| |
| Forget Cricket Talk about anything [within Board Rules, of course :) ] |

March 11, 2012, 03:37 AM
|
 |
Test Cricketer
|
|
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869
|
|
চিকিৎসা ব্যবস্থা
মানুষ চিকিৎসা নিতে ‘অমানুষ’দের কাছেই যাবে
মশিউল আলম | তারিখ: ১১-০৩-২০১২
হেলথ ওয়াচ নামের এক বেসরকারি সংস্থার গবেষণা প্রতিবেদনের তথ্য: বাংলাদেশে একজন চিকিৎসক গড়ে প্রতিটি রোগীর পেছনে সময় দেন মাত্র ৫৪ সেকেন্ড।
হেলথ ওয়াচের সমীক্ষার হিসাবে, বাংলাদেশে ২০১০ সালে মোট ছয় হাজার কোটি টাকার ওষুধ বিক্রি হয়েছে। বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজি বিভাগের একজন শিক্ষক ও গবেষক বলেন, এর অর্ধেকটাই, তিন হাজার কোটি টাকার ওষুধ অতিরিক্ত, অপ্রয়োজনীয়; ‘ইর্র্যাশনাল ইউজ অব ড্রাগ’ বা ওষুধের অযৌক্তিক ব্যবহার।
কিন্তু এটা কেমন করে ঘটে? কেন ঘটে?
বাংলাদেশে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির মোট বিশ হাজারের মতো মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ আছেন, তাঁরা নিজ নিজ কোম্পানির ওষুধ বিপণনে চিকিৎসকদের মন জয় করতে তীব্র প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। তাঁরা অতি উচ্চ মাত্রায় ‘টার্গেট ওরিয়েন্টেড’, টার্গেট পূরণের জন্য চিকিৎসকদের নানা ধরনের ‘প্রণোদনা’ দিয়ে থাকেন। ওষুধ কোম্পানিগুলো চিকিৎসকদের সম্পর্কে তথ্য রাখে, তাঁদের দেওয়া ব্যবস্থাপত্র মনিটর করে। ওষুধ কোম্পানিগুলোর বেপরোয়া বিপণন তৎপরতার ফলে ১৯৯৪ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ওষুধ বিক্রির পরিমাণ বেড়েছে চার গুণেরও বেশি। ওষুধ বেশি বিক্রি হলে কোম্পানির লাভ, চিকিৎসকেরও লাভ। তাই ওষুধ বিক্রি না বাড়ার কোনোই কারণ নেই।
রোগী চিকিৎসকের কাছে গেলেই তাঁকে নানা ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাগজ ধরিয়ে দেওয়া হয়। কোনো কোনো চিকিৎসক উল্লেখ করে দেন কোন প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষাগুলো করিয়ে আনতে হবে। সাধারণ মানুষের ধারণা, চিকিৎসকেরা ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর কাছ থেকে ‘কমিশন’ পেয়ে থাকেন। এ বিষয়ে এখনো কোনো গবেষণা-সমীক্ষার খবর পাওয়া যায়নি। কিন্তু মানুষের সাধারণ ধারণার যে কোনো ভিত্তি নেই, তা বলা যায় না।
রোগী চিকিৎসকের কাছে গেলে চিকিৎসক তাঁকে ডায়াগনস্টিক পরীক্ষাগুলো করতে পাঠান, তখন ভিজিট নেন, তারপর যখন রিপোর্টগুলো দেখেন, তখন আবারও ভিজিট নেন (প্রথমবারের চেয়ে কম)
। অস্ত্রোপচারের রোগী অস্ত্রোপচারের পর যতবার ডাক্তারের কাছে যাবেন, ততবার ডাক্তার টাকা নেবেন। হাসপাতাল/ক্লিনিকে ভর্তি থাকলে রোগী ওই ডাক্তারের আর দেখাই পাবেন না, কালেভদ্রে তাঁর জুনিয়র কলিগ বা ছাত্ররা এসে রোগীকে এক নজর দেখে যাবেন। রোগীর মনে হবে, তিনি কাঙাল, টাকা দিয়ে চিকিৎসা কিনতে আসেননি, করুণা ভিক্ষা করতে এসেছেন। তখন তাঁর মনে হবে, ডাক্তার মানুষ না, টাকা বানানোর যন্ত্র। তিনি বলে বেড়াবেন, ‘টাকা দিয়েও চিকিৎসা পাবেন না, এমন জায়গা আমি আপনাকে দেখাতে পারি।’ (এক পাঠকের মন্তব্য)।
সরকারের বেতনভুক চিকিৎসক সরকারি হাসপাতালে দায়িত্ব পালনের চেয়ে ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখায় বেশি আগ্রহী; হাসপাতালের পদ-পদবি তিনি ব্যবহার করেন প্রাইভেট প্র্যাকটিসের পক্ষে সহায়ক ‘সাইনবোর্ড’ হিসেবে। এ প্রসঙ্গে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কিছু চিকিৎসক সম্পর্কে এমন গুরুতর কিছু অভিযোগ শুনেছি, যা ফৌজদারি অপরাধের শামিল।
ঢাকায় একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের ভিজিট ফি ৭০০-৮০০ টাকা, গ্রামাঞ্চলে ৪০০-৫০০ টাকা। মানুষ মনে করে, এটা ‘গলাকাটা ফি’। এত টাকা কেন নেওয়া হয়? কে নির্ধারণ করে দিয়েছে ৮০০ টাকা বা ৫০০ টাকা ভিজিট ফি? আর সেটা রাতারাতি ৫০০ টাকা থেকে এক লাফে ৮০০ টাকায় উঠলে কিছু বলার বা করার কেউ কি আছে? তা ছাড়া, চিকিৎসকেরা কি ভিজিটের টাকা নিয়ে রোগীকে রসিদ দেন? যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্রাইভেট চেম্বারে বসে এক সন্ধ্যায় চল্লিশ-পঞ্চাশ জন রোগী দেখেন, তাঁর দৈনিক আয় কত? তিনি আয়কর বিভাগকে কী হিসাব দেন?
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান কক্সবাজার সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে অনিয়ম দেখে মন্তব্য করেছিলেন, ‘ডাক্তাররা অমানুষ, গরিবের রক্তচোষা’। এতে চিকিৎসক সমাজের পক্ষ থেকে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা হলে মিজানুর রহমান প্রথম আলোয় ‘আমার মন্তব্য দেশের সব চিকিৎসক সম্পর্কে নয়’ শিরোনামে একটা লেখা প্রকাশ করেছেন (৯ মার্চ)। সে লেখায় তিনি বলেছেন, ‘বক্তব্যে কোনো চিকিৎসক আহত হয়ে থাকলে আমি দুঃখিত’। প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে তাঁর এই লেখার পাঠক-প্রতিক্রিয়ায় অনেক পাঠক লিখেছেন, তাঁর দুঃখ প্রকাশের প্রয়োজন ছিল না, কারণ তিনি ভুল বা অন্যায় কিছু বলেননি। এমনকি কেউ কেউ লিখেছেন, তিনি যেন তাঁর ওই বক্তব্য থেকে বিচ্যুত না হন। এর আগে ৬ মার্চ প্রথম আলোয় প্রকাশিত এক প্রতিক্রিয়ায় বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের ডিন অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ লিখেছিলেন, মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান চিকিৎসকদের সমালোচনা করতে গিয়ে ‘যে ভাষা ব্যবহার করেছেন তা সুস্পষ্ট মানবাধিকারের লঙ্ঘন’। অনলাইন সংস্করণে ওই লেখার পাঠক-প্রতিক্রিয়াগুলোর অধিকাংশই মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের বক্তব্যকে সমর্থন করে, এমনকি কোনো কোনো পাঠক আরও কঠোর ভাষা ব্যবহার করে চিকিৎসকদের সমালোচনা করেছেন। চিকিৎসকদের সম্পর্কে ‘কসাই’, ‘ডাকাত’ ইত্যাদি কঠিন কঠিন শব্দ ব্যবহার করেছেন কেউ কেউ। ডা. আবদুল্লাহর বক্তব্যকে সমর্থন করে যাঁরা প্রতিক্রিয়া লিখেছেন, তাঁদের অধিকাংশই চিকিৎসক বা চিকিৎসা শিক্ষার সঙ্গে জড়িত। চিকিৎসক সমাজের সদস্যরা ছাড়া অবশিষ্ট জনগণ চিকিৎসকদের সম্পর্কে কী ধারণা পোষণ করে—তার একটা মোটা দাগের চিত্র পাওয়া যায় ডা. আবদুল্লাহর ও মিজানুর রহমানের ওই দুটি লেখার পাঠক প্রতিক্রিয়াগুলো থেকে।
মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান যদি তাঁর মন্তব্যের সঙ্গে ‘এক শ্রেণীর ডাক্তার’ বা ‘ডাক্তারের একাংশ’ বা ‘ডাক্তারদের কেউ কেউ’ শব্দবন্ধ জুড়ে দিতেন, তাহলে এ নিয়ে কোনো বিতর্কের সৃষ্টি হতো না, চিকিৎসক সমাজও এতটা ক্ষুব্ধ হতেন না। সে রকম বলাই তাঁর উচিত ছিল।
কিন্তু ‘আবেগতাড়িত হয়ে’ উক্তিটি করার সময় কূটনৈতিক ভব্যতার বিষয়টি তাঁর মাথায় আসেনি বলে তিনি বিরাট বড় অন্যায় করে ফেলেছেন তা-ও বলা ঠিক হবে না। কোনো জনগাষ্ঠীর সুখ্যাতি বা কুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে ওই গোষ্ঠীর সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের দৃশ্যমান বৈশিষ্ট্য বা আচরণের কারণে। ‘বাংলাদেশের মানুষ গরিব’—এমন কথা বললে এটা বোঝায় না যে বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষই গরিব, একজনও ধনী লোক নেই। বা লোকে যখন বলে ‘ব্রিটিশ পুলিশ ভালো’—তখন এটা বোঝায় না যে ব্রিটিশ পুলিশের প্রত্যকটি সদস্যই ভালো। আমাদের চিকিৎসকদের কত শতাংশ ‘অমানুষ’ ও ‘রক্তচোষা’র মতো ব্যবহার করলে চিকিৎসকেরা অমানুষ ও রক্তচোষা, এমন কথা বলা অন্যায় হবে না?
ডা. আবদুল্লাহ ক্ষুব্ধ সুরে লিখেছেন, ‘রোগীরা কি মানবাধিকার কমিশনে গিয়ে স্বাস্থ্যসেবা নেবেন?’ একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপকের এই কথায় যে অচিকিৎসকসুলভ চিন্তাধারার প্রকাশ ঘটে, তা বিস্ময়কর ও মর্মান্তিক। ডা. দেবপ্রসাদ অধিকারী নামের এক চিকিৎসক-পাঠকের মন্তব্যেও একই মানসিকতার প্রকাশ: ‘ঈশ্বর না করুন, রাত তিনটায় চেয়ারম্যান সাহেব অসুস্থ হলে তাঁকে কিন্তু কোনো রক্তচোষার কাছেই দৌড়াতে হবে। মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান হয়ে অমানুষদের কাছে দৌড়ানো শোভা পায় না।’ মনে প্রশ্ন জাগছে: মানবাধিকার সম্পর্কে, চিকিৎসক পেশার নৈতিক স্বরূপ সম্পর্কে এ রকম চিন্তাধারাই কি চিকিৎসকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে? ডা. আবদুল্লাহর লেখাটির প্রতিক্রিয়ায় আরেক পাঠক লিখেছেন, ‘চিকিৎসক পেশার সাথে অন্য পেশার যে বিশাল তফাৎ তা তো এই লোক নিজেই বোঝে না—ছাত্রদের কি ছাই বোঝাবে?’
অধিকাংশ পাঠকের মতে, মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান জনগণের মনের কথাই বলেছেন—এটাই আসলে বিবেচনার মূল বিষয়। চিকিৎসকেরা এখন নিজেদের মনকেই জিজ্ঞাসা করতে পারেন, ‘জনসাধারণ আমাদের অমানুষ ও রক্তচোষা মনে করে কেন?’
এই আত্মজিজ্ঞাসা খুব জরুরি, কারণ সমাজে চিকিৎসক পেশার মর্যাদা, অনেকে বলেন, সৃষ্টিকর্তার পরেই: মানুষের প্রাণ ও সুস্থতা নিয়ে চিকিৎসকের কাজ। চিকিৎসকদের সঙ্গে সমাজের আর কোনো পেশাজীবী গোষ্ঠীরই তুলনা চলে না। চিকিৎসকের ঘুম নেই, খাওয়ার সময় নেই, স্ত্রী-সন্তানদের জন্য সময় নেই। কারণ মানুষের জীবন বাঁচানো এসবের চেয়ে অনেক অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এসব জেনে-বুঝেই একজন মেধাবী শিক্ষার্থী সিদ্ধান্ত নেন যে তিনি চিকিৎসক হবেন। মানুষের এই ধারণা ও প্রত্যাশা কী মাত্রায় আঘাত পেলে চিকিৎসকদের সম্পর্কে অমানুষ, গরিবের রক্তচোষা, কসাই, ডাকাত ইত্যাদি শব্দ তারা ব্যবহার করতে পারে—এই জিজ্ঞাসা চিকিৎসকদের মনে জাগা উচিত।
চিকিৎসকদের মধ্যে যাঁরা সৎ ও মানবিক, যাঁরা চিকিৎসা পেশার প্রকৃত নৈতিক স্বরূপ আন্তরিকভাবে উপলব্ধি করেন, আমার বিশ্বাস, মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের মন্তব্যে তাঁরা ক্ষুব্ধ হননি। কারণ, তাঁরা জানেন, মন্তব্যটি তাঁদের জন্য প্রযোজ্য নয়। এক পরিচিত চিকিৎসক আমাকে টেলিফোন করে বললেন, ‘মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে আমার অসংখ্য ধন্যবাদ পৌঁছে দেবেন; তাঁর এই মন্তব্যে যদি অমানুষ ও রক্তচোষাদের একটুখানি হলেও টনক নড়ে।’
মশিউল আলম: সাংবাদিক
__________________
-- Alwayz with  !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!
|

April 5, 2012, 08:31 PM
|
 |
Test Cricketer
|
|
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869
|
|
বস্তিবাসী শিশুগুলো যখন পরিসংখ্যান হয়ে যায়
ফারুক ওয়াসিফ | তারিখ: ০৩-০৩-২০১২
বস্তিজীবন সভ্যতার তলানিতে জমা গাদের মতো
শিশুটিকে প্রায়ই দেখি। যতটা কালো দেখায় ততটা কালো সে নয়। আমাদের জুতাগুলো প্রতিদিন রাস্তায় যত ময়লা রেখে আসে, সেগুলোয় মাখামাখি হওয়ায় তার মুখ আরও কালো দেখায়। সে রাস্তার শিশু। ফুটপাতটা তার এক টুকরা আঙিনা, সেখানে ঘুমায়, সেখানেই খেলে শিশু-খেলা। ঝাঁপিয়ে গিয়ে ওঠে মায়ের কোলে। মায়ের মুখটাও যতই কালিঝুলিতে ঢাকা থাক, বাচ্চার জগৎ-ভোলানো হাসির টানে সেও ভুবনমোহিনী হাসি না হেসে পারে না। মায়ের এই কোলটা ছাড়া আর কিছু নেই শিশুটার। আর সব ভীষণ রাস্তাঘাট, নিষ্ঠুর পুলিশ-সরকার। আর আছে ফুটপাত আর বস্তিতে বেড়ে ওঠা শিশুদের জন্ম-মৃত্যুর পরিসংখ্যান। ওই সব পরিসংখ্যানের একটি সংখ্যা হওয়া থেকে রেহাই পেতে হলে শিশুটিকে বেঁচে থাকতে হবে। কঠিন এক শীত চলে গেল, পিচ গলানো গরম আসছে, সঙ্গে আসছে বস্তি-ফুটপাত ডোবানো বর্ষা আর নোংরা গদগদে কাদা-জীবাণু আর অভাব। এত সব পেরিয়ে কি বেঁচে থাকতে পারবে শিশুটি?
ওদের দেখা পাই সাধারণত সন্ধ্যার পর, কারওয়ান বাজারের ফুটপাতে। দিনের বেলা তারা কই যায়, কী করে, তার হদিস পাওয়া মুশকিল। রাত যত বাড়ে, ততই ঢাকা শহরের ফুটপাত, ওভারব্রিজ, সড়কদ্বীপ, অফিস ভবনের খোলা বারান্দা ভরে ওঠে এসব কালো কালো ভুতুড়ে মানুষ দিয়ে। সংখ্যা গুনতে হলে সেটাই উত্তম সময়।
কিছুদিন হলো ওই শিশুটিকে আর দেখি না—অন্য শিশু দেখি, অন্য মা দেখি, ফুটপাতবাসী অন্য নারী-পুরুষ দেখি। আর কেবল পরিসংখ্যান দেখি। ইউনিসেফের বার্ষিক প্রতিবেদন বলছে, বাংলাদেশে শহরের বস্তি এলাকার শিশুমৃত্যুর হার বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। সব দিক থেকেই তাদের অবস্থা গ্রামের গরিব শিশুদের থেকেও খারাপ। শহুরে বস্তিতে এক হাজার জীবিত জন্মানো শিশুর ৯৫ জনই মারা যায়, গ্রামে মারা যায় ৬৬ জন। গ্রামে প্রাক্-প্রাথমিকে ভর্তি হয় ২২ শতাংশ, বস্তিতে হয় তার অর্ধেক। শহর ও গ্রামে ৮০ শতাংশ শিশু পঞ্চম শ্রেণীতে পৌঁছায়, বস্তিতে তাদের হার ৪৮ শতাংশ। গত বৃহস্পতিবারের প্রথম আলোয় ওই পরিসংখ্যানের সঙ্গে এটাও বলা হয়েছে, বস্তির বঞ্চিতদের মধ্যে শিশুরা বঞ্চিততম। এবং তারা বাধ্য দুনিয়ার সব থেকে কম মূল্যে গতর খাটাতে। বস্তিতে সবই কম, বহু বন্দিত ও প্রচারিত ‘মহান মানবতা’ও সেখানে ঢুকতে গিয়ে মুমূর্ষু হয়ে পড়ে। মানবতা, উন্নয়ন, সভ্যতা, আধুনিকতার মতো চকচকে ব্যাপারগুলো তাই বস্তির গা বাঁচিয়ে চলে। বদলে তারা হাজির করে পরিসংখ্যান, শিশুমৃত্যুর পরিসংখ্যান, না খাওয়া ও রোগে ভোগা জীবনের টলায়মানতার পরিসংখ্যান। হয়তো এ রকম শুকনা পরিসংখ্যানের মধ্যেই হারিয়ে গেছে আমার দেখা ওই শিশু ও তার মা।
এদের জীবন নিয়ে স্লামডগ মিলিয়নিয়ার-এর মতো মিলিয়ন ডলার কামানো ছবি অথবা বস্তির রাজা টাইপের সিনেমা হতে পারে, মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের গবেষণা ও উন্নয়ন কর্মসূচি চলতে পারে, বস্তির লোকের নেতা বা গডফাদার হয়ে ক্ষমতার খুঁটি পোক্ত করা যেতে পারে; কিন্তু এই জীবনকে ভালোবাসা যায় না। এই জীবন মানুষের না, এই জীবন মানুষের পক্ষে যাপন করা প্রায় অসম্ভব। কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস লিখেছিলেন, এই বস্তিবাসীরা যে পানি পান করে তা দিয়ে ভদ্রলোকেরা এমনকি শৌচকাজ করতেও রাজি হবে না।
অর্থনীতির দোষে তারা গ্রামের জমিজমা ও সমাজ দুটোই খুইয়ে বসেছে, আর এদিকে রাষ্ট্র তাদের পরিত্যাগ করেছে। পরিত্যক্ত হলেও তো তারা জন্মসূত্রে মানুষ। সেই সূত্রেই বস্তি নামক হাবিয়া দোজখে তারা আবার সমাজ গড়ে তোলে, পরিবার পত্তন করে। সেখানে নতুন এক সংস্কৃতিও দিনে দিনে চেহারা পায়। আনন্দ-শোকে, প্রেমে ও বিবাদে, দলাদলি আর এজমালি ব্যাপারে সেই সংস্কৃতির জীবনবাদিতার জোর একেবারে কম নয়। কিন্তু এদের এই মৃত্যু ও দারিদ্র্য ঠেকানোর যুদ্ধ, এদের এই একত্রে থাকার সামাজিকতা সরকার মহাশয়ের দরবারে কোনো দামই পায় না।
সরকারি হিসাবে দেশে ৭০ লাখ মানুষ বস্তিবাসী, বাস্তবে তা কোটি হবে। একাত্তরে এই পরিমাণ মানুষই সীমান্ত পেরিয়ে শরণার্থী হয়েছিল। স্বাধীন দেশে সেই পরিমাণ মানুষই সারা দেশ থেকে ভিটামাটি ও জীবিকা হারিয়ে বস্তি নামক অভ্যন্তরীণ শরণার্থী শিবিরের স্থায়ী বাসিন্দা হয়েছে। শরণার্থীরা তাও ত্রাণ পায়, স্বীকৃতি পায়, তাদের দায় নেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকে রাষ্ট্রের বা জাতিসংঘের। কিন্তু বস্তিবাসীদের বেলায় সবাই নিদায়। তারা রাষ্ট্রের ভেতরে রাষ্ট্রহীন নৈনাগরিক। এই নৈনাগরিকদের জন্য রাষ্ট্র একমাত্র যে সেবাটি পাঠায়, তা দিতে আসে উচ্ছেদের বুলডোজার আর পুলিশের লাঠি। ভুলে যাওয়া হয়, শহরটা তাদেরও, দেশটাও তাদের।
বস্তিবাসীদের সিংহভাগই থাকে ঢাকায়। ঢাকাই এ দেশের রাজধানী, রাষ্ট্রের যাবতীয় শৌর্যবীর্য মহানুভবতার প্রদর্শনী মঞ্চ। অথচ এই শহরভিত্তিক শক্তিমান রাজনৈতিক দলগুলোর এদের ব্যাপারে কোনো কর্মসূচি নেই, দাবিদাওয়া নেই। গরিব-ভূমিহীন আর বস্তিবাসীদের কোনো স্থান রাজনীতির আলোচনায় অথবা উন্নয়নের বাহারি পরিকল্পনায় নেই। পরিসংখ্যান, গবেষণা আর এনজিও-রচনাগুলোর যদিও প্রধান চরিত্র এরা, তবু এসব পথে যে দারিদ্র্য ঘুচবে না, গত ৪০ বছরের সরকারি ও এনজিও কর্মসূচিগুলো নিজেরাই তা প্রমাণ করেছে। তাহলে এদের কী হবে? এদের জন্য একটাই সুযোগ, যেভাবে পারো ক্ষুধা ভুলে মুখের হাঁ একদম সেঁটে, চোখ-কান-নাক বন্ধ করে মনকে ঠেসে, মল-মূত্র ত্যাগের রাস্তায় ছিপি এঁটে শ্রেফ গায়েব হয়ে যাও, নাই হয়ে যাও। তোমরা বেঁচে থাকবে কেবল পরিসংখ্যানে আর ভোটার তালিকায়।
পরিসংখ্যানে যা কেবল সংখ্যা, বাস্তবে তা একেকটি জীবন। সেই জীবনে আর সবার মতোই ভাত-কাপড়-ঘর ও আপনজনের দরকার হয়। এবং সেই জীবন আর সবার মতো একটাই; একবার গেলে বা প্রাণিসুলভ দশায় পড়লে পরে তো আর বদলানোর সুযোগ নেই।
বস্তিজীবন সভ্যতার তলানিতে জমা গাদের মতো, অনেক জমলে পরে তা পরিষ্কার করা হয়। মাঝেমধ্যে বস্তি উচ্ছেদের মাধ্যমে, ‘ভবঘুরে ও আশ্রয়হীন ব্যক্তি (পুনর্বাসন) আইন ২০১০’-এর ফেরে ফেলে সেটা করও হয়। এই আইন ‘ভবঘুরে এবং আশ্রয়হীন ব্যক্তি’দের ওপর পুলিশের স্বেচ্ছাচারী হওয়ার রক্ষাকবচ। রাজনৈতিক সহিংসতার সময় গরিব লোক দেখে দেখে ধরে জেলে ভরা হয়। দেশের কারাগারগুলোতেও তাদের গাদাগাদি সংখ্যাগরিষ্ঠতা। তারপর মামলা-জামিনের সুড়ঙ্গে ঘুরতে ঘুরতে তারা আরও গরিব হয়ে যায়, কেউ কেউ ভিখারিও হয়। গরিববিরোধী আইন এভাবে গরিবি বাড়ায়। আর কোনো শ্রেণী বা পেশার বিরুদ্ধে এ রকম আইন নেই।
কিন্তু কেন এরা ভবঘুরে বা আশ্রয়হীন? ক্ষুদ্রঋণের সাফল্যের জয়গান যখন দেশ-বিদেশের মিডিয়ায় বাজে, তখন এরা সশরীর উপস্থিতি প্রমাণ করছে, ক্ষদ্রঋণের দেশে ক্ষুদ্রঋণ দারিদ্র্য কমাতে ব্যর্থ। ব্যবসা ও মুনাফার চোং দিয়ে সারা দেশ থেকে বিপুল সম্পদ যে হারে ঢাকায় জমছে, সেই হারেই সারা দেশের সম্পদ ও জীবিকা হারানো মানুষ ঢাকায় মজুদ হচ্ছে। যে মুক্তবাজারি অর্থনীতি, যে সড়ক-ইমারতকেন্দ্রিক উন্নয়ন-তরিকা, যে ভোটশোষণের গণতন্ত্র চালু আছে বাংলাদেশে, তারও বড় শিকার এই শিশুরা। নির্বাচিত বা সামরিক বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারগুলো যখন সর্বদাই গরিবের বিরুদ্ধে, তখন কেতাবি গণতন্ত্র আসে বটে, কিন্তু রাংতার মতো তার উল্টো পিঠটা ফাঁকাই লাগে।
শুনছি, ৪৫ বর্গকিলোমিটার জায়গা নিয়ে এক আলিশান নতুন ঢাকা গড়া হবে। ঘোড়ারোগ গরিব দেশের সরকারগুলোরই হয়। কিন্তু এমন গরিব সরকার কবে হবে, যে এশিয়ার বৃহত্তম শপিং মল কিংবা বৃহত্তম বিমানবন্দরের চেয়ে, অপ্রয়োজনীয় সমরাস্ত্র কেনার চেয়ে কোটি কোটি গরিবের দিনবদলের কর্মসূচি আনবে।
দেশের সব খাস ও পরিত্যক্ত জমি, নতুন জাগা চরাঞ্চল আবাসন কোম্পানিগুলোর গ্রাস থেকে বাঁচিয়ে, জবরদখলকারীদের থেকে উদ্ধার করে ভিটাহীন ও নদীসিকস্তি মানুষদের বন্দোবস্ত দিতে চাইবে। শহরে কলকারখানায় তাদের কর্মসংস্থান করে এবং গ্রামাঞ্চলে কৃষি ও কৃষকের নিঃস্বকরণ প্রক্রিয়াকে আঁটো করতে পারলেও ভূমিহীনদের শহরমুখী অভিবাসন কিছুটা কমতে পারে। প্রশ্ন হচ্ছে, গ্রাম-শহরের এসব অপবর্গীয় মানুষদের কোনো কণ্ঠস্বর বা প্রতিনিধিত্ব যখন নেই, তখন সংসদে কারা এসব দাবি তুলবে, কারা রাজপথে হাঁক দিয়ে বলবে ‘বস্তিওয়ালা জাগো’। এটুকু করার জন্য সেই সরকারকে বিপ্লবী হওয়া লাগবে না, কেবল একটু মানবিক হতে হবে, আর মানুষকে পরিসংখ্যান না ভেবে, ভাবতে হবে মানবসমাজ। ক্ষমতাসীনেরা যে এসব ভাবে না, তার কারণ বাদবাকি যারা শিক্ষিত-সুশীল-সচ্ছল, তারাও মানবিক সমাজের জন্য ক্ষুধার্ত নয়। এই অবস্থা সমাজের খোপে খোপে বঞ্চনার মাইনফিল্ড সৃষ্টি করছে। রাষ্ট্রের গোদা পা পড়লে হঠাৎ যে এসব মাইনফিল্ড বিস্ফোরিত হবে না, তা কে বলতে পারে?
Source: http://www.prothom-alo.com/detail/da...03/news/229346
__________________
-- Alwayz with  !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!
|

April 6, 2012, 07:19 PM
|
 |
Test Cricketer
|
|
Join Date: March 22, 2010
Location: To Infinty and beyond-Gamma quadrant
Favorite Player: Buzz Lightyear
Posts: 1,173
|
|
Good thread idrinkh20 ;food for thought
|

April 7, 2012, 04:30 AM
|
 |
Cricket Legend
|
|
Join Date: August 1, 2011
Location: Melbourne, Australia
Favorite Player: Shakib,Sangakkara,Lee
Posts: 4,587
|
|
 a very good thread Paniwala bhai...some stories brought tears in my eyes....
__________________
 jitsi jitsi jitsi
|

April 10, 2012, 05:06 PM
|
 |
Cricket Legend
|
|
Join Date: August 1, 2011
Location: Melbourne, Australia
Favorite Player: Shakib,Sangakkara,Lee
Posts: 4,587
|
|
Animals!!
__________________
 jitsi jitsi jitsi
|

April 10, 2012, 05:27 PM
|
|
Cricket Legend
|
|
Join Date: April 19, 2007
Posts: 4,544
|
|
Brutal! How could they!
__________________
I Want to Believe
|

April 11, 2012, 03:41 AM
|
|
Moderator
|
|
Join Date: June 15, 2004
Location: Tokyo
Posts: 14,255
|
|
Just couple of days ago in Dhaka, there was a 10 yeras? old girl kidnapped, raped and killed by some animal living in same building! They did raping, killing and packing her in a box in same building but different flat, while girls family members are searching for the girl knocking every flat of the building!! This is not a story I made up, I read it Prthomalo few days ago. I feel so sad and angry that saying 'May rest her soul in peace' or such to her family seems mean nothing, has no meaning.
|

April 11, 2012, 06:18 PM
|
 |
Cricket Guru
|
|
Join Date: March 30, 2007
Location: Colorado
Favorite Player: Hashim Amla
Posts: 10,167
|
|
Quote:
|
Originally Posted by Electrequiem
Does anyone know to what philanthropy I can donate money and/or winter clothing to for people in Bangladesh? Urgent! Please let me know ASAP.
|
Islamic Relief, You can specify that you are donating to Bangladesh, This is one of the very very select few organization i trust...
__________________
"Ya Allah, give me eyes that see the best in people, a heart that forgives the worst, a mind that forgets the bad and a soul that never loses faith."
-from facebook Group "Alhamdulillah for Everything"
|

April 11, 2012, 10:12 PM
|
|
Cricket Legend
|
|
Join Date: April 19, 2007
Posts: 4,544
|
|
__________________
I Want to Believe
|

April 15, 2012, 08:29 PM
|
|
Cricket Legend
|
|
Join Date: April 19, 2007
Posts: 4,544
|
|
__________________
I Want to Believe
|

April 21, 2012, 02:08 PM
|
 |
Test Cricketer
|
|
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869
|
|
I hope that someone will come forward to help these students
এটিও একটি বিদ্যালয়
মজিবর রহমান খান, ঠাকুরগাঁও | তারিখ: ২১-০৪-২০১২
বেঞ্চে বসা শিশুরা ও পতাকাদণ্ডটি না থাকলে হয়তো বিশ্বাস করতেই কষ্ট হতো, এটি একটি রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়। ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সর্বমঙ্গলা গ্রাম থেকে সম্প্রতি তোলা ছবি
ফাঁকা মাঠের মধ্যে একটি ঘর! ঘর বললে ভুল হবে। বাঁশের খুঁটির ওপর একটি খড়ের চালা দাঁড়িয়ে আছে। বেড়া বলতে যা আছে, সেটাও খসে পড়ছে। এক পাশ থেকে তাকালে অন্য পাশের দৃশ্য দেখা যায়। সেই ঘর ঘিরে শিশুদের ছুটাছুটি। ঘরের পাশে একটি দণ্ডে পতপত করে উড়ছে জাতীয় পতাকা। বিদ্যালয়ের নিশানা বলতে ওই পতাকাটিই।
এটি ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সর্বমঙ্গলা রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়। ১৯৯১ সালে সর্বমঙ্গলা গ্রামের তরুণেরা মিলে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১০ সালে এটি সরকারের নিবন্ধন পায়। বর্তমানে পাঁচটি শ্রেণীতে দেড় শ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে এখানে। শিক্ষক আছেন চারজন। সরেজমিনে দেখা যায়, ঘরটি দৈর্ঘ্যে ৩২ ফুট। মাথার ওপর খড়ের তৈরি আচ্ছাদনের অর্ধেক খসে পড়েছে। ঘরটিতে তিনটি শ্রেণীকক্ষ বসানো হলেও মাঝখানে নেই কোনো বিভাজন। তিনটি শ্রেণীকক্ষের মধ্যে ঝুলছে একটি মাত্র ব্ল্যাকবোর্ড। বিদ্যালয়ে ১৮ জোড়া বেঞ্চ আছে। তাও অর্ধেক ভাঙা। মূল্যবান কাগজ ও খাতা সংরক্ষণের জন্য কোনো আলমারিও নেই। জরুরি কাগজপত্র প্রধান শিক্ষক তাঁর বাড়িতে নিয়ে যান। বিদ্যালয়টিতে নেই কোনো শৌচাগার। পিপাসা পেলে পাশের বাড়ির নলকূপই শিক্ষার্থীদের ভরসা।
পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী নাসিমা আক্তার বলে, ‘শুরু থেকে এভাবেই ক্লাস করছি। সামান্য বৃষ্টি হলেই ক্লাসরুম ভেসে যায়। তখন পড়ালেখা বন্ধ থাকে।’ তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র আল আমিন জানায়, স্কুলের বেড়া ভাঙা। ক্লাস চলাকালে অনেক সময় কুকুর দৌড়ে এক পাশ থেকে অন্য পাশে চলে যায়। পঞ্চম শ্রেণীর আরেক ছাত্র মোসাদ্দেক আলী বলে, ‘ছাদ না থাকায় প্রচণ্ড রোদে ক্লাসরুমে বসে থাকা যায় না।’
প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘দুই কিলোমিটারের মধ্যে আর কোনো বিদ্যালয় নেই। এটিই এলাকার একমাত্র ভরসা। সমস্যাগুলো অনেকবার কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও সমাধানের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। শিক্ষার্থীরা এই বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে।’
উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা প্রত্যুষ চ্যাটার্জি জানান, বিদ্যালয়টির অবকাঠামো নির্মাণের জন্য তালিকা পাঠানো হয়েছে।
বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক গর্বভরে বলেন, ‘অবকাঠামো না থাকলেও গত বছর আমার স্কুল থেকে ২২ শিক্ষার্থী প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ২১ জনই পাস করেছে।’
__________________
-- Alwayz with  !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!
|

May 5, 2012, 12:14 AM
|
 |
Cricket Legend
|
|
Join Date: August 1, 2011
Location: Melbourne, Australia
Favorite Player: Shakib,Sangakkara,Lee
Posts: 4,587
|
|
__________________
 jitsi jitsi jitsi
|

May 5, 2012, 11:25 AM
|
 |
Test Cricketer
|
|
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869
|
|
কত যে স্বপ্ন মুকুলেই ঝরে যায় ...’
--------------------------------------------------------------------------------
আশরাফুল ইসলাম, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বাংলানিউজটোয়েন্ট ফোর.কম
ঢাকা: আমার বয়স তখন খুবই কম, ছয় কি সাত হবে। সেই সময়ে আমার বাবার কণ্ঠে প্রায়ই একটি গান শুনতে পেতাম। গানের অর্থ ঠিক বুঝতে না পারলেও শৈশবে শোনা বাবার সেই গান ভালোভাবেই গেঁথে গিয়েছিল মনে। আব্দুল জব্বারের কণ্ঠে গাওয়া—
তুমি কি দেখেছ কভু জীবনের পরাজয়
দুখের দহনে করুণ রোদনে তিলে তিলে তার ক্ষয় ...
আমি তো দেখেছি কত যে স্বপ্ন মুকুলেই ঝরে যায়
শুকনো পাতার মর্মরে বাজে কত সুর বেদনায়
আকাশে বাতাসে নিষ্ফল আশা হাহাকার হয়ে রয় ...
বড় হয়েও গানটি শোনা হয়েছে বহুবার।
গানের সুর ও কথায় এক ভিন্ন রকম স্বাদ-যেন অন্য কোথাও ভাসিয়ে নিয়ে যায় মন। তবে অনেক জনপ্রিয় এ গানের অর্থ আরো বেশি করে উপলব্ধি করতে পারলাম-চলার পথে ক’দিন আগে ভাগ্যবিড়ম্বিত এক কিশোর ও এক তরুণের সান্নিধ্যে এসে।
তাদের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটিয়ে জীবনের অজানা অনেক বাস্তবতাকে জানা গেল কাছ থেকে।
আমার পরিচিত এক উগ্র বামপন্থী নেতা একদিন এক গল্প শুনিয়েছিলেন। গল্পটি খুবই প্রাসঙ্গিক মনে হচ্ছে এখানে। বাংলা সাহিত্যের অপরাজেয় কথাশিল্পী হিসেবে পরিচিত শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তার একটি উপন্যাসে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অঙ্কিত করেছিলেন আমাদের সমাজ জীবনের এক কঠিন বাস্তবতার চিত্র। বলা হয়ে থাকে, শরৎচন্দ্র নিজের জীবনের রুঢ় বাস্তবতাকেই ফুটিয়ে তুলেছেন এই উপন্যাসে।
উপন্যাসের নায়ক শৈশবে স্বপ্ন দেখতেন, বড় হয়ে তিনি ইতালির জাতির জনক গুইসেপ্পে গারিবোল্দির মতো জগদ্বিখ্যাত নেতা ও বিপ্লবী হবেন।
তবে বাস্তবতা হচ্ছে, জীবনের শত বাধা পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত শৈশবে লালিত তার সেই স্বপ্ন দুঃস্বপ্নের চোরাবালিতেই হারিয়ে যায়। গারিবোল্দি তো দূরের কথা, বহু কষ্টে সামান্য কেরানির চাকরি জুটেছিল তার ভাগ্যে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কাকরধা গ্রামের সদ্য দাখিল পরীক্ষা দেওয়া টগবগে তরুণ সাহেদ বাবু। স্বপ্ন ছিল জীবনে অনেক বড় হওয়ার। কঠোর বাস্তবতার কাছে হার মেনে পড়াশুনা সাঙ্গ করে এখন সে রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে শ্যামলী পরিবহনের ৩ নং কাউন্টারের কলারম্যান। সামান্য উপার্জনে কোনোরকম বেঁচে থাকার চেষ্টা করছে সে।
সাহেদের বাবা শাহজাহান হাওলাদার ঢাকায় কসমেটিকসের দোকান দিয়েছিলেন। ভালোই চলছিল সংসার। তখন সাহেদের বয়স ৪ বছর। হঠাৎ করেই মারা যান তার মা সুফিয়া বেগম। বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করেন। সৎ মা শুরু থেকেই সহ্য করতে পারতেন না সাহেদ ও তার অপর দুই ভাইকে। অনেক সংগ্রাম করে স্থানীয় পাটকাঠি নেছারিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে এ বছর দাখিল পরীক্ষা দেয় সে।
সৎ মায়ের নির্দয় আচরণ সইতে না পেরে সাহেদ পরীক্ষা দিয়েই পাড়ি জমায় ঢাকায়। দূর সম্পর্কের আত্মীয়ের সহযোগিতায় সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে সামান্য রোজগারের এই চাকরি জোটে। প্রতিদিনের মজুরি হিসেবে যা পায়, তা দিয়ে মেসে থেকে খেয়েই শেষ হয়ে যায়। পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার মতো কোনো সুযোগ আর দেখতে পাচ্ছে না সাহেদ।
সাহেদ বলছিল, এক সময় বড় আর্মি অফিসার হওয়ার স্বপ্ন দেখতো সে। নিজের অনিশ্চিত জীবনের কথা যখন মনে হয়, তখন চোখের জল গড়ায় সাহেদের। কাউকে বলতে পারে না সে, ব্যস্ত নগরে কেই বা শুনবে তার কথা।
হরতালের সংবাদ কাভারে আমার সঙ্গী বাংলানিউজের আলোকচিত্রী কাশেম হারুন যখন তার ছবি তুলছিলেন, তখন আত্মপ্রত্যয়ী সাহেদ বুক ফুলিয়ে পোজ দেওয়ার চেষ্টা করছিল।
একই দিনে দেখা হয় এক ছিন্নমূল কিশোরের সঙ্গে। ডান হাত কাটা ওই কিশোরের নাম জীবন। কথা বলে জানা গেল, তার জীবনের দুঃখের গল্প।
শৈশবে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের গ্রামের বাড়ি থেকে বাবা-মায়ের সঙ্গে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী বাস টার্মিনালে আসে জীবন। কিছুদিন যেতেই বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করলে অনিশ্চিত হয়ে পড়ে জীবনের ভবিষ্যৎ। বাবার দেখাদেখি মাও বিয়ে করে অন্যত্র চলে যায়। সৎ মায়ের সংসারে শিশু জীবনের কপালে খাবার আর আদরের পরিবর্তে জোটে অনাদর আর অবহেলা। রোজগারের জন্য এক সময় ৫ বছর বয়েসেই বাবা নিজেই ঘর থেকে বের করে দেয় জীবনকে।
বেঁচে থাকার প্রয়োজনে বাসে-ট্রেনে বাদাম বিক্রি শুরু করে শিশু জীবন। সারাদিন বাসে বা ট্রেনে বাদাম বিক্রি করে যা পায়, তাই দিয়ে কোনোরকম খাওয়ার টাকা জোগাড় হয়। রাতে ঘুমানোর জন্য বেছে নেয় রেল স্টেশনের প্লাটফরম। এভাবেই চলছিল তার বেঁচে থাকার যুদ্ধ। কিন্তু একদিন দুর্ভাগ্য ভর করে জীবনের ওপর।
বিমানবন্দর রেলস্টেশনে ট্রেনের দুই বগির সংযোগস্থলে বসে ঘুমিয়ে পড়েছিল সারাদিনের ক্লান্ত জীবন। ট্রেন চলতে শুরু করলে হঠাৎই সে নিচে পড়ে যায়। বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় ডান হাত। মাথায় ও শরীরের বেশ কয়েক স্থানে গুরুতর আঘাত পায় জীবন।
এরপর আরো অনেক যন্ত্রণা পেতে হয় এই শিশুকে। এক হাতবিহীন কিশোর জীবন এখন যাত্রাবাড়ী মাছের আড়তে সামান্য বেতনে কাজ করে। আড়তের কাজ না থাকলে বস্তির ছিন্নমূল শিশুদের সঙ্গে টোকাই-এর কাজ করে সে। কিছু দিন ধরে সে যাত্রাবাড়ী এলাকার এনজিও পরিচালিত অপরাজেয় বাংলা (পিকার-২) স্কুলে মাঝে মধ্যে টোকাই বন্ধুদের সঙ্গে পড়তে যায়। স্বপ্ন দেখার আগেই ভেঙে গেছে কিশোর জীবনের সব স্বপ্ন।
__________________
-- Alwayz with  !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!
|

May 12, 2012, 05:09 PM
|
 |
Test Cricketer
|
|
Join Date: April 9, 2011
Favorite Player: Performing Tigers
Posts: 1,869
|
|
মায়ের ঠিকানা এখন বৃদ্ধাশ্রম
মাসুদ রানা, গাজীপুর |
কোনো অপূর্ণতা নেই এই আশ্রমে। তবু সন্তানের জন্য মন কাঁদে। সেই কান্না বুকে চেপে সন্তানের মঙ্গল কামনা করেন মা। গাজীপুর সদর উপজেলার মণিপুর বিশিয়া এলাকার বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্র থেকে গত শুক্রবার তোলা ছবি
প্রথম আলো
‘এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে আমার। স্বামী মারা যাওয়ার পর ভাশুরের আশ্রয়ে ছিলাম। ভাশুর মারা যাওয়ার পর ছেলে আমাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে গেছে। সেই যে গেছে, আর কোনো দিন দেখতে আসেনি। আমাকে একটু জায়গা দিলে ওদের কী এমন অসুবিধা হতো? তার পরও আমি তো মা। তাই তো সব সময় চাই, আমার ছেলেমেয়েরা ভালো থাকুক, আরও বড় হোক।’
কথাগুলো ফাতেমা বেগম নামে ৭২ বছরের এক মায়ের। জীবনের পড়ন্ত বেলায় বৃদ্ধাশ্রমে তাঁর ঠাঁই হয়েছে। বছর পাঁচেক আগে গাজীপুর সদর উপজেলার মণিপুর বিশিয়া এলাকার বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রে আশ্রয় নেন তিনি।
ফাতেমার মতো আরও অনেক মা জীবন সায়াহ্নে এসে ঠাঁই নিয়েছেন এখানে। বেঁচে থাকার জন্য সব মৌলিক চাহিদাই এখানে পূরণ হচ্ছে। কিন্তু সন্তানের সান্নিধ্য, সন্তানকে একটু দেখার জন্য যেন কাঙালের মতো পথ চেয়ে আছেন একেকটা মা। প্রিয় সন্তান তাঁদের দূরে ঠেলে দিলেও দিনমান সেই সন্তানেরই মঙ্গল কামনা করেন অবহেলিত এই মায়েরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে গাজীপুরের হোতাপাড়া থেকে পাঁচ কিলোমিটার পশ্চিমে মণিপুর বাজার। বাজার থেকে আরও তিন কিলোমিটার ভেতরে নিরিবিলি পরিবেশে গড়ে তোলা হয়েছে বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রটি। গত শুক্রবার সকাল পৌনে ১০টায় সেখানে গিয়ে গাড়ি থেকে নামতেই দৌড়ে আসেন এক বৃদ্ধা। ছলছল চোখে হিন্দিতে জিজ্ঞেস করেন, ‘হামার বেটা আফতাব আয়া (এসেছে)। কাহাহে (কোথায়) মেরে (আমার) বেটা?’ পরে জানা গেল, তিনি ঢাকার মোহামঞ্চদপুরে বিহারি ক্যাম্পে থাকতেন। নাম হামিদা বেগম। ছেলের বউয়ের নানামুখী কৌশলে নিজ ঘর থেকে অজানার পথে বেরিয়ে পড়েন। দিনটা ছিল ২০১১ সালের ২৮ অক্টোবর। ওই দিন বিকেলে সাভারের নবীনগরে একটি চায়ের দোকানে বসে কাঁদছিলেন তিনি। ওই এলাকার দুই তরুণ তাঁকে এখানে নিয়ে আসেন। এরপর থেকে হামিদা এখানেই আছেন।
বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, আবদুল জাহিদ নামে এক ব্যক্তি ১৯৮৭ সালে উত্তরার আজমপুরে এই কেন্দ্রটি স্থাপন করেন। পরে ১৯৯৪ সালে মণিপুরে স্থানান্তর করা হয় এটি। তখন থেকে এখানে শতাধিক বৃদ্ধা আছেন।
কুমিল্লার বাঘাওয়ারা গ্রামের মালিনা দে (৭০)। তাঁর দুই ছেলে দুই মেয়ে রয়েছে। এক ছেলে ভারতে থাকেন, অন্যজন মিরপুরে কাপড়ের ব্যবসা করেন। ছেলেরা তাঁকে দেখভাল না করায় উঠেন মেয়েদের বাসায়। তাঁরা তাঁকে রেখে যান বৃদ্ধাশ্রমে। চট্টগ্রামের জামালখান এলাকার গৌরী সেনগুপ্ত (৭৫)। তাঁর এক ছেলে বড় ব্যবসায়ী। মাকে দিয়ে গেছেন আশ্রমে। কখনো খবর নেন না।
পুনর্বাসন কেন্দ্রের হোস্টেল সুপার হাবিবা খন্দকার বলেন, ‘এখানে আশ্রয় নেওয়া প্রত্যেককেই মায়ের মতো আদর-যত্ন করি। এ ছাড়া এখানে পর্যাপ্ত চিকিৎসক, সেবিকা, পরিচারক ও আয়া রয়েছে। সন্তানের মতো করেই এসব মায়েদের সেবা-শুশ্রূষা দিলেও ছেলেমেয়েদের জন্য মায়েদের হাহাকার কিছুতেই দূর করা যায় না।
বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক আবু শরিফ বলেন, বর্তমানে এখানে ১১০ জন বৃদ্ধা ও ৯৮ জন বৃদ্ধ রয়েছেন। নিখরচায় অসহায় ও নিরুপায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা এখানে থাকেন। সন্তানেরা তাঁদের একটু খোঁজ নেবেন, এমনটা আশা করেন এখানকার বসবাসকারীরা। সন্তানের জন্য ভালোবাসাই তাঁদের একমাত্র কামনা।
__________________
-- Alwayz with  !!! Champions are made from something they have deep inside them - a desire, a dream, and a vision!
-- Bangladesh are the Runners-up in the 2012 ASIA Cup!
|

October 17, 2012, 01:53 PM
|
 |
Cricket Sage
|
|
Join Date: February 20, 2008
Favorite Player: Tam,Sak,Nasa,Mash
Posts: 17,336
|
|
গলায় জ্যান্ত কই মাছ, শিশুর মৃত্য
গলায় জ্যান্ত কই মাছ আটকে শামীম মিয়া (৬) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার জাওয়ার ইউনিয়নের ইছাপশর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শামীম ওই গ্রামের মেকুল মিয়ার ছেলে। আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে শামীমের লাশ দাফন করা হয়েছে।
more: http://www.prothom-alo.com/detail/da...17/news/298716
terrible , eto choto ekta bachchar eto nirmom mrittu, screw u life. 
__________________
আমার ক্ষত বিক্ষত হৃদয় আমাকে প্রশ্ন করে , হোয়ার ইজ ভাত ?
|

October 20, 2012, 05:20 AM
|
|
Cricket Legend
|
|
Join Date: March 8, 2010
Location: Melbourne
Posts: 2,814
|
|
কোচিং করাব কি না ভাবতে হবে
ঢাকার ফুটবল মাঠে দলগুলোর নিরাপত্তা নেই, এটা বহুদিনের অভিযোগ। কিন্তু এটা নিয়ে কোনো ব্যবস্থাও নেই। কাল ফেডারেশন কাপের সেমিফাইনালে শেখ রাসেলের কাছে হেরে লাঞ্ছিত হয়েছেন মোহামেডান কোচ সাইফুল বারী (টিটু)। উন্মত্ত সাদা-কালো সমর্থকদের এমন নিন্দনীয় আচরণে হতভম্ব এই কোচ ভবিষ্যতে কোচিং করাবেন কি না, সেটিই ভাবছেন!
ম্যাচের পর সাংবাদিকদের সামনেই আপনাকে মোহামেডান সমর্থকেরা মারল। ভাবতে পেরেছিলেন এমন অবস্থায় পড়বেন?
সাইফুল বারী (টিটু): ভাবতে পারিনি। এ দেশে দল হারলে সমর্থকেরা হইচই করেই। এটা নতুন নয়। কিন্তু এভাবে মাঠে ঢুকে কোচকে শারীরিকভাবে আঘাত করবে, আমি বুঝতেই পারিনি।
কী অবস্থা আপনার শরীরের?
সাইফুল: ভিড়ের মধ্যে কী যে হলো বুঝতেই পারলাম না। শারীরিকভাবে আমাকে আঘাত করা হয়েছে, শুধু চেয়ে চেয়ে দেখলাম। মাথাটা ফুলে গেছে। কারও একজনের আঘাতে এ অবস্থা। কী দিয়ে আঘাত করেছে, তখন অতটা খেয়াল করতে পারিনি।
তা হলে কোচদেরও এখন আর মাঠে নিরাপত্তা নেই। এটা তো ভয়ংকর অবস্থা...এ অবস্থা কি চলতে পারে?
সাইফুল: এটা আর চলতে পারে না। আমাদের এখানে ম্যাচের পরপরই ফ্লাডলাইট বন্ধ হয়ে যায়। কে মাঠে ঢুকছে, কে কাকে মারছে, কারও কোনো খবর নেই। নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে কোচিং করাব কি না ভাবতে হবে আমাকে। এরই মধ্যে আমার বাসা থেকে কয়েকবার ফোন করেছে, বাসার সবাই উদ্বিগ্ন। আর আমি কোচিং করাতে চাইলেও বাসা থেকে দেবে কি না, জানি না।
এ অবস্থার জন্য দায় কার?
সাইফুল: দায় আমাদের ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থার। সমর্থকেরা গোলমাল করতে চাইবেই, এটা খেলোয়াড়ি জীবন থেকেই দেখে আসছি। কিন্তু এভাবে মাঠে ঢুকে কোচকে মারবে, এটা আগে ছিল না। এখন কোচ-খেলোয়াড়সহ সবাইকে নিরাপত্তা দিতে হবে। বিদেশে নিরাপত্তা দেয় পুলিশ। আমাদের এখানে পুলিশ থাকার পরও লোকজন কীভাবে মাঠে ঢোকে আমার বোধগম্য নয়।
http://www.prothom-alo.com/detail/da...20/news/299534
|

October 21, 2012, 12:28 AM
|
 |
MLC World Series I
|
|
Join Date: April 11, 2011
Location: Dhaka
Favorite Player: Kanta
Posts: 5,203
|
|
Quote:
California parents act heroically when gunman fires upon family, killing two
By Michael Martinez, CNN
October 21, 2012
Los Angeles (CNN) -- A father and mother showed heroism when a gunman opened fired inside their California home before dawn Saturday, but two members of the family couldn't overcome their wounds, Inglewood police said.
The mother ran from the house carrying her youngest child, though she was shot in both legs, in an "extraordinary rescue attempt," police said. The 4-year-old boy, however, was shot in the head and later died in surgery. The mother was in critical but stable condition Saturday afternoon.
Inside the house, the father used his body as a shield in trying to protect the other three children.
Despite the father's efforts, the gunfire wounded two of his children: a 6-year-old boy in the pelvis and a 7-year-old girl in the chest. Both were in critical but stable condition, police said. The father later died in surgery of multiple gunshot wounds.
The oldest of four children, an 8-year-old boy, was the sole family member who wasn't injured, police said.
Read More..
|
This is really really sad
|

October 23, 2012, 03:04 AM
|
|
Cricket Legend
|
|
Join Date: March 8, 2010
Location: Melbourne
Posts: 2,814
|
|
This news actually made me mad:
High drama at Bangladesh for Shabana Azmi
Shabana Azmi created quite a furore in Bangladesh on Saturday when she reached Dhaka to represent her late father Kaifi Azmi who was being honoured, along with 57 other dignitaries from across the world for their support of Bangaldesh's War Of Liberation in 1971.
Shabana who had to be in Dhaka for the function to represent her father had to be back in Mumbai in time for her mother's birthday the same day.
She made it very clear to the organizers of the function in Dhaka that she can only be at the function for a few minutes before she had to return to the Dhaka international airport in time for the flight back to Mumbai to reach in time for her mother's birthday.
Apparently Bangaldesh's prime minister Sheikh Hasina made sure Shabana made it back to the airport on time. The entire route from the venue of the function to the airport was cleared of traffic and Shabana was personally escorted by a fleet of government vehicles.
Confirming the hullaballo that she created on the Dhaka roadways on Saturday Shabana says, "Yes ,the Prime Minister's office had put the entire machinery on red alert! I left within seconds of receiving the honour on behalf of my father to be back in Mumbai in time for my mum's 84thbirthday...Police escort, lal batti, screaming sirens, fleets of cops to ensure there was no traffic hurdle for me to reach the airport on time. It was crazy. But you know what? I'm glad I was there for this occasion."
http://m.timesofindia.com/entertainm...w/16924609.cms
|

October 23, 2012, 03:08 AM
|
 |
Cricket Legend
|
|
Join Date: August 1, 2011
Location: Melbourne, Australia
Favorite Player: Shakib,Sangakkara,Lee
Posts: 4,587
|
|
Quote:
Originally Posted by firstlane
This news actually made me mad:
High drama at Bangladesh for Shabana Azmi
Shabana Azmi created quite a furore in Bangladesh on Saturday when she reached Dhaka to represent her late father Kaifi Azmi who was being honoured, along with 57 other dignitaries from across the world for their support of Bangaldesh's War Of Liberation in 1971.
Shabana who had to be in Dhaka for the function to represent her father had to be back in Mumbai in time for her mother's birthday the same day.
She made it very clear to the organizers of the function in Dhaka that she can only be at the function for a few minutes before she had to return to the Dhaka international airport in time for the flight back to Mumbai to reach in time for her mother's birthday.
Apparently Bangaldesh's prime minister Sheikh Hasina made sure Shabana made it back to the airport on time. The entire route from the venue of the function to the airport was cleared of traffic and Shabana was personally escorted by a fleet of government vehicles.
Confirming the hullaballo that she created on the Dhaka roadways on Saturday Shabana says, "Yes ,the Prime Minister's office had put the entire machinery on red alert! I left within seconds of receiving the honour on behalf of my father to be back in Mumbai in time for my mum's 84thbirthday...Police escort, lal batti, screaming sirens, fleets of cops to ensure there was no traffic hurdle for me to reach the airport on time. It was crazy. But you know what? I'm glad I was there for this occasion."
http://m.timesofindia.com/entertainm...w/16924609.cms
|
Bollywood celebrities and their perks! Nothing new!
__________________
 jitsi jitsi jitsi
|

November 10, 2012, 04:18 AM
|
 |
Cricket Guru
|
|
Join Date: October 18, 2008
Location: Global City of Australia
Favorite Player: Shakib, Mashrafe
Posts: 12,440
|
|
ধানমন্ডিতে গিয়েছিলাম কিছু কাজে। বাসায় ফিরব বলে অনেকক্ষন দাঁড়িয়ে আছি, রিকশা পাচ্ছিলাম না। যে রিকশাই দেখি, রিকশাওয়ালা ভাড়া প্রায় দ্বিগুণ চেয়ে বসে। মেজাজটা এমনিতেই খারাপ কারণ সহ্যের সীমা অতিক্রম করে ফেলছিলাম। হঠাৎ একজন হ্যাঙলা পাতলা মতন ছেলে আমার সামনে রিকশা নিয়ে এসে বলল, “স্যার কোথায় যাবেন?” আমি একটু অবাক হলাম, কারণ রিকশাওয়ালারা সচরাচর স্যার বলে না, “মামা বলে”; আমি তাকে বললাম বকশিবাজার যা বোর্ড অফিসের পাশে। সে আমার কাছে ঠিক ঠিক ভাড়া চাইল। আমি মোটামুটি আকাশ থেকে পড়লাম, মনে করলাম এতক্ষণ পরে মনে হয় আধ্যাত্নিক সাহায্য এসে হাজির হয়েছে। যাইহোক বেশি চিন্তা না করে তাড়াতাড়ি রিকশাই উঠে পড়লাম। মনে মনে বললাম “আহ্! এখন একটু শান্তিমত মানুষ দেখতে দেখতে বাসায় যাওয়া যাবে”; ঢাকা কলেজের সামনের রাস্তা দিয়ে রিকশায় যাওয়াকে অনেক এনজয় করি। তবে সেদিনের রিকশা ভ্রমনটা একটু আলাদা ছিল। খেয়াল করছিলাম রিকশাওয়ালা অনেক সাবধানে চালিয়ে যাচ্ছিল। কাউকে গালি দিচ্ছিল না। অন্যের রিকশার সাথে লাগিয়ে দেওয়ার আগেই ব্রেক করছিল। কেউ তাকে গালি দিলে সে কিছু না বলে মাথা নিচু করে নিজের রিকশা চালানোতে ব্যস্ত ছিল।
কিছুক্ষন পরে একটু অবাক হলাম, রিকশা যখন ঠিক ঢাকা কলেজের সামনে আসল, তখন রিকশাওয়ালা মুখে কাঁধের গামছাটা ভাল করে পেচিয়ে নিল। তার চেহারা ঠিকমত দেখা যাচ্ছিল না। ভেতরে ভেতরে একটু ভয়ই পেয়ে গিয়েছিলাম, ভাবছিলাম এইবুঝি ছিনতাইকারী ধরবে। নিজেকে সামলিয়ে নিতে রিকশাওয়ালার সাথে কথা বলা শুরু করে দিলাম। সেই একই রকমের প্রশ্ন দিয়ে শুরু করলাম, “মামা বাড়ি কোথায়?” সে একিরকম উত্তর দিল, রংপুর। পরের প্রশ্ন করার আগেই বলল “স্যার বেশিদিন হয়নাই রিকশা চালাই”; স্বভাবতই জিজ্ঞাসা করলাম ঢাকা আসছ কবে? সে উত্তর দিল, “দুই বছরের কিছু বেশি হয়ছে”; এভাবেই অনেক কথা হল। একসময় হঠাৎ চালাতে গিয়ে আমার পায়ে টাচ্ লাগায় সে বলল, “সরি স্যার”; একটু অবাক হলাম তার ম্যানার দেখে। তাকে প্রশ্ন করতে দেরি করলাম না, “বললাম তুমি কি পড়ালেখা কর?” সে বলল, “স্যার অনার্স সেকেন্ড ইয়ার, ঢাকা কলেজে”; হতভম্ব হয়ে গেলাম। তার পোশাক আশাক চলন গড়ন আবার নতুন করে দেখা শুরু করলাম। দেখলাম পড়নে একটা প্যান্ট অনেক ময়লা, শার্টের কিছু জায়গায় ছেঁড়া। স্বাস্থ্য এতই কম যে মনে হয়, অনেক দিন না খেয়ে আছে। কৌতুহলবশত প্রশ্ন করলাম তুমি রিকশা চালাও কেন? সে বলল, তারা তিন বোন, এক ভাই। তার বাবা কিছুদিন আগে মারা গিয়েছে, মা ছোট থেকেই নেই। আগে বাবা দেশে দিনমজুর ছিল।এখন বাবা মারা যাওয়ার পরে তার তিন বোনকে সে ঢাকায় নিয়ে এসেছে, স্কুলে ভর্তি করিয়েছে, থাকে কামরাঙ্গির চরে, একটি রুম ভাড়া নিয়ে। কিছুদিন আগে তার দুইটি টিউশনি ছিল এখন একটিও নেই। সংসার চালানোর জন্য টাকা নেই যথেষ্ট, তাই উপায় না পেয়ে রাতের বেলা রিকশা চালাতে বের হয়েছে। মাঝে মাঝেই বের হয় এমন। তবে অনেক ভয়ে থাকে, যখন সে ঢাকা কলেজের পাশে দিয়ে যায়। পরিচিত কেউ দেখে ফেললে ক্লাস করাটা মুশকিল হয়ে যাবে। নিজে থেকেই বলল, “আমাকে হয়তো বলবেন অন্য কিছু করোনা কেন?” তারপর নিজে থেকেই উত্তর দেওয়া শুরু করল, পোলাপাইন অনেকে দেখি রাজনীতি করে, অনেক টাকা পায়, আবার অনেকে প্রতিদিন একটা করে মোবাইলের মালিকও হয়। কিন্তু আমার এমন কিছু করতে মন চায় না। সবসময় মনে করি একটা কথা, এই দেশকে কিছু না দিতে পারি কিন্তু এই দেশের কাছে থেকে জোর করে কিছু কেড়ে নিব না। আমার কাছে দেশ মানে আপনারা সবাই। আপনাদের সাথে কোন বেয়াদবি করা মানে দেশের সাথে নিমকহারামি করা। এই যে দেখেন আপনারা আছেন বলেই তো আমি এখন রিকশা চালায়ে কিছু টাকা আয় করতে পারছি। আমি বাকরুদ্ধ হয়ে তার কথা শুনছিলাম। হঠাৎ সে আমাকে বলল স্যার চলে আসছি। আমি তাকে কিছু বেশি টাকা জোর করেই হাতে ধরিয়ে দিলাম। মনটা অনেক খারাপ হয়ে গেল। বাসায় এসে কোন কথা না বলেই শুয়ে পড়লাম বিছানায়।
মনে মনে ভাবছিলাম দেশপ্রেমটা আসলে কি? আমরা যখন অনেক বড় বড় কথা বলি, অনেক অনেক বড় বড় লোকের উদাহরণ দেই, বলি যে, “কি বিশাল দেশপ্রেমের উদাহরণ” কিন্তু আজকে যা দেখলাম, তা থেকে আমার মাথায় প্রোগ্রাম করা দেশপ্রেমের সংজ্ঞাটা বদলে গেল এবং কিছুটা অবাকই হলাম এইটা ভেবে, পাঠ্যবইয়ে কোথাও দেশসেবার কোন বিশদ উদাহরণ দেখিনাই বাস্তব ক্ষেত্রে। যা পড়েছি সবই তো এখন ইতিহাস। এখন অনেক বড়, দেশের সেবা করতে গেলে আসলে আমাদের কি করা উচিৎ? ব্যাপারটা নিয়ে অনেক ভাবার পরে ছোট মস্তিস্ক থেকে কিছু ছোট ছোট উত্তর মিলেছেঃ
আমার কাছে মনে হয়েছে দেশপ্রেম মানে দেশের মানুষকে ভালবাসা, আর দেশের সেবা মানে দেশের মানুষের সেবা করা।
অনেকের কাছে দেশের সেবা করা মানে হল শুধু গ্রামে গিয়ে গরিব শ্রেনীর মানুষকে সাহায্য করা, স্কুল তৈরি করে দেওয়া, রাস্তার পাশে খেতে না পারা ছেলেমেয়েকে খাওয়ানো, পড়ানো, শীতবস্ত্র বিতরণ ইত্যাদি। এইসব অবশ্যই ভাল কাজ, দেশের সেবা, কিন্তু একটু গভীরভাবে চিন্তা করলে বোঝা যায়, এইরকমের কাজ আমরা প্রতিনিয়ত করতে পারিনা। আরেকটু চিন্তা করে উপলব্ধি করা যায় যে, আমরা প্রতিনিয়ত যা করছি আমাদের কর্মজীবনে, সেটাকে ঠিকমত করাটাই হল দেশপ্রেম।
আমাদের মহান মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের দেশকে স্বাধীন করে আমাদের কাছে আমানত হিসেবে রেখে গিয়েছেন, এই আমানতকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখাটায় হচ্ছে দেশপ্রেম, দেশের সেবা । এই সাজিয়ে গুছিয়ে রাখার ক্ষেত্রে বিভিন্নজনের দায়িত্ব বিভিন্নরকম। কেউ ডাক্তার, কেউ প্রকৌশলী, কেউ শিক্ষক, কেউ ব্যবসায়ী, কেউ ঠিকাদার, কেউবা ঝাড়ুদার। কারও অবদান কোন দিক থেকে কোন অংশে কম না। তাই নিজের দায়িত্বকে কোন অংশে বড় করে না দেখে চিন্তা করা উচিৎ আমরা সবাই দেশের সেবা করছি, দেশ আমাদের সবার। মাকে যেমন তার ছেলেমেয়ে সবাই সমান ভালবাসতে পারে, তেমনি দেশ, যার ছেলে মেয়ে আমরা সবাই, আমরা চাইলেই সবাই নিজেদের স্বার্থ ত্যাগ করে, নিজেদের কাজ ছেড়ে না দিয়ে, বরং নিজেদের কাজ যথাযথভাবে করেই দেশের সেবা করতে পারি।
(সংগৃহীত)
|

November 10, 2012, 07:47 AM
|
 |
BanglaCricket Staff BC - Bangladesh Representative
|
|
Join Date: February 28, 2005
Location: Here
Favorite Player: Father of BD Cricket
Posts: 20,229
|
|
The story doesn't make me sad, it makes me proud.
If this story is all true, it tells me that somewhere out there, even in that dark little alley of oblivion, there is hope.
__________________
Fabi Ayyi Ala E Rabbikuma tukajjiban - فَبِأَيِّ آلاءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ
Then which of the favors of your Lord will you deny? "We do not deny any of our Lord's bounties/favors upon us."
|
|
Currently Active Users Viewing This Thread: 1 (0 members and 1 guests)
|
|
|
| Thread Tools |
|
|
| Display Modes |
Linear Mode
|
Posting Rules
|
You may not post new threads
You may not post replies
You may not post attachments
You may not edit your posts
HTML code is On
|
|
|
All times are GMT -5. The time now is 04:51 AM.
|
|