facebook Twitter RSS Feed YouTube StumbleUpon

Home | Forum | Chat | Tours | Articles | Pictures | News | Tools | History | Tourism | Search

 
 


Go Back   BanglaCricket Forum > Cricket > Cricket

Cricket Join fellow Tigers fans to discuss all things Cricket

Reply
 
Thread Tools Display Modes
  #1  
Old September 29, 2016, 11:14 PM
Saifulsohel Saifulsohel is offline
Test Cricketer
 
Join Date: October 21, 2011
Location: Dhaka,Bd
Favorite Player: Shakib,Tamim,Anamul
Posts: 1,460
Default বাবু ভাই- বাংলাদেশ ক্রিকেটের ‘দুঃসময়ের ভরসা’

মাশরাফি বিন মুর্তজার কাছে ‘বাবু ভাই’ আপন বড় ভাইয়ের মতো। হাবিবুল বাশারের মতে মানুষটি আবার বাংলাদেশ ক্রিকেটের নি:স্বার্থ সহচর, সত্যিকারের সুহৃদ। কখনও পরিচয় না হওয়া দলের নবীন ক্রিকেটারও তাকে ভাবেন আপন কেউ। নেই কোনো পদ-পদবী বা আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব। অফিসিয়ালি ক্রিকেটের কেউ নন, তবু একরাম বাবু বাংলাদেশ ক্রিকেটের ঘনিষ্ঠ একজন!

অস্ট্রেলিয়ান প্রবাসী একরাম বাবু সম্প্রতি দেশে এসেছিলেন মায়ের সঙ্গে কটা দিন কাটিয়ে যেতে। এর মাঝেই কদিন আগে মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে সময় দিলেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে। শোনালেন আড়ালে থেকেও বাংলাদেশ ক্রিকেটের খুব কাছের একজন হয়ে ওঠার গল্প।

শুরুর গল্প

সাবেক ক্রিকেটার হাবিবুল বাশার, সানোয়ার হোসেনদের কাছের বন্ধু একরাম বাবু। একসঙ্গেই বেড়ে উঠেছেন তারা। স্বীকৃত কোনো পর্যায়ে না হলেও টুকটাক ক্রিকেট খেলেছেন বাবুও। ২০০০ সালে চলে যান অস্ট্রেলিয়ায়। থিতু হন মেলবোর্নে।

ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পর্ক বলতে তখনও কেবল কাছের বন্ধুরা। ২০০৩ সালে একদিন দেশ থেকে সেই সময়ের পরিচিত এক বিসিবি কর্তা খন্দকার জামিলউদ্দিনের ফোন পেলেন, “আমাদের একজন ক্রিকেটার ইনজুর্ড। মেলবোর্নে একজন ডাক্তার আছে, ডেভিড ইয়াং। ওকে তার কাছে পাঠাতে চাই। সার্জারির খরচটা শুধু আমরা দিতে পারব। বাকিটা তোমার ম্যানেজ করতে হবে।”

সেই ক্রিকেটারের নাম মোহাম্মদ শরীফ। তখন শরীফ অমিত সম্ভাবনাময় এক পেসার। খুব বেশি না ভেবেই রাজি হয়ে গেলেন বাবু। দেশের জাতীয় একজন ক্রিকেটারের ক্যারিয়ার বলে কথা। ড. ডেভিড ইয়াংয়ের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে রাখলেন। চোট ও অস্ত্রোপচারের ধরণ জেনে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পারলেন, অস্ট্রেলিয়ায় মাস তিনেক থাকতে হবে শরীফকে। হাসপাতালে প্রতিদিন থাকার খরচ ১ হাজার ডলার করে।

নিজের করণীয়টা বুঝে ফেললেন বাবু। শরীফ গিয়ে উঠলেন বাবুর বাসাতেই। ডাক্তারের সঙ্গে আগেই কথা বলা ছিল। অস্ত্রোপচারের পর দিনই আবার শরীফকে নিয়ে ফিরলেন বাসায়। শুরু হলো বাবুর লড়াই। পেছন ফিরে তাকিয়ে মনে করতে পারেন সব কিছু।

“আমি তখনও ব্যাচেলর। ৬-৭ জন মিলে থাকতাম। শরীফকে নিয়ে এলাম। ওর ইনজুরিটা ছিল গ্রোয়েনে। অপারেশনের পর নিজে কিছুই করতে পারত না। বাথরুমে যেতে বা কিছু করতে হলে কোলো তুলে নিয়ে যেতাম, মুখে তুলে খাইয়ে দিতাম। প্রায় সাড়ে তিন মাস আমরা এভাবেই দেখভাল করেছি ওর।”

বাবুর তখনও ঘুণাক্ষরেও আন্দাজ করার কারণ নেই, সেটি ছিল কেবলই শুরু। ধারণাও করতে পারেননি, শরীফকে দিয়েই বাধা হবে অদ্ভুত এক গাঁটছড়া, যেটি চলতে থাকবে বছরের পর বছর!

দৃশ্যপটে মাশরাফি

শরীফ থাকা অবস্থায়ই আবার দেশ থেকে খন্দকার জামিলউদ্দিনের ফোন পেলেন বাবু। আরেকজন তরুণ ফাস্ট বোলারকে মেলবোর্ন পাঠাতে হবে অস্ত্রোপচারের জন্য। যথারীতি বিসিবি শুধু অস্ত্রোপচারের খরচই দিতে পারবে।

মাশরাফির চোটের খবর ততদিনে জানতেন বাবু। শুরুতে মাশরাফি কদিন ছিলেন তার এক মামার কাছে। এরপরই উঠলেন বাবুর বাসায়। মাশরাফি যাওয়ার সাত দিন পর দেশে ফিরলেন শরীফ।

যথারীতি একই প্রক্রিয়া। ডেভিড ইয়াংয়ের সঙ্গে সবকিছু চূড়ান্ত করা। অস্ত্রোপচারের ঠিক আগে বাবু পড়লেন ভয়াবহ সমস্যায়। এতদিন পর সেই অভিজ্ঞতা মনে করে হাসলেন বাবু।

“মাশরাফির অপারেশন হওয়ার কথা ছিল এক হাঁটুতে। অপারেশনের আগে এমআরআই দেখে ডাক্তার বলল, ওর তো অন্য হাঁটুর অবস্থা বেশি খারাপ! এর আগে ভারতে যে অপারেশন হয়েছিল ওর, সেখানে ডাক্তার একটু বড় মাপের স্ক্রু লাগিয়ে দিয়েছিলেন। ইয়াং দুই হাঁটুতেই অপারেশন করতে চান!”

“আমি তখন ঘামছি, এতবড় সিদ্ধান্ত! মাশরাফি তখন অলরেডি অপারেশন থিয়েটারে, অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া হয়েছে। বোর্ডের মাহবুব ভাইকে (এখন সহ-সভাপতি মাহবুব আনাম) ফোন করলাম। উনি বললেন, ‘তুমি যা ভালো বোঝো করো’। আমি পরে ভাবলাম যে এক হাঁটুতে করা মানেও শুয়ে থাকা, দুই হাঁটুতে করাও তাই। দুটিতেই করতে বললাম। সকাল বেলা মাশরাফি উঠে দুই পা-ই নড়াতে পারেনা। সে কী অবস্থা ওর!”

যথারীতি মাশরাফিকেও হাসপাতাল থেকে নিজের বাসায় নিয়ে এলেন বাবু। শুরু হলো আরেকটি লড়াই। এবার আরও কঠিন!

“মাশরাফির অবস্থা শরীফের চেয়েও খারাপ ছিল। দুই হাঁটুতেই অপারেশন। নড়তেও পারত না। ওকে কোলে করে টয়লেটে বসানো, নিয়ে আসা, কাপড় বদলে দেওয়া…সব আমরা করতাম। দুই সপ্তাহ পর ও খুব হোমসিক ফিল করতে শুরু করল, দেশে ফিরে আসতে চায়। তখন দেশ থেকে ওর বাবাকে আনা হলো মেলবোর্নে।”

মাশরাফিও সেই দফায় থাকলেন মাস তিনেক।

এবং আরও অনেকে!

“এরপর সেই যে শুরু হলো, চলতেই থাকল…!” বলতে বলতে হাসেন বাবু। সেই হাসিতে বিরক্তির ছাপ নেই, বরং তৃপ্তি আর ভালো লাগার প্রতিফলন।

মাশরাফির কদিন পরই গেলেন বাবুর বন্ধু হাবিবুল বাশার। সেই সময়ের বাংলাদেশ অধিনায়কের অস্ত্রোপচার ছিল বুড়ো আঙুলে। এরপর আরও ৪ দফায় গিয়েছেন মাশরাফি। শরীফ ও হাবিবুল ছাড়াও অস্ত্রোপচারের প্রয়োজনে নানা সময়ে বাবুর বাসাকে ঠিকানা বানিয়েছেন তামিম ইকবাল, নাজমুল হোসেন, দু দফায় আবুল হাসান রাজু। সবশেষ গত বিশ্বকাপের সময় এনামুল হক। বাবু অবশ্য ততদিনে মেলবোর্ন থেকে থিতু হয়েছে পার্থে। তবে এনামুলকে ঠিকই রেখেছিলেন মেলবোর্নে নিজের শ্বশুড়ের বাসায়।

বিসিবির আর্থিক দৈন্য দূর হয়েছে অনেক আগেই। মেলবোর্নে পাঁচ তারকা হোটেলে ক্রিকেটারদের লম্বা সময় রাখা এখন এমন কিছু নয় বোর্ডের জন্য। কিন্তু ক্রিকেটাররা চোখ বন্ধ করে বেছে নেন বাবুর বাসা, বোর্ডও আপত্তি করে না। কেন? একটু লজ্জা পেয়ে বাবু নিজেই বললেন কারণটা।

“আমি না থাকলে হয়ত ওরা হোটেলে থাকত, বা এখন থাকতে পারে। কিন্তু বাসার যত্ন ওরা হোটেলে পেত না, পাবে না। এজন্য সবসময়ই মনে হয়েছে এটা আমার নৈতিক দায়িত্ব, ছেলেগুলোকে সম্ভব সেরা পরিবেশ দেওয়া।”

“দলের কেউ চোট পেলে, যখন মিডিয়ায় দেখতাম যে সার্জারি লাগবে, তখনই আমি মানসিকভাবে প্রস্তুত হয়ে যেতাম। জানতাম যে দেশ থেকে ফোনকল পাবো। আমি জানি যে নেক্সট স্টেপটা কি, ডেভিড ইয়াংকে কল করতে হবে, অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হবে, কি কি করতে হবে সব আমার জানা। ইয়াংও আমার এসএমএস পাওয়া মাত্র দুনিয়ার যে প্রান্তে থাকুক, সম্ভব কম সময়ে চলে আসবে।”

বাবু কাজ করেন অস্ট্রেলিয়ান ট্রেড কমিশনের ইন্টারন্যাশনাল হেলথে। তার একটি সেক্টর স্পোর্টস হেলথ। সেই সূত্রেই পরিচয় অন্যতম সেরা অর্থোপেডিক সার্জন ডেভিড ইয়াংয়ের সঙ্গে। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সামলানোর পথচলায় আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে দুজনের সম্পর্ক। ইয়াং নিজেও বাংলাদেশ ক্রিকেটের বন্ধু, অনুসারী।

নি:স্বার্থ ভালোবাসা

ছেলেবেলা থেকেই দুরন্ত মাশরাফি। ছুটোছুটি-লাফালাফি করে, চিত্রা নদীতে দাপাদাপি করে কাটত সময়। বন্ধুদের বিশাল বহর ছাড়া চলতে পারেন না এক কদম। সেই ছেলেটিই বন্দি বিছানায়। বাবু জানতেন সবই। প্রাণবন্ত মাশরাফিকে বিছানায় শুয়ে ছটফট করতে দেখতে চাননি তিনি।

“ওর যাতে খারাপ না লাগে, সেজন্য সব চেষ্টাই করতাম। খাওয়া-দাওয়া নিয়ে আসা, নানা ভাবে সঙ্গ দেওয়া, মানসিকভাবে চাঙা করা। ফোন কার্ড কিনে দিতাম, দেশে নানা জনের সঙ্গে কথা বলত। সিনেমা নিয়ে আসতাম।, হই-হল্লা করতাম, প্রায়ই বন্ধুদের ডেকে নিয়ে আসতাম আড্ডা দেওয়ার জন্য। যতভাবে পারা যায়, মজা করতাম।”

মাশরাফি একটু বেশিই আড্ডাপ্রিয়, মজাপ্রিয় বলে তার জন্য এত আয়োজন। তবে গল্পটা হাবিবুল বা তামিম, বা সবার জন্যই কম-বেশি একই। ক্রিকেটারদের অপারেশন পরবর্তী যন্ত্রণার দিনগুলো যতটা সম্ভব আনন্দময় করতে, কষ্টগুলি ভুলিয়ে দিতে সম্ভব সবকিছু করেছেন বাবু। ক্রিকেটারদের বেদনা সমানভাবে যেন ছুঁয়ে যায় তাকেও।

“সুমন (হাববুল) যে বার এল, ওর অপারেশনটা ছোট্ট ছিল, বুড়ো আঙুলে। তবে ওই ছিল সবচেয়ে ভীতু। ব্যথায় ওর যে কী কান্না! সপ্তাহ দুয়েক ছিল, তার পরও বউ-বাচ্চার জন্য কান্না…!”

“সবাই হয়ত জানতে পারে যে অমুক ক্রিকেটারের অপারেশন হলো, এতদিন লাগবে ফিরতে...ব্যস। কিন্তু ওই সময়টায় ক্রিকেটারদের যে কতটা মানসিক যন্ত্রণার ভেতর দিয়ে যেতে হয়, না দেখলে কেউ বিশ্বাস করতে পারবে না। অপারেশনের ব্যথা, মাঠের বাইরে থাকার কষ্ট, আপনজন থেকে দূরে। আমাদের এই অঞ্চলের মানুষের ধরণটা এরকম যে সামান্য জ্বর হলেও আপনজনদের পাশে চাই। সেখানে এই বয়সের ছেলেগুলো একা একা এত কষ্ট করছে, সেই সময়টায় ওদের চাঙা রাখাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আমি চেষ্টা করেছি সাধ্যমত।”

নিজের ব্যস্ততার চাকরি, প্রবাস জীবনের হাজারটা ঝামেলা সামলে দিনের পর দিন ক্রিকেটারের সেবাযত্নে লেগে থাকার ব্যপারটি সহজ ছিল না। বাবু কখনও অসুস্থতার কথা বলে অফিস থেকে ছুটি নিয়েছেন; কখনও তার বার্ষিক ছুটির অনেককটা দিন চলে গেছে মাশরাফি-তামিমদের পেছনে। নিজের অনেক কিছুর সঙ্গে আপোস করে, অনেক ঝামেলা সয়ে দিনের পর দিন ক্রিকেটারদের সেরা করে গেছেন ক্লান্তিহীনভাবে।

শুরুর কয়েক বছর বন্ধুদের নিয়ে বাবু সামলাতেন সব। পরে পাশে পেয়েছেন জীবনসঙ্গীকে। নিজের সংসারে বাইরের একজনের দিনের পর দিন থাকা, তাকে নিয়েই দিন-রাত ব্যস্ত থাকা, এ সবকে কখনোই বাড়তি ঝামেলা মনে করেননি বাবুর স্ত্রী। বরং স্বামীর চেয়ে বেশি উৎসাহে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন মাশরাফি-তামিমদের সেবায়। বাবু হাসতে হাসতে বলেন, “কেউ ইনজুরিতে পড়েছে খবর পেলেই বউকে বলতাম, ‘গেট রেডি!’ বউও মানসিকভাবে তৈরি হয়ে যেত!”

‘অতিমানব’ মাশরাফি

একেকটি চোট, অস্ত্রোপচার ও প্রবল দাপটে ফিরে আসা, ‘সংশপ্তক’ মাশরাফির গল্প শুধু বাংলাদেশ ক্রিকেটে নয়, বিশ্ব ক্রিকেটেই এক অবিশ্বাস্য অধ্যায়। মাশরাফির সেই লড়াই খুব কাছ থেকে দেখেছেন বাবু। বলা ভালো, সবচেয়ে কঠিন সময়টা সবচেয়ে কাছ থেকে দেখেছেন তিনিই। বাংলাদেশের অনেক ক্রিকেটারকে চোটের সময় কাছ থেকে দেখেছেন, ডেভিড ইয়াংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক আর স্পোর্টস হেলথ তার নিজের পেশার একটি সেক্টর বলে, এসব সম্পর্কে জানাশোনার কমতি নেই বাবুর। জানেন বলেই বাবু বুঝতে পারেন, মাশরাফি কতটা আলাদা, কতটা ভিন্ন ধাতুতে গড়া।

more at
http://m.bdnews24.com/bn/detail/cricket/1220243
__________________
A cricket-lover engineer

Last edited by Saifulsohel; September 30, 2016 at 11:10 AM..
Reply With Quote

  #2  
Old September 30, 2016, 10:48 AM
akabir77's Avatar
akabir77 akabir77 is offline
Cricket Guru
 
Join Date: February 23, 2004
Location: Overland Park, Kansas
Favorite Player: Nantu Ghotok
Posts: 10,878

unbelievable...
__________________
1. Shahadat Hossain: Mufambisi c Mashud; Chigumbura lbw; Utseya c Mashud
2.
Abdur Razzak: P Utseya caught; RW Price lbw; CB Mpofu lbw
3. Rubel Hossain: Corey J A bowled; BB McCullum caught; JDS Neesham caught
4.
Taijul Islam: T Panyangara bowled; J Nyumbu lbw; TL Chatara bowled
5.
Taskin Ahmed: DAS Gunaratne c Soumya; Lakmal c fiz; Pradeep bowled
Reply With Quote
  #3  
Old September 30, 2016, 11:08 AM
MHRAM MHRAM is offline
Cricket Legend
 
Join Date: April 30, 2013
Location: Dhaka, Bangladesh
Favorite Player: Sangakkara, Mike Hussey
Posts: 7,701

hats off to this person
Reply With Quote
Reply


Currently Active Users Viewing This Thread: 1 (0 members and 1 guests)
 
Thread Tools
Display Modes

Posting Rules
You may not post new threads
You may not post replies
You may not post attachments
You may not edit your posts

BB code is On
Smilies are On
[IMG] code is On
HTML code is On



All times are GMT -5. The time now is 07:16 AM.



Powered by vBulletin® Version 3.8.7
Copyright ©2000 - 2018, vBulletin Solutions, Inc.
BanglaCricket.com
 

About Us | Contact Us | Privacy Policy | Partner Sites | Useful Links | Banners |

© BanglaCricket