by Navo
Ah yes, sorry about that. Will never forget this man's contribution. Automatically my favourite Beatle.

He is not my favorite Beatle, but I respect him the most because of his role in 1971...
__________________
প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ, জীবন বাংলাদেশ আমার মরন বাংলাদেশ।
Reply With Quote
  #17  
Old December 3, 2011, 07:15 PM
Naimul_Hd's Avatar
Naimul_Hd Naimul_Hd is offline
Cricket Guru
 
Join Date: October 18, 2008
Location: Global City of Australia
Favorite Player: Shakib, Mashrafe
Posts: 13,364

Quote:
Originally Posted by Navo
Ah yes, sorry about that. Will never forget this man's contribution. Automatically my favourite Beatle.


I really feel sad when it comes to Bangladesh song, everyone remembers George Harrison song but no one care about "Joan Baez" song. She was supposed to sing for Bangladesh in the same concert but unfortunately she could not make it. But she wrote and sang a song for us based on cruel massacre of 25th March 71, when Pakistani soldiers attacked Iqball Hall in the night and killed hundreds of our innocent students.

Here is her song:






Joan Baez and our Liberation


http://www.mukto-mona.com/Articles/a...baez260306.htm

I am really grateful to this BAL Govt for recognizing her contribution FINALLY, one noteworthy work from this govt.

Finally Salute to this genius.
Reply With Quote
  #18  
Old December 4, 2011, 12:48 PM
Rifat's Avatar
Rifat Rifat is offline
Cricket Guru
 
Join Date: March 30, 2007
Location: Connecticut
Favorite Player: Hashim Amla
Posts: 10,587

Quote:
Originally Posted by Neel Here
bhutan. .
according to my mother, it is Yugoslavia, well, at least one of you have to be wrong...
Reply With Quote
  #19  
Old December 4, 2011, 01:35 PM
Zeeshan's Avatar
Zeeshan Zeeshan is offline
BC Staff
BC Editorial Team
 
Join Date: March 9, 2008
Posts: 25,579

Know the history behind that though Rifat? Hoping someone would shed some lights.

And thanks PF for the highly informative thread.
__________________
Life got me meditating like I'm in the Himalayas
Keep it G with the L lit on me like the elevator
Reply With Quote
  #20  
Old December 4, 2011, 08:31 PM
PoorFan PoorFan is offline
Moderator
 
Join Date: June 15, 2004
Location: Tokyo
Posts: 14,333


বিজয়ের ৪০ বছর: বিদেশি সহযোদ্ধা

মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠ সৈনিক দেবদুলাল

অমর সাহা, কলকাতা | তারিখ: ০৫-১২-২০১১



  • ০ মন্তব্য
  • প্রিন্ট
  • ShareThis




« আগের সংবাদ পরের সংবাদ»
  • দেবদুলাল
1 2




বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের এক বলিষ্ঠ কণ্ঠ ছিল তাঁর। তিনি কণ্ঠসৈনিক দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়। একাত্তরের সেই উত্তাল দিনগুলোয় মুক্তিযোদ্ধাদের অন্যতম অনুপ্রেরণা-দাতাও তিনি। আজ তিনি নেই, কিন্তু এখনো বেঁচে আছে তাঁর কণ্ঠ। এখনো তাঁর কণ্ঠ শুনে অনুপ্রাণিত হয় বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম।
দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায় ৭৬ বছর বয়সে লোকান্তরে চলে গেছেন এ বছরের ২ জুন। রেখে গেছেন ছেলে দেবরাজ ও মেয়ে দেবারতী বন্দ্যোপাধ্যায়কে মৃত্যুর আগে দীর্ঘদিন অসুস্থতা নিয়ে কাটিয়েছেন কলকাতার সাদার্ন এভিনিউর নিজ বাসভবনে।
শেষ জীবনে বেশ কয়েকবার কথা বলেছেন প্রথম আলোর সঙ্গে। বলেছিলেন, বাংলাদেশই ছিল তাঁর দ্বিতীয় স্বদেশ। ১৯৬৩ সাল থেকে আকাশবাণী রেডিও কেন্দ্রে চাকরি করেছেন তিনি। আর সেখান থেকেই অবসর নেন ১৯৯৪ সালে।
বারবার তিনি এ কথাও বলেছিলেন, তাঁর পেশাগত জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়টাই। ‘সেদিন আমি প্রাণভরে আমার যৌবন উজাড় করে দিয়েছিলাম বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের জন্য। এমন ঘটনা তো সবার ভাগ্যে ঘটে না। আমি সেই ঘটনার ভাগ্যবান ব্যক্তি, সাক্ষী। পেয়েছি কোটি বাঙালির ভালোবাসা।’
দেবদুলালের কথায়, ‘আকাশ-বাণীর খবর পড়তে গিয়ে নিজেকে মাঝেমধ্যে আর সংবরণ করতে পারিনি। ভাবিনি, আমি একজন খবর-পাঠক। মনে হয়েছিল, আমিও একজন মুক্তিযোদ্ধা। সেদিন আমার বুকের সব আবেগ আর উত্তেজনা ঢেলে দিয়েছিলাম আকাশবাণীর সংবাদ, সংবাদ পরিক্রমা বা সংবাদ সমীক্ষা পড়তে গিয়ে। রণাঙ্গনের খবর যখন পড়তাম, তখন নিজেকে মনে করতাম, আমিও সেই রণাঙ্গনের একজন সৈনিক। যখন মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের কথা পড়তাম, তখন আমার মনের সমস্ত উলস, উচ্ছ্বাস নেমে আসত কণ্ঠজুড়ে। যখন করুণ হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা পড়তাম, তখন কান্নায় জড়িয়ে আসত গলা।’
দেবদুলাল বলেছিলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিকটায় যেন নেশায় পেয়ে বসেছিল আমাকে। উত্তেজনা আর প্রবল আগ্রহে অপেক্ষা করতাম, কখন পড়ব বাংলাদেশের খবর। এই খবর পড়ার জন্য কখনো কখনো রাতে বাড়িও ফিরিনি। রাত কাটিয়েছি আকাশবাণী ভবনে। ভোরের খবর পড়তে হবে যে!’
এই কণ্ঠসৈনিক বলেছিলেন, ‘আমি বাংলাদেশকে খুব একটা জানতাম না। জেনেছি খবর পড়তে গিয়ে। আমার জন্ম পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার শান্তিপুরে, ১৯৩৪ সালে। বড় হয়েছি কলকাতায়। আর এই খবর পড়তে গিয়ে ভালোবেসে ফেলেছি বাংলাদেশকে।’ শুধু কি তাই, ‘একাত্তর কেন, সেই ১৯৬৮-৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের উত্তাল দিনগুলোতেও পড়েছি বাংলাদেশের খবর। তখন কে জানত, এই অভ্যুত্থানের পথ বেয়ে বাংলাদেশ হবে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম বাঙালিদের রাষ্ট্র। পৃথিবীর বুকে বাঙালিদের জন্য তৈরি হবে একটি স্বাধীন আবাসভূমি।’
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী মানুষ গোপনে, এমনকি জঙ্গলে গিয়েও শুনেছে আকাশবাণী বা বিবিসির খবর। শুনেছে দেবদুলালের কণ্ঠস্বর। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭২ সালে দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেওয়া হয়েছিল ভারতের রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘পদ্মশ্রী’।

Prothom Alo
Reply With Quote
  #21  
Old December 4, 2011, 08:37 PM
PoorFan PoorFan is offline
Moderator
 
Join Date: June 15, 2004
Location: Tokyo
Posts: 14,333

Quote:
Originally Posted by Rifat
according to my mother, it is Yugoslavia, well, at least one of you have to be wrong...
In my knowledge that is truth, need some links for back up.
Reply With Quote
  #22  
Old December 4, 2011, 08:53 PM
PoorFan PoorFan is offline
Moderator
 
Join Date: June 15, 2004
Location: Tokyo
Posts: 14,333

Quote:
Originally Posted by Zeeshan
Know the history behind that though Rifat? Hoping someone would shed some lights.

And thanks PF for the highly informative thread.
Please share on that, anyone. Though I still can remember ... we little kids were taken to the airport street [in front of PM's office] to greet Marshal Tito waving small BD and Yugoslav flag, chanting something in Yugoslav that we were taught.

I cant remember the exact year but it was few years later of our independent. Back then Bangobondho and Tito had warm friendly relation between them as I heard.
Reply With Quote
  #23  
Old December 4, 2011, 08:55 PM
Navo's Avatar
Navo Navo is offline
Moderator
BC Editorial Team
 
Join Date: April 3, 2011
Location: Dhaka
Favorite Player: Shakib, M. Waugh, Bevan
Posts: 3,522

Quote:
Originally Posted by Naimul_Hd
I really feel sad when it comes to Bangladesh song, everyone remembers George Harrison song but no one care about "Joan Baez" song. She was supposed to sing for Bangladesh in the same concert but unfortunately she could not make it. But she wrote and sang a song for us based on cruel massacre of 25th March 71, when Pakistani soldiers attacked Iqball Hall in the night and killed hundreds of our innocent students.

Here is her song:






Joan Baez and our Liberation


http://www.mukto-mona.com/Articles/a...baez260306.htm

I am really grateful to this BAL Govt for recognizing her contribution FINALLY, one noteworthy work from this govt.

Finally Salute to this genius.
You're right and her song is very touching I think people pay attention to George Harrison more because a) he was a Beatle, b) he and Ravi Shankar organized the concert and fundraised an incredible amount of money and c) his performance was recorded for posterity in the Concert for Bangladesh DVD.
__________________
thebarnecessities.wordpress.com
Reply With Quote
  #24  
Old December 5, 2011, 06:41 PM
Nocturnal's Avatar
Nocturnal Nocturnal is offline
Cricket Guru
 
Join Date: June 18, 2005
Location: AB,Canada
Favorite Player: Rahul Dravid
Posts: 8,990

Learned something new from PA today - India was the First Nation to give Recognition to Bangladesh!

Prothom-alo today
http://www.prothom-alo.com/detail/da...06/news/206848

৬ ডিসেম্বর ইন্দিরা গান্ধী লোকসভায় ঘোষণা দেন, ‘আমি এই হাউসকে আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, বিদ্যমান পরিস্থিতির আলোকে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমাদের বিশ্বাস, কালক্রমে আরও অনেক দেশ স্বীকৃতি দেবে।’
একই দিন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদকে লেখা চিঠিতে ইন্দিরা গান্ধী বলেন, ‘আমার কোনো সন্দেহ নেই, যুদ্ধে এবং জীবন উৎসর্গে এই সহযাত্রা মহৎ আদর্শের প্রতি এবং দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক বন্ধুত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আমাদের নিঃস্বার্থ প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করবে।’এটাই ছিল বাংলাদেশের জন্য কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের প্রথম স্বীকৃতি। দ্বিতীয় স্বীকৃতি দেয় ভুটান।



Full Article:

বিজয়ের ৪০ বছর: বিদেশি সহযোদ্ধা
ইন্দিরা গান্ধী দুঃসময়ের বন্ধু
সোহরাব হাসান | তারিখ: ০৬-১২-২০১১




৪ এপ্রিল ১৯৭১। ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী তাঁর সরকারি বাসভবনে অপেক্ষা করছেন একজন দর্শনার্থীর। তিনি আর কেউ নন, আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় প্রধান নেতা তাজউদ্দীন আহমদ। সাক্ষাতের ব্যবস্থা করেন বিএসএফের প্রধান রুস্তমজি। শুরুতেই তাজউদ্দীন আহমদ বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সংগ্রামে ভারতের সহযোগিতা চান। জবাবে ইন্দিরা গান্ধী বলেন, ‘সহযোগিতা দিতে হলে তো আপনাদের সরকার গঠন করতে হবে।’ তাজউদ্দীনের জবাব, ‘আমরা সরকার গঠন করব।’ এই বৈঠকেই তাঁকে জানানো হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পাকিস্তানি বাহিনী আটক করেছে। তখন পর্যন্ত পাকিস্তান সরকার খবরটি গোপন রেখেছিল।
এরপর তাজউদ্দীন আহমদ ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার গঠনের ঘোষণা দেন। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি, তিনি প্রধানমন্ত্রী। ১৭ এপ্রিল কুষ্টিয়া জেলার বৈদ্যনাথতলায় সরকার আনুষ্ঠানিক শপথ নেয়।

এরপর দীর্ঘ নয় মাস বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামকে সফল করতে অর্থ, অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিয়ে যে বিদেশি রাষ্ট্রনেতা সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, তিনি ইন্দিরা গান্ধী। তখন শক্তিশালী আমেরিকা ও চীন ছিল পাকিস্তানের পক্ষে। তিনি প্রথমে সরাসরি পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধে না জড়িয়ে বাংলাদেশে দখলদার বাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতন ও শরণার্থী সমস্যাটি বিশ্বসম্প্রদায়ে কাছে তুলে ধরেন। বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্বজনমত গড়ে তুলতে ইউরোপ ও আমেরিকায় ঝটিকা সফর করেন।

২৭ মার্চ প্রথম ভারতের লোকসভা ও রাজ্যসভায় এক প্রস্তাবে অবিলম্বে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা ও নির্যাতন বন্ধের আহ্বান জানানো হয়। এরপর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানায়। কিন্তু ইন্দিরা গান্ধী ধীরে চলো নীতি ও কূটনৈতিক কৌশলের পক্ষপাতী ছিলেন। আগস্টে তিনি সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি সই করেন। ইন্দিরা গান্ধী শীত পর্যন্ত যুদ্ধ ঠেকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন। কেননা সে সময়ে চীনা বাহিনীর পক্ষে সীমান্তে অভিযান চালানো সম্ভব হবে না।

যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে ইন্দিরা গান্ধী মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনকে ঠাট্টা করে বলেছিলেন, ‘মি. প্রেসিডেন্ট, আমি ওয়াশিংটনের আবহাওয়া নিয়ে আলোচনা করতে আসিনি। এসেছি সাড়ে সাত কোটি মানুষের ন্যায়সংগত সংগ্রাম এবং এক কোটি শরণার্থীর দুঃখ-দুর্দশার কথা বলতে।’

অক্টোবর-নভেম্বর মাসজুড়ে ভারতীয় বাহিনীর সহযোগিতায় মুক্তিবাহিনী বিভিন্ন রণক্ষেত্রে পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাস্ত করতে থাকে। আত্মরক্ষার শেষ চেষ্টা হিসেবে পাকিস্তান ৩ ডিসেম্বর ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ভারত তার পাল্টা জবাব দেয়।

৬ ডিসেম্বর ইন্দিরা গান্ধী লোকসভায় ঘোষণা দেন, ‘আমি এই হাউসকে আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, বিদ্যমান পরিস্থিতির আলোকে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমাদের বিশ্বাস, কালক্রমে আরও অনেক দেশ স্বীকৃতি দেবে।’একই দিন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদকে লেখা চিঠিতে ইন্দিরা গান্ধী বলেন, ‘আমার কোনো সন্দেহ নেই, যুদ্ধে এবং জীবন উৎসর্গে এই সহযাত্রা মহৎ আদর্শের প্রতি এবং দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক বন্ধুত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আমাদের নিঃস্বার্থ প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করবে।’ এটাই ছিল বাংলাদেশের জন্য কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের প্রথম স্বীকৃতি। দ্বিতীয় স্বীকৃতি দেয় ভুটান।

১৬ ডিসেম্বর দখলদার বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল নিয়াজি ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করেন।
স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুনর্বাসনকাজেও ইন্দিরা গান্ধীর সরকার সহযোগিতা করেছে।
ইন্দিরা গান্ধী তাঁর দেশে নকশাল দমন কিংবা বিরোধী দলের প্রতি কঠোর আচরণের কারণে বিতর্কিত হতে পারেন, কিন্তু বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অসামান্য ভূমিকা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি ছিলেন দুঃসময়ের বন্ধু।

__________________
ভাই, ল্যাঞ্জা যখন বাইর হইয়াই গেছে, একটু নাড়ান না
Reply With Quote
  #25  
Old December 5, 2011, 06:58 PM
Zunaid Zunaid is offline
Administrator
 
Join Date: January 22, 2004
Posts: 21,738

Yugoslavia was among the earliest but not the 2nd. Here are the first 10, with dates.

India, Dec 6, 1971 - absolutely no surprise as to who was first
Bhutan, Dec 7, 1971 - not surprising; Bhutan's foreign policy at that time was dictated by India
Poland, Jan 12, 1972 - not surprising; Soviet block
Bulgaria, Jan 12 1972 - not surprising; Soviet block
Myanmar Jan 13, 1972 - surprising
Nepal - 16 Jan, 1972 - not surprising
Barbados - 20 Jan, 1971 - interesting
Yugoslavia - 22 Jan, 1972 - not surprising; Nonaligned movement, Tito was BFF with Indira

The rest 20 or so, in chronological order:

Tonga
Russia
Czechoslovakia

Cyprus
Hungary
Australia
Fiji
New Zealand
Senegal
Britain
West Germany
Finland
Denmark
Sweden
Norway
Iceland
Israel
Japan
Luxemburg
Netherlands
Belgium
Ireland
Italy


src: http://www.bcstest.com/bdesh_details.php?id=39
Reply With Quote
Reply

Bookmarks


Currently Active Users Viewing This Thread: 1 (0 members and 1 guests)
 
Thread Tools
Display Modes

Posting Rules
You may not post new threads
You may not post replies
You may not post attachments
You may not edit your posts

BB code is On
Smilies are On
[IMG] code is On
HTML code is On



All times are GMT -5. The time now is 10:55 PM.


Powered by vBulletin® Version 3.8.7
Copyright ©2000 - 2014, vBulletin Solutions, Inc.
BanglaCricket.com
 

About Us | Contact Us | Privacy Policy | Partner Sites | Useful Links | Banners |

© BanglaCricket